ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরা জালে উঠে আসা ‘জলজ ড্রোন’ থানায় হস্তান্তর


বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরা জালে উঠে আসা ‘জলজ ড্রোন’ থানায় হস্তান্তর

বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের জালে ধরা পড়া একটি নজরদারি জলজ ড্রোন সম্পর্কে খবর পাওয়া গেছে। পরে ড্রোনটি পাথরঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গত ৩১ মে রোববার সন্ধ্যায় বলেশ্বর নদী ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে জেলেরা ইলিশ মাছ শিকারের সময় জালের মধ্যে ড্রোনটি আটকা পড়ে। পরে সোমবার (১ জুন) দুপুরে জেলেরা ওই ড্রোনটি পাথরঘাটা থানায় হস্তান্তর করে।

পুলিশ ও জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় বলেশ্বর নদী ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে মাছ শিকারের জন্য জেলেরা উপস্থিত ছিলেন। তখন জাল টেনে তোলার সময় এক লাল রঙের যান্ত্রিক বস্তু জালের মধ্যে পেঁচানো অবস্থায় তাদের কাছে আসে। এ সময় বস্তুটির মধ্যে তারের সংযোগসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দেখে তারা ভীত হয়ে পড়েন এবং মিসাইল অথবা বোমা সাদৃশ্য কিছু মনে করেন। এরপর সোমবার পাথরঘাটা থানায় জেলেরা ওই ড্রোনটি হস্তান্তর করেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোংলার পথে যাত্রা শুরু, স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়

মিরাজ হাওলাদার নামের একজন জেলে জানান, ‘জালে পেঁচিয়ে মিসাইলের মতো একটি বস্তু উঠে এসেছে। জালে পেঁচানোর কারণে বস্তুটির কিছু অংশ ভেঙে গেছে। পরে বস্তুটি আমরা পাথরঘাটা থানায় হস্তান্তর করেছি।’

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) শোহান বলেন, ‘বস্তুটি এখন আমাদের হেফাজতে আছে। বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলায় তোফায়েল আহমেদের জানাজা সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


ভোলায় তোফায়েল আহমেদের জানাজা সম্পন্ন

ভোলায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায়, ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার অনুষ্ঠানের পূর্বে, তাকে রাষ্ট্রীয় গার্ড অনারের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এর আগে, দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টরটি তার নিজ গ্রামে অবতরণ করে। পরে, তার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময়, তোফায়েল আহমেদকে বহনকারী হেলিকপ্টার ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী, স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীরা হেলিপ্যাডে ভিড় জমায়।

কোড়ালিয়া গ্রামে তার নিজ বাড়ির মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে। এর আগে, সোমবার (১ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টায়, তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর সময়, তার বয়স ছিল ৮২ বছর। তিনি এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহীকে রেখে গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দেশে ৪১ প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হবে ‘রকস্টার’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


তিন দেশে ৪১ প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হবে ‘রকস্টার’

দেশে ঈদে মুক্তির পর এবার আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে আসছে শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘রকস্টার’। সিনেমাটি আগামী ৫ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের মোট ৪১টি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছবিটির আন্তর্জাতিক পরিবেশক প্রতিষ্ঠান স্বপ্ন স্কয়ারকোর কর্ণধার সজীব সপ্তক। তার দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০টি, কানাডায় ৭টি এবং যুক্তরাজ্যে ৪টি প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে।

পরিবেশনা সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে এএমসির ১৯টি, রিগালের ৭টি, সিনেমার্কের ২টি এবং শোকেসের ২টি স্ক্রিনে সিনেমাটি দেখানো হবে। একইভাবে কানাডার সিনেপ্লেক্সে ৭টি এবং যুক্তরাজ্যের সিনেওয়ার্ল্ডের ৪টি স্ক্রিনেও ছবিটি প্রদর্শিত হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, হলিউডের ব্যস্ত ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে প্রথম সপ্তাহেই এতগুলো প্রেক্ষাগৃহ পেতে পারা সিনেমাটির জন্য বড় একটি অর্জন। তারা আরও আশা করছেন, যদি দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক হয়, তবে পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে নতুন নতুন প্রেক্ষাগৃহ যোগ হতে পারে।

এদিকে, ঈদের দিন থেকে দেশের ১০৩টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘রকস্টার’। আজমান রুশো পরিচালিত এই সিনেমায় একজন রকস্টারের উত্থান, জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছানো, ব্যক্তিগত জীবনের নানান সংকট এবং পতনের গল্প বলা হয়েছে।

এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান। এছাড়াও সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংকটের মাঝেও তুরুপের তাস ধরে রেখেছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


সংকটের মাঝেও তুরুপের তাস ধরে রেখেছে ইরান

 

চলমান উত্তেজনার মধ্যে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে ইরান এখনো সব ‘বিজয়ী তাস’ প্রকাশ করেনি। দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন যে প্রয়োজন হলে শত্রুদের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী সক্ষমতা ব্যবহারের প্রস্তুতি রয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম প্রেস টিভি মতে, সম্প্রতি পশ্চিমা গণমাধ্যম ও মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই দাবির প্রতিক্রিয়ায় খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের উপ-পরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাফর আসাদি বলেন, ‘আমরা বহুবার বলেছি যে আমাদের সব জয়ী তাস এখনো প্রকাশ করা হয়নি। প্রয়োজন হলে আরও অনেক তাস ব্যবহার করা হবে।’

ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের অবস্থা সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি জানান, দেশটির সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন ও সশস্ত্র বাহিনীকে সমর্থন দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ গোপন রক্ষা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে শত্রুরা এসব স্থাপনার অবস্থান সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানে না।

তিনি ইরানের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে দেশটির জনগণকে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পারমাণবিক বোমার প্রয়োজন নেই। আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো জনগণ, যারা দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তায় ও জনসমাগমস্থলে উপস্থিত থেকে নিজেদের অবস্থান প্রমাণ করেছে।’

ন্যাটো ও পশ্চিমা দেশগুলোর হুমকির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইসলামি বিপ্লবের বিজয়ের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তবে অতীতে বিভিন্ন সংঘাতে তারা সফল হয়নি এবং ভবিষ্যতেও ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে তারা পরাজয়ের মুখে পড়বে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নেওয়ার’ হুমকির জবাবে আসাদি বলেন, ‘আমাদের হাতে কিছু না থাকলেও আমরা পাথর দিয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়ব। কারণ আমরা কখনো আত্মসমর্পণ করব না।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানের সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ নিশ্চিত করা, কিন্তু ইরানি জাতি কখনো তা মেনে নেবে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘চলমান আলোচনা দেশের অর্থনৈতিক ও জীবনযাত্রার সমস্যার সমাধান করবে না।’

আসাদি দাবি করেন, ‘যখন আত্মসমর্পণ প্রশ্নের বাইরে, তখন যুদ্ধের সম্ভাবনা সামনে আসে। আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং এতে আমাদের কোনো ভয় নেই। এমনকি ন্যাটোও যদি এই সংঘাতে যুক্ত হয়, তবুও আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।’

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা বারবার দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে লিচু চাষিদের ঘরে আসবে ৩০০ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


রংপুরে লিচু চাষিদের ঘরে আসবে ৩০০ কোটি টাকা

একেবারে অতীতে লিচু বলতে শুধু দিনাজপুরের লিচুকেই বোঝানো হতো। তবে গত কিছু বছর ধরে, হাঁড়িভাঙা আমের সাথে সাথে লিচু উৎপাদনে রংপুরের কৃষকেরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎপাদিত লিচু স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। বাজারে আসা লিচুর প্রায় ৯৫ শতাংশই রংপুরের উৎপাদিত, এটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরারা।

দিনাজপুরের লিচু এখনও পুরোপুরি বাজারে না আসার কারণে বর্তমানে রংপুরের লিচুর চাহিদা তুঙ্গে অবস্থানে রয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে নগরীর সিটি বাজার ও আশপাশের এলাকায় পাইকারি ও খুচরা লিচুর জমজমাট বেচাকেনা চলমান অবস্থায় রয়েছে। এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রায় একশ জন ব্যবসায়ী। বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে হাড়িয়া ও মাদ্রাজি জাতের লিচু।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানানো হয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮২৭ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে ১০ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন উৎপাদন হওয়ার ফলে মোট উৎপাদন দাঁড়াচ্ছে ৮ হাজার ৬৬ মেট্রিক টন। এর সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা।

রংপুরে উৎপাদিত প্রধান লিচুর জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে হাড়িয়া, চায়না-২, চায়না-৩ এবং মাদ্রাজি। এর মধ্যে হাড়িয়া ও মাদ্রাজি জাতের লিচুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “রংপুরে প্রতিবছর লিচুর উৎপাদন বাড়ছে। অনেক কৃষক এখন আমের বাগানের মতো লিচুর বাগান গড়ে তুলে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।”

এক পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দুস মিয়া জানান, তারাগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রচুর লিচু উৎপাদন করা হচ্ছে। তারা সরাসরি বাগান থেকে লিচু কিনে পাইকারি বাজারে বিক্রি করছেন। বর্তমানে প্রতি হাজার লিচু আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, “দিনাজপুরের লিচু এখনও বাজারে আসেনি। তাই দিনাজপুরের লিচু বাজারে ওঠার আগ পর্যন্ত রংপুরের লিচুর বিক্রি বেশ ভালো হচ্ছে।”

বাংলা একাডেমির সহপরিচালক ও বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না মন্তব্য করেন, “বাজারে টকটকে লাল রঙের লিচু কিনতে গিয়ে অনেকেই প্রতারিত হচ্ছেন। ভালো লিচু শুধু গাঢ় লাল হয় না, বরং লাল ও সবুজের মিশ্রণযুক্ত লিচু সাধারণত বেশি সুস্বাদু হয়। অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিম রঙ ব্যবহার করে লিচুকে আকর্ষণীয় করা হয়। তাই কেনার আগে লিচুর রঙ ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত।”

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও বায়োকেমিস্ট ডা. মোস্তারী বেগম মিতা বলেন, “লিচুর মৌসুমে শিশুদের বিষয়ে অভিভাবকদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। শিশুরা একা একা লিচু খেতে গিয়ে বিচি গলায় আটকে ফেলতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত লিচু খেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুরা খালি পেটে বেশি লিচু খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে যেতে পারে, যা মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%