১১:১৩ পি.এম
মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেন, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ‘সোনার বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু রাজ্যে ক্ষমতা গ্রহণের পর বিজেপি সেই বাংলাকে ‘কারাগারে’ পরিণত করেছে।
তিনি এ অভিযোগ করেছেন যখন তিনি মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভে দলীয় কর্মী-সমর্থক ও জনসাধারণের উদ্দেশে বার্তা প্রদান করেন।
মমতা জানান, ‘এটা খুবই দুঃখের ব্যাপার যে আমাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা দায়ের করা হয়েছে। তারা জানে না তাদের কী অপরাধ।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সবাই এখন কারাগারে। বাংলাটাকে একটা কারাগারে পরিণত করে দিয়েছে। কোথায় গেলো আমার সোনার বাংলা? কোথায় আমাদের মা-মাটি-মানুষের বাংলা? কোথায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নজরুল ইসলাম, বিদ্যাসাগরের বাংলা? কোথায় সম্প্রীতির বাংলা? সংস্কৃতির বাংলা? ক্ষমতায় এসেই তারা সব গৈরিকীকরণ করছে।’
আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে গুলিতে দুই ইসরাইলি সেনা নিহত, প্রতিরোধ গোষ্ঠীর প্রশংসা
মমতা জনগণনার উদ্বেগও প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘জনগণনার কাজ শুরু হয়েছে অথচ কোনো রাজনৈতিক দলকে যুক্ত করা হয়নি। অন্তত তৃণমূলকে তো করাই হয়নি।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, জনগণনায় কার নাম থাকতে পারে এবং কার নাম বাদ পড়তে পারে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
মমতা বিচার পাওয়ার আশা করেছিলেন কিন্তু বলেন, ‘বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে।’ তিনি গণআন্দোলন ও সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন, বলেন ‘সবাইকে একজোট হয়ে লড়াই করার দরকার।’
বিজেপিকে নিশানা করে মমতা আরও বলেন, ‘বিজেপির কয়েকজন আছে যারা দেশকে চেনে না, বাংলাকে চেনে না, তারা আজ দেশনায়ক নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুকে অসম্মান করছে।’ তিনি নেতাজির জয় হিন্দ স্লোগান তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘আজকের দিনে রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে?’
মমতা শিক্ষানবিসদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সৃষ্টি করার আহ্বান জানান এবং প্রশ্ন করেন, ‘বাংলা কি বাংলা থেকে হারিয়ে যাবে?’ বিজেপি সরকারের প্রতিশ্রুতির বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, ‘ক্ষমতায় আসার আগে বিজেপি সরকার অনেক কথা বলেছিল কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর জোর করে পঞ্চায়েত, পৌরসভা জেলা পরিষদ দখল করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার মণ্ডপে বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন