বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:১৬ পি.এম
তুরস্কে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার পথে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নজিরবিহীন কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিনি প্রধান প্রেসিডেনশিয়াল বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ানে’ না উঠে, বিমানবন্দরের ক্যাটারিং কনটেইনারের ভিতরে লুকিয়ে এক গোপন ছোট সামরিক বিমানটিতে চড়ে বসেন।
অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক ও নিরাপত্তাকর্মীদের অজান্তেই মূল বিমানটিকে ‘ডিকয়’ বা ফাঁদ হিসেবে আগে থেকে আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হয়।
৮ জুলাই ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ফ্লাইটের ঠিক আগমুহূর্তে বিমানে থাকা সাংবাদিকদের জানালাগুলো বন্ধ করে দেওয়া বা পর্দা টেনে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানাতে বলেন, ‘আমাদের যেসব শয়তানদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, সে কারণে আপনারা সম্ভবত বিপজ্জনক এক ফ্লাইটে আছেন।’
এরপর তিনি ঠাট্টা করে বলেন, ‘আমি গেলে তো আপনারাও যাবেন, তাই না? হয়তো ভবিষ্যতে আপনারা পেশা বদল করার কথা ভাববেন।’
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরানের সম্ভাব্য হামলার হুমকি থেকে ট্রাম্পকে এভাবে গোপন কৌশলে অন্য বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়। দুই মার্কিন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ট্রাম্পের প্রেসিডেনশিয়াল বিমানটি লক্ষ্য করে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য (সারফেস-টু-এয়ার) ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সুনির্দিষ্ট আশঙ্কা ছিল। এছাড়া ন্যাটো সম্মেলনের আশপাশে কাঁধে রেখে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ (শোল্ডার-ফায়ারড মিসাইল) এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি ছিলেন বলেও গোয়েন্দারা তথ্য পেয়ে জানান।
ভিডিও এবং ছবিতে দেখা যায়, ক্যামেরার সামনে স্বাভাবিকভাবে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠেন ট্রাম্প। বিমানটির সামনে এবং পেছনে হাইড্রোলিক লিফটে খাবারের কনটেইনার তোলা হচ্ছিল। বিমানে প্রবেশের পরপরই কৌশল বদলে ফেলেন ট্রাম্প। তিনি দ্রুত একটি কার্গো কনটেইনারের মধ্যে ঢুকে পড়েন এবং সেখান থেকে তাকে পাশের একটি ছোট বিমান বাহিনীর বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রেসিডেনশিয়াল বিমানের পৃথক অংশে থাকা প্রায় এক ডজন সাংবাদিক ট্রাম্পের এই বিমান বদলের খবর ঘুণাক্ষরেও টের পাননি। মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধাবস্থায় থাকা ইরানের এই প্রত্যক্ষ হুমকির মধ্যে তারা ‘ডিকয়’ বিমানে করে তুরস্ক ত্যাগ করেন।
তবে সাংবাদিকদের চরম ঝুঁকিতে ফেলে আসার এই অভিযোগ কানেই তোলেননি ট্রাম্প। পরবর্তীতে এক মন্তব্যে পুরো বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানান, ‘প্রকৃতপক্ষে আমি যে বিমানে ফিরেছি, সেটিতেই ঝুঁকি বেশি ছিল।’ তবে ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়ে, নিজের চিরচেনা ভঙ্গিতে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি কোনো কিছু নিয়েই পরোয়া করি না। যা হওয়ার হবে!’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি শুক্রবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে শুরু হচ্ছে ‘সুপার সেল কার বাজার’। দেশের অটোমোবাইল খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরির লক্ষ্যে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।
এই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আইসিসিবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় গাড়ি ও মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড, ডিলার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং অটোমোবাইল-সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
ক্রেতারা এই উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি-মোটরসাইকেল কেনাবেচার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সেবা ও আর্থিক সুবিধার ব্যাপারে তথ্য জানতে পারবেন।
আয়োজকদের মতে, দেশে অটোমোবাইলের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য একটি নিয়মিত, সুশৃঙ্খল ও নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন রয়েছে। ‘সুপার সেল কার বাজার’ সেই প্রয়োজন পূরণকে লক্ষ্য করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সময়, এটি অটোমোবাইল ব্যবসায়ী, ক্রেতা এবং সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান, ফেয়ার গ্রুপের হেড অব গ্রুপ মার্কেটিং তাসলিম কবির, বিওয়াইডি বাংলাদেশের হেড অব ক্যাটাগরি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং ইমতিয়াজ নওশের, ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশন মো. ওয়াহেদ ইবনে শাহেদ, চেরি বাংলাদেশের হেড অব সেলস আবু নাসের মাহমুদ, উইজার্ড শোবিজের চেয়ারম্যান মো. ফয়েজ উল্লাহ, সিইও আরিফুজ্জামান রাসেল এবং আইসিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দীনসহ অটোমোবাইল খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এই সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন গাড়ি ও মোটরসাইকেল কমিউনিটির প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের অটোমোবাইল বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি নিয়মিত ও আধুনিক মার্কেটপ্লেসের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। ‘সুপার সেল কার বাজার’ সেই চাহিদা পূর্ণ করতে একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।
ক্রেতারা এই আয়োজনে এক জায়গায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের যানবাহন সম্পর্কে জানার এবং তুলনা করার সুযোগ পাবেন। বিক্রেতারাও সরাসরি সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হবেন।
সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞ এবং কার ও বাইক কমিউনিটির প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগটির প্রশংসা করেন। তারা এটিকে দেশের অটোমোবাইল ইকোসিস্টেমের জন্য একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। আয়োজকরা জানান, ‘সুপার সেল কার বাজার’ আয়োজন করছে উইজার্ড শোবিজ এবং ভেন্যু পার্টনার হিসেবে রয়েছে আইসিসিবি। প্রতি শুক্রবার অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ডিলারশিপ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অটোমোবাইল-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। পাশাপাশি, ব্যক্তি মালিকানাধীন নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি এবং মোটরসাইকেল বিশেষ ছাড়ে কেনাবেচার সুযোগ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ দেশের ক্রিকেটের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার হিসেবে ঘরেরবাজারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করেছেন।
মাহমুদউল্লাহ ঘরেরবাজারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডগুলো যেমন স্বস্তি, হানিরাজ, খেজুরি, গ্লারভেস্ট ও ইসলামিক লাইফস্টাইল ফ্যাশন ব্র্যান্ড তাবায়ার ক্যাম্পেইন, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং প্রচারণামূলক কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন। এই ঘোষণা গত ১১ আগস্ট ঘরেরবাজারের বনশ্রী প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হয়।
এসময় মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঘরেরবাজার প্রতিষ্ঠানের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে তিনি ঘরেরবাজারের ব্র্যান্ড তাবায়ার থোব এবং পাঞ্জাবি পরেও দেখেন।
অর্গানিক ও সেইফ ফুড ব্র্যান্ড ঘরেরবাজার মানসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যপণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটির পণ্য তালিকায় দেশীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাছাই করা খাদ্যপণ্যও রয়েছে।
নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মাহমুদউল্লাহকে যুক্ত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের পণ্য ও ব্র্যান্ডের গল্প আরও বিস্তৃত পরিসরে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চায়।
দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও দায়িত্বশীলতার জন্য মাহমুদউল্লাহ পরিচিত। ঘরেরবাজারের মতে, তার এই অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠানটির মান ও আস্থাকে গুরুত্ব দেওয়ার ভাবনার সঙ্গে মিলে যায়।
এ ব্যাপারে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেছেন, "ঘরেরবাজার বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড, তাদের প্রতি আমার আস্থা আছে। ইনশাআল্লাহ এই অংশীদারিত্ব থেকে ভবিষ্যতে ভালো কিছু বের হয়ে আসবে।”
ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে ঘরেরবাজারের পরবর্তী ক্যাম্পেইন ও ডিজিটাল কনটেন্ট কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হবে। নতুন এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও পণ্যের কার্যক্রমকে আরও বড় পরিসরে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ঘরেরবাজার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উঠছে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত সচিব কমিটি খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করেছে।
অর্থ বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে আগামী সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়া উপস্থাপন করবে।
প্রস্তাবনায়, নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বাড়বে না, কিছুটা কমবেশি হতে পারে। উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি বাড়ানো হবে বলে জানা গেছে।
গতকাল বুধবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবনাটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য নীতিগতভাবে চূড়ান্ত হয়।
খসড়া অনুসারে, চলতি বছরের জুলাই থেকে নবম পে স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন কার্যকর ধরা হবে। ধাপে ধাপে এর বাস্তবায়ন ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হবে।
কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবনা কাটছাট করতে পারে মন্ত্রিপরিষদ।
এ ছাড়া কত ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে মন্ত্রিপরিষদ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত করতে গিয়ে বিচার বিভাগ সংক্রান্ত কিছু জটিলতা দেখা দেয়। জটিলতা নিরসনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ে কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মারা গেছেন।
ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এমন খবর জানিয়ে তার ছোট ভাই তৌফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রফিকুল ইসলাম চাঁদপুর-২ আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বাদ জুমা ঢাকার এয়ারফোর্স মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার দাফন সম্পন্ন করা হবে।
মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার বাইশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সারগোদা কলেজে শিক্ষাজীবন শেষ করে ১৯৭১ সালে কমিশন লাভের মাধ্যমে তার সামরিক জীবনের সূচনা হয়।
তিনি সামরিক জীবনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের ৪ জুন থেকে ২০০২ সালের ৭ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি বিমানবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ