১০:৫৬ এম
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে রাজধানীজুড়ে তীব্র সিএনজি সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে।
এর ফলে ঢাকার সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভয়াবহ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এর ফলে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক, গণপরিবহন খাতের কর্মী এবং যাত্রীরা। এই সংকটের প্রভাব পড়েছে চালকদের আয়-রোজগারের উপরও।
আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪
রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গেলে দেখা যায়, গ্যাস সংগ্রহের জন্য দিনরাত দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন চালকেরা। অনেক পাম্পে রাত থেকেই গাড়ির লাইন শুরু হয়ে যায়।
একাধিক সিএনজি চালিত গাড়ির চালক বলেছেন, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এর ফলে তাদের দিনের বড় একটি সময় পাম্পেই কাটছে, যা স্বাভাবিক আয়কে ব্যাহত করছে।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকেরা। এই সব চালক, যারা সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড-শেয়ারিং সেবায় কর্মরত, তারা জানান, সময়মতো গ্যাস না পাওয়ার কারণে যাত্রী পরিবহন করতে পারছেন না। এর ফলে তাদের দৈনিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
কিছু চালক অভিযোগ করেছেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাদের দাবি, অতীতেও জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে সংকট দেখিয়ে মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এবারও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, যা তাদের আশঙ্কার জন্ম দেয়।
আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে
অন্যদিকে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিকরাও। তারা দ্রুত এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করে সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন