ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের খসড়া ভোটকেন্দ্র ও কক্ষের তালিকা প্রকাশ


চট্টগ্রামে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের খসড়া ভোটকেন্দ্র ও কক্ষের তালিকা প্রকাশ

চট্টগ্রাম, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রামে স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে জেলা নির্বাচন অফিস মোট চার স্তরের নির্বাচনের জন্য খসড়া ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের তালিকা প্রকাশ করেছে। একইসঙ্গে কেন্দ্রভিত্তিক ভোটারসংখ্যার খসড়া সারসংক্ষেপও প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত তালিকার তথ্যানুসারে, চার স্তরের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ১৫ লাখেরও বেশি। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪ হাজার ২০০-এরও বেশি এবং ভোটকক্ষের সংখ্যা ২২ হাজারের বেশি।

চট্টগ্রাম জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আজ সোমবার প্রকাশিত এই খসড়া তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ১৬টি উপজেলা পরিষদ, ১৪টি পৌরসভা ও ১৮৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকাশিত খসড়া তালিকা নিয়ে যদি কোনো দাবি বা আপত্তি থাকে, তাহলে আগামী ১৮ আগস্টের মধ্যে লিখিতভাবে তা জানাতে হবে। এই দাবিগুলি এবং আপত্তিগুলি যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির পর ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪১টি সাধারণ ও ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের জন্য প্রকাশিত খসড়া তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৯ লাখ ৫৮ হাজার ৯০৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৯ লাখ ৯১ হাজার ৬৩০, নারী ভোটা ৯ লাখ ৬৭ হাজার ২২৪ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৫১ জন। সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ৭২৫টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। সকল ভোটকেন্দ্রই স্থায়ী। এই কেন্দ্রগুলোতে ভোটকক্ষ রয়েছে ৩ হাজার ৯৫৭টি, যার মধ্যে স্থায়ী ৩ হাজার ৬৭১টি এবং অস্থায়ী ২৮৬টি।

চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলা পরিষদের জন্য খসড়া তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪৭ লাখ ৬৭ হাজার ৭৯১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২৫ লাখ ১৬ হাজার ৮০৪, নারী ২২ লাখ ৫০ হাজার ৯৭০ এবং হিজড়া ভোটার ১৭ জন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে সাগরে গোসলে ১২ বছরে ৮৪ পর্যটকের মৃত্যু

এসব উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৪৭৫টি। সবগুলোই স্থায়ী ভোটকেন্দ্র। মোট ভোটকক্ষ সংখ্যা ৯ হাজার ১৪৩টি, যার মধ্যে স্থায়ী ৮ হাজার ৭৭৫টি এবং অস্থায়ী ৩৬৮টি।

চট্টগ্রামের ১৪টি পৌরসভার ১২৬টি সাধারণ ও ৪২টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের জন্য খসড়া তালিকায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৫৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ২ লাখ ৯৩ হাজার ২৪৩ এবং নারীর সংখ্যা ২ লাখ ৬৬ হাজার ৩৪৪ জন। পৌরসভার ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২১৯টি, যার মধ্যে স্থায়ী ২১৫টি ও অস্থায়ী ৪টি। ভোটকক্ষের সংখ্যা ১ হাজার ৯৫টি, যেখানে স্থায়ী ১ হাজার ১৯টি এবং অস্থায়ী ৭৬টি।

চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলার ১৮৯টি ইউনিয়ন পরিষদের খসড়া তালিকায় মোট ভোটার রয়েছে ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৬৯ জন। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ২২ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৪, নারী ২০ লাখ ৩ হাজার ৯৮৮ এবং হিজড়া ভোটার ১৭ জন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১ হাজার ৭৮১টি, যার মধ্যে স্থায়ী ১ হাজার ৭২২টি ও অস্থায়ী ৫৯টি। ভোটকক্ষের সংখ্যা ৮ হাজার ১৯৩টি, যেখানে স্থায়ী ৭ হাজার ৬৮৩টি ও অস্থায়ী ৫১০টি।

তবে বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নে বর্তমানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না সীমানা পুনর্গঠন ও পুনর্বিন্যাসজনিত জটিলতার কারণে।

আরও পড়ুন: টঙ্গীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণশ্রমিক আব্দুল আজিজের মৃত্যু

জেলা নির্বাচন অফিস জানিয়েছে, খসড়া তালিকার যেকোনো ভোটকেন্দ্র বা ভোটকক্ষ নিয়ে যদি আপত্তি থাকে, তবে ১৮ আগস্টের মধ্যে লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা কিংবা থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আবেদন জমা দেওয়া যাবে।

এরপর সংশ্লিষ্ট আপিল কর্তৃপক্ষ ২৩ আগস্টের মধ্যে দাবির শুনানি ও নিষ্পত্তি করবেন। সব প্রক্রিয়া শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এই খসড়া তালিকার প্রকাশের মাধ্যমে চট্টগ্রামে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি আনুষ্ঠানিকভাবে আরও এক ধাপ এগোলো।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় ৯ বছর পর শুরু হচ্ছে পর্যটন কার্নিভাল কাল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় এসএসসি ফলাফলে মোহনগঞ্জ ও পৌরসভার চেয়ে এগিয়ে সদর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


নেত্রকোনায় এসএসসি ফলাফলে মোহনগঞ্জ ও পৌরসভার চেয়ে এগিয়ে সদর

নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জানা গেছে, জেলার ১০ উপজেলার মধ্যে মোহনগঞ্জ এবং পৌরসভার মধ্যে সদর প্রথম স্থানে রয়েছে। এছাড়া, পুরো জেলা জুড়ে এসএসসিতে পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৬০ দশমিক ৪৯ ভাগ।

জেলা শিক্ষা অফিসের সূত্রে জানা যায়, এই বছরের এসএসসি পরীক্ষায় নেত্রকোনার ১০টি উপজেলায় পৌনে ১৯ হাজার ৪৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ১১হাজার ৫০৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় পাস করেছে এবং ৮২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

জেলায় এসএসসি পরীক্ষার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাসের হার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ৬৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম পাসের হার খালিয়াজুরি উপজেলায় ৪৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। এবারে কেন্দুয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো শতভাগ পাসের রেকর্ড করেছে। তবে, শতভাগ ফেল করা এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই।

নেত্রকোনা সদরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৮ দশমিক ৫৭ ভাগ পাসের হার রয়েছে, যা পৌরসভার ৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। অথচ, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিকে পুরনো দত্ত উচ্চ বিদ্যালয় ৯৭টি জিপিএ-৫ পেয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, দাখিল পরীক্ষায় জেলার ১০টি উপজেলা থেকে ৩ হাজার ৩৭৮ জন অংশ নিয়ে ১ হাজার ৮১১ জন পাস করে। এই পরীক্ষায় ৫৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। দাখিল পরীক্ষায় সর্বাধিক পাসের হার বারহাট্টা উপজেলায় ৫৯ দশমিক ৪২ শতাংশ।

কারিগরি পরীক্ষায় ১০টি উপজেলায় অংশ নেওয়া ২ হাজার ২৪৫ জন পরীক্ষার্থী থেকে ১ হাজার ৩৪ জন পাস করে এবং তাদের মধ্যে ৫২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ভোকেশনালে পাসের হারে পূর্বধলা উপজেলা ৭২ দশমিক ৯২ শতাংশ নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে।

পৌরসভা এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএসসিতে ৭৯ দশমিক ৫২ শতাংশ পাসের হার, দাখিলে ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং ১৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ভোকেশনালে পাসের হার ৪৫ দশমিক ২৪ শতাংশ, এখানে ৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। অথচ, পৌরসভা এলাকায় মালনী কারিগরি স্কুল সম্যক ফেল করেছে।

এই ফলাফলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুনমুন জাহান লিজা এবং জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর কবীর আহাম্মদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুমের শিকার সোহেলের ছেলে এসএসসিতে উত্তীর্ণ, প্রধানমন্ত্রীর ফুলেল শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


গুমের শিকার সোহেলের ছেলে এসএসসিতে উত্তীর্ণ, প্রধানমন্ত্রীর ফুলেল শুভেচ্ছা

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীর সূত্রাপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খালেদ হাসান সোহেলের ছেলে মো. সাদমান শিহাব চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে।

শিহাবের এই সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর সহানুভতি ও অভিনন্দন জানিয়ে শুভেচ্ছা বার্তা এবং উপহার পাঠিয়েছেন।

আজ সোমবার সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয় শিহাবের অসাধারণ ফলাফলের বিষয়টি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আতিকুর রহমান রুমন নামক অতিরিক্ত প্রেস সচিব উপহারসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাবাজারে শিহাবের বাসায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে একগুচ্ছ ফুল, মিষ্টি এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের বই তুলে দেন।

এদিকে, শিহাবের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বার্তাও পৌঁছে দেওয়া হয়।

উপহার হস্তান্তরের সময় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহ, উত্তরাঞ্চল ছাত্র-ফোরামের সহ-সভাপতি ফারজানা রিমিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর রাজধানীর পুরান ঢাকা এলাকা থেকে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে খালেদ হাসান সোহেলকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

শিহাব নিখোঁজ বাবার স্মৃতি ও চরম অনিশ্চয়তার মাঝে বেড়ে উঠলেও তার এই ফলাফল পরিবার এবং স্বজনদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তদন্ত ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ক্ষমতা পাচ্ছে মানবাধিকার কমিশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


তদন্ত ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ক্ষমতা পাচ্ছে মানবাধিকার কমিশন

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এতে ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বা ক্ষতি রোধে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশদানের ক্ষমতার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে。

সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাষ্ট্রের অন্যতম অঙ্গীকার এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য।

এছাড়া জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাসহ মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন, সনদ এবং এ সংক্রান্ত চুক্তিগুলো পরিপালন করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতibদ্ধ।

এতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণের জন্য একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠন করা আবশ্যক।

এর পরিপ্রেক্ষিতে, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণীত হয়।

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- কমিশন গঠন এবং এর মেয়াদকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে। একজন চেয়ারপার্সন ও চার জন কমিশনার সমন্বয়ে যে কমিশন গঠিত হবে, তাতে ন্যূনতম একজন নারী অন্তর্ভুক্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে বাছাই কমিটির সুপারিশে নৃ-গোষ্ঠী, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি ও নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কমিশনের কার্যপরিধি সুস্পষ্টকরণসহ অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা সহজ করা হয়েছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, কার্যকর তদন্ত ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরসহ কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।

তদন্ত চলাকালীন ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বা ক্ষতি রোধে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশদানের ক্ষমতার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জাতিসংঘের ‘নির্যাতন বিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল’ অনুযায়ী হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম রোধকল্পে একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবাধিকার কমিশন আইন ও নতুন ভিসা নীতিমালার খসড়া অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


মানবাধিকার কমিশন আইন ও নতুন ভিসা নীতিমালার খসড়া অনুমোদন

হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু এবং গুম রোধের উদ্দেশ্যে একটি ‘জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম)’ ইউনিট গঠনের বিধান সম্বলিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে মন্ত্রিসভা দ্বারা। একই সাথে বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন আকর্ষণের জন্য ‘ভিসা নীতিমালা-২০২৬’ এবং ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন লাভ করেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে এসব অনুমোদনগুলো দেয়া হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় কমিশন গঠনের বিধান ও মেয়াদকাল সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, একজন চেয়ারপারসন এবং চারজন কমিশনারের সমন্বয়ে এই কমিশন তৈরি হবে, যেখানে অন্তত একজন নারী সদস্যের থাকতে হবে। পাশাপাশি, বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নৃ-গোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।

বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি এবং নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়া, জাতিসংঘের ‘নির্যাতন বিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল’-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম রোধে একটি ‘জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম)’ ইউনিট গঠনের বিধানও খসড়া আইনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। খসড়ায় কমিশনের কার্যপরিধি স্পষ্ট করা হয়েছে এবং অভিযোগ গ্রহণের পদ্ধতি সহজ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ক্ষতি রোধে তদন্ত চলাকালে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেবার ক্ষমতাও কমিশনকে প্রদান করা হয়েছে।

এদিনের বৈঠকে ‘ভিসা নীতিমালা-২০২৬’ এর খসড়াও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। বিদেশিদের বাংলাদেশে আসা ও কার্যক্রমকে সহজ এবং সুশৃঙ্খলভাবে করার জন্য; বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), ব্যবসা কার্যক্রম এবং দক্ষ মানবসম্পদ আকর্ষণ করার লক্ষ্যে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০০৬ সালের পুরানো নীতিমালায় ভিসার ক্যাটাগরি ছিল ৩৩টি, নতুন নীতিমালায় তা বাড়িয়ে ৩৪টি করা হয়েছে।

নতুন এই নীতিমালার ভিত্তিতে পূর্ববর্তী সকল ভিসাসংক্রান্ত পরিপত্র (সার্কুলার) বাতিল হবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে একটি সমন্বিত আধুনিক ভিসা কাঠামো তৈরি করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বহির্গমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

এছাড়া, বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার কথা জানানো হয়।

বৈঠকে বলা হয়, তফসিলি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট ও দেউলিয়াত্ব প্রতিরোধে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ পাস করা হয়েছিল। ওই আইনে রেজল্যুশনের আওতাধীন ব্যাংকগুলো অবস্থানরত রেখে পুনর্গঠন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারি আর্থিক সংশ্লেষ কমানোর জন্য ১৮(ক) ধারা সংযুক্ত করে একটি বাজারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু এই ধারাটির শর্ত মেনে কেউ আবেদন না করায়, সেই কারণে বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্যে নতুন এই সংশোধনী আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%