০৫:৪৯ পি.এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেনের হত্যা মামলার বিচারের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এজন্য ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ জারি করেছেন আদালত। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে দিন ধার্য করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার এই মামলাটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির নির্দেশ দেন। বিষয়টি প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে হুথি বিদ্রোহীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জরুরি সতর্কতা জারি
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় একটি টিউশনি দিতে গিয়ে জোবায়েদ খুন হন। সেই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নুর বক্স লেনের রৌশান ভিলায় শিক্ষার্থী বার্জিস শাবনাম বর্ষার বাসায় পড়াতে যান তিনি।
পরে ভবনের তৃতীয় তলার সিঁড়িতে তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে আরো খোঁজ নেওয়া হলে জানা যায়, ঘটনার পর দুই দিন পর, ২১ অক্টোবর, নিহতের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেন। অভিযোগপত্রে জোবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা, তার প্রেমিক মো. মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লানকে আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ
তদন্তে এই ত্রিভুজ প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি উঠে এসেছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জোবায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার পাশাপাশি টিউশনি করতেন। ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি বর্ষাকে পড়াতে রৌশান ভিলায় যান। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে বর্ষা জোবায়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে মেসেঞ্জারে খবর দেন যে, জোবায়েদকে কে বা কারা হত্যা করেছে।
পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. কামরুল হাসান রাত সাড়ে ৭টার দিকে জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেনকে ফোন করে ঘটনার বিষয়ে জানান।
এনায়েত তার শ্যালক শরীফ মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে তারা ভবনের সিঁড়ি ও দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পান। পরে তৃতীয় তলার সিঁড়িতে জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগে আইনের ব্যত্যয় হয়নি: অ্যাটর্নি জেনারেল
মামলার তিন আসামিই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন