বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:০৩ এম
চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুর হাট এবং পুরানবাজারের বিভিন্ন পাইকারী পলিথিন বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ও কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ দূষণ রোধ এবং নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করা। এসময় অভিযানে ২৭০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয় এবং ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২১.০৭.২০২৬ খ্রি. তারিখে জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর অধীনে ০৫ টি মামলায় ০৫ জনকে মোট ১,৩০,০০০/- (এক লক্ষ ত্রিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয় এবং তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়। অভিযানের সময় উদ্ধারকৃত প্রায় ২৭০ কেজি পলিথিন পরিদর্শক, পরিবেশ অধিদপ্তর, চাঁদপুরের জিন্মায় প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল সংস্কার এবং বিতর্কিত প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লি। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী তরুণদের প্ল্যাটফর্ম ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, লাঠিচার্জ এবং গণগ্রেফতার সত্ত্বেও আন্দোলনের ময়দান ছাড়তে রাজি নয়।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তাদের মূল দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের এই লড়াই চলমান থাকবে।
বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতের চিত্রের মধ্যে রয়েছে পার্লামেন্ট অভিমুখে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর মিছিল, যেখানে এ সময় পুরো নয়াদিল্লিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। দিল্লির রাস্তায় বসানো ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হতে চাইলেও পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে।
এই সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১৮০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১১৮ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ানোর পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ একাধিক বিরোধী আইনপ্রণেতা তরুণদের সমর্থনে রাস্তায় নামেন। একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে ধর্না শুরু করলে পুলিশ তাদের আটক করে সরিয়ে নেয়।
সোনা বিষ্ট নামের একজন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী বলেন, "সরকার যদি মনে করে জেন-জি-এর ওপর এই নির্যাতন চালিয়ে আন্দোলন থামিয়ে দেওয়া যাবে, তবে তারা ভুল ভাবছে। আমাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা কোনো ছাড় দেব না।"
এখন পর্যন্ত সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথে আছড়ে পড়া এই আন্দোলনের পেছনে বেশ কিছু বিশেষ দাবি রয়েছে। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি হলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের তাৎক্ষণিক পদত্যাগ।
এছাড়াও, তারা সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোর কেন্দ্রীয় কাঠামোর আমূল পরিবর্তন এবং সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি করেছেন। একই সাথে, পরীক্ষা পিছানোর কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়া শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই আন্দোলনের অবকাঠামো একটি অদ্ভুত ও ব্যঙ্গাত্মক ইতিহাস রয়েছে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এক শুনানিতে বেকার তরুণ ও রাজনৈতিক কর্মীদের উদ্দেশ্যে 'তেলাপোকা' এবং 'সমাজের পরজীবী' বলে মন্তব্য করলে দেশে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। ওই অপমানজনক মন্তব্যকে হাতিয়ার বানিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ও সাবেক আম আদমী পার্টির কৌশলবিদ অভিজিৎ দীপকে গঠন করেন 'ককরোচ জনতা পার্টি'।
এই প্ল্যাটফর্মটি অতি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে ২ কোটি ২০ লাখের বেশি ফলোয়ার অর্জন করেছে, যা দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দল বিজেপির অনুসারীদের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যায়। এ আন্দোলনের প্রতি অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বও সংহতি প্রকাশ করছেন।
বর্তমানে রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে শতাধিক আন্দোলনকারী অবস্থান করে রয়েছেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ওপর পুলিশের এই দমনপীড়নের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করছে। ককরোচ পার্টির পক্ষ থেকে পরিষ্কার ভাবে জানানো হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিভ্রান্তিকর বা মৌখিক আশ্বাস তারা গ্রহণ করবেন না।
দাবির পক্ষে দৃশ্যমান এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না আসা পর্যন্ত তারা দিল্লির রাজপথ ত্যাগ করবেন না।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি বন্দরগুলো ব্যবহার না করার জন্য ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী যে সতর্কবার্তা দিয়েছে, এর পর বেশ কয়েকটি তেলবাহী ট্যাংকার নিজেদের গতিপথ পরিবর্তন করেছে এবং সেই খবর পাওয়া গেছে।
শিপ ট্র্যাকিংয়ের ডেটা অনুযায়ী, লোহিত সাগর দিয়ে চারটি তেলবাহী ট্যাংকার তাদের গতিপথ পরিবর্তন করেছে। উল্লেখযোগ্য, এই ট্যাংকারগুলোর মধ্যে দুটির নতুন গন্তব্য হিসেবে সুয়েজ খালের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, অন্য দুটি ট্যাংকার লোহিত সাগরের উন্মুক্ত জলপথকে তাদের গন্তব্য হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।
আমাদের কাছে থাকা শিপিং ডেটা বলছে, জেদ্দার বন্দরকে সম্ভাব্য পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে ঘোষণা করার পর একটি কার ক্যারিয়ারও অর্থাৎ গাড়ি পরিবহনকারী জাহাজ দৃশ্যত এডেন উপসাগরে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে। পাশাপাশি, এর আগে, চীন ও ভারতের জন্য তেল বহনকারী তিনটি ট্যাংকারও লোহিত সাগর এড়িয়ে ইয়েমেনের উপকূলের কাছ দিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে সুয়েজ খালের দিকে রওনা হয়েছিল।
২০ জুলাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ‘নৌ-অবরোধ’ অথবা সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা প্রদান করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। হুথিদের ঘোষণার পর ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, তারা শক্তি প্রয়োগ করে জবাব দিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী সৌদি জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এই প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহ প্রায় ৭ শতাংশ কমে যেতে পারে। কারণ, সৌদি আরবের অধিকাংশ তেল রপ্তানি এই পথে নির্ভরশীল। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এবং পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারায় ডিশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বাগমারা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদুল ইসলাম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় দলীয় আদর্শ অনুসরণ করে আসছেন এবং কখনো আইন নিজের হাতে তুলে নেননি।
লিখিত বক্তব্যে আসাদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ফাহিমা, তার ছেলে শাওন, ফাহিম এবং তাদের সহযোগীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও এলাকার মানুষের বিরোধ চলে আসছে। তিনি দাবী করেন, অতীতেও এ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একাধিক বিরোধ, মামলা, সমঝোতা ও অর্থ লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। তিনি এসব বিষয় নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যে ডিশ লাইনটি তিনি পরিচালনা করছেন, সেটি পূর্বে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর সরকারের লোকজন পরিচালনা করতেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা ব্যবসা ছেড়ে দিলে দীর্ঘদিন সংযোগ বন্ধ ছিল। পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও গ্রাহকদের অনুরোধে কয়েক লাখ টাকা বিনিয়োগ করে নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপন করে তিনি পুনরায় ডিশ লাইন চালু করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আসাদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, গত ১৭ জুলাই রাতে তিনি ডিশ কন্ট্রোল রুমে অবস্থানকালে পারভেজ রানার নেতৃত্বে শাহীন, সুমনসহ কয়েকজন সেখানে এসে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার কারণে তিনি গুরুতর আহত হন। একই সময়ে ডিশ লাইনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট এবং নগদ অর্থ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। তিনি সমঝোতার জন্য কাউকে ডাকেননি এবং অভিযুক্তদের সঙ্গে তার কোনো বৈঠকও হয়নি। আসাদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে একজন অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির নাম ব্যবহার করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি নিয়েও তদন্তের দাবি জানান তিনি।
তিনি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার কাছে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, চিকিৎসা নথি এবং অন্যান্য আলামত যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি করেন।
সাংবাদিকদের প্রতি তিনি উভয় পক্ষের বক্তব্য ও প্রকৃত তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে আসাদুল ইসলাম বলেন, তিনি প্রতিশোধ চান না, তিনি ন্যায়বিচার চান। প্রকৃত অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আসাদুল ইসলামের মা, সন্তান, গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুর রহমান, জুলাই যোদ্ধা ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুনসুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হান শেখ, ভবানীগঞ্জ পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম, ওলামা দল রাজশাহী জেলা শাখার সদস্য মুখলেছুর রহমান, গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান সহ আরও অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চরম কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী কোনো জাহাজে ইরান আঘাত হানলে, তার চড়া মাশুল গুনতে হবে। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্প তীব্র হুংকার ছেড়ে লিখেছেন, এখন থেকে যদি ইরান হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন অথবা অন্য যেকোনো মাধ্যমে হামলা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুতই ইরানের একটি করে সেতু অথবা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বোমা মেরে পুরোপুরি ধ্বংস করবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও সতর্ক করে জানান, এই প্রতিশোধমূলক হামলার আওতা থেকে বাদ যাবে না ইরানের প্রাণকেন্দ্রও। রাজধানী তেহরানে অথবা এর আশপাশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকেও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ