প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা গুরুতরভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তেহরানের পতন অনিবার্য। নেতানিয়াহু দাবি করেন, তেহরানের ক্ষমতার ভিত্তি ইতোমধ্যে ভেঙে গেছে, এবং আগের অবস্থায় ফেরার সম্ভাবনা নেই।
মঙ্গলবার বিদায়ী মোসাদ প্রধান ডেভিড বারনিয়ার সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এসময় নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের শত্রুরা যেন পরিষ্কারভাবে বুঝে নেয়—দেশটির বিরুদ্ধে যদি কোনো আঘাত হানা হয়, তবে এর মূল্য অত্যন্ত চড়া দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান বড় মূল্য দিয়েছে। এই সন্ত্রাসী শাসনের ভিত ফেটে গেছে। এটি আর আগের মতো শক্তিশালী হয়ে উঠবে না এবং এর পতন অবধারিত।
নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন একদিন আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেখানে ট্রাম্প জানান, কয়েকদিনের তীব্র সংঘর্ষের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি এবং হিজবুল্লাহ প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরোক্ষভাবে কথা বলে এই সমঝোতা নিশ্চিত করেছেন। তার দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল বৈরুতে পরিকল্পিত হামলা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে এবং হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বন্ধ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হবে।
তবে নেতানিয়াহু আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির বিষয়ে স্পষ্ট সমর্থন দেননি। তার কার্যালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের শহর ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে বৈরুতে হিজবুল্লাহর অবস্থানে আঘাত হানা চলবে।
এদিকে ইরানের গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা বাড়ায় তেহরান মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে চলমান আলোচনা স্থগিত করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন