ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘আমাকে সিঙ্গেল দেখতেই পছন্দ করে সবাই’ পরীমনির মন্তব্য


‘আমাকে সিঙ্গেল দেখতেই পছন্দ করে সবাই’ পরীমনির মন্তব্য

অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়ে বরাবরই আলোচনায় থাকেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। সম্প্রতি শেষ হওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে তাঁর বিয়ে নিয়ে নতুন করে তৈরি হয় নানা জল্পনা। এবার ব্যক্তিজীবন, গ্রেপ্তারের অভিজ্ঞতা ও চলমান আইনি লড়াইসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি রাজধানীর শুটিং ক্লাবে অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পরীমনি। এ সময় তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবন, গ্রেপ্তারের অভিজ্ঞতা, চলমান মামলা এবং ভবিষ্যতে আবারও বিয়ের সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। বিয়ে ও ব্যক্তিজীবন প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, গালি খাই। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না। সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়, আমার বাচ্চাটার সঙ্গে দেখতে চায়। এতে কী আনন্দ আমি জানি না।’ এছাড়া গ্রেপ্তারের ঘটনা প্রসঙ্গেও কথা বলেন পরীমনি। দীর্ঘদিন এ বিষয়ে নীরব থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘জেল থেকে আসার পর এ বিষয়ে আমি একবারও কথা বলিনি। আমার শুধু মনে হয়েছে, সত্য একদিন ব্লাস্ট করে। আপনি যতই চাপা দিয়ে রাখেন, কোনো না কোনোভাবে তা বেরিয়ে আসে। যেমন কোনো অপরাধই নিখুঁত নয়, তেমনি কোনো সত্যও চিরদিন চাপা থাকে না।’ গ্রেপ্তারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, গ্রেপ্তারের সময় কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না এবং এমনকি তাঁর বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও সংশ্লিষ্টদের কাছে ছিল না। পরীমনি জানান, পরবর্তী সময়ে পুরো ঘটনার বিবরণ শোনার পর তাঁর মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছিল। তবে এ নিয়ে তৎক্ষণাৎ কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘এই ছয় বছরে ধৈর্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি যে কী পরিমাণ হ্যাপি, মনে হয়েছে যে আমার দুইটা পাখা হয়েছে, আমি অনেক রিলিফ হয়ে গেছি, মনে হয় ঘাড় থেকে সমস্ত বোঝা নেমে গেছে।’ আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে নিজের আস্থার কথা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি কখনো রাষ্ট্রকে চাপ দিইনি বা আহাজারি করিনি। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন সময় লাগুক, যত বছর হাজিরা দিতে হোক, আমি দেব। আমার বিশ্বাস, একদিন আদালত আমাকে নির্দোষ ঘোষণা করে সম্মান ফিরিয়ে দেবে।’ দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়েও কথা বলেন পরীমনি। তাঁর মতে, শুধু শিল্পী নয়, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। শিল্পী, রিকশাচালক কিংবা অন্য যে কেউ—সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হয়রানি ও হেনস্তা থেকে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজেপির জাতীয় মুখপাত্রের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শেহজাদ পুনাওয়ালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


বিজেপির জাতীয় মুখপাত্রের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শেহজাদ পুনাওয়ালা

ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) টেলিভিশন বিতর্কের অন্যতম পরিচিত ও প্রভাবশালী মুখ শেহজাদ পুনাওয়ালা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) নিজের অ্যাকাউন্ট বায়ো পরিবর্তন করার পর তার এই দলত্যাগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। আপডেট করা বায়ো থেকে তিনি ‌‌‌‘বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র’ পরিচয়টি পুরোপুরি মুছে ফেলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি নিশ্চিত করেছে যে, সম্পূর্ণ ‘ব্যক্তিগত কারণ’ উল্লেখ করে তিনি দল ছাড়ার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। দল ত্যাগ করলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি নিজের অনুরাগের কথা বায়োতে বজায় রেখেছেন এই তরুণ নেতা। নিজের নতুন বায়োতে তিনি লিখেছেন, ‘ধর্ম: ইসলাম, সংস্কৃতি: হিন্দু, আদর্শ: ভারতীয়, লেখক: জিএসটি কি যাত্রা; প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আজীবন অনুসারী।’ পেশায় আইনজীবী শেহজাদ পুনাওয়ালা সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া তার পুরোনো সাক্ষাৎকারের একটি অংশ শেয়ার করেছিলেন, যেখানে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে সক্রিয় রাজনীতি থেকে তার সরে দাঁড়ানোর সময় এসে গেছে। পরবর্তীতে এই পদক্ষেপ তার সেই মন্তব্যেরই বাস্তব প্রতিফলন ঘটাল। শেহজাদ পুনাওয়ালার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়েছিল ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের হাত ধরে। ২০১৭ সালে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি সংবাদ শিরোনামে আসেন। সে সময় তিনি দাবি করেছিলেন, রাহুল গান্ধীকে দলের সভাপতি পদে বসানোর জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছিল। ওই বিতর্কের পর তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করেন এবং পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তার বাগ্মিতা ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে দল তাকে জাতীয় মুখপাত্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়। শেহজাদ পুনাওয়ালা প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক তেহসিন পুনাওয়ালার ছোট ভাই। শেহজাদ কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে টিভি বিতর্কে কংগ্রেস ও তার শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সুর চড়ালে দুই ভাইয়ের সম্পর্কে প্রকাশ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। তেহসিন পুনাওয়ালা নিয়মিত টেলিভিশন টকশোতে কংগ্রেস সমর্থক ও নরেন্দ্র মোদি সরকারের কঠোর সমালোচক হিসেবে অংশ নেন। বিপরীতমুখী রাজনৈতিক আদর্শে থাকা এই দুই ভাইকে প্রায়ই খবরের চ্যানেলগুলোতে সরাসরি বিতর্কে মুখোমুখি হতে, একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বাণ বা কটাক্ষ ছুড়ে দিতে দেখা যেত। প্রতিবেদনে বলা হওয়া ‘ব্যক্তিগত কারণ’-এর বাইরে ঠিক কী কারণে এই আকস্মিক পদত্যাগ, সে বিষয়ে বিজেপি বা শেহজাদ পুনাওয়ালার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ স্পষ্ট করা হয়নি। তবে এ নিয়ে খুব শিগগিরই একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেলুচিস্তানের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ৩৫ শ্রমিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


বেলুচিস্তানের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ৩৫ শ্রমিকের মৃত্যু

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে দুটি পৃথক কয়লাখনিতে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণ ও ধসে ৩৫ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ৮ জন শ্রমিক এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার নিকটে সোরাঞ্জ নামের একটি দুর্গম এলাকায় অবস্থিত খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৩৪ জন নিহত হন। খনির মালিক কুরবান জোগেজাই জানিয়েছেন, ভূগর্ভে জমে থাকা মিথেন গ্যাসের জন্য এই বিস্ফোরণটি ঘটেছে। দুর্ঘটনার সময় খনির অভ্যন্তরে মোট ৪২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে কুরবান জোগেজাই বলেছিলেন, হতাহত শ্রমিকদের মধ্যে সবাই পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ার শাংলা জেলার বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবারের এই বিস্ফোরণের পর, বিধ্বস্ত খনিতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (পিডিএমএ) উদ্ধারকারী দল। শুক্রবার (৩১ জুলাই) উদ্ধারকারী বাহিনীর এক সদস্য জানিয়েছেন, নিখোঁজ শ্রমিকদের খোঁজ পাওয়া না যাওয়া পর্যন্ত তাদের উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

একই দিনে, বেলুচিস্তানের হারনাই জেলার আরেকটি কয়লাখনিতে বড় আকারের পাথরের স্তূপ ধসে পড়ে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

জোড়া দুর্ঘটনার পর, বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও সিন্ধ প্রদেশের কয়লাখনিগুলোতে সুরক্ষাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে প্রায়শই এমন মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এর আগে চলতি জুলাই মাসের শুরুর দিকে সিন্ধের থাট্টা জেলায় অন্য একটি কয়লাখনি ধসে ৪ জন শ্রমিক নিহত ও ৫ জন গুরুতর আহত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিলে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ, তদন্তে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


বিলে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ, তদন্তে পুলিশ

জামালপুরের মেলান্দহের দানাভাঙা বিল থেকে পুলিশ অজ্ঞাত ব্যক্তির (৪০) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে এটি উদ্ধার করা হয়েছে বানিয়াবাড়ি দানাভাঙা বিলের মাহমুদপুর ইউনিয়নের এলাক থেকে।

স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিম মাহমুদুল হক জানান, স্থানীয় এক ব্যক্তি মাছ ধরতে গেলে বিলের পানিতে বিবস্ত্র অবস্থায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে খবর পাওয়ার পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

মেলান্দহ থানার ওসি আরো জানান, অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের ব্যাপারে চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি এও বলেন, মরদেহটি কিভাবে এখানে আসলো এবং তা হত্যার শিকার হয়েছে কিনা, এ সম্পর্কে তদন্ত চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণপরিবহনে নজরদারি বাড়ছে, কাল থেকে বাধ্যতামূলক জিপিএস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


গণপরিবহনে নজরদারি বাড়ছে, কাল থেকে বাধ্যতামূলক জিপিএস

দেশের সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আগামীকাল শনিবার (১ আগস্ট) থেকে সকল গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযোজন এবং সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। এদিন থেকে নতুন রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ নবায়নের সময় জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র এবং মোবাইল অ্যাপে এর কার্যকারিতা প্রদর্শন করতে হবে।

এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, শুধুমাত্র প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ নয়, বরং কার্যকর তদারকি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত করা না গেলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না।

দেশের সড়কে প্রতিদিনই দেখা যায় গণপরিবহনের বিশৃঙ্খল চিত্র। যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় বাসের বেপরোয়া রেষারেষির কারণে প্রায়ই সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এই পরিস্থিতিতে যাত্রী ওঠানামার জন্য যেখানে-সেখানে থেমে থাকা এবং একাধিক লেন দখল করে দাঁড়িয়ে থাকার ফলে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে এবং স্বাভাবিক যান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে।

এ অবস্থায় সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারের এই উদ্যোগ জরুরি। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, বিভিন্ন কোম্পানির গাড়িতে জিপিএস সংযোজনের বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। তবে ১ আগস্ট থেকেই সব গাড়িতে এটি পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হবে না এবং এজন্য আরো কিছু সময় প্রয়োজন।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, জিপিএস সংযুক্ত এবং সচল না থাকলে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন বা ফিটনেস সনদ দেওয়া অথবা নবায়ন করা হবে না। এ বিষয়ে পরিবহন মালিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বিআরটিএ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, নতুন কোনো গাড়ি নিবন্ধনের জন্য আসলে সেটি জিপিএস সংযুক্ত অবস্থায় আসতে হবে। একইভাবে ফিটনেস সনদ নবায়নের ক্ষেত্রেও জিপিএস থাকা বাধ্যতামূলক। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য বিআরটিএর প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গড়ে তুলছে, যেন সহজেই নিশ্চিত হওয়া যায় কোনো যানবাহনে জিপিএস সংযুক্ত রয়েছে কি না।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর সংস্কারও প্রয়োজন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না। সম্পর্কে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কারও করার অত্যাবশ্যকতা রয়েছে। প্রযুক্তি তখনই কার্যকর হবে, যখন তা সুশাসনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে প্রয়োগ করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় যানবাহনে জিপিএস সংযোজন কতটা বাস্তব ফল দেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সড়ক পরিবহন খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও কঠোর নজরদারির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%