ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নড়াইলের শেখহাটি ইউনিয়নের সার ডিলারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ


নড়াইলের শেখহাটি ইউনিয়নের সার ডিলারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের সার ডিলার রাফিউল খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আফরা বাজারে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে নতুন সার ডিলার রাফিউল খান বলেন, সরকারের নীতিমালা মেনে সঠিক প্রক্রিয়ায় শেখহাটি ইউনিয়নে সারের ডিলারশিপ পেয়েছি। অথচ, একটি মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আমার ডিলারশিপ নিয়ে অপপ্রচার করছেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিমূলক অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমাদের অঞ্চলটি ধান, পাট, রবিশষ্যসহ বিভিন্ন কৃষি ফসলে সমৃদ্ধ। কৃষকরা যাতে কোনো ধরণের সার সংকটের সম্মুখীন না হন, সেই ব্যাপারে সচেষ্ট থেকে সরকারের নিয়ম-নীতি মেনে কৃষকদের মাঝে সার বিক্রি করব। কিন্তু, একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
 
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত শেখহাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার ওলিয়ার রহমান বলেন, কৃষকবান্ধব সরকার শেখহাটি ইউনিয়নে রাফিউলকে সারের ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় এলাকার কৃষক তথা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। তার কাছ থেকে কৃষকরা কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই ন্যায্যমূল্যে সার পাবেন বলে আমাদের আশাবাদ।

ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম রেজা মাসুম গাজী বলেন, নতুন সার ডিলার রাফিউল খানকে নিয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাকে সার ডিলার দেওয়া হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, নতুন সার ডিলার রাফিউলকে নিয়ে অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে সারের ডিলারশিপ দেওয়ায় অত্র ইউনিয়নের কৃষকরা সহজ ভাবে সার কিনতে পারবেন। আগে অনেক দুর থেকে সার কিনতে গিয়ে কৃষকদের সময় ও অর্থের অপচয় হতো। #

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুফতি সনদ পাগরি গ্রহন করলেন তালাশ বিডি এর স্টাফ রিপোর্টার খায়রুল ইসলাম অশ্রুসিক্ত চোখে মাথায় সম্মানের পাগড়ি: ইলমের সুউচ্চ শিখরে মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


মুফতি সনদ পাগরি গ্রহন করলেন তালাশ বিডি এর স্টাফ রিপোর্টার খায়রুল ইসলাম অশ্রুসিক্ত চোখে মাথায় সম্মানের পাগড়ি: ইলমের সুউচ্চ শিখরে মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী

সম্মান ও জিম্মাদারির নূরানী পাগড়ি, হাতে অর্জনের সনদ ও স্মারক—এক আবেগঘন মুহূর্তে অশ্রুসিক্ত মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী!
স্বপ্নপূরণের মাহেন্দ্রক্ষণ: উত্তরার আকাশে তখন এক আধ্যাত্মিক আবহ
হৃদয়স্পর্শী এক অনাবিল অনুভূতি আর মহান রবের অশেষ মেহেরবানিতে সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো আজ। রাজধানীর উত্তরার মনোরম 'ড্রিম জেনারেশন হলে' অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দ্বীনি শিক্ষার উচ্চতর কেন্দ্র মারকাযুল উলুম আল ইসলামিয়্যা-এর ঐতিহাসিক ইফতা সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান।
ঈমানী আলোয় উদ্ভাসিত সেই মঞ্চে এক আবেগঘন মুহূর্তে মুফতি, সনদ, পাগড়ি ও সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন জনপ্রিয় দ্বীনি দাওয়াতী মুখ, ' বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী।
অশ্রুসিক্ত চোখে রবের দরবারে শুকরিয়া
ইফতার শিক্ষা জীবন শেষ করে কাঙ্ক্ষিত সেই সম্মাননা স্মারক, সম্মানসূচক পাগড়ি ও সনদ যখন তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছিল, তখন পুরো মিলনায়তনে নেমে আসে এক আধ্যাত্মিক নীরবতা। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, কন্টকাকীর্ণ পথচলা, রাত জেগে কিতাব অধ্যয়ন আর উস্তাদদের অক্লান্ত মেহনতের ফসল হিসেবে আজকের এই স্বীকৃতি।
পাগড়ি পরিধানের সেই মুহূর্তটিতে আবেগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল। মনে হচ্ছিল, এ যেন কেবল একটি সনদ বা পাগড়ি নয়—দ্বীনের বহুমুখী খিদমত এবং সমাজের দ্বীনি আমানত কাঁধে তুলে নেওয়ার এক মহান ঐশী পরওয়ানা!
"যে হাত কলম দিয়ে সত্যের সংবাদ তুলে ধরে, সেই হাত আজ উম্মাহর পথপ্রদর্শনের ইলমী সনদ গ্রহণ করল।"
কলম ও বয়ানে দ্বীনের পাহারাদার
মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদী দীর্ঘদিন ধরে তালাশ বিডি-র মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় অবদান রেখে আসছেন। একই সাথে যুক্তিবাদী ও প্রজ্ঞাপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে তিনি সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আজ ইফতা ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে তাঁর জ্ঞানের পরিধি ও মেধা উম্মাহর সেবায় আরও এক নতুন মাত্রায় উন্মোচিত হলো।
অনুষ্ঠান শেষে নবীন এই মুফতি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন, যেন জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সত্যের পক্ষে এবং দ্বীনের খেদমতে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে পারেন।
আল্লাহ তাআলা মুফতি খায়রুল ইসলাম যুক্তিবাদীর এই অর্জনকে কবুল করুন, তাঁর ইলমে ও আমলে বারাকাহ দান করুন এবং দ্বীনের প্রচার ও প্রসারে তাঁকে কবুল করে নিন। আমীন!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান: সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার কাউখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান: সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার সন্ধ্যা নদীর চিরাপাড়া মোহনা ও লঞ্চঘাট এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত জালের মধ্যে সাড়ে সাত হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল এবং এক হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল রয়েছে। উদ্ধার করা এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ জালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কাউখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,
"মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। বর্তমান প্রজনন মৌসুমে একটি মা ইলিশও যদি ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়, তবে তা ভবিষ্যতে আমাদের ইলিশের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন মৎস্যজীবী সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে ইলিশ শিকারে মেতে ওঠে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছি। আজকের অভিযানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের এই নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পুরো প্রজনন মৌসুমজুড়ে কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
অভিযানের বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাকসুর ক্রিড়া সম্পাদক নার্গিস পেলেন ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


রাকসুর ক্রিড়া সম্পাদক নার্গিস পেলেন ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬

ক্রীড়া উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং জাতীয় নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় মোছা. নার্গিস খাতুন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ ও অনুদান প্রদান’ অনুষ্ঠানে তিনি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নার্গিস খাতুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে নার্গিস খাতুন বলেন, "ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬-এর ক্রীড়া উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট গ্রহণ করা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং আনন্দের।"

তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের প্রতি এ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এর আগে, গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সামাজিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৫ জন তরুণকে ‘ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ দেওয়ার কথা জানান।

এছাড়াও তিনি নিবন্ধিত ৪৩২টি যুব সংগঠনকে ৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার প্রকল্পভিত্তিক অনুদান দেওয়ার কথাও জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূজায় ছোটবেলার স্মৃতি সামনে আনলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


পূজায় ছোটবেলার স্মৃতি সামনে আনলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী

ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। গোটা বাংলা উৎসবের আবহে মেতে উঠেছে। কলকাতা দুর্গাপূজার আনন্দে কোনো কমতি রাখতে নারাজ। তারকারাও এই কয়েক দিন আনন্দে মেতে ওঠেন। বাঙালির জন্য দুর্গাপূজা মানেই দেদার মজা করা, ঠাকুর দেখা, জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া করা এবং মন্দিরে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ। পূজার রুটিন তো এমনই।

টালিউডের তারকা দম্পতি কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজও ঠিক তেমনটিই বিশ্বাস করেন। কাজের পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতে তাদেরও ভালোবাসা রয়েছে। এবারের পূজার পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে জানালেন এই তারকা দম্পতি।

কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের কাছে চলতি বছরের পূজা ভীষণ স্পেশাল। কারণ, গত বছর তারা মেয়েকে নিয়ে ঘুরেছিলেন। এবার তাদের সঙ্গে রয়েছে ছেলে। তাই আনন্দও দ্বিগুণ! ছোট্ট ছেলের কথা বলতেই তারা একই স্বরে বলেন— ‘গদাইয়ের বয়স দুই মাস। ওকে নিয়ে বেরোনো যাবে না।’

কাঞ্চন বলেন, ‘তবে আমাদের মেয়ে ঠাকুর দেখতে খুব ভালোবাসে। ওকে প্যান্ডেলেও নিয়ে গেছি, কাঁধে চড়িয়ে ঠাকুরও দেখিয়েছি গত বছর।’ অন্যদিকে শ্রীময়ী বলেন, 'গত বছর মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলাম। এ বছরও একদিন নিয়ে যাব, দারুণ কাটবে আশা করি।' তিনি আরও বলেন, 'আমার গ্রামের বাড়িতে পূজা হয়। বাড়ির সবাই মুখে কাপড় বেঁধে ভোগ রান্না করেন। মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা হয়। সিঁদুর খেলা, ভাসানের সময়ে নাচ— সব মিলিয়ে দারুণ কাটে।'

ছোটবেলার স্মৃতির কথা মনে করে কাঞ্চন বলেন, ‘ছোটবেলায় পূজার সময়ে অপেক্ষা করে থাকতাম— কোন মামা কোন কাকা কী জামা দেবেন, সে অপেক্ষা। দেখতাম ১০টা জামা হচ্ছে কিনা। আর মায়ের হাত ধরে পূজার মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরতাম। সেই সঙ্গে মেলায় মোগলাই পরোটা দিয়ে কষা মাংস খেতাম। এই ছিল আমার আনন্দ।

তিনি আরও বলেন, 'এরপর যখন নিজে পাড়ার পূজার সঙ্গে যুক্ত হলাম, তখন আলাদাই উচ্ছ্বাস। গলায় ক্লাবের নাম লেখা কার্ড ঝুলিয়ে ভলান্টিয়ার হয়ে ভিড় সামলানোর মধ্যে একটা অন্য রকমের মজা ছিল।’

পূজায় প্রেম হয়েছে কখনো?—এমন প্রশ্নের উত্তরে এ কৌতুক অভিনেতা বলেন, ‘কেউ আমার প্রেমে পড়েনি কোনো দিন, কেউ না। কেউ না মানে কেউ-ই না।

তিনি বলেন, দশমীর দিন প্রণাম করা, কোলাকুলি করা— আহা কী সব দিন কেটেছে! ওই দিন আবার এখন খুব স্পেশাল হয়েছে, বিশেষ করে শ্রীময়ীর জন্য। সিঁদুর খেলতে পারলে কথা বন্ধ রাখে!’

শ্রীময়ীর আবার ছোটবেলায় পূজা কেটেছে খানিক কঠোরভাবেই। তার রাত জেগে ঠাকুর দেখার সুযোগ ছিল না। শ্রীময়ী বলেন, ‘বাবার সঙ্গে একদিনই সারারাত ঘুরতে যেতাম। আমি বন্ধুদের হয়ে প্রেমের চিঠি বিলাতাম। চতুর্থীতে প্রেম হতো, আর দশমীতে কেটে যেত।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি উত্তর কলকাতায় থাকতাম। পূজায় কেউ দেখে নেবে ভেবে আমি আর প্রেম করার ঝুঁকি নিইনি। আর আমার খুব পছন্দের নাগরদোলা, মেলায় গিয়ে সেটায় চড়তাম।'

কথা থামিয়েই কাঞ্চন বলেন, আমার কাছে নাগরদোলা মানে ‘ট্রমা’। একবার এক কাকিমাকে চেপে ধরেছিলাম ভয়ে, একটুর জন্য চড় খাওয়া থেকে বেঁচেছি।

শ্রীময়ীর পছন্দের দিন দশমী। কারণ সিঁদুরখেলা তার বড্ড প্রিয়। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি সিঁদুর খেলতে খুব ভালোবাসি। বিয়ের পর তা আরও প্রিয় হয়েছে। আগে তো ফটোশুট করার জন্য খেলতাম। এখন আমি মনে করি, শাঁখাপলা আর সিঁদুর যে কোনো নারীর শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার। আগে কাঞ্চন আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করত, এখন অবশ্য মেয়ে করে।

শ্রীময়ীর কাছে পূজা মানেই ‘নো ডায়েট’। তিনি বলেন, ‘আমরা চতুর্থী থেকে রেস্তোরাঁয় খাই। পোলাও-মাটন তো অবশ্যই থাকে তালিকায়, শুধু অষ্টমীর দিন নিরামিষ খাই। তাই খিচুড়ি ভোগ আর তার সঙ্গে লাবড়া থাকতেই হবে।'

দশমীর কথায় কাঞ্চন বলেন, ‘আমার দশমীর দিন মনটা খারাপ হয়ে যায়। কারণ আমি ৩৬৫ দিন অপেক্ষা করি পূজার জন্য। দশমীর রেশ কাটতে না কাটতেই আবার দিন গুনি পরের বছর পূজার। এবারেও তার অন্যথা হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%