প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অশান্ত বেলুচিস্তান প্রদেশ, এটি পাকিস্তানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। প্রদেশটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)-এর একের পর এক ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনায় অন্তত ২৬ জন পাকিস্তানি সামরিক এবং সরকার সমর্থিত বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে সামরিক বাহিনী ও সরকারি বাহিনীর সদস্যরা হতাহত হয়েছেন। গত ৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত, মাত্র আট দিনের ব্যবধানে, প্রদেশজুড়ে মোট ২২টি পৃথক হামলার মাধ্যমে এই সংগঠনটি বিপুল সংখ্যক হতাহত দাবি করেছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য বেলুচিস্তান পোস্টের (টিবিপি) একটি প্রতিবেদনে এ বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএলএ’র মুখপাত্র জীয়ান্দ বেলুচের দেওয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে এসব প্রাণঘাতী হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর পাকিস্তানের সেনা বা সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
টিবিপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ আগস্ট চাগাইয়ের কোয়েটা-তাফতান বাণিজ্য সড়ক থেকে তিনটি বাণিজ্যিক গাড়ি জব্দ করে বিএলএ’র যোদ্ধারা এই সিরিজ অভিযান শুরু করে। একই দিনে কোয়েটার কামব্রানি রোডে 'ইগল স্কোয়াড' বিশেষ পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের বন্দি করে তাদের সমস্ত অস্ত্র ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
বিএলএ’র হামলার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সেনাবহরগুলো। উল্লেখ্য, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বেলুচিস্তান জুড়ে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। ওয়াশিংটন ২০২৫ সালে বিএলএ-কে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
পাকিস্তানি গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২০২৫ সালেই বেলুচিস্তানে সহিংস ঘটনায় অন্তত ৯৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন