বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৯:৩৩ পি.এম
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। স্কোয়াডটি সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলা খেলোয়াড়দের নিয়েই গঠিত। এখানে কোনও পরিবর্তন নেই।
যথারীতি অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, আর সহ-অধিনায়ক হিসেবে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। লিটন দাসের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তিনি চোটের কারণে টেস্ট ম্যাচে মিস করলেও ওয়ানডে স্কোয়াডে তাকে রাখা হয়েছে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ৬, ৯ এবং ১১ জুলাই। ম্যাচগুলো হারারে স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশ সময় দেড়টায় শুরু হবে।
বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াডে রয়েছে:
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত (সহ-অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, কাজী নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলো তাদের নিরাপত্তা, আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্রভাব এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও অবাধ বাণিজ্যিক চলাচল সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্পষ্ট নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাইছে।
জিসিসিভুক্ত দেশগুলো মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্রতার ভিত্তিতে নিরাপত্তার নিশ্চিতকরণ বজায় থাকা খুবই জরুরি। একই সঙ্গে, তারা ইরানের সঙ্গে যেকোনও আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ এবং নিরাপত্তা সুরক্ষা বিষয়টিকে নিশ্চিত করতে চায়।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের নির্দিষ্ট কিছু উদ্বেগের কথা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দিয়েছে। তারা আঞ্চলিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অবহিত থাকতে এবং সম্পৃক্ত থাকতে চান।
রুবিও উল্লেখ করেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না বা এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দেবে না, যা উপসাগরীয় অংশীদারদের স্বার্থ, দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে আপস করে।”
জিসিসি দেশগুলোর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দাবি হলো, ইরানের পাল্টা হামলার কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্গঠনের জন্য অর্থায়ন। তাদের বক্তব্য হল, এই ক্ষয়ক্ষতি এমন এক যুদ্ধের সময় হয়েছে, যেটি তারা চাননি এবং শুরু থেকেই বন্ধ করার চেষ্টা করেছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা সেই সংঘাতের মাঝখানে পরেছিল।
বৈঠকে হরমুজ প্রণালীর বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। জিসিসি দেশগুলো জানায়, উপসাগরীয় জলসীমা ব্যবহারের জন্য কোনো ধরনের ফি কিংবা চার্জ আরোপের পক্ষে তারা নয়।
রুবিও বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে- হরমুজ প্রণালীর ব্যবহারের জন্য কোনও ধরনের মূল্য আদায়ের বিষয়ে তাদের কোনো সমর্থন নেই। তার মতে, সংঘাতের আগে এই জলপথের যে পরিস্থিতি ছিল, সেটিতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের মনে করিয়ে দিতে হবে যে সংঘাতের আগে হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এটি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ।”
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। বিশাল পরিমাণে তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। এ কারণে, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের স্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
জিসিসির উদ্বেগ মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা এবং ইরান-সম্পর্কিত যেকোনও ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমঝোতায় নিজেদের ভূমিকা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র করে। সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়ন জেলার বাদনগর এলাকায় মহররমের শোভাযাত্রায় বিপজ্জনক এক স্টান্টের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক বিতর্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
গত বুধবার (২৪ জুন) মহররম উপলক্ষে আয়োজিত একটি শোভাযাত্রায় একটি গাড়িকে ক্রেনের সাহায্যে প্রায় ৪০ ফুট উঁচুতে তুলে ধরা হয়। এরপর গাড়ির ভেতর থেকে ধোঁয়া, আগুনের ফুলকি ও কাচ ভাঙার দৃশ্য দেখা যায়, যা অনেকের কাছে বিস্ফোরণের মতো মনে হয়েছে। পুরো ঘটনাটি শত শত মানুষের উপস্থিতিতে ঘটানো হয়।
পুলিশ জানায়, উজ্জয়নের বাদনগরের আদান এলাকা থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রার সময় এই স্টান্ট প্রদর্শন করা হয়। ক্রেনে ঝুলন্ত গাড়িটির গায়ে ‘লে ফির আ গায়ে’ লেখা ছিল। গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে দুই যুবক লাল পতাকা নাড়ছিলেন। ঘটনাস্থলে ‘শেরে আদান আখড়া’ নামের পোস্টারও দেখা যায়।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের ভিত্তিতে আয়োজক শোয়েব খান, তালিম খান, জাহিদ খান এবং ক্রেনের মালিক গোপাল মালির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উজ্জয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) করণ দ্বীপ সিং জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির ভেতরে আতশবাজি রাখা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে গাড়ির ভেতরে দ্রুতগতিতে রকেট ধরনের আতশবাজি ফোটানো হয়েছিল। এর ফলে গ্যাস জমে কাচ ভেঙে যায় এবং বিস্ফোরণের মতো দৃশ্য তৈরি হয়। গাড়ির ভেতরে কেবল আতশবাজিই ছিল।’
পুলিশের দাবি, আয়োজকদের আগে থেকেই বিস্ফোরক ব্যবহার বা এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শোভাযাত্রার অনুমতি দেওয়া হলেও কোনো ধরনের স্টান্ট প্রদর্শনের অনুমতি ছিল না।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। স্থানীয় বিভিন্ন আখড়ার মধ্যে দর্শক আকর্ষণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবেই এমন বিপজ্জনক প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়েছে।
ভিডিওটি যে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানে আরও কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্ট ও বিস্ফোরণসদৃশ ঘটনার ভিডিও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একইভাবে শাহজালালপুরার হুসাইনি আখড়ার কিছু ভিডিওও সামনে এসেছে, যেখানে তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ কসরত করতে দেখা গেছে।
যদিও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি, তবে জনাকীর্ণ শোভাযাত্রায় এমন বিপজ্জনক আয়োজন কীভাবে অনুমোদন পেল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সামান্য ভুলেও এটি বড় ধরনের দুর্ঘটনায় রূপ নিতে পারত। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ এক্সসোলজার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বেসওয়া) জেলার উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন।
বাংলাদেশ এক্সসোলজার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন জয়পুরহাট জেলা শাখার (অব.) সভাপতি সম্মানিত ক্যাপ্টেন রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব কাজী মো. মনজুরে মওলা পলাশ, হেলকুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিয়র রহমান।
এ সময় বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বেশি করে গাছ লাগানো প্রয়োজন বলে গুরুত্ব আরোপ করেন। এরপর আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয় এবং অতিথিরা স্কুল প্রাঙ্গণে চারা রোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে প্রিয়ঙ্কা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সমাজে এমন একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে, মহিলারাই ঘরের দায়িত্ব সামলাবেন এবং পুরুষেরা এই সব কাজ থেকে দূরে থাকবেন।
প্রিয়ঙ্কা চোপড়া যে কোনও বিষয়ে স্পষ্ট মতামত প্রকাশ করেন। আগেও নারীবাদ নিয়ে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন। এই বারের সাক্ষাৎকারে ঘরোয়া কাজের সঙ্গে লিঙ্গের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন।
মানুষের মধ্যে ঘরোয়া কাজ নিয়ে লিঙ্গভিত্তিক কিছু প্রচলিত ধারণা রয়েছে। এ সবের বিরোধিতা করেছেন তিনি। প্রিয়ঙ্কার মতে, রান্না বা ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মতো কাজ শুধুমাত্র মহিলাদের দায়িত্ব নয়। এগুলি আসলে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শেখা উচিত। নারীদের পাশাপাশি পুরুষদেরও এই বিষয়ে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন, বলেন প্রিয়ঙ্কা।
তিনি আবারও বলেন, সমাজে যা ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে মহিলারাই ঘরের দায়িত্ব সামলাবেন এবং পুরুষেরা এ সব কাজ থেকে দূরে থাকবেন, এর বিরুদ্ধে তিনি স্পষ্ট জানায় যে ঘরের কাজকে কখনও লিঙ্গের সাথে যুক্ত করা উচিত নয়। প্রিয়ঙ্কা বলেন, “ঘর পরিষ্কার করা বা রান্না করা মহিলাদের কাজ নয়। এগুলি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সাধারণ দায়িত্ব। আলস্যকে কখনও লিঙ্গের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না।”
মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বহু বার কথা বলা প্রিয়ঙ্কা ‘মিটু’ আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য জানিয়েছেন। প্রতি নিয়ত মহিলারা যৌন হেনস্থার শিকার হন। এই বিষয়ে তিনি সেই সময়ে বলেছিলেন, “যৌন হেনস্থা মহিলাদের সঙ্গে ঘটবেই। এ যেন নিয়ম। তবে এখন অনেক মহিলা এ নিয়ে কথা বলছেন। ভয় পাচ্ছেন না। সেটাই সাহস দেয়। মনে হয়, আমার সঙ্গেও যদি এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটে, তা হলে আমি আর নিজেকে একা মনে করব না।”
পর্দায় শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করেন প্রিয়ঙ্কা। মহিলাকেন্দ্রিক ছবি প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ‘দেশি গার্ল’ বলেছিলেন, “নারীকেন্দ্রিক ছবি করতে গেলে অনেক মানসিক চাপ থাকে। কারণ, এমনিতেই তেমন ছবি সংখ্যা খুব কম হয়। ছবি তৈরি হলেও সেটা বক্সঅফিসে ভাল ব্যবসা না করলে মনে হয়, সব মহিলা শিল্পীদের হারের কারণ হয়ে দাঁড়ালাম আমি। আমার মনে হতে থাকে, আমার জন্যই হয়তো তাঁরা কয়েক ধাপ পিছিয়ে গেলেন। কারণ, নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ মহিলা শিল্পীদের কাছে খুব কমই আসে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ