নাজমুল হাসান নিরব,ফরিদপুর প্রতিনিধি
০১:৫০ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে প্রকাশ্যে আজান প্রচারের বিরোধিতা করেছেন অঙ্গরাজ্যটির লেফটেন্যান্ট গভর্নর মিকাহ বেকউইথ। তার দাবি, গির্জার ঘণ্টাধ্বনি আমেরিকার সংস্কৃতি ও ইতিহাসের অংশ হলেও ইসলামের আজান আমেরিকান সংস্কৃতি বা ইতিহাসের অংশ নয়। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা রাজ্যের অলাভজনক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ানা সিটিজেন এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিজের ‘আস্ক মিকা এনিথিং’ ভিডিও সিরিজে এক দর্শকের প্রশ্নের জবাবে বেকউইথ বলেন, গির্জার ঘণ্টা বাজানো যদি অনুমোদিত হয়, তাহলে ইসলামের আজান কেন নীরব রাখতে হবে—এমন প্রশ্নের পর তিনি আজানের প্রকাশ্য সম্প্রচারের বিরোধিতা করেন।
বেকউইথ কোনো নির্দিষ্ট মসজিদ বা স্থানীয় বিরোধের কথা উল্লেখ করেননি এবং কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব করেননি। সাধারণত প্রকাশ্যে ধর্মীয় শব্দ সম্প্রচারের ক্ষেত্রে স্থানীয় আইন প্রযোজ্য হতে পারে। তবে আদালতের বিভিন্ন রায়ে বলা হয়েছে, এসব আইন ধর্মীয় বক্তব্যের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলক হতে পারে না।
ইন্ডিয়ানা মুসলিম অ্যাডভোকেসি নেটওয়ার্কের নির্বাহী পরিচালক মালিহা জাফর বলেন, তার জানা মতে ইন্ডিয়ানার কোনো মসজিদই লাউডস্পিকারে বাইরে আজান সম্প্রচার করে না। জাফর আরো জানান যে, মুসলিম সম্প্রদায় বর্তমানে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিশেষত জনসমক্ষে ক্রমবর্ধমান বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের কারণে মুসলিমরা নিজেদের অনিরাপদ মনে করছে।
তিনি বলেন, মসজিদগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং সক্রিয় বন্দুকধারী মোকাবিলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে মসজিদে প্ল্যাকার্ড নিয়ে এসে ভাঙচুর ও অন্যান্য ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, তিনি প্রতিটি মসজিদের সঙ্গে তার যোগাযোগে নেই এবং তাই এ ধরনের ঘটনার ব্যাপকতার সঠিক হিসাব তিনি দিতে পারবেন না।
জুন মাসে স্টেটহাউসে অনুষ্ঠিত ‘ফেইথ ওভার ফিয়ার’ অনুষ্ঠানে জাফর বলেন, ইন্ডিয়ানা জুড়ে মুসলিম পরিবারগুলো ক্রমবর্ধমান বিদ্বেষপূর্ণ জনমত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাফর বলেন, ‘যখন কুসংস্কার এবং অপতথ্যকে বিনা প্রতিবাদে চলতে দেওয়া হয়, তখন তা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে মানুষ নিজেদের অবাঞ্ছিত, বিচ্ছিন্ন এবং ভীত বোধ করে।’
বেকউইথ সোমবার যুক্তি দিয়েছেন যে, ইসলামি আযান আমেরিকান সংস্কৃতির জন্য একটি বহিরাগত বিষয়। তিনি একজন দর্শকের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন, যিনি জানতে চেয়েছিলেন যে গির্জার ঘণ্টা বাজানোর অনুমতি থাকলেও কেন ইসলামিক আজানকে স্তব্ধ করে দেওয়া হবে। বেকউইথ পরামর্শ দিয়েছেন যে, যারা ইসলামিক আজান শুনতে চান, তাদের এমন দেশে যাওয়া উচিত যেখানে এই প্রথাটি স্থানীয় ঐতিহ্য ও ইতিহাসের অংশ। তিনি আরও পরামর্শ দিয়েছেন যে, মসজিদগুলো প্রকাশ্যে আজান সম্প্রচার করার পরিবর্তে নামাজের সময় হলে সদস্যদের কাছে টেক্সট মেসেজ পাঠাতে পারে।
বেকউইথ বলেছেন, ‘ইসরাইল এবং ইন্ডিয়ানার বাকি অংশের সম্প্রদায়গুলোতে উচ্চস্বরে ইসলামিক আজান বাজানোর কোনো প্রয়োজন আমাদের নেই’। মে মাস থেকে তীব্রতর হওয়া ইসলামের বিরুদ্ধে তার ব্যাপক সমালোচনা অব্যাহত অংশ হিসেবেই বেকউইথ এই মন্তব্যগুলো করেন।
খ্রিস্টান রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ফ্ল্যাশপয়েন্টে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে বেকউইথ ইসলামের সমালোচনা করেন এবং বলেন যে আমেরিকানদের ‘আবার ঘৃণা করার অনুমতি’ থাকা উচিত। একই মন্তব্যে তিনি ইসলামকে একটি ‘শয়তানের উপাসক গোষ্ঠী’ হিসেবেও বর্ণনা করেন। পরে তিনি দাবি করেন যে এই ধর্মটি ‘নাৎসিবাদের চেয়েও খারাপ’। পরে তিনি আজান নিষিদ্ধ করার জন্য প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।
তবে বেকউইথের দাবি করা ‘ইসলাম আমেরিকান সংস্কৃতি বা ইতিহাসের অংশ নয়’ এর সঙ্গে দেশটির ইতিহাসের বেশ কিছু অসঙ্গতি দেখা যায়। ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার এবং লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয়দের বসতি স্থাপনের প্রাথমিক সময় থেকেই উত্তর আমেরিকায় মুসলমানদের উপস্থিতি ছিল। ১৫০০-এর দশক থেকেই উত্তর আমেরিকায় ইসলামের উপস্থিতি রয়েছে এবং ক্রীতদাস হিসেবে আসা আফ্রিকান মুসলিমরা তাদের ধর্মীয় চর্চা বজায় রেখেছিলেন। এমনকি আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধেও মুসলমানরা উপনিবেশগুলোর পক্ষে লড়াই করেছিলেন। দেশটির প্রতিষ্ঠাতা জর্জ ওয়াশিংটন ও থমাস জেফারসন ধর্মীয় স্বাধীনতার বিতর্কের সময় ইসলামকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছিলেন।
থমাস জেফারসন লিখেছিলেন যে ভার্জিনিয়ার ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন ইহুদি, খ্রিস্টান এবং মুসলমানসহ সবার সুরক্ষার জন্য প্রণীত হয়েছিল। আমেরিকান সংস্কৃতিতে প্রাথমিক আফ্রিকান মুসলিমদের প্রভাব ব্লুজ সঙ্গীতের সুরের মধ্যেও লক্ষ্য করা যায়। ফলে ইন্ডিয়ানায় প্রকাশ্যে আজান প্রচার নিয়ে বেকউইথের মন্তব্য নতুন করে ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের ঐতিহাসিক উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খালাসির পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই বোন হলেন, লোহাগাড়ার চুনতি ফারাঙ্গা এলাকার হাফেজ মো. ইউনুসের কন্যা আমেনা আক্তার (১১) ও আয়শা বেগম (১০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হেফজখানায় চাকরির কারণে মো. ইউনুস পরিবার নিয়ে উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের খালাসী পাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। শনিবার দুপুরের কিছু পরে আমেনা এবং আয়শা বাসার খুব কাছে বাংলাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে যায়।
গোসলের মাঝেই দুই বোন পানিতে ডুবে যায়। এরপর বিকেলের দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি ওই পুকুরে গোসল করতে গেলে পানির নিচে তার পায়ে একজনের মরদেহের স্পর্শ অনুভব করেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি পানিতে নেমে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলাউজান ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খোরশেদ আলম বলেন, ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খালাসির পাড়া এলাকায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এজাজুল হক শিহাব জানান, হাসপাতালে আনার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু ঘটে।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি এই ঘটনার বিষয়ে অবগত নন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ওয়ারেন্টের আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নাসিক ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আটি ওয়াপদা কলোনি এলাকার একটি ঘটনার মাধ্যমে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হচ্ছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) স্বপন, কনস্টেবল হানিফ এবং মনির।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহআলম। তিনি বলেন, ওয়াপদা কলোনি এলাকার একটি বাসায় ওয়ান্টের আসামি ধরতে গেলে আমাদের তিন পুলিশ সদস্যের উপর অতর্কিত হামলা হয়েছে। তিনি আরো জানান, আমি আহতদের নিয়ে খানপুর হাসপাতালে যাচ্ছি এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানাতে পারছি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, ত্যাগ ও সংগ্রামের কারণেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানুষের হৃদয়ে একটি স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তার আদর্শ ও রাজনৈতিক সংগ্রাম আগামী দিনেও নেতাকর্মীদেরকে পথ দেখাবে।
শনিবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ জেলা শহরের দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা বিএনপি এবং সব সহযোগী সংগঠন এ সভার আয়োজন করেছে।
বিমানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবাইকে চলে যেতে হবে। কিন্তু কিছু মানুষ নিশ্চিতভাবে থাকেন, যারা নিজেদের প্রস্থান করার পরও প্রত্যেক মানুষের হৃদয়ে অবস্থান করে যান। সেই ধরনের ব্যক্তিত্ব আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার প্রদত্ত ত্যাগ, স্বাধীনতা, সংগ্রাম এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসাই আজ তাকে এত মহান করে তুলেছে। আমরা সেই নেত্রীর সৈনিক হিসেবে কাজ করছি।
জেলা কৃষকদলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাঈদের সঞ্চালনায় সভায় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আজাদ হোসেন খান, নূরতাজ আলম বাহার এবং জহির আলম খান লোদীসহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন। এ সময় বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
খালেদা জিয়াকে কেন আপসহীন নেত্রী বলা হয়—এমন প্রশ্ন তুলতে গিয়ে বিমানমন্ত্রী বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার কঠোর ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময়ে তিনি গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করে আসছেন।
আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, খালেদা জিয়া চাইলে তার সন্তানের কাছে বিদেশে চলে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি দেশ ছেড়ে যাননি। দেশের মানুষের ভালোবাসার কারণেই তিনি সব নির্যাতন সহ্য করেও দেশে থেকে গেছেন। তাই আমরা কেন তার প্রতিদান দেব না? আমাদের মনে রাখতে হবে, নিজের স্বার্থের চেয়ে দল ও দেশ বড়।
দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিমানমন্ত্রী বলেছেন, দলের এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়—এমন কোনো কাজ করা যাবে না। সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ দাঁড়িয়ে গেছে। সুতরাং আমাদের সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। বিএনপির সৈনিক হিসেবে নিজেদের যে অবস্থান তৈরি হয়েছে, সেটিও অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। সামনে অনেক কাজ রয়েছে এবং আগামী নির্বাচন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। এই কারণে সব কাজ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে।
দলের জন্য কারা প্রকৃতপক্ষে কাজ করছেন, তাLeadershipকে বুঝতে হবে উল্লেখ করে বিমানমন্ত্রী বললেন, এখন অনেক লোক আসবে, যারা দেখাবে বিএনপির জন্য তারা জীবন দিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু Leadershipএ যারা আছেন, তাদেরই বুঝতে হবে আসলে দলের জন্য কাকে প্রয়োজন। তিনি বলেন, সে যত কাছে বা আদরের লোকই হোক না কেন, মনে রাখতে হবে দলই সবার ওপরে।
দেশের স্বার্থে, তারেক রহমানের স্বার্থে এবং নিজ এলাকার স্বার্থে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, একটি ভুল সিদ্ধান্তের জের আগামী পাঁচ বছর টানতে হতে পারে। তাই দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নিজেদের মধ্যে কোনো বিভাজন বা দ্বন্দ্ব রাখা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যাকে যতটুকু দেওয়ার, তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। সুতরাং হিংসা বা লোভ করে লাভ নেই। আমাদের উচিত প্রাপ্য অবস্থানকে সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে ধরে রাখা।
নিজের রাজনৈতিক পথচলার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, আজ তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ভোটের কারণেই আমি এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি এবং মন্ত্রিত্ব পেয়েছি। সুতরাং আমার প্রথম দায়িত্ব হলো তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের স্বপ্ন পূরণ করা।
তিনি বলেন, আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে রাজনীতি শুরু করেছি। আমার প্রায়ই তার কথা মনে পড়ে। আগামীতে মানিকগঞ্জে ধানের শীষকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১৭ বছর ধানের শীষ না থাকায় নেতাকর্মীদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদলের যারা রাজনীতি করে এসেছেন, তাদের তিনি সবসময় অগ্রাধিকার দেন। কারণ তারা অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রাজনীতি শিখেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ