ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফেনীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৩ হাজার মিটার জাল জব্দ


ফেনীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৩ হাজার মিটার জাল জব্দ

ফেনী, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার সোনাগাজী এলাকায় প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এবং নিষিদ্ধ সময়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বড় ফেনী নদীতে মাছ শিকার করার অভিযোগে মৎস্য বিভাগ ৩ হাজার মিটার চরঘেরা ও কারেন্ট জাল জব্দ করেছে।

আজ শনিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার মুহুরী প্রকল্প এলাকা থেকে চর খোন্দকার ও চর আবদুল্লাহ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইউসুফ মিয়া।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতার জানান, প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় শনিবার দুপুর থেকে বড় ফেনী নদীতে অভিযান শুরু হয়।

আরও পড়ুন: দিরাইয়ের পূর্বাঞ্চলে চ্যাপ্টিয়ার হাওরের পানি কমে বিপাকে যাত্রী ও কৃষক, দুশ্চিন্তায় বোরো চাষিরা

অভিযানের সময় মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে কিছু অসাধু জেলে নদীতে জাল ফেলে নৌকা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে অভিযানে মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য নিষিদ্ধ সময়ে নদীতে জাল ফেলে মাছ ধরার অভিযোগে নদী থেকে ৩ হাজার মিটার চর ঘেরা ও কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা জালগুলো জনসমক্ষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতার, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার পালসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সহায়তা করেন।

প্রসঙ্গত, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ৮ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টা থেকে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। টানা ২২ দিন ইলিশ শিকার, বিপণন, মজুত ও পরিবহন বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন: সাজেকের সমস্যা সমাধানে আলোচনা অব্যাহত: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

সরকার ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করবে। এ নিষেধাজ্ঞা ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত বহাল থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় পদ্মানদী জেলে শূন্য, নৌকা সারি সারি নোঙর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


রাজশাহীতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় পদ্মানদী জেলে শূন্য, নৌকা সারি সারি নোঙর

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ৮ অক্টোবর থেকে রুপালি ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম শুরু হয়েছে। এই উপলক্ষে ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শুরু হয়েছে। এ সময় নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকায় পদ্মাপাড়ের জেলেরা সংসার চালানো নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

সাগরের নোনা পানি থেকে নদীর মিঠাপানিতে এসে মা ইলিশ ডিম ছাড়ে। ডিম ছাড়ার পর মাছটি আবার সাগরে ফিরে যায়। ইলিশের এই প্রজননচক্র যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে কারণে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নদীর পাড়ের মৎস্য ঘাটগুলোতে সারি সারি নৌকা নোঙর করে রাখা হয়েছে এবং জাল স্তূপ করে রাখা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা মেনে মাছ ধরা থেকে বিরত রয়েছেন জেলেরা, যাতে ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীর প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকা ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময় পদ্মা নদীতে মাছ ধরা, ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুত করা নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকে নদীতে টহল ও নজরদারি বাড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ফলে পুরো পদ্মা নদী এখন জেলেশূন্য হয়ে পড়েছে। অলস সময় কাটাচ্ছেন জেলেরা, নদীর পাড়ে বসে জাল ও নৌকা মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

জেলেদের অভিযোগ, সারা বছর কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ না পাওয়া এবং ঋণের বোঝার মধ্যে ২২ দিন কাজ বন্ধ থাকায় অনেক জেলে পরিবার তীব্র আর্থিক সংকট ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। এ অবস্থায় জেলেরা চালের পরিমাণ বাড়ানোর এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়েছেন। তারা জানান, জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তা মেনে তারা নদীতে নামছেন না।

জেলেদের অভিযোগ, তাদের পুনর্বাসনের কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তা করা হয়নি। যে সংখ্যক জেলে রয়েছেন, সে অনুযায়ী সরকারি খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা চালের সঠিক তালিকা তৈরি করে দ্রুত বিতরণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সম্পূর্ণ সফল করতে প্রকৃত জেলেদের তালিকা নির্ভুলভাবে হালনাগাদ করা, পর্যাপ্ত খাদ্যসহায়তা নিশ্চিত করা এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। এতে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের নদীতে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রবণতা কমে আসবে।

সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় নিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। তবে জেলেদের দাবি, পরিবারপ্রতি এই পরিমাণ চাল অপ্রতুল। তারা সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে অন্তত ১০০ কেজি চাল দেওয়ার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

জেলেদের প্রধান অভিযোগ ‘জেলে কার্ড’ বিতরণ নিয়ে। আনারুল ইসলাম, রাজকুমার ও বিনয় চন্দ্রের মতো অনেক প্রকৃত জেলে বছরের পর বছর মাছ ধরলেও তাদের কোনো কার্ড হয়নি। অন্যদিকে, মাছ না ধরেও অনেকে জেলে কার্ড ও সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বারইপাড়া জেলেপল্লির বাসিন্দা লক্ষণ বলেন, ‘নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বেকার বসে আছি। তবে মা ইলিশ বাঁচানো ছাড়া উপায় নেই। কষ্ট হলেও আইন মানতে হবে। কিন্তু সহায়তা ছাড়া টিকে থাকা দুঃসাধ্য।’

দেওয়ানপাড়া গ্রামের জেলে কামাল উদ্দীন জানান, সরকারের দেওয়া ২৫ কেজি চাল দিয়ে বড় পরিবার চালানো কঠিন। পর্যাপ্ত সহায়তা ও বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকলে পেটের দায়ে অনেককে বাধ্য হয়ে লুকিয়ে নদীতে নামতে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

রেলওয়ে বাজার জেলেপল্লির রাজকুমার বলেন, ‘মাছ ধরা বন্ধ, তাই জাল-নৌকা তীরে বেঁধে রেখেছি। সরকার যে চাল দেবে, তা যেন দ্রুত বিতরণ করা হয়।’

গোদাগাড়ী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অহেদুজ্জামান জানান, জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা চাল এক সপ্তাহের মধ্যেই বিতরণ করা হবে। গোদাগাড়ীতে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২ হাজার ৭৯৪ জন হলেও নদীর তীরবর্তী জেলে পরিবারের মধ্যে সরকারিভাবে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৯০০ জেলেকে ২৫ কেজি করে মোট সাড়ে ৪৭ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হবে। অনিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ৫০০। ফলে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ৩৯৪ জন জেলে চালের সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবেন।

তিনি আরো বলেন, ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ৭ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। অভিযান সফল করতে পুলিশ, নৌপুলিশ ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে মাঠে থাকবে।

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, নিষেধাজ্ঞার পুরো সময়জুড়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, ইলিশ সংরক্ষণে এই অবরোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ। এটি আমাদের গর্ব; আমাদের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও জীবিকার প্রতীক।

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার ৩১ দফার আলোকে দেশের পুনর্গঠনে কাজ করছে: এমপি সরোয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


সরকার ৩১ দফার আলোকে দেশের পুনর্গঠনে কাজ করছে: এমপি সরোয়ার

চট্টগ্রাম, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ৩১ দফার আলোকে দেশের পুনর্গঠন কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছে। জনগণের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি অসহায় পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি-২০২৬ বাস্তবায়নের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়টি উল্লেখ করেন। উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

সরোয়ার আলমগীর আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অভিযোগের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সকলের সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহিম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজিব আচার্য্য।

প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচে ফটিকছড়ি ও উত্তর ফটিকছড়ি এলাকার ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করছেন। তাদের মধ্যে প্রতি এলাকার একজন সুপারভাইজার এবং ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী রয়েছেন। মোট পাঁচটি ব্যাচে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

প্রাথমিকভাবে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়ন এবং উত্তর ফটিকছড়ির সুয়াবিল ইউনিয়নের নির্ধারিত ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিনিয়র সাংবাদিক আমির খসরুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ পি.এম


সিনিয়র সাংবাদিক আমির খসরুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

ঢাকা, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান সিনিয়র সাংবাদিক আমির খসরুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

একটি শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আমির খসরুর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাংবাদিকতা পেশায় আমির খসরুর দীর্ঘদিনের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ভয়েস অব আমেরিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে একটি শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। বরাবরই তার লেখনি গণতন্ত্র, সত্য ও যুক্তির পক্ষে সোচ্চার ছিল।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই শোক সহ্য করার শক্তি দানে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় জগজিৎ সিংকে স্মরণে গজল সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ পি.এম


ঢাকায় জগজিৎ সিংকে স্মরণে গজল সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

উপমহাদেশের কিংবদন্তি গজলশিল্পী জগজিৎ সিংয়ের গান এবং সংগীত ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীর অ্যালিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকায় ‘গজল ইভনিং: অ্যা ট্রিবিউট টু জগজিৎ সিং’ শীর্ষক একটি বিশেষ সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। শনিবার, ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় অ্যালিয়ঁস ফ্রঁসেজের ধানমন্ডি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে গজলপ্রেমীদের উপচে পড়া উপস্থিতি মিলনায়তনকে কানায় কানায় পূর্ণ করে তোলে।

গজলের কাব্যিক আবেদন, সুরের মাধুর্য এবং আবেগের গভীরতা নিয়ে সাজানো ছিল পুরো সন্ধ্যার পরিবেশনা। এই আয়োজনে জগজিৎ সিংয়ের স্বতন্ত্র গায়কী এবং তাঁর অমর গানগুলোর দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তা স্মরণ করা হয়, পাশাপাশি উপমহাদেশের সংগীত জগতে গজলের সমৃদ্ধ ও গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যও বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে মনোমুগ্ধকর গজল পরিবেশন করেন দেশের খ্যাতনামা গজলশিল্পী মঞ্জুরুল ইসলাম খান। অতিথি শিল্পী হিসেবে তাঁর সঙ্গে মঞ্চ মাতান আফসানা রুনা। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে সঞ্চালনা করেন ইন্দ্রাণী নিশি। শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় গজলের মেলোডি, কাব্যিক সৌন্দর্য এবং সুরের নানাদিক শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। দর্শক-শ্রোতাদের ব্যাপক উপস্থিতি গজল সংগীতের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ এবং জগজিৎ সিংয়ের গানের চিরন্তন আবেদনকে আবারও স্পষ্ট করে তোলে।

সংগীতশিল্পী মঞ্জুরুল ইসলাম খান তাঁর সংগীতগুরু জগজিৎ সিংয়ের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। গজলের চর্চা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে আসছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ভারতের বোম্বে বিশ্ববিদ্যালয় (বর্তমান মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে সংগীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি মঞ্জুরুল ইসলাম খান নিয়মিত অ্যালিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকায় ‘সাবকন্টিনেন্টাল ক্লাসিক্যাল মিউজিক ওয়ার্কশপ’ পরিচালনা করে আসছেন। এসব কর্মশালায় উপমহাদেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ ধ্রুপদি সংগীতধারা—উত্তর ভারতের হিন্দুস্তানি এবং দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকী সংগীত—সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সংগীতের ইতিহাস, তত্ত্ব এবং চর্চার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের এ অঞ্চলের সমৃদ্ধ ধ্রুপদি সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%