ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতক্ষীরায় যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত


সাতক্ষীরায় যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের উদ্যোগে আজ প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে ছিল।

মঙ্গলবার বিকালে শহরের মাওয়া চায়নিজ রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়ে প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে চায়না বাংলা শপিং সেন্টারের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি'র সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু।

আরও পড়ুন: দীঘিনালায় সাত পাহাড়ি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগ

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম রানা সবুজ। এছাড়া সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম এবং পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আলী শাহিনও উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় জেলা যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবান শহরকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের উদ্যোগ: পার্বত্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


বান্দরবান শহরকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের উদ্যোগ: পার্বত্যমন্ত্রী

বান্দরবান, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: বান্দরবান পার্বত্য জেলাকে আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।

আজ বান্দরবান পৌরসভার চারপাশের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় শহরের পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার কার্যক্রমের ওপরও নজর দেন তিনি।

মন্ত্রী শহরের ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল রোডের সংলগ্ন সড়কের খানাখন্দ এবং ভগ্নদশা দ্রুত মেরামতের নির্দেশনা দেন। এছাড়া ৩ নং ওয়ার্ড কালাঘাটা এলাকার চৌরাস্তা সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে জমা হওয়া ময়লা-আবর্জনা ও আগাছা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করে তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে সরকারি খাসজমি ও সড়কের ওপর অবৈধভাবে গড়ে তোলা সকল উচ্ছেদযোগ্য স্থাপনা দ্রুত অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন মন্ত্রী।

পরে, মন্ত্রী পৌরসভার রোয়াংছড়ি বাস টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে বিদ্যমান সুপেয় পানির সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিম্নমানের যাত্রীসেবা এবং সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা দেখে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। যাত্রীসাধারণের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেন তিনি।

এছাড়া, পর্যটক ও স্থানীয়দের সুবিধার্থে প্রধান ডাকঘরের কাছে থানচি বাস স্ট্যান্ড এবং রুমা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন পৃথক দুটি স্থানে অত্যাধুনিক ও পরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে বান্দরবান জেলার জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, বান্দরবান স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম মনজুরুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাতসহ জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের শেষে মন্ত্রী বলেন, "সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও স্থানীয় জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতায় অতি দ্রুত বান্দরবান একটি পরিচ্ছন্ন, সুসংগঠিত ও মডেল পর্যটন নগরী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওয়াসিম-ওয়াকারের বোলিং: ক্রিকেট বিশ্বে আজও অনন্য প্রতিভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


ওয়াসিম-ওয়াকারের বোলিং: ক্রিকেট বিশ্বে আজও অনন্য প্রতিভা

ক্রিকেটের ইতিহাসে দুর্দান্ত পেস বোলিং জুটির উদাহরণ কমই দেখা যায়। তবে ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসের নাম আলাদা এক আবহে উচ্চারিত হয়। পাকিস্তানের এই দুই কিংবদন্তি শুধু ভয়ংকর গতির জন্যই নয়, বরং সুইং, রিভার্স সুইং ও নিখুঁত ইয়র্কারের সমন্বয়ে নব্বইয়ের দশকে ব্যাটারদের জন্য কঠিন পরীক্ষা তৈরি করেছিলেন। আজও তাদের বোলিংকে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেস জুটি হিসেবে গণ্য করা হয়।

একসঙ্গে দুই দিক থেকে আক্রমণ

ওয়াসিম ছিলেন বাঁহাতি, অন্যদিকে ওয়াকার ছিলেন ডানহাতি। ফলে তাদের বোলিংয়ের কোণ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। যখন একজন বাঁহাতি অ্যাঙ্গেল থেকে বল সুইং করাতেন, তখন অন্যজন বিপরীত প্রান্ত থেকে গতি ও মুভমেন্টের মাধ্যমে ব্যাটারকে চাপে ফেলতেন। এই বৈচিত্র্য তাদের জুটিকে আরও ভয়ংকর করে তুলেছিল।

আইসিসির হল অব ফেমে ওয়াসিমকে সুইং ও সিম বোলিংয়ের অন্যতম সেরা কারিগর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অপরদিকে, ওয়াকার পরিচিত ছিলেন রিভার্স সুইং ও ইন-সুইং ইয়র্কারের মাস্টার হিসেবে।

রিভার্স সুইংয়ে নতুন মাত্রা

ওয়াসিম-ওয়াকারের বোলিংয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল রিভার্স সুইং। পুরোনো বলকে বাতাসে অস্বাভাবিকভাবে দুই দিকে মুভ করিয়ে ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করার ক্ষেত্রে তারা ছিলেন অসাধারণ।

বিশেষ করে ওয়াকারের দ্রুতগতির ইয়র্কার ছিল ব্যাটারদের জন্য একটি বড় হুমকি। আইসিসিও তাকে রিভার্স সুইংয়ের অন্যতম সেরা বোলার এবং ইন-সুইং ইয়র্কারের দক্ষ কারিগর হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ওয়াসিমের দক্ষতা ছিল আরও বহুমাত্রিক। তিনি একই অ্যাকশন থেকে বল দুই দিকে সুইং করাতে পারতেন এবং উচ্চ গতিতে ইয়র্কারও করতে পারতেন। সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসার কোর্টনি ওয়ালশ ওয়াসিমকে তার সময়ের অন্যতম বিধ্বংসী বাঁহাতি পেসার হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তার সুইং ও ইয়র্কারের পাশাপাশি রিভার্স সুইংয়ের বিশেষ দক্ষতার কথাও উল্লেখ করেছেন।

পরিসংখ্যানেও তাদের শ্রেষ্ঠত্ব

ওয়াসিম আকরাম টেস্টে ১০৪ ম্যাচে ৪১৪ উইকেট নিয়েছেন। ওয়ানডেতে ৩৫৬ ম্যাচে তার শিকার ৫০২ উইকেট। অন্যদিকে ওয়াকার ইউনিস ৮৭ টেস্টে ৩৭৩ এবং ২৬২ ওয়ানডেতে ৪১৬ উইকেট নিয়েছেন।

অর্থাৎ আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে তারা দুজন মিলে ৯০০-র বেশি উইকেট শিকার করেছেন। আইসিসির ভাষ্যেও তাদের একসঙ্গে ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর বোলিং আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুধু গতি নয়, ছিল বুদ্ধির খেলাও

ওয়াসিম-ওয়াকারের বিশেষত্ব শুধু বলের গতি কিংবা সুইংয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। তারা ব্যাটারের দুর্বলতা বুঝে বলের লাইন, লেংথ ও মুভমেন্ট পরিবর্তন করতেও দক্ষ ছিলেন। নতুন বলে সুইং, পুরোনো বলে রিভার্স সুইং এবং শেষদিকে ইয়র্কার—একটি স্পেলের মধ্যেই তারা আক্রমণের ধরন বদলে দিতে পারতেন।

এই কারণে তাদের বিপক্ষে ব্যাট করা শুধুমাত্র শারীরিক চ্যালেঞ্জ ছিল না, বরং মানসিক পরীক্ষাও ছিল।

কেন আজও আলাদা?

আধুনিক ক্রিকেটে উন্নত প্রযুক্তি, বিশ্লেষণ ও প্রশিক্ষণের কারণে পেস বোলিংয়ের ধরন অনেক বদলে গেছে। কিন্তু ওয়াসিম-ওয়াকারের জুটির বিশেষত্ব ছিল তাদের বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক পরিপূরকতা। একজন বাঁহাতি, অন্যজন ডানহাতি; একজন সুইংয়ে দক্ষ, অন্যজন রিভার্স সুইং ও ইয়র্কারে দুর্দান্ত—দুজনের অস্ত্রভাণ্ডার একে অপরকে আরও কার্যকর করে তুলেছিল।

সুতরাং, শুধুমাত্র উইকেটের সংখ্যা দিয়ে ওয়াসিম-ওয়াকারের প্রভাব বোঝা কঠিন। তাদের বোলিংয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল ব্যাটারের ওপর অবিরাম চাপ তৈরি করা। ক্রিকেট ইতিহাসে ‘টু ডব্লিউস’ নামে পরিচিত এই জুটি সেই কারণেই আজও পেস বোলিংয়ের এক অনন্য অধ্যায় হয়ে আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুজরাটের সুরাটে প্রতিশোধের আগুনে পুড়ল ২৪ কোটি রুপির সম্পদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


গুজরাটের সুরাটে প্রতিশোধের আগুনে পুড়ল ২৪ কোটি রুপির সম্পদ

গত ৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ভারতের গুজরাটের সুরাটের শ্যাম সঙ্গিনী টেক্সটাইল মার্কেটের একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এই আগুনের ফলে ১৪টি দোকান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়। এতে ২৪ কোটি রুপির কাপড় ভস্মীভূত হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, পুলিশের তদন্তে একটি মারাত্মক প্রতিশোধের কাহিনী উন্মোচিত হয়েছে।

চাকরিচ্যুত এক হিসাবরক্ষক তার মালিকের প্রতি প্রতিশোধ নিতে পুরো মার্কেটটিকে পুড়িয়ে দিয়েছে। ওই হিসাবরক্ষকের দাবি, তার নিয়োগকর্তার কাছে ১০ হাজার রুপি বেতন বাকি ছিল। এই ১০ হাজার রুপির জন্যই সে ২৪ কোটি রুপির সম্পদকে ধ্বংস করেছে। তার জন্য সে খরচ করেছে মাত্র ১৫০ রুপির পেট্রল এবং দুটি ম্যাচের কাঠি।

মঙ্গলবার গুজরাটের সুরাটের পুলিশ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। যে অগ্নিকাণ্ডটিকে প্রথমে একটি সাধারণ দুর্ঘটনা মনে করা হয়েছিল, তদন্তের পর তা একটি বড় অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হয়। এর সূত্র ধরে ক্রাইম ব্রাঞ্চ বিনোদ পণ্ডিত সাভলে নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

মামলাটির রহস্য তখনই উন্মোচিত হয় যখন সিকিউরিটি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, মুখ ঢাকা এক ব্যক্তি ৮ সেপ্টেম্বর রাতে শ্যাম সঙ্গিনী টেক্সটাইল মার্কেটের একটি দোকানের বাইরে কাপড়ের পার্সেল থেকে আগুন ধরাচ্ছে। পুলিশ জানায়, এই আগুন পরবর্তীতে অন্তত ১৪টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রায় ২৪ কোটি টাকার কাপড় পুড়িয়ে দেয়।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) করণরাজ বাঘেলা জানিয়েছেন, সাভলে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে প্রায় তিন মাস মার্কেটটির ৬৩৯ নম্বর দোকানে কর্মরত ছিল। অ্যাকাউন্টসের কাজ সঠিকভাবে না সামলাতে পারায় গত জুনে তাকে চাকরি ছাড়তে হয়েছিল বলে এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, সাভলের দাবি ছিল যে তার প্রাক্তন মালিকের কাছে ১০ হাজার রুপি পাওনা রয়েছে এবং সে মালিককে একটি শিক্ষা দিতে চেয়েছিল। সাভলে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ ও বোতলে করে কাছের একটি গ্রামের পেট্রল পাম্প থেকে ১৫০ টাকার পেট্রল কিনেছিল। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে সে মার্কেটে প্রবেশ করে। সাভলে পাঁচতলার সিঁড়ির কাছে লুকিয়ে থাকে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে মার্কেট যখন জনশূন্য হয়ে পড়ে, তখন সে নিজের সাবেক কর্মস্থল সেই দোকানের দিকে যায়।

ক্রাইম ব্রাঞ্চের উদ্ধার করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মুখে সাদা কাপড় বাঁধা এবং কাঁধে একটি ব্যাগ ঝোলানো অবস্থায় অভিযুক্ত ব্যক্তি মার্কেটের ষষ্ঠ তলায় পৌঁছায়। সে এলাকা পর্যবেক্ষণ করে। ব্যাগ থেকে একটি পেট্রোল ভর্তি বোতল বের করে এবং দোকানের বাইরে রাখা কাপড়ের বাক্স ও পার্সেলের ওপর তা ঢেলে দেয়। দেশলাই কাঠি দিয়ে আগুন ধরানোর প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হয়; দ্বিতীয় চেষ্টায় কাপড়ে আগুন ধরে যায়।

ফুটেজে দেখা যায়, আগুনের শিখা ওপরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তার পরিকল্পনা সফল হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে সে একবার পিছন ফিরে তাকায়।

বহু পরিমাণ কাপড় এবং প্যাকিং সামগ্রী থাকার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি দোকানকে গ্রাস করে। পুলিশ জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছিল।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর সারোলি এলাকার পুলিশ এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করে। পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ক্রাইম ব্রাঞ্চ অভিযুক্তের মার্কেটে প্রবেশ থেকে শুরু করে বের হওয়ার পথের একটি চিত্র দাঁড় করায়। এই ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্তকারীরা ডিন্ডোলির বিলিপত্র রেসিডেন্সির বাসিন্দা সাভলের সন্ধান পান।

পুলিশের মতে, ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর এবং সাভলে যখন জানতে পারে যে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, তখন সে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে দেয় এবং স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সুরাট ছেড়ে চলে যায়। প্রথমে সে রাজস্থানের খাতু শ্যাম মন্দিরে যায় এবং এরপর অযোধ্যায় যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, সাভলে সুরাটে ফিরে আসার পর ডিন্ডোলির ফ্লাওয়ার গার্ডেনের কাছ থেকে ক্রাইম ব্রাঞ্চের একটি দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

বাঘেলা জানান, সাভলে কীভাবে খোলা পেট্রল কিনেছিল এবং পেট্রল পাম্পটি নিয়মকানুন মেনে চলেছিল কি না তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি পাওয়া গেলে পাম্পটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ক্রাইম ব্রাঞ্চ বর্তমানে সাভলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং সে একাই এই অগ্নিসংযোগের পরিকল্পনা করেছিলেন নাকি এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল তাও তদন্ত করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে আমার ছেলেকে অপরাধী বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে : অপ্রতিমের মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে আমার ছেলেকে অপরাধী বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে : অপ্রতিমের মা

অপ্রতিমের মা ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম মন্তব্য করেছেন যে, বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে নানা উপায়ে ইয়াশাত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে অপরাধী বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা অপ্রতিমের বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানানোর সময় তিনি এই কথা বলেন।

ড. নাহিদা বেগম উল্লেখ করেন, ‘আমার ছেলেকে বিভিন্ন আইডি থেকে ব্লেইম করা হচ্ছে। আমার ছেলে কিছু বোঝে? আমার দুধের শিশুকে অপরাধী বানাতে চাইলে আমি এটা কখনোই মেনে নেব না। আমি শুধু আমার ছেলের জন্য বিচার চাই না। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে, তারা জেল থেকে বের হলে আরো কত শিশুর জীবন নেবে, কত পরিবারের জীবন ধ্বংস করবে—সেটা নিয়েও আমি চিন্তিত। আমি চাই, এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হোক।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০২৫ সালের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে আমি অনেক মাদকসেবী ও মাদক কারবারিকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। ওই ঘটনার কারণে যদি আমার ছেলেকে টার্গেট করা হয়ে থাকে, তাহলে এটা আমি মেনে নেব না।’

ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার কোনো দোষ থাকলে আমাকে শাস্তি দেওয়া হোক। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যদি আমার অপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে তার শাস্তি আমি পাব। আমার ছেলে কেন এর শাস্তি পাবে? আমার ছেলেকে কেন মেরে ফেলা হলো? আমার ছেলেকে তাদের সঙ্গে জড়িয়ে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, সেও তাদেরই একজন। অথচ আমার ছেলে নিষ্পাপ, ছোট বাচ্চা। সে এসবের কিছুই বোঝে না।’

এ সময় কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, সরকারি আইন কর্মকর্তা (জিপি) অ্যাডভোকেট তারেক আবদুল্লাহ, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল হক খন্দকার এবং সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%