০৮:১৫ পি.এম
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে হবে। পাশাপাশি, এগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার ও উপযোগিতা নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘চলমান যে প্রকল্পগুলো রয়েছে, সেগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার ও উপযোগিতা বের করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’
আজ বুধবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এই নির্দেশনা দেন।
আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা নিয়ে জামায়াত-শিবির-এনসিপির রাজনীতি: ছাত্রদল সেক্রেটারি নাছির উদ্দীন নাছির
তথ্যমন্ত্রী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বেশিরভাগ প্রকল্পে ঠিকাদার, প্রকৌশলী এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার একটি অনৈতিক চর্চা দেখা যায়।’
তিনি আরও জানিয়ে দেন, ‘জনগণকে ককরোচ (তেলাপোকা) বলে গালি দিতে পারেন, কিন্তু তাদেরকে বোকা মনে করার কোনো কারণ নেই। জনগণ সব বুঝে।’
প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের শতভাগ আন্তরিক হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘চলমান প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে দু’টি বিষয় মাথায় রাখতে হবেÑ প্রথমত, সর্বোচ্ছে উপযোগিতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্ট যুক্ত করা; দ্বিতীয়ত, বাকি কাজটুকুকে সময়সীমার মধ্যে ভাগ করে ফেলা। জাতীয় অর্থের অপচয় রোধ করে প্রকল্পের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে হবে।’
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রকল্পগুলোর গতিশীলতা বাড়াতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড তৈরির প্রস্তাব দেন।
আরও পড়ুন: টেকনাফে অপহৃত মাদ্রাসাছাত্র সিফাত উদ্ধার, দুই অপহরণকারী গ্রেফতার
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সকল প্রকল্পের অগ্রগতি যেন আমরা রিয়েল টাইমে দেখতে পাই, সেজন্য একটি ড্যাশবোর্ড করা যেতে পারে। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর নতুন কাজের জন্য অপেক্ষা না করে সমান্তরালভাবে সব কাজ এগিয়ে নিতে হবে। যাতে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর কোনো সম্পদ বা অবকাঠামো অব্যবহৃত পড়ে না থাকে। মান বজায় রেখে সঠিক সময়ে ও নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘জনগণ এখন একটি গণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে দ্রুত ও কার্যকরি সেবা প্রত্যাশা করে। প্রধানমন্ত্রী ১৮০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। তাই কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একটা বড় প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নকশা এমনভাবে করা উচিত, যাতে এর বহুমাত্রিক সুফল একই সাথে পাওয়া যায়।’
সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পগুলোর ব্যয় ও উপযোগিতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ্ আলমসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, প্রকল্প পরিচালক এবং পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শজিমেক হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে এসি বিস্ফোরণ, হতাহতের খবর নেই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন