১০:৪৬ এম
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবন ‘সিআইটিআইসি টাওয়ার’-এ একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর চার দিন পার হয়ে গেলেও, দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি। বিমানের পাইলট নিহত হয়েছেন এবং ১৩ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
দেশটির সরকারি দল কমিউনিস্ট পার্টির সদর দপ্তরের কাছাকাছি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটার ফলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনার পর থেকে চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘বেইজিং ডেইলি’-তে মাত্র ৬০ শব্দের একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি ছাড়া আর কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
দুর্ঘটনার পর ১০৯ তলাবিশিষ্ট ওই ভবনে যে গর্ত তৈরি হয়েছে, সেটি কাঠের তক্তা দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট থেকে এই ঘটনার সব ভিডিও ফুটেজ খুব দ্রুত মুছে ফেলা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স
এমনকি ভবনটির সাধারণ ছবি বা মিমও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া, বেইজিংয়ের তিনটি বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের বিমান চলাচল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে।
বেইজিংয়ের রাজনৈতিক কেন্দ্রস্থলের ওপর ১০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সাধারণ বিমান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে। এত কঠোর নিরাপত্তা ও আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকার পরও কিভাবে একটি বিমান শহরের ভেতরে ঢুকে পড়ল, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের শীর্ষ নেতাদের থাকার জায়গার এত কাছাকাছি একটি বিমান চলে আসা বড় ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি। এটি সরকারের জন্য একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এখনো নিশ্চিত নয় যে, এটি পাইলটের ভুল নাকি যান্ত্রিক ত্রুটি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেকে এই ঘটনাকে ১৯৮৭ সালে মস্কোর রেড স্কোয়ারে এক জার্মান পাইলটের বিনা অনুমতিতে বিমান নামানোর ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা করছেন। সেই ঘটনার পর রাশিয়ার বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন