প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পটুয়াখালীর মহিপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি মাদ্রাসা শিক্ষক, প্রবাসী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহার এবং হয়রানি বন্ধের দাবিতে সংগঠিত হয়েছে। বুধবার ১২ আগস্ট সকাল বেলা মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের পাইকবাড়ী স্ট্যান্ড এলাকায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে প্রায় দুই শতাধিক স্থানীয় ছাত্র/ছাত্রী, নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। ফলে বক্তারা জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসা শিক্ষক, প্রবাসীসহ কয়েকজন নিরীহ ব্যক্তিকে চাঁদাবাজি মামলায় আসামি করার প্রতিবাদ জানান। তারা এই মামলাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেন এবং জানান যে এর মাধ্যমে আসামিদের হয়রানি করা হচ্ছে। এই মিথ্যা মামলাটি দ্রুত প্রত্যাহার করে হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে অংশ নেয়া মাওলানা মো. আইয়ুব আলী জানান, মামলাটি আইনগতভাবে আরও বিশদভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ মাহতাব উদ্দিন ও প্রবাসীসহ স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হওয়ায় তারা এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা ব্যক্তিরা সমাজে অত্যন্ত ভালো মানুষ এবং তাদের কারো সাথে বিরোধ থাকার কথা নয়। এছাড়া ফাতেমা বেগমসহ স্থানীয় আরও বিশিষ্টজন বলেন, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির সুযোগ রয়েছে এবং তারা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। খুব গুরুত্ব সহকারে নিরীহ মানুষকে হয়রানি থেকে বিরত থাকার জন্য তারা সংগঠিত হয়েছেন। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কয়েকজন ছাত্র/ছাত্রী জানান, মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের মধ্যে শিক্ষক, প্রবাসী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ রয়েছেন এবং সুসম্পূর্ণ তদন্তের আওতায় প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মহিপুর থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেছেন। সে মামলায় মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে লতিফপুর ও মনোহারপুর এলাকার ব্যক্তি রয়েছে। এখন বলা হচ্ছে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্তের অধীনে রয়েছে। মামলার আসামিরা হলো: মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৭), আব্দুল মতিন গাজী (৩৫), মো. শহিদুল ইসলাম (৩৫), মাওলানা মো. মাহতাব উদ্দিন (৫৫), মো. আলতাফ হোসেন গাজী (৫৫), মো. রাজু খলিফা (২৫), মো. শাহিন মীর (৩৮) ও মঞ্জু হাওলাদার (৩৭) এবং মামলার অভিযোগ বা আসামিদের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার তেমন কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মানববন্ধনে থেকে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানানো হয়, এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে আসামিদের হয়রানি বন্ধ করার জন্যও দাবি জানানো হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন