ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কারাগারে থাকা বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ে করায় প্রাণ গেল রাশেদের


কারাগারে থাকা বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ে করায় প্রাণ গেল রাশেদের

খুলনায় বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ে করার ফলে মো. রাশেদ (২১) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২ জুন) মহানগরীর লবণচরা থানার স্কুলভিটা এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনি নিহত হন।

পুলিশ এবং পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে একটি মাদক মামলায় কারাগারে থাকাকালে ইমরান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে রাশেদের পরিচয় হয়। পরে কারামুক্তির পর তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং ইমরান পুনরায় কারাগারে যাওয়ার পর তার স্ত্রী ফাহিমাকে বিয়ে করেন রাশেদ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এর আগে গত ১৯ মার্চ রাশেদের বাড়িতে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার বাবা, মা, বড় ভাই ও স্ত্রীকে গুলি করে। ওই ঘটনার জেরেই সবশেষে রাশেদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলেই ধারণা করছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

নিহতের পরিবার জানায়, মঙ্গলবার সকালে পরিচিত এক যুবক রাশেদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর স্কুলভিটা এলাকার একটি স্কুলের সামনে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাশেদের পরিচিত ব্যক্তিরা জড়িত থাকতে পারে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে হত্যার ঘটনায় ইমরানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এর আগের ওই গুলির ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিছুদিন আগে ইমরান জামিনে বের হয়েছে। তদন্তে আরও বিস্তারিত ও হত্যার মূল কারণ জানা যাবে।

আরও পড়ুন: বালিয়াডাঙ্গীতে পতিলাভাষা যুব সমাজের উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে দাবি নেতানিয়াহুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


ইরানের শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে দাবি নেতানিয়াহুর

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা গুরুতরভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তেহরানের পতন অনিবার্য। নেতানিয়াহু দাবি করেন, তেহরানের ক্ষমতার ভিত্তি ইতোমধ্যে ভেঙে গেছে, এবং আগের অবস্থায় ফেরার সম্ভাবনা নেই।

মঙ্গলবার বিদায়ী মোসাদ প্রধান ডেভিড বারনিয়ার সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এসময় নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের শত্রুরা যেন পরিষ্কারভাবে বুঝে নেয়—দেশটির বিরুদ্ধে যদি কোনো আঘাত হানা হয়, তবে এর মূল্য অত্যন্ত চড়া দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান বড় মূল্য দিয়েছে। এই সন্ত্রাসী শাসনের ভিত ফেটে গেছে। এটি আর আগের মতো শক্তিশালী হয়ে উঠবে না এবং এর পতন অবধারিত।

নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন একদিন আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেখানে ট্রাম্প জানান, কয়েকদিনের তীব্র সংঘর্ষের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি এবং হিজবুল্লাহ প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরোক্ষভাবে কথা বলে এই সমঝোতা নিশ্চিত করেছেন। তার দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল বৈরুতে পরিকল্পিত হামলা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে এবং হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বন্ধ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হবে।

তবে নেতানিয়াহু আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির বিষয়ে স্পষ্ট সমর্থন দেননি। তার কার্যালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের শহর ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে বৈরুতে হিজবুল্লাহর অবস্থানে আঘাত হানা চলবে।

এদিকে ইরানের গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা বাড়ায় তেহরান মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে চলমান আলোচনা স্থগিত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে স্মরণ রাখার আহ্বান ইউএনএইচসিআরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০১ পি.এম


বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে স্মরণ রাখার আহ্বান ইউএনএইচসিআরের

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং তাদের মানবিক সহায়তা অংশীদাররা।

আজ মঙ্গলবার জেনেভার পালে দে নাসিওঁ-এ আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র বাবর বালোচ বলেন, ‘চলতি বছর মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের গণহারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়ার নয় বছর পূর্ণ হচ্ছে। বর্তমানে অধিকাংশ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্পে বসবাস করছেন।’

ইউএনএইচসিআর জানায়, কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গারা বাস্তুচ্যুত হয়ে আসছেন। তবে সবচেয়ে বড় ঢলটি আসে ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে, যখন প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। সে সময় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বাংলাদেশ।

সংস্থাটি বলছে, বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা অস্থিতিশীলতা ও মানবিক সংকটের কারণে সীমিত সম্পদের মধ্যে অগ্রাধিকারের নির্ধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি সেবাকে হুমকির মুখে ফেলছে। গত মাসে বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘ ও সহযোগী সংস্থাগুলো রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন জানায়। যদিও চাহিদা বাড়ছে, তবু এই আবেদন গত বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ কম রাখা হয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের মতে, ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থী কার্যক্রমে মানবিক অর্থায়ন বাংলাদেশকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা বজায় রাখতে এবং শরণার্থীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষায় বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জনে সহায়তা করেছে। তবে উল্লেখযোগ্য মানবিক চাহিদা রয়ে গেছে এবং অব্যাহত আন্তর্জাতিক সংহতি ছাড়া রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর দুর্দশা আরো বাড়বে।

সংস্থাটি আরো জানায়, মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তায় কাটছাঁটের কারণে রোহিঙ্গারা এখনও ত্রাণ সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। বিশেষ করে নারী, কন্যাশিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক মানুষ এবং ২০২৪ সালের শুরু থেকে রাখাইন রাজ্যের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন আগত ব্যক্তি বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত, নিপীড়ন ও লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হচ্ছে। ফলে উন্নত জীবনের আশায় অনেকে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে এমন যাত্রায় প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে সহায়তার আবেদনটি সবচেয়ে জরুরি মানবিক প্রয়োজনগুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের মর্যাদা ও ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদে ত্রাণ সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে তাদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সংস্থাটি জানায়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই অতিজরুরি সহায়তা আবেদনে ইতোমধ্যে সাড়া দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থের ৬০ শতাংশ পাওয়া গেছে। তবে শুধু ন্যূনতম সহায়তা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। পর্যাপ্ত সহায়তা না পেলে শরণার্থীদের জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে সংকট মোকাবিলায় আরও বেশি ব্যয় ও জটিলতা তৈরি হতে পারে।

ইউএনএইচসিআর বলেছে, মিয়ানমারে সংঘাত ও সহিংসতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় জনগণের পাশে থাকতে হবে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরিতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশি পণ্যের আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশি পণ্যের আলোচনা

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সংসদ ভবনের স্পিকারের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষাৎকালে উভয়েই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। স্পিকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বিদ্যমান রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে সারসংক্ষেপ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এই সংকটের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার প্রস্তাব দেন।

এছাড়া, বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের সহযোগিতা বৃদ্ধি, জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক স্থাপন, সংসদীয় ককাস ফোরামে গণতন্ত্র দিবস উদযাপন এবং বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করতে মার্কিন সরকারের সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়।

তারা চলমান জ্বালানি সংকটের সমাধানে বাংলাদেশে তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধানের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ হ্রাস করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ও আমেরিকার সম্পর্কের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। উক্ত মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক আর্চার কেন্ট ব্লাড বাংলাদেশের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।

বাংলাদেশ এবং আমেরিকার সরকারের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একটি মাইলফলক অতিক্রম করতে যাচ্ছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ শুধুমাত্র গণতন্ত্রের মাধ্যমে প্রকৃত সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। বাংলাদেশের সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ সব সময় স্বৈরাচারীদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আসছে।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হাফিজ উদ্দিন আহমদকে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান।

এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের প্রতিনিধিরা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রান্তিক কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


প্রান্তিক কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে নতুন নির্দেশনা

১০, ৫০ বা ১০০ টাকার হিসাবধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক, নিম্নআয়ের পেশাজীবী, স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্ট (এফআইডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, আগের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় কৃষক স্মার্ট কার্ডধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক এবং সাম্প্রতিক গ্রীষ্মকালীন অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এজন্য বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর প্রস্তাবিত 'কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা-২০২৫' অনুযায়ী কৃষক স্মার্ট কার্ডধারীদের ১০ টাকার হিসাব খোলা এবং পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ঋণ বিতরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবে কার্ডবিহীন প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকরাও যেন কোনোভাবে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে হাওর এলাকায় পাকা ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহসহ হাওরাঞ্চল এবং দেশের অন্যান্য জেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (২০২৩ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%