ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বেলুচিস্তানে ৮ দিনে ২৬ পাকিস্তানি সেনা নিহতের দাবি বিএলএর


বেলুচিস্তানে ৮ দিনে ২৬ পাকিস্তানি সেনা নিহতের দাবি বিএলএর

অশান্ত বেলুচিস্তান প্রদেশ, এটি পাকিস্তানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। প্রদেশটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)-এর একের পর এক ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনায় অন্তত ২৬ জন পাকিস্তানি সামরিক এবং সরকার সমর্থিত বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে সামরিক বাহিনী ও সরকারি বাহিনীর সদস্যরা হতাহত হয়েছেন। গত ৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত, মাত্র আট দিনের ব্যবধানে, প্রদেশজুড়ে মোট ২২টি পৃথক হামলার মাধ্যমে এই সংগঠনটি বিপুল সংখ্যক হতাহত দাবি করেছে।

সংবাদমাধ্যম দ্য বেলুচিস্তান পোস্টের (টিবিপি) একটি প্রতিবেদনে এ বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।

বিএলএ’র মুখপাত্র জীয়ান্দ বেলুচের দেওয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে এসব প্রাণঘাতী হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর পাকিস্তানের সেনা বা সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: লাপিদ: মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে নেতানিয়াহু এখন বিষাক্ত

টিবিপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ আগস্ট চাগাইয়ের কোয়েটা-তাফতান বাণিজ্য সড়ক থেকে তিনটি বাণিজ্যিক গাড়ি জব্দ করে বিএলএ’র যোদ্ধারা এই সিরিজ অভিযান শুরু করে। একই দিনে কোয়েটার কামব্রানি রোডে 'ইগল স্কোয়াড' বিশেষ পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের বন্দি করে তাদের সমস্ত অস্ত্র ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

বিএলএ’র হামলার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সেনাবহরগুলো। উল্লেখ্য, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বেলুচিস্তান জুড়ে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। ওয়াশিংটন ২০২৫ সালে বিএলএ-কে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

পাকিস্তানি গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২০২৫ সালেই বেলুচিস্তানে সহিংস ঘটনায় অন্তত ৯৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

আরও পড়ুন: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান যুদ্ধ চালাতে ইরানকে নতুন অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ার আহ্বান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সোনার খনি ধসে নিহত ৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সোনার খনি ধসে নিহত ৩০

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের পশ্চিমাঞ্চলে, একটি সোনার খনি ধসে পরার কারণে অন্তত ৩০ জন শ্রমিক মারা গেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে, দেশটির নানা-মাম্বেরে প্রিফেকচারের আব্বা অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী ও অপ্রচলিত পদ্ধতির এই খনিটি ধসে পড়ার বিষয়টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার পর থেকে, উদ্ধারকারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর ধসে পড়া খনি থেকে ৩০টি লাশ উদ্ধার করেছেন। আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দেখা যায়, কাদা ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে বিশৃঙ্খলভাবে লাশ বের করছেন স্থানীয় শ্রমিকেরা। উপ-প্রশাসনিক অঞ্চলের উপ-মেয়র সুলেমান বি এ দুর্ঘটনাকে ভয়াবহ আখ্যা দিয়ে, আটকে পড়াদের উদ্ধার করার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে জরুরি সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

বেঁচে থাকা একজন খনি শ্রমিক ফ্লোরিয়ান গাগুয়েন্ডে বলেন, খনির গভীরে আরও অনেকেই আটকা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সময় বয়ে যাওয়ার সঙ্গে, তাদের জীবিত উদ্ধারের আশা কমে যাচ্ছে। ঘটনার বিষয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করে সরকারি মুখপাত্র এভারিস্ট এনগামানা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সরকার কাজ করছে।

উল্লেখ্য, পর্যাপ্ত সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়া ক্ষুদ্র ও অপরিকল্পিতভাবে খনি খননের কারণে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে প্রায়ই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

আগুন লাগার সময় হোটেলে ঘুমে ছিলেন অধিকাংশ মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


আগুন লাগার সময় হোটেলে ঘুমে ছিলেন অধিকাংশ মানুষ

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি বহুতল ভবনের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নয়জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন মহিলা এবং একজন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতের সময় ভবনটির তৃতীয় তলায় অবস্থিত একটি হোটেল থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, এনডিটিভি জানিয়েছে, নিহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন। তবে, তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আগুনের সময় হোটেলের অধিকাংশ অতিথি ঘুমাচ্ছিলেন।

আরো পড়ুন, দমকল সদর দপ্তরের পাশের ওই হোটেলে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা উপস্থিত ছিল না।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে হোটেলের এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের উৎপত্তি হতে পারে। তবে, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে জানা যাচ্ছে যে ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েছেন।

তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, গত ১৭ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে একটি হোটেলে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে আটজন নিহত হয়েছিল। ওই সময়েও অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরির দাম কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৫ এম


দেশের বাজারে আজ সোনার ভরির দাম কত?

বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকায়। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম দেড় লাখ টাকার বেশি। পাশাপাশি, ভালো মানের রুপার গহনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকার ওপরে।

দেশে সোনা এবং রূপা দর নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১৫ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে সোনা ও রুপার নতুন দাম কার্যকর করেছে। বাজুস নতুন কোনো দাম ঘোষণা না করা পর্যন্ত দেশের বাজারে এই দরেই সোনা ও রুপার গহনা বিক্রি হবে।

বাজুসের নির্ধারিত দর অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে রুপার বাজারেও নির্ধারিত দামে গহনা বিক্রি হচ্ছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৫৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের নতুন ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের বাজারে সোনা ও রুপার গহনা এই দামেই বিক্রি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭৫ দেশের হজ দপ্তরের সঙ্গে সৌদির বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৮ এম


৭৫ দেশের হজ দপ্তরের সঙ্গে সৌদির বৈঠক

১৪৪৮ হিজরির পবিত্র হজ মৌসুম সামনে রেখে, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে।

তারই অংশ হিসেবে বিশ্বের ৭৫টিরও বেশি দেশের হজবিষয়ক দপ্তরের সঙ্গে ধারাবাহিক প্রস্তুতিমূলক বৈঠক তারা শুরু করেছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৪৪৮ হিজরির হজ মৌসুমের প্রাথমিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এসব বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর হজবিষয়ক দপ্তর এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরো জোরদার করা এবং আগেভাগেই বিভিন্ন প্রস্তুতি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকগুলোতে আসন্ন হজ মৌসুমের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের হজবিষয়ক দপ্তরের কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা করা, হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ও বিধি-বিধান তুলে ধরা এবং বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট হজ দপ্তরগুলোর চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কাজও করা হচ্ছে।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বলেছে, আল্লাহর মেহমানদের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করা এবং তাদের পবিত্র সফরকে সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করাই এসব প্রস্তুতির মূল লক্ষ্য। সৌদি নেতৃত্বের নির্দেশনা এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য সামনে রেখে, ‘আল্লাহর মেহমান সেবা কর্মসূচি’র উদ্দেশ্য বাস্তবায়নেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, হজ শুরু হওয়ার অনেক আগেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে, যাতে হাজিদের সৌদি আরবে আগমন থেকে শুরু করে মক্কা-মদিনায় অবস্থান, পরিবহন, আবাসন ও অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য জটিলতা কমিয়ে আনা যায়।

সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, আগাম পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বিত প্রস্তুতির ফলে ১৪৪৮ হিজরির হজ মৌসুমে সেবার মান আরো উন্নত হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে আসা আল্লাহর মেহমানরা যেন অধিক স্বাচ্ছন্দ্য, প্রশান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারেন, এবং তাঁদের আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা যেন আরো সমৃদ্ধ হয়—এটাই হবে এবারের প্রস্তুতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

সূত্র : সৌদি প্রেস এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%