বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৫ পি.এম
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ‘ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬’-এ বাংলাদেশ আমন্ত্রিত অতিথি দল হিসেবে অংশগ্রহণ করবে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে নতুন আশার কথা জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো। তিনি উল্লেখ করেন, এই আয়োজন আঞ্চলিক ফুটবলের মান উন্নয়নের পাশাপাশি সমর্থকদের আন্তর্জাতিক ফুটবলের চমৎকার অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।
আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডারের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উইন্ডোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশসহ তিনটি আমন্ত্রিত অতিথি দল অংশগ্রহণ করবে। আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি মূল পর্ব বা ‘ডিভিশন ১’-এ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলবে।
ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো টুর্নামেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডারের নির্ধারিত সময়ে জাতীয় দলগুলোকে অর্থবহ ও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যেই ফিফা আসিয়ান কাপের সূচনা। এটি খেলোয়াড়দের তীব্র আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেবে। এই টুর্নামেন্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে ফুটবলের মেলবন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সমর্থকদের জন্য আন্তর্জাতিক ফুটবলের অসাধারণ সব মুহূর্ত উপহার দেবে।’
২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ৫ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে ১৪ দলের এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে। প্রায় ২০০ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী দেশগুলোর মধ্যে ফুটবলের জনপ্রিয়তা ও মান আরও বাড়াতে এই আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। জাকার্তার গেলোরা বান কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় জামাল ভূঁইয়ার দল মালয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর একই ভেন্যু ও সময়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।
গ্রুপপর্বে বাংলাদেশ মোট তিনটি ম্যাচ খেলবে। ১ অক্টোবর একই মাঠে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে তাদের শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ওই ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ১ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তিত হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬০৮ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নতুনভাবে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২০৭ জন। এছাড়া, ৩৩৬ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পাপিয়া আক্তার কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
বোর্ডের সূত্র থেকে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিভিন্ন বিষয়ের জন্য ৩৫ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী মোট ৯১ হাজার ৪৯৪টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ উল্লেখ করেন, পুনর্নিরীক্ষণের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করার পর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান মন্তব্য করেছেন যে, গণমাধ্যমের শক্তিশালী অবদানের ফলে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ সম্ভব হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, "সংবাদ মাধ্যম আছে বলেই আমরা আজ এই জায়গায় আসতে পেরেছি। দেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও সার্বিক অর্জনে গণমাধ্যম সমান অংশীদার। বর্তমান সরকারের মেয়াদে আপনারা সম্পূর্ণ স্বাধীন গণমাধ্যম পাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যম বা সাংবাদিকতার পেশাগত কাজে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করার ইচ্ছা নেই।"
তিনি আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বিশ্বাস করেন যে-সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করলেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান জানিয়েছে যে, সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের পরিধি সম্প্রসারণের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। ইসলামাবাদে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একটি সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, এই চুক্তিটি মূলত ‘প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট’। মুখপাত্র জানান, জোটের সম্প্রসারণের বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনায় নেই।
মুখপাত্র আরও বলেন, এই জোট সুসংহত হওয়ার পর ‘সমমনা ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী অন্যান্য দেশের জন্য’ এর দরজা উন্মুক্ত হবে। তিনি জানান, এই কাঠামোর আওতায় সদস্য দেশগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। জোটের সম্প্রসারণের বিষয়ে দেশগুলো পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, ভবিষ্যৎ বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য ‘পর্যায়ক্রমে’ জানানো হবে, তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো নির্ধারিত হয়নি। খান জানান, চুক্তিটি গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এর ‘কাঠামো, কার্যপদ্ধতি ও অন্যান্য বিষয়’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সংগঠনটির কাঠামো, কার্যপ্রণালী ও পদ্ধতি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে।
গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তির উদ্দেশ্য হলো, সম্মিলিত প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করা এবং সদস্য দেশগুলোকে এমনভাবে সক্ষম করে তোলা, যাতে তাদের কোনো একটির ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে জোটের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, চুক্তির আওতায় জোটের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার জন্য সৌদি আরবে একজন মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রাথমিকভাবে পাকিস্তানের একজন মহাসচিবের নেতৃত্বে এই সচিবালয়টি পরিচালিত হবে, যার মেয়াদ হবে তিন বছর।
সূত্র: ডন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী মন্তব্য করেছেন, ‘ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) বাংলাদেশের গণতন্ত্র অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’
তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘যখন মত প্রকাশের স্বাধীনতা দমন করা হয়েছিল, তখন কথা বলা ছিল পাপ। যে কথাগুলি সরকারের বিরুদ্ধে যাবে, সেগুলি বলা ছিল সম্পূর্ণ অন্যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সেই সময়ে আমরা যতটুকু সুযোগ পেয়েছি, সেইটুকু তারা প্রচার ও প্রকাশ করতে কখনো দ্বিধা করেনি। তাদের ওপরও চাপ ছিল। অনেকেই বিবর্তনমূলক কালো আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় নিগৃহীত হতে হয়েছে। জেল ও জুলুম ভোগ করতে হয়েছে।’
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রাঙ্গণে ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন রুহুল কবীর রিজভী।
তিনি বলেন, ‘এই পরিসর এবং পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আজকে একটি মুক্ত পরিবেশ পাচ্ছি। এখানে সব কিছু থাকবে। যারা সরকারে আছেন, সরকারের বাইরে যারা আছেন, বিরোধী দল তারা মুক্ত কণ্ঠে সমালোচনা করবেন।’
তিনি যোগ করেন, ‘সরকারের যে কাজগুলো, সেগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। এভাবেই একটি গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। সেই প্রত্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে গণমাধ্যম।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ