ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের ক্যান্ডি খাওয়ার রহস্য কী?


ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের ক্যান্ডি খাওয়ার রহস্য কী?

ম্যাচ শুরুর পূর্বে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে এখন প্রায় নিয়মিত দৃশ্য হচ্ছে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও রদ্রিগো ডি পলসহ কয়েকজন ফুটবলার ক্যান্ডি খাচ্ছেন। গতকাল অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে একই দৃশ্য দেখা গেছে। তবে কেন ম্যাচ শুরুর আগে এই ক্যান্ডি খাওয়ার রীতি তৈরি হয়েছে?

ফুটবল দুনিয়ায় ম্যাচের আগে রুটিন বা কুসংস্কার নতুন কিছু নয়। কেউ গান শোনেন, কেউ বই পড়েন, আবার কেউ নির্দিষ্ট অভ্যাসকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে অনুসরণ করে থাকেন। আর্জেন্টিনা দলের মধ্যে ক্যান্ডি খাওয়ার এই অভ্যাসও তেমনই এক রীতিতে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, কোচ লিওনেল স্কালোনি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই দলটির মধ্যে ‘সুগুস’ নামক ক্যান্ডি খাওয়ার চল শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালে একটি সাক্ষাৎকারে পারেদেস জানিয়েছেন, এটি কেবল ক্যান্ডি খাওয়া নয়, বরং নির্দিষ্ট রঙ বেছে নেওয়ার একটি রীতি হিসেবে পরিগণিত। তিনি নিজে নিয়মিতভাবে সাতটি ক্যান্ডি খান, যার মধ্যে চারটি নীল এবং তিনটি হলুদ রঙের।

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

এমন শোনা যায় যে কোচ স্কালোনিও এই ক্যান্ডির ভক্ত। ম্যাচের পূর্বে ড্রেসিংরুমে সুগুস ক্যান্ডির ব্যাগ রাখা এখন একটি নিয়মিত ব্যাপার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি মজার ছলে বলেন, তিনি লাল রঙের ক্যান্ডি পছন্দ করেন এবং ম্যাচ শুরুর আগে প্রায় ৪০টির মতো ক্যান্ডি খেয়ে ফেলেন।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে পারেদেস ও ডি পলও ক্যান্ডি খেয়েছেন বলে আর্জেন্টাইন দৈনিক লা ন্যাসিওনাল নিশ্চিত করেছে। ধীরে ধীরে এই অভ্যাস এমন একটি স্তরে পৌঁছেছে যে, অনেক খেলোয়াড়ের মধ্যে বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে, এই রুটিন অনুযায়ী না চললে ম্যাচে অবশ্যম্ভাবীভাবে কিছু প্রভাব পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শিষ্টাচারবর্হিভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে রাজপথে সক্রিয় থাকবে যুবদল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫২ পি.এম


‘শিষ্টাচারবর্হিভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে রাজপথে সক্রিয় থাকবে যুবদল’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি সাঈদ ইকবাল টিটু বলেছেন, ‘অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবর্হিভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে যুবদল রাজপথে সক্রিয় রয়েছে এবং থাকবে। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য ইতোমধ্যে দেশব্যাপী যুবদলের সাংগঠনিক সপ্তাহ ঘোষণা করা হয়েছে। যুবদল সংগঠনের সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় রাজপথে নেতা-কর্মীদের সক্রিয় থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করবে।’

মঙ্গলবার দুপুরে, ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হল প্রাঙ্গণে যুবদলের সাংগঠনিক সপ্তাহের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তিনি।

সমাবেশে সাঈদ ইকবাল টিটু আরো বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে স্বপ্ন দেখছেন, সে স্বপ্নে যুবদল মাঠে কাজ করছে। কিন্তু কিছু বিশেষ মহল অপপ্রচার এবং কুৎসা রটনার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। যুবদল তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে থাকবে।

সমাবেশে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রুকুনোজ্জামান রোকন। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পর্যবেক্ষক দলের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রাসেল ও আব্দুল করিম সরকার।

এ সময়, ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক টুটু, উত্তর যুবদলের সভাপতি শামছুল হক শামছু, দক্ষিণ জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রিয়াজুল কবীর মামুন, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জোবায়েদ হোসেনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে, সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে নগরীর টাউন হল থেকে স্টেশন রোড পর্যন্ত যুবদলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। উক্ত মিছিলে সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে।

এছাড়া, ওইদিন ময়মনসিংহ নগরীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। এসব মিছিলে দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শহীদুল আমিন খসরু এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীরুল ইসলাম টুটুলসহ অন্যরা নেতৃত্ব দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের যৌন নিপীড়ন মামলা নিয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে টানাপোড়েন!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


ট্রাম্পের যৌন নিপীড়ন মামলা নিয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে টানাপোড়েন!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দায়ের যৌন নিপীড়ন ও মানহানির মামলার আপিল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে অস্বাভাবিক ধরনের বিলম্ব ও ধারাবাহিক স্থগিতাদেশ লক্ষ্য করা গেছে।

সাংবাদিক ই জেন ক্যারল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, আদালতের বিচারপতিরা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি নিয়মিত গোপন বৈঠকের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ট্রাম্পের করা আপিলটি তাদের আলোচ্য তালিকায় ছিল। কিন্তু বৈঠকের এক দিন আগে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই মামলাটি তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর থেকে অন্তত ১৫ বার আদালতের এজেন্ডায় যুক্ত ও পুনঃনির্ধারিত হচ্ছে। বর্তমান মেয়াদে এই ধরনের ঘন ঘন পুনঃতালিকাভুক্তির ঘটনা আইন বিশ্লেষকদের মতে বিরল।

আইন বিশেষজ্ঞদের অভিমত অনুযায়ী, এই অস্বাভাবিক বিলম্বের কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। ধারণা করা হচ্ছে, বিচারপতিরা হয়তো একই মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য আপিল একসঙ্গে বিবেচনা করার জন্য অপেক্ষা করছেন, অথবা আদালতের ভেতরে কোনো মতামত বা রায় প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলমান থাকতে পারে। তবে আদালত এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

এই আপিলের মাধ্যমে ট্রাম্প নিউ ইয়র্কের একটি জুরির দেওয়া ৫০ লাখ ডলারের রায় বাতিলের চেষ্টা করছেন, যেখানে তাকে যৌন নিপীড়ন ও মানহানির জন্য দায়ী করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এ রায়টি তিন বছরেরও বেশি আগে দেওয়া হয়।

এছাড়াও, একই মামলার আরেকটি পৃথক রায়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা তিনি পৃথকভাবে আপিল করেছেন। আইনজীবীদের হিসাব অনুযায়ী, ট্রাম্পের সুদসহ মোট দায় এখন ১০ কোটি ডলারেরও বেশি হতে পারে।

মামলার প্রেক্ষাপটে, ২০১৯ সালে ক্যারল প্রথমবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। পরবর্তীতে ২০২২ সালে নতুন আইনের আওতায় তিনি যৌন নিপীড়ন ও ব্যাটারির অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন। এই দ্বিতীয় মামলার বিচার আগে সম্পন্ন হয় এবং জুরিরা ট্রাম্পকে দায়ী করে ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়।

ট্রাম্পের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, বিচারক লুইস কাপলান প্রমাণ উপস্থাপনে গুরুতর ত্রুটি করেছেন। বিশেষ করে, আদালতে দু’জন নারীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং ২০০৫ সালের “অ্যাক্সেস হলিউড” টেপ প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত ছিল অনুচিত- এমনই দাবি তাদের।

ওই টেপে ট্রাম্পকে নারীদের অনুমতি ছাড়া চুমু ও শারীরিকভাবে স্পর্শ করার বিষয়ে মন্তব্য করতে দেখা যায়, যা আদালত প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে।

অন্যদিকে, ক্যারলের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত সম্পূর্ণ এখতিয়ার অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং জুরির রায় যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আপিল আদালত ইতোমধ্যে ৫ মিলিয়ন ডলারের রায় বহাল রেখেছে এবং নতুন করে বিচার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছে। ট্রাম্পের পক্ষ থেকে পূর্ণ বেঞ্চে পুনর্বিবেচনার আবেদনও প্রত্যাখ্যাত হয়ে যায়, এরপর তিনি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন।

ট্রাম্পের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এতে একজন প্রেসিডেন্টকে তার দায়িত্ব পালনের সময় অপ্রয়োজনীয় চাপের মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে ক্যারলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিম্ন আদালত সঠিকভাবে আইন প্রয়োগ করেছে এবং জুরির রায় পরিবর্তনের কোন যৌক্তিক ভিত্তি নেই।

সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে বিচারপতিরা গোপন বৈঠকে আপিল গ্রহণ বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। তবে অনেক সময়, কিছু মামলা একাধিক বৈঠকে পুনরায় তালিকাভুক্ত হয়। কিন্তু এই মামলার ক্ষেত্রে “পুনঃতালিকা” বা বারবার পুনর্নির্ধারণ ঘটনাকে ব্যতিক্রম হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আদালতের ভেতরে অস্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে।

আইন বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিলম্ব হয়তো মামলাটিকে অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ট্রাম্প–ক্যারল আপিলের সঙ্গে একসাথে বিবেচনার কৌশল হতে পারে। আবার কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণে সতর্ক অবস্থান বলেও উল্লেখ করছেন।

বর্তমানে মামলাটি আবার আদালতের এজেন্ডায় যুক্ত করা হয়েছে, যা চলমান আইনি লড়াইকে আরও দীর্ঘায়িত করার ইঙ্গিত দেয়। সূত্র: সিএনএন

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ নিয়ে অগ্রগতি হলেও এখনো আটকা শত শত জাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ পি.এম


হরমুজ নিয়ে অগ্রগতি হলেও এখনো আটকা শত শত জাহাজ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সুইজারল্যান্ডের আলোচনার এবং যুদ্ধবিরতির খবরের পর হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল শুরু হলেও, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে যথেষ্ট সময় অতিক্রম করতে হবে। বর্তমানে, হরমুজ প্রণালীর উভয় পাশে শত শত বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা রয়েছে অথবা অপেক্ষমাণ রয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে বিপুল সংখ্যক জ্বালানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারও।

মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রদান করেছে।

প্রতিবেদনটি উল্লেখ করেছে যে, কূটনৈতিক আলোচনর মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি ইরানিদের কাছে অন্যতম প্রধান উদ্বেগের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, বছরের পর বছর ধরে চলা অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এক্ষেত্রে, ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াকে একটি বড় বিজয় হিসাবে দেখা হচ্ছে। ইরানিরা বর্তমান সময়ে বলছে যে, তারা এই বিষয়ে সাফল্য অর্জন করেছে। তাদের তেল রপ্তানি সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে। মার্কিন ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেট কন্ট্রোল’ (OFAC)-এর পক্ষ থেকে একটি ওয়েভার বা ছাড়ের ঘোষণার পর এই সিদ্ধান্ত এসেছে, যা আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

তবে, অবরুদ্ধ অথবা ফ্রিজ হওয়া তহবিলের ব্যয়প্রণালী নিয়ে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে এখনও বিতর্ক রয়ে গেছে।

কূটনৈতিকভাবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। আজ ওমান এবং ইরানের পক্ষ থেকে একটি যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, তারা হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে পুনরায় বাণিজ্য চালু করার প্রক্রিয়া বা মেকানিজম নিয়ে আলোচনা করছে। এটি একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।

এমনকি, এই প্রণালীটি পুনরায় খুলতে কতদিন সময় লাগবে তা এখনও দেখার বিষয়; এবং তা না হওয়া পর্যন্ত হরমুজের উভয় পাশে শত শত জাহাজ আটকা হয়ে থাকবে।

সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার সচেতনতায় কাউন্সেলিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ পি.এম


গাইবান্ধায় নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার সচেতনতায় কাউন্সেলিং

গ্রামীণ নারীদের অধিকার, আত্মবিশ্বাস এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাইবান্ধায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারীর ক্ষমতায়নবিষয়ক সচেতনতামূলক কাউন্সেলিং কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরের সময়ে সদর উপজেলার চৌধুরী ভিটা এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করে বিওয়াইও ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠনের প্রতিনিধিরা স্থানীয় নারীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেছেন এবং নারী অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও আত্মনির্ভরশীলতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নারীদের দৈনন্দিন জীবনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা সম্পর্কেও তাদের মতামত গ্রহণ করা হয়।

এই কার্যক্রমটি সমন্বয় করেন বিওয়াইও ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের ভলান্টিয়ার কো-অর্ডিনেটর গীতা বিশ্বাস। মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ শান্ত এবং সোহাগ, যারা স্থানীয় নারীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা ও পরামর্শ প্রদান করেছেন।

এ বিষয়ে বিওয়াইও ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক জিহাদ আকন্দ উল্লেখ করেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, একজন সচেতন ও আত্মবিশ্বাসী নারী শুধু নিজের জীবনই পরিবর্তন করেন না, বরং একটি পরিবার এবং সমাজের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাই নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা একটি সময়ের দাবি।

তিনি আরও জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে অনেক নারী এখনো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও তথ্য থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাদের দোরগোড়ায় গিয়ে তথ্য, পরামর্শ এবং সচেতনতা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে আমরা একটি অধিক অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছি।

অংশগ্রহণকারী নারীরা এ ধরনের উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%