ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মানিকগঞ্জে নকল আইসক্রিম কারখানায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা


মানিকগঞ্জে নকল আইসক্রিম কারখানায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চর সাটুরিয়া এলাকায় একটি নকল আইসক্রিম প্রস্তুতকারী কারখানা ‘মিল্ক মিঠা’-তে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেলের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানের সময় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ব্যবহার করছে। এছাড়া তারা ক্ষতিকর রং ও ফ্লেভার ব্যবহার করে নকল আইসক্রিম তৈরি করে, খাদ্য উপাদান উল্লেখ না করে লেবেল ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়ম করে চলেছে।

আরও পড়ুন: মোংলা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে অপসারণের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৪ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় অভিযানে জব্দ করা আইসক্রিমের মোড়ক, কোণ, কাপসহ অন্যান্য উপকরণ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে সহযোগিতা করেছেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোসা. রৌশনারা বেগম এবং জেলা ব্যাটেলিয়ান আনসার সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে থানায় তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুরো থানার পুলিশ বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


পাকিস্তানে থানায় তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুরো থানার পুলিশ বরখাস্ত

পাকিস্তানের লাহোরের একটি থানার প্রাঙ্গণের ভেতরে এক মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণীকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ও জঘন্য অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি করা হয়েছে যে, এই ঘটনা ঘটে এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কর্তৃক। যে পরিস্থিতিতে এই মারাত্মক ঘটনা ঘটেছে, তা প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গলবার গাজীয়াবাদ থানার ওসিসহ দায়িত্বশীল সব কর্মকর্তা ও সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে একযোগে।

পুলিশের মতো একটি দায়িত্বশীল সংস্থার কার্যালয়ে এমন পাশবিক ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই লাহোরসহ পুরো দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। লাহোর পুলিশের ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সাল কামরান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গাজীয়াবাদ থানার ভবনের দ্বিতীয় তলায় অভিযুক্ত সহকারী উপপরিদর্শক ওই তরুণীকে নিয়ে গিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালান। পরে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নির্যাতিতা তরুণী ঘটনাস্থল ও নির্দিষ্ট কক্ষটি চিহ্নিত করে দেন।

ডিআইজি স্পষ্টভাবে বলেছেন, কোনো নারী পুলিশ সদস্যের উপস্থিতি ছাড়া কীভাবে একজন সদস্য একা একজন তরুণীকে থানায় নিয়ে এলেন এবং তা কারও নজরে এলো না, সেই গাফিলতির দায় পুরো থানার। পুলিশি নিয়ম অনুযায়ী থানার প্রাঙ্গণে যেকোনো ধরনের অন্যায় বা অনিয়ম ঠেকানোর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও সদস্যদের জবাবদিহিতার আওতায় আসতেই পুরো থানার কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করার একটি কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একটি দায়িত্বশীল সূত্র অবশ্য জানিয়েছে, এই নজিরবিহীন শাস্তিমূলক পদক্ষেপের আওতায় গাজীয়াবাদ থানায় কর্মরত প্রায় ৭০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাকে একযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত সোমবার ভুক্তভোগীর বাবা গাজীয়াবাদ থানায় পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা (ধর্ষণের শাস্তি) এবং ২০০২ সালের পুলিশ অর্ডারের ১৫৫-সি ধারায় (পুলিশ কর্মকর্তার গুরুতর অপরাধমূলক আচরণ) একটি প্রাথমিক তথ্যবিবরণী বা এফআইআর দায়ের করেন।

এফআইআর-এ উল্লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী তরুণীর বয়স আনুমানিক ২০ বছর এবং তিনি মানসিকভাবে খানিকটা ভারসাম্যহীন। গত রবিবার বিকেলের দিকে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে দীর্ঘ সময় ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ সময় এক প্রত্যক্ষদর্শী তরুণীর বাবাকে বলেন যে, সাদা পোশাকের এক পুলিশ সদস্য তার মেয়েকে নিজেদের মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে গেছেন।

সংবাদ পেয়ে স্বজনরা রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গাজীয়াবাদ থানায় উপস্থিত হন। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগীর চাচা ফোনে জানান যে, তরুণীটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে এসেছে। তারপর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বাড়ি ফিরে কান্নার কারণ জানতে চাইলে ওই তরুণী আকুল হয়ে জানান যে, এক পুলিশ সদস্য তাকে মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে থানায় নিয়ে যান এবং সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালান।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর অভিযুক্ত ওই এএসআই-এর বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সূত্র: ডন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাকসামে অভিযানে অবৈধ ড্রেজারের পাইপ বিনষ্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৮ পি.এম


লাকসামে অভিযানে অবৈধ ড্রেজারের পাইপ বিনষ্ট

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার সালেহপুর দক্ষিণপাড়ায় মসজিদবাড়ি এলাকায় একটি জমিতে অবৈধভাবে ড্রেজার ব্যবহার করে বালু ভরাটের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকাল পাঁচটার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চাকমার নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালীন ভরাটকারীদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় যে তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হবেন না। এর পাশাপাশি ভরাট কাজে ব্যবহৃত ড্রেজারের পাইপগুলোও বিনষ্ট করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রবাসী আলমের জমিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্টরা ভরাটের কাজ বন্ধ করে দেয়। অভিযানের সময় ভরাটকারীদের শনাক্ত করে তাদের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়, যেখানে তারা ভবিষ্যতে অবৈধভাবে ড্রেজার ব্যবহার করে বালু ভরাট না করার অঙ্গীকার করেছেন। এর পাশাপাশি পুনরায় ভরাট কার্যক্রম পরিচালনা ঠেকাতে ঘটনাস্থলে স্থাপিত ড্রেজারের পাইপগুলোও বিনষ্ট করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চাকমা বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ভরাটের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। যারা ভরাট করেছে, তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। তারা ভবিষ্যতে আর ড্রেজার ব্যবহার করে বালু ভরাট করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন। ভরাটকাজে ব্যবহৃত পাইপগুলোও বিনষ্ট করা হয়েছে। তবে ড্রেজারটি দুর্গম স্থানে অবস্থিত থাকায় সেখানে পৌঁছে সেটি জব্দ করা সম্ভব হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন ও ভরাটের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ও নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীঘিনালায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ছয় মাসের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


দীঘিনালায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ছয় মাসের কারাদণ্ড

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাদক সেবনের অভিযোগে এক যুবককে আটক করা হয়েছে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় উপজেলার মেরুং বাজার এলাকায় পরিচালিত অভিযানের সময় তাকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(গ) ধারায় এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন মো. শুভ। তিনি দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মেরুং বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় মাদক সেবনরত অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। এরপর দীঘিনালা থানা পুলিশের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

রায় কার্যকর হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বিধি অনুযায়ী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক সেবন ও কারবার—উভয়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবর দেওয়ার জায়গাও ফুরিয়ে আসছে রাঙামাটির কেন্দ্রীয় কবরস্থানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৪ পি.এম


কবর দেওয়ার জায়গাও ফুরিয়ে আসছে রাঙামাটির কেন্দ্রীয় কবরস্থানে

রাঙামাটি শহরের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে নতুন কবর দেওয়ার জায়গা দ্রুত সংকুচিত হয়ে আসছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা ও কবর খনন স্বেচ্ছাসেবকদের। সংক্ষিপ্তভাবে তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় দাফন কার্যক্রম ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। তারা দ্রুত কবরস্থান সম্প্রসারণের পাশাপাশি পূর্ব, দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্তাবও দিয়েছেন।

রিজার্ভ বাজার, পুলিশ লাইন, মাঝেরবস্তি ও তবলছড়ি এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দা এই কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাদের স্বজনদের দাফন করেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। কিন্তু বর্তমানে নতুন কবরের জন্য খালি জায়গা খুবই সীমিত হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিনই কবর খননে নানা বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে জানান স্বেচ্ছাসেবকেরা।

তবলছড়ির কবর খনন স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, নতুন কবর খননের সময় অনেক ক্ষেত্রেই পুরোনো কবরের পাশের অল্প জায়গা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে কখনো কখনো কবরের স্থান নিয়ে স্বজনদের মধ্যেও মতপার্থক্য তৈরি হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

একজন কবর খনন স্বেচ্ছাসেবক বলেন, “আগের তুলনায় এখন খালি জায়গা অনেক কম। তাই কবর খননের সময় বিভিন্ন ধরনের বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, কবরস্থানটি পৌরসভার আওতাধীন হলেও এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ভবিষ্যৎ দাফনের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এখনই সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

স্বেচ্ছাসেবকদের দাবি, পাকা ইট, সিমেন্ট ও টাইলস দিয়ে নির্মিত কবরের সংখ্যা বাড়তে থাকায় নতুন কবর দেওয়ার জন্য ব্যবহারযোগ্য খালি জায়গা দ্রুত কমে যাচ্ছে। ফলে বিদ্যমান জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিতভাবে নতুন জায়গা তৈরির উদ্যোগ এখন খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।

বর্ষা মৌসুম নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে স্থানীয়দের। তাদের ভাষ্য অনুসারে, কবর খননের পর অবশিষ্ট মাটির একটি অংশ বৃষ্টির পানির সঙ্গে ধুয়ে কাপ্তাই হ্রদের দিকে চলে যায়। এতে কবরস্থানের ভূমির উচ্চতা ও ব্যবহারযোগ্য জায়গা ধীরে ধীরে প্রভাবিত হচ্ছে বলেই তারা মনে করেন।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায়, তবলছড়ির কবর খনন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা কবরস্থানের পূর্ব, দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন। তাদের মতে, রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করালে মাটি ধুয়ে যাওয়া কমবে। পাশাপাশি, প্রয়োজন অনুযায়ী মাটি ভরাট করে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত জায়গা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অতীতেও কবরস্থান সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দক্ষিণ পাশে জেলখানার সীমানা থেকে পূর্বদিকে মাটি ভরাটের একটি পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে তৎকালীন পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী ওই এলাকায় বাঁধ নির্মাণ ও মাটি ভরাটের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে, আগাম বর্ষণের কারণে সে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, বিষয়টি কেবল একটি কবরস্থানের জায়গা সংকট নয়; এটি ভবিষ্যৎ নাগরিক সেবার সঙ্গেও সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই রাঙামাটি পৌরসভা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, জেলা পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে কবরস্থানের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে দ্রুত কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।

তাদের দাবি, যদি পরিকল্পিত সম্প্রসারণ, রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, মাটি ভরাট এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ এখনই নেওয়া যায়, তবে ভবিষ্যতে দাফনের জায়গা নিয়ে তৈরি হতে যাওয়া সংকট অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%