বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৫৬ পি.এম
ছবি এইআই নির্মিত।
ভারতের নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যে বিক্ষোভ চলছে, সেটিতে এবার একটি অভিনব ইন্টারনেট ট্রেন্ড যুক্ত হয়েছে। এই বিক্ষোভে জেন-জি আন্দোলনকারীরা বিখ্যাত নরওয়েজিয়ান ফুটবলার আর্লিং হালান্ডকে প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন।
কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এবং কৌতুকশিল্পী মজা করে বলছেন, যে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের ভাগ্য এখন নাকি নির্ভর করছে নরওয়ের ফুটবলার আর্লিং হালান্ডের ওপর।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আলোচনায় থাকা ২৫ বছর বয়সী এই তারকা স্ট্রাইকার গত দুই সপ্তাহে ইন্টারনেটে মজার ছলে ‘পিপলস প্রিন্সেস’ উপাধি পেয়েছেন। আর সেই মিম সংস্কৃতিতে তাকে এখন ভারতের শিক্ষা সংকটের ‘সমাধানকারী’ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নরেন্দ্র মোদির নাম ব্যবহার করে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে মজা করে পোস্ট করা হয়, ‘আমার নাম নরেন্দ্র মোদি। হালান্ড যদি এই পোস্টে রিপ্লাই দেয়, তবে আমি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করব।’
পোস্টটিতে দ্রুত হাজার হাজার মন্তব্য জমা পড়ে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘একটা দেশকে সাহায্য করো।’ আরেকজন মজা করে বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, হালান্ডের কমেন্ট করার সম্ভাবনা প্রধানের পদত্যাগ করার চেয়ে ১০০ গুণ বেশি।’
কৌতুকশিল্পী অনির্বাণ দাশগুপ্তও যোগ দেন এই মিমে। তিনি লেখেন, ‘আর্লিং, এটাকে হেড করে গোল করো—এটাই হবে মৌসুমের সেরা গোল।’ সোশ্যাল মিডিয়ার এই ট্রেন্ড রাস্তায় চলমান বিক্ষোভেও প্রভাব ফেলেছে। মুম্বাইয়ের বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা হালান্ডের বিখ্যাত ‘ভাইকিং রো’ মেডিটেশন সেলিব্রেশন অনুকরণ করেন।
মূলত, রাজনৈতিক নেতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম তাদের হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশের জন্য মিম এবং ইন্টারনেট সংস্কৃতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, ভারতের এই ‘প্রথম বড় জেন-ജി আন্দোলন’ স্লোগান ও বক্তব্যের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল কনটেন্ট দিয়েও সমানভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ এর ফাইনালে স্পেনের কাছে শিরোপা হারানোর হতাশা কাটানোর আগেই আবারও মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের। যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলে, তবে চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত ফিনালিসিমা। এই ফিনালিসিমা প্রতিযোগিতায় লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা প্রতিপক্ষ হিসেবে লামিন ইয়ামালের স্পেনের মোকাবেলা করবে।
স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কার একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল এবং ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা আবারও ম্যাচটি আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এই ম্যাচটি ২০২৪ কোপা আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এই ম্যাচটি দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তায় ছিল।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ম্যাচটি গত ২৭ মার্চ কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সেখানে ম্যাচ আয়োজন সম্ভব হয়নি। এর পর নতুন ভেন্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। স্পেন চেয়েছিল মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়াম এবং আর্জেন্টিনা চাইছিল বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।
তবে নতুন করে ম্যাচটি আয়োজনের সম্ভাবনা এখন জোরালো হয়েছে। মার্কারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৯ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফিফার আন্তর্জাতিক উইন্ডোর মাঝেই ফিনালিসিমা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে দিন-তারিখ অথবা ভেন্যু ঘোষণা করা হয়নি।
যদি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আবারও ফুটবল বিশ্বের দুই শক্তিশালী দলের লড়াই উপভোগ করার সুযোগ পাবেন সমর্থকরা। বিশেষ করে মেসি ও ইয়ামালের সম্ভাব্য দ্বৈরথ ঘিরে ইতোমধ্যে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘আজকের রাজনীতির প্রধান প্রশ্ন হলো দেশের মূল সংকট কোথায়? ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার ও সংসদ গঠিত হলেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু গত পাঁচ মাসে দলীয়করণ, দুর্নীতি, অর্থপাচার ও ভিন্নমতের ওপর নিপীড়ন যেভাবে ফিরে আসছে, তাতে প্রশ্ন জাগে আমরা কি আবারও সেই পুরোনো অন্ধকারে ফিরে যাচ্ছি?’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘যে দলীয়করণ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আমরা রাজপথে রক্ত দিয়েছি, হাজারো মানুষ জীবন দিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, সেই একই সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না। জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটে পাঁচ কোটি মানুষ ৮৪ দফা সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে রায় দিয়েছেন। এই গণভোট জনগণের সরাসরি রায়ের প্রতীক, যা যে কোনো সংসদীয় আইনের চেয়েও শক্তিশালী। সুতরাং গণভোটে দেওয়া জনগণের রায় বাস্তবায়ন করতেই হবে।’
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) বিকালে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমিতে দিনাজপুর জেলা ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোট: জনআকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে সরকারের দায় ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দিনাজপুর জেলা আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি, রংপুর জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানী এমপি এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ড. এনামুল হক।
সেমিনারে বক্তব্য দেন রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিমের সদস্য ও দিনাজপুরের সাবেক জেলা আমির মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক জেলা আমির মো. আফতাব উদ্দীন মোল্লা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাজিবুর রহমান পলাশ, দিনাজপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শামছুল মুক্তাদির, জাগপা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল কায়েস রুপম, জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম, দিনাজপুর জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ এ কে এম আফজালুল আনাম, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা, এনডিএফের সাধারণ সম্পাদক ডা. আফসার আল মাহমুদ, দিনাজপুর শহর আমির মাওলানা মো. সিরাজুস সালেহীন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মো. একরামুল হক আবীর, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. জাকিরুল ইসলাম, দিনাজপুর শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাসুদ রানা এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের হাবিপ্রবি শাখার সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হকসহ ১১ দলীয় ঐক্যের দিনাজপুর জেলার নেতৃবৃন্দ।
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘অনেকে দাবি করছেন, এই সংস্কার ও গণভোটের সাংবিধানিক ভিত্তি নেই। কিন্তু স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্বাচন, গণভোট ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের আইনি কাঠামো নির্ধারিত হয়েছিল। আমাদের সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশ আইনের মর্যাদা লাভ করে। তদুপরি, সংবিধানের ৭ম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। আর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের যে অভিপ্রায় প্রকাশ পেয়েছে, সেটিই সর্বোচ্চ গুরুত্ব বহন করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের দায়িত্ব এড়িয়ে কেবল সাধারণ সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইছেন, যা জুলাই সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো গণভোটে দেওয়া জনগণের পাঁচ কোটি ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় এবং ৮৪ দফা সংস্কার প্রস্তাব অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। স্থানীয় সরকারসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় নিয়োগ বন্ধ করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটের গণরায় এড়িয়ে গিয়ে পুনর্গঠিত ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটার যে কোনো অপচেষ্টাকে সংসদ ও রাজপথে তীব্র গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।’
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার সাম্য, ইনসাফ ও জনগণের জন-আকাঙ্ক্ষার অভিপ্রায় প্রতিষ্ঠার এই লড়াইয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের সঙ্গে ইতিমধ্যে সই হওয়া বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিটি বাতিল হয়ে যাবে যদি ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক না করা হয়। এই কথা বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যুক্ত করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে বিভিন্ন সময়ে বারবার চাপ দিয়েছেন। গত বুধবারই এই পারমাণবিক চুক্তিটি সই হয়েছে। অথচ চুক্তির আগে কেন এই নতুন শর্তের কথা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি, সেই বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা লেভিট দেননি। তিনি শুধুমাত্র বলেন, আপনারা জানেন, প্রেসিডেন্টই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময়ে বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অনুরোধে নতুন এই শর্ত জুড়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে জল্পনা নাকচ করে দেন লেভিট। তিনি বলেন, আমার জানামতে এমনটি হয়নি, এটি অনেক আগে থেকেই প্রেসিডেন্টের নিজস্ব একটি ভাবনা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেস সেক্রেটারি জানান, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে সৌদি নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তবে ট্রাম্প এই নতুন শর্ত ঘোষণার পর থেকে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে তার কোনো কথা হয়নি। উল্লেখ্য, ক্রাউন প্রিন্স আগেই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবেন না। ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই বিবৃতি দিয়েছেন। এরপর এমবিএসের (মোহাম্মদ বিন সালমান) সঙ্গে তার কথা হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। তবে আগের আলোচনাগুলোতে তিনি বিষয়টি তুলেছিলেন এবং অতীতে বহুবার এ কথা বলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী রেঞ্জের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সুসংহত রাখতে জেলা পুলিশের সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অভিযানের দ্বিতীয় দিনে দেড় কেজি হেরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিলের বিকল্প মাদক সিরাপ ও দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক মামলায় ৭ জন এবং বিভিন্ন মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ৯ জনসহ মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাবিনা ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদের নির্দেশনা এবং রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানের তত্ত্বাবধানে ২১ জুলাই থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযান নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২২ জুলাই) জেলার গোদাগাড়ী, তানোর, মোহনপুর, পুঠিয়া, বাগমারা, দুর্গাপুর, চারঘাট ও বাঘা থানা এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে অভিযান চালায়। অভিযানে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম হেরোইন, ১৮ লিটার দেশীয় মদ, ১০০ বোতল ইসকাফ সিরাপ, ৬০৮টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ২০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
এ সময় মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আরও ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। সব মিলিয়ে অভিযানের দ্বিতীয় দিনে মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে রাজশাহী জেলা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিশেষ অভিযান চলাকালে অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক, চোরাচালান পণ্য, মাদক উদ্ধার এবং মুলতুবি গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ