প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ছবি এইআই নির্মিত।
ভারতের নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যে বিক্ষোভ চলছে, সেটিতে এবার একটি অভিনব ইন্টারনেট ট্রেন্ড যুক্ত হয়েছে। এই বিক্ষোভে জেন-জি আন্দোলনকারীরা বিখ্যাত নরওয়েজিয়ান ফুটবলার আর্লিং হালান্ডকে প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন।
কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এবং কৌতুকশিল্পী মজা করে বলছেন, যে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের ভাগ্য এখন নাকি নির্ভর করছে নরওয়ের ফুটবলার আর্লিং হালান্ডের ওপর।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আলোচনায় থাকা ২৫ বছর বয়সী এই তারকা স্ট্রাইকার গত দুই সপ্তাহে ইন্টারনেটে মজার ছলে ‘পিপলস প্রিন্সেস’ উপাধি পেয়েছেন। আর সেই মিম সংস্কৃতিতে তাকে এখন ভারতের শিক্ষা সংকটের ‘সমাধানকারী’ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নরেন্দ্র মোদির নাম ব্যবহার করে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে মজা করে পোস্ট করা হয়, ‘আমার নাম নরেন্দ্র মোদি। হালান্ড যদি এই পোস্টে রিপ্লাই দেয়, তবে আমি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করব।’
পোস্টটিতে দ্রুত হাজার হাজার মন্তব্য জমা পড়ে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘একটা দেশকে সাহায্য করো।’ আরেকজন মজা করে বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, হালান্ডের কমেন্ট করার সম্ভাবনা প্রধানের পদত্যাগ করার চেয়ে ১০০ গুণ বেশি।’
কৌতুকশিল্পী অনির্বাণ দাশগুপ্তও যোগ দেন এই মিমে। তিনি লেখেন, ‘আর্লিং, এটাকে হেড করে গোল করো—এটাই হবে মৌসুমের সেরা গোল।’ সোশ্যাল মিডিয়ার এই ট্রেন্ড রাস্তায় চলমান বিক্ষোভেও প্রভাব ফেলেছে। মুম্বাইয়ের বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা হালান্ডের বিখ্যাত ‘ভাইকিং রো’ মেডিটেশন সেলিব্রেশন অনুকরণ করেন।
মূলত, রাজনৈতিক নেতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম তাদের হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশের জন্য মিম এবং ইন্টারনেট সংস্কৃতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, ভারতের এই ‘প্রথম বড় জেন-ജി আন্দোলন’ স্লোগান ও বক্তব্যের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল কনটেন্ট দিয়েও সমানভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন