মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৫৪ পি.এম
নারায়ণগঞ্জে রথযাত্রা মহোৎসবের শুভেচ্ছা মঞ্চে একত্রিত হয়েছেন এমপি, প্রশাসন, এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
২০২৬ সালের ১৬ই জুলাই, বাংলাদেশ উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ ও মহানগরের উদ্যোগে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের মহোৎসবের শুভেচ্ছা মঞ্চে নারায়ণগঞ্জ জেলা ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট আবুল কালাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট মোঃ সাখাওয়াত ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন মাহামুদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, এবং উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাসকুল ইসলাম রাজীব, জামায়াতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আমির ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর মাতাব্বর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এই রথযাত্রা পালনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমতলীতে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে জুলাই শহিদ দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে একটি আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আমতলীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গৌরবময় অধ্যায়। তাঁদের আত্মদান কেবল একটি আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন নয়, এটি ন্যায়, গণতন্ত্র, মানবিক মর্যাদা ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক অনন্য প্রেরণার উৎস।
তিনি আরও বলেন, শহিদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে হলে তাঁদের আদর্শকে ধারণ করে দায়িত্বশীল, মানবিক এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল ইসলাম, আমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া, বিআরডিবি কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম, উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হক কাওসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিকুল আলম এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সোহেল।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরকালই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত চেতনা ও আদর্শকে সমুন্নত রাখতে সকলকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।
একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরে দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। আলোচনা সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভা শেষে উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদে পেশ ইমাম মাওলানা আমীর হোসেন দেশ, জাতি এবং জুলাই আন্দোলনের সকল শহিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
এই সময়ে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং জাতীয় ঐক্য কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদক ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বসতঘরে অগ্নিসংযোগের একটি ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার কারণে পুরো ঘরটি পুড়ে সম্পূর্ণরূপে ছাই হয়ে গেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণরামপুর গ্রামে বাবুলের বসতঘরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবুল এবং তার বোন সুমির বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা তাদের একাধিকবার সতর্ক করলেও তারা মাদক ব্যবসা বন্ধ করেননি। এর ফলে ক্ষোভের জের ধরে বুধবার রাতে যুবকরা বাবুলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে পুরো বসতঘর বিনষ্ট হয়ে যায়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বাবুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার কিছু বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) কামাল হোসেন জাহেদ জানিয়েছেন, বুধবার রাতে আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন কৃষ্ণরামপুর গ্রামের কিছু যুবক রাস্তায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। এমন সময়ে ডিবি পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করে। পরে ওই যুবকেরা বাবুলের বাড়িতে যায়। সেখান গিয়ে তারা বাবুলের মাদক ব্যবসার জন্য এলাকায় পুলিশ আসার জন্য তাকে দুষতে শুরু করে। যুবকদের মাঝে আরও অভিযোগ ছিল যে, তারা বিভিন্ন সময় নাজেহাল হতে বাধ্য হচ্ছেন। এক পর্যায়ে সেই ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তারা বাবুলের বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেন।
রাজগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান জুয়েল জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত তারা কোন অভিযোগ দায়ের করেননি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বাবুল ও তার বোন সুমি এলাকায় মাদক ব্যবসা নিয়ে কাজ করতেন। এই অভিযোগের ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী তাদের বসতঘরে আগুন দিয়েছে বলেও জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন খুনি হাসিনার ফাঁসির দড়ি হাতে নিয়ে বসে থাকার কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাঘগুজারা এলাকা থেকে জুলাই আন্দোলনের শহিদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। এর আগে ওয়াসিম আকরামের কবরে ফুল দেওয়ার মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ দোয়া-মোনাজাত সম্পন্ন করা হয়।
তিনি আরও জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যা এবং বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে ঘটনার জন্য দায়ী সকলকে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং এই বিচার কার্যকর করার জন্য তিনি সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। দ্রুত সময়ে বিচার কার্যকরের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, জুলাইয়ের পক্ষে তার ব্যক্তিগত অবস্থান স্পষ্ট, তিনি একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য। তিনি চান, যারা জুলাই আন্দোলনের সংক্রান্ত গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, নির্দেশ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিচারও করা হোক। এর পাশাপাশি বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত গুম, খুন ও হত্যাকাণ্ডের জন্যও দোষীদের বিচার চেয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেবল কাগজে-কলমে বিচার শেষ নয়, বরং সেই বিচার কার্যকর করাও অত্যন্ত জরুরি। বিচার কার্যকর করার জন্য তারা যথেষ্ট প্রস্তুত রয়েছেন এবং জনগণের দাবির প্রতিফলন হিসেবেই এটি বাস্তবায়ন করতে চান।
হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশ থেকে ফিরে আসার হুমকি দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খুনি হাসিনার ফাঁসির দড়ি আমরা হাতে নিয়ে বসে আছি। বাংলাদেশে ফিরে এসে পুনরায় ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা পারলামে রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার একটি লজ্জাজনক প্রয়াস ছাড় nothing।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা সংগ্রাম করেছে এবং যাদের ভাইদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের মতে কোনো হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা যদি বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসে, তাহলে রাজনীতি করতে তো দূরের কথা, তারা পা রাখলেই জনগণকে নিয়ে যথাসাধ্য বিচার কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইশরাক হোসেন বলেন, এই আন্দোলনে সহকর্মী এবং লাখো যুবক এখনও জীবিত রয়েছেন। যদি প্রশ্ন করা হয়, বর্তমানে যে ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, তা কেবল রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষুদ্র প্রয়াস। সেটিকে কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, আমরা তাদের ফাঁসির দড়ি হাতে নিয়ে অপেক্ষা করছি। তারা বাংলাদেশে আসুক, আমরা দেখাব কীভাবে বাংলাদেশের জনগণ প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জানে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বোধগম্যভাবে সেটি আমরা দেখাব, ইনশাআল্লাহ।
শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় সংগঠন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির ২০২৪ সালের এই দিনটিকে স্মরণ করে বলেন, ছয় জন শহিদ হয়েছিলেন। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি মাইলফলক। সময়ের পরীক্ষা আবু সাঈদ, ওয়াসিমরা আমাদের পথ দেখিয়েছেন - জুলাইয়ের আন্দোলন থেকে ফেরার পথ নেই।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শেষ পরিণতি জুলাই-অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানে ঘটেছিল। শহিদ ওয়াসিমসহ প্রায় দুই হাজার মানুষের আত্মত্যাগের কারণে সেই আন্দোলন সফল হয়েছে।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দীন আহমেদ (এনডিসি), পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওয়াসিম আক্রামের বাবা, কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও জেলা উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ‘কোটা নয়, মেধা’ স্লোগান নিয়ে ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে গড়ে ওঠা জুলাই আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ছিলেন ওয়াসিম আকরাম। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। মৃত্যুকালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানিয়েছেন, লেবানন, সিরিয়া ও গাজার উপত্যকায় ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ইসরাইলি বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
কাটজের দপ্তরের একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাতে দুই মন্ত্রীর মধ্যে এক টেলিফোন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এই আলোচনা চলাকালে, কাটজ ‘সিরিয়া, গাজা ও লেবাননের নিরাপত্তা অঞ্চলে অবস্থান বজায় রাখার জন্য ইসরাইলের দৃঢ় অবস্থান’ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্তের কারণ হলো জিহাদি বাহিনীর হুমকি মোকাবেলা করে ইসরাইলের সীমান্ত এবং সীমান্তসংলগ্ন জনপদগুলোকে সুরক্ষা প্রদান।
জেরুজালেম থেকে এএফপি সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে খবরটি জানানো হয়েছে।
কাটজ আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের সীমান্তে আমাদের হয়ে কাজ করার জন্য কখনোই যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করিনি।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে সিরিয়া এবং লেবানন থেকে ইসরাইলি সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন।
একজন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে অ্যাক্সিওস জানায়, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেছেন, সিরিয়ায় ইসরাইলের সেনা মোতায়েন দেশটিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প উক্তি করেন, ‘তারা আপনাদের সেখানে চায় না। আপনাদের সেনা অন্যত্র মোতায়েন করা উচিত।’
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সিরিয়ার দীর্ঘকালীন শাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর, ইসরাইল গোলান মালভূমিতে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে থাকা বাফার জোনে সেনা মোতায়েন করে।
এরপর থেকে, ইসরাইল সিরিয়ার ভূখণ্ডে একাধিক অভিযান ও বিমান হামলা চালায়। তবে, দক্ষিণাঞ্চলে একটি নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চল প্রতিষ্ঠারও পরিকল্পনা করেছে।
বর্তমানে লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী মোতায়েন অবস্থায় রয়েছে। সেনাবাহিনী জানায়, তারা লেবাননের ভূখণ্ডের প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত বিস্তৃত নিরাপত্তা অঞ্চলে উপস্থিত রয়েছে।
লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে, মার্চ মাসে, হিজবুল্লাহ ইসরাইলে হামলা চালানোর পর দুই দেশ বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর, সংঘাত অবসানে আলোচনা চালাচ্ছে।
বুধবার রোমে দুই দেশের মধ্যে পঞ্চম দফার আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
এই আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হচ্ছে, যার লক্ষ্য হচ্ছে, দক্ষিণে ইসরাইল ঘোষিত নিরাপত্তা অঞ্চলের বাইরে থাকা দুটি ‘পাইলট জোন’ থেকে ধাপে ধাপে লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করা।
গাজায় বর্তমানে ইসরাইলি বাহিনী ভূখণ্ডটির ৬০ শতাংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ছাড়া, ইসরাইল এবং মিসরের সীমান্তসংলগ্ন পুরো বাইরের এলাকায় তাদের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ