ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেত্রকোনায় এসএসসি ফলাফলে মোহনগঞ্জ ও পৌরসভার চেয়ে এগিয়ে সদর


নেত্রকোনায় এসএসসি ফলাফলে মোহনগঞ্জ ও পৌরসভার চেয়ে এগিয়ে সদর

নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জানা গেছে, জেলার ১০ উপজেলার মধ্যে মোহনগঞ্জ এবং পৌরসভার মধ্যে সদর প্রথম স্থানে রয়েছে। এছাড়া, পুরো জেলা জুড়ে এসএসসিতে পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৬০ দশমিক ৪৯ ভাগ।

জেলা শিক্ষা অফিসের সূত্রে জানা যায়, এই বছরের এসএসসি পরীক্ষায় নেত্রকোনার ১০টি উপজেলায় পৌনে ১৯ হাজার ৪৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ১১হাজার ৫০৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় পাস করেছে এবং ৮২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

জেলায় এসএসসি পরীক্ষার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাসের হার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ৬৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম পাসের হার খালিয়াজুরি উপজেলায় ৪৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। এবারে কেন্দুয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো শতভাগ পাসের রেকর্ড করেছে। তবে, শতভাগ ফেল করা এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

নেত্রকোনা সদরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৮ দশমিক ৫৭ ভাগ পাসের হার রয়েছে, যা পৌরসভার ৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। অথচ, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিকে পুরনো দত্ত উচ্চ বিদ্যালয় ৯৭টি জিপিএ-৫ পেয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, দাখিল পরীক্ষায় জেলার ১০টি উপজেলা থেকে ৩ হাজার ৩৭৮ জন অংশ নিয়ে ১ হাজার ৮১১ জন পাস করে। এই পরীক্ষায় ৫৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। দাখিল পরীক্ষায় সর্বাধিক পাসের হার বারহাট্টা উপজেলায় ৫৯ দশমিক ৪২ শতাংশ।

কারিগরি পরীক্ষায় ১০টি উপজেলায় অংশ নেওয়া ২ হাজার ২৪৫ জন পরীক্ষার্থী থেকে ১ হাজার ৩৪ জন পাস করে এবং তাদের মধ্যে ৫২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ভোকেশনালে পাসের হারে পূর্বধলা উপজেলা ৭২ দশমিক ৯২ শতাংশ নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে।

পৌরসভা এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএসসিতে ৭৯ দশমিক ৫২ শতাংশ পাসের হার, দাখিলে ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং ১৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ভোকেশনালে পাসের হার ৪৫ দশমিক ২৪ শতাংশ, এখানে ৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। অথচ, পৌরসভা এলাকায় মালনী কারিগরি স্কুল সম্যক ফেল করেছে।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

এই ফলাফলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুনমুন জাহান লিজা এবং জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর কবীর আহাম্মদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুমের শিকার সোহেলের ছেলে এসএসসিতে উত্তীর্ণ, প্রধানমন্ত্রীর ফুলেল শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


গুমের শিকার সোহেলের ছেলে এসএসসিতে উত্তীর্ণ, প্রধানমন্ত্রীর ফুলেল শুভেচ্ছা

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীর সূত্রাপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খালেদ হাসান সোহেলের ছেলে মো. সাদমান শিহাব চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে।

শিহাবের এই সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর সহানুভতি ও অভিনন্দন জানিয়ে শুভেচ্ছা বার্তা এবং উপহার পাঠিয়েছেন।

আজ সোমবার সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয় শিহাবের অসাধারণ ফলাফলের বিষয়টি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আতিকুর রহমান রুমন নামক অতিরিক্ত প্রেস সচিব উপহারসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাবাজারে শিহাবের বাসায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে একগুচ্ছ ফুল, মিষ্টি এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের বই তুলে দেন।

এদিকে, শিহাবের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বার্তাও পৌঁছে দেওয়া হয়।

উপহার হস্তান্তরের সময় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহ, উত্তরাঞ্চল ছাত্র-ফোরামের সহ-সভাপতি ফারজানা রিমিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর রাজধানীর পুরান ঢাকা এলাকা থেকে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে খালেদ হাসান সোহেলকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

শিহাব নিখোঁজ বাবার স্মৃতি ও চরম অনিশ্চয়তার মাঝে বেড়ে উঠলেও তার এই ফলাফল পরিবার এবং স্বজনদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তদন্ত ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ক্ষমতা পাচ্ছে মানবাধিকার কমিশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


তদন্ত ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ক্ষমতা পাচ্ছে মানবাধিকার কমিশন

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এতে ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বা ক্ষতি রোধে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশদানের ক্ষমতার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে。

সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাষ্ট্রের অন্যতম অঙ্গীকার এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য।

এছাড়া জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাসহ মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন, সনদ এবং এ সংক্রান্ত চুক্তিগুলো পরিপালন করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতibদ্ধ।

এতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণের জন্য একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠন করা আবশ্যক।

এর পরিপ্রেক্ষিতে, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণীত হয়।

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- কমিশন গঠন এবং এর মেয়াদকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে। একজন চেয়ারপার্সন ও চার জন কমিশনার সমন্বয়ে যে কমিশন গঠিত হবে, তাতে ন্যূনতম একজন নারী অন্তর্ভুক্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে বাছাই কমিটির সুপারিশে নৃ-গোষ্ঠী, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি ও নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কমিশনের কার্যপরিধি সুস্পষ্টকরণসহ অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা সহজ করা হয়েছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, কার্যকর তদন্ত ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরসহ কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।

তদন্ত চলাকালীন ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বা ক্ষতি রোধে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশদানের ক্ষমতার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জাতিসংঘের ‘নির্যাতন বিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল’ অনুযায়ী হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম রোধকল্পে একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবাধিকার কমিশন আইন ও নতুন ভিসা নীতিমালার খসড়া অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


মানবাধিকার কমিশন আইন ও নতুন ভিসা নীতিমালার খসড়া অনুমোদন

হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু এবং গুম রোধের উদ্দেশ্যে একটি ‘জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম)’ ইউনিট গঠনের বিধান সম্বলিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে মন্ত্রিসভা দ্বারা। একই সাথে বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন আকর্ষণের জন্য ‘ভিসা নীতিমালা-২০২৬’ এবং ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন লাভ করেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে এসব অনুমোদনগুলো দেয়া হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় কমিশন গঠনের বিধান ও মেয়াদকাল সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, একজন চেয়ারপারসন এবং চারজন কমিশনারের সমন্বয়ে এই কমিশন তৈরি হবে, যেখানে অন্তত একজন নারী সদস্যের থাকতে হবে। পাশাপাশি, বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নৃ-গোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।

বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি এবং নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়া, জাতিসংঘের ‘নির্যাতন বিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল’-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম রোধে একটি ‘জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম)’ ইউনিট গঠনের বিধানও খসড়া আইনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। খসড়ায় কমিশনের কার্যপরিধি স্পষ্ট করা হয়েছে এবং অভিযোগ গ্রহণের পদ্ধতি সহজ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ক্ষতি রোধে তদন্ত চলাকালে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেবার ক্ষমতাও কমিশনকে প্রদান করা হয়েছে।

এদিনের বৈঠকে ‘ভিসা নীতিমালা-২০২৬’ এর খসড়াও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। বিদেশিদের বাংলাদেশে আসা ও কার্যক্রমকে সহজ এবং সুশৃঙ্খলভাবে করার জন্য; বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), ব্যবসা কার্যক্রম এবং দক্ষ মানবসম্পদ আকর্ষণ করার লক্ষ্যে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০০৬ সালের পুরানো নীতিমালায় ভিসার ক্যাটাগরি ছিল ৩৩টি, নতুন নীতিমালায় তা বাড়িয়ে ৩৪টি করা হয়েছে।

নতুন এই নীতিমালার ভিত্তিতে পূর্ববর্তী সকল ভিসাসংক্রান্ত পরিপত্র (সার্কুলার) বাতিল হবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে একটি সমন্বিত আধুনিক ভিসা কাঠামো তৈরি করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বহির্গমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

এছাড়া, বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার কথা জানানো হয়।

বৈঠকে বলা হয়, তফসিলি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট ও দেউলিয়াত্ব প্রতিরোধে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ পাস করা হয়েছিল। ওই আইনে রেজল্যুশনের আওতাধীন ব্যাংকগুলো অবস্থানরত রেখে পুনর্গঠন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারি আর্থিক সংশ্লেষ কমানোর জন্য ১৮(ক) ধারা সংযুক্ত করে একটি বাজারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু এই ধারাটির শর্ত মেনে কেউ আবেদন না করায়, সেই কারণে বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্যে নতুন এই সংশোধনী আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়নের মেয়াদ দুই বছর করল সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়নের মেয়াদ দুই বছর করল সরকার

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডেন্টাল ক্লিনিক এবং মেডিকেল চেকআপ সেন্টারগুলোর লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের মেয়াদ, ১ বছর থেকে বাড়িয়ে ২ বছর করেছে সরকার।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহের পরিচালক ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কথা জানানো হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন এই নিয়ম ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর থেকে কার্যকর হবে।

লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়নের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলার কথা বলা হয়েছে :

ফি জমাদান : ২ বছরের লাইসেন্স ফি এবং ভ্যাট একসাথে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে এইচএসএম ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

পরিবেশ ছাড়পত্র : নতুন লাইসেন্স গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যম্ভাবীভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্র বা পরিবেশ ছাড়পত্র নিতে হবে।

নারকোটিক লাইসেন্স : যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান নারকোটিক বা মাদকদ্রব্য ব্যবহার করে, নতুন লাইসেন্স পাওয়ার পর তাদের অবশ্যই নারকোটিক লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

নিয়মিত তদারকি : পরিবেশ অধিদপ্তর ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাদের নিজ নিজ দপ্তরের হালনাগাদ লাইসেন্স তদারকি করবে।

এছাড়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাগণ নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনে যদি কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় পাওয়া যায়, তাহলে লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%