ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রোনালদোর অবসরের ঘোষণায় মরিনিয়োর প্রতিক্রিয়া: ‘এখনো অনেক লক্ষ্য বাকি’


রোনালদোর অবসরের ঘোষণায় মরিনিয়োর প্রতিক্রিয়া: ‘এখনো অনেক লক্ষ্য বাকি’

পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অবসরের সিদ্ধান্তের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার স্বদেশি কোচ জোসে মরিনিয়ো।

রোনালদো, যিনি ২৩ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন, জাতীয় দলের হয়ে খেলা বন্ধ করেছেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। পর্তুগালের জার্সিতে ২৩৪ ম্যাচ খেলে তিনি ১৪৬ গোল করেছেন।

মরিনিয়ো, যিনি রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদোর কোচ ছিলেন, তার এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি মনে করেন, জাতীয় দল থেকে বিদায় নেওয়া মানে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ নয়।

আরও পড়ুন: মেসির টানা দ্বিতীয় গোল্ডেন বুট, এলএমএসে ইতিহাস রচনা

মরিনিয়ো বলেন, "তার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতে হবে এবং আমি সেটিকে সম্মান করি। তবে তিনি ক্যারিয়ার শেষ করেননি। যারা তাকে চেনেন, তারা জানেন, এখনো তার অনেক লক্ষ্য রয়েছে।"

পর্তুগিজ এই কোচ আশা প্রকাশ করেছেন যে, রোনালদো যেদিন পুরোপুরি ফুটবলকে বিদায় জানাবেন, সেই দিনটি যেন জাতীয় দল ছাড়ার ঘোষণার দিনের চেয়ে আলাদা ও সুন্দর হয়।

রোনালদো জাতীয় দল ছাড়লেও ক্লাব ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেননি। তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে খেলছেন। ৪১ বছর বয়সী এই ফুটবলার পেশাদার ক্যারিয়ারের এক হাজার গোলের লক্ষ্য তাড়া করছেন, যা প্রথম ফুটবলার হিসেবে অর্জন করার চেষ্টা করছেন।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপকে হারিয়ে সবার আগে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোংলার পশুর নদীতে নিখোঁজ বাল্কহেড-কার্গোর নিরাপত্তাকর্মী সাবিত খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


মোংলার পশুর নদীতে নিখোঁজ বাল্কহেড-কার্গোর নিরাপত্তাকর্মী সাবিত খান

মোংলায় পশুর নদীতে গোসল করতে গিয়ে সাবিত খান (২০) নামের এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটে রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর পশুর নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড এবং নৌপুলিশের একাধিক তল্লাশি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। তবে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজ সাবিত খান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সোলিমাবাদ খানপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফিলটার খানের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, মোংলা বন্দরে অবস্থানরত একটি বিদেশি জাহাজ থেকে কয়লা খালাস এবং বহনের কাজে নিয়োজিত ছিল ‘মেসার্স আল্লাহ সহায়’ নামে একটি বাল্কহেড-কার্গো। সাবিত খান ওই বাল্কহেড কার্গোতে এস্কর্ট (নিরাপত্তাকর্মী বা প্রতিনিধি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে সম্প্রতি দুই দিন আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মোংলায় আসেন।

রোববার বিকেলে তিনি শহরের বাগেরহাট জেটি সংলগ্ন পশুর নদীর ঘাটে গোসল করতে নামেন। গোসলের একপর্যায়ে স্রোতের টানে তিনি তলিয়ে যান। আশপাশের মানুষ বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা উদ্ধারের চেষ্টা চালান, তবে মুহূর্তের মধ্যেই তিনি গভীর পানিতে তলিয়ে গিয়ে দৃষ্টির আড়ালে চলে যান।

ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই মোংলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন এবং স্থানীয় নৌপুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের খুলনা বিশেষ ডুবুরি দল ও কোস্টগার্ডের দ্রুতগামী উদ্ধারকারী বোট নদীর সম্ভাব্য পয়েন্টগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে।

উদ্ধার কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, জোয়ারের প্রবাল স্রোত এবং নদীতে পানির নিচে ঘোলাটে পরিবেশ থাকার কারণে ডুবুরিদের নদীর তলদেশে কাজ করতে বেশ প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তবুও ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা হাল না ছেড়ে পশুর নদীর ভাটির দিকে নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সুন্দরবনের দুবলার চরে সাগরের পানিতে গোসলে নেমে একজন পর্যটক নিখোঁজ হয়েছিলেন। একটানা ৫৬ ঘণ্টার যৌথ অভিযান শেষে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা সুন্দরবনের চর থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে।

পরপর দুটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা পশুর নদী ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রশাসন নদীতে গোসল করা বা চলাচলের ক্ষেত্রে পর্যটক, জাহাজ শ্রমিক ও স্থানীয় অধিবাসীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুথিদের সৌদি আরবের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


হুথিদের সৌদি আরবের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলার দাবি

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে যে, তারা সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর তেল সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে।

এর আগে, গোষ্ঠীটি রাজধানী রিয়াদের আর্থিক কেন্দ্রে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানোর দাবি করেছিল। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, সৌদি আরবের আবকাইক শহরে অবস্থিত আরামকোর একটি স্থাপনায় দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বহর পাঠানো হয়েছে।

তবে, কিং খালিদ বিমানবন্দর বা আরামকোর স্থাপনায় হামলার বিষয়ে সৌদি সরকার কিংবা তেল কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেলে ডিউটি কার্ড জালিয়াতি, কোটি টাকার টিকিট কালোবাজারে বিক্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


রেলে ডিউটি কার্ড জালিয়াতি, কোটি টাকার টিকিট কালোবাজারে বিক্রি

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে কর্মকর্তাদের ডিউটি কার্ড পাশের বিপরীতে বিপুলসংখ্যক ভুয়া টিকিট বা ট্রাভেল পাশ ইস্যুর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চারটি স্টেশনে বুকিং সহকারীরা এই টিকিট কেলেঙ্কারির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাকরির সুবাদে রেলওয়ে কর্মকর্তারা ট্রেনে এককভাবে এবং পারিবারিকভাবে ভ্রমণের সুযোগ পান। এ কারণে ভ্রমণের আগে বা ভ্রমণের দিন বাণিজ্যিক বিভাগ থেকে ডিউটি পাশ ইস্যু করা হয়। এই ডিউটি পাশ দেখিয়ে তারা স্টেশনের টিকিট কাউন্টার থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী ট্রেনের টিকিট বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারেন এবং তাতে ট্রেনে ফ্রি ভ্রমণ করতে পারেন। এটাকে বলা হয় কর্মকর্তাদের ডিউটি পাশ বা ট্রাভেল পাশ। ডিউটি পাশধারী কর্মকর্তা কর্তব্যকাজে বছরজুড়ে ফ্রি পাশে রেল ভ্রমণ করতে পারেন। আবার পরিবার নিয়েও ভ্রমণ করতে পারেন, তবে তা অস্বাভাবিক হারে নয়।

এদিকে যারা বিভিন্ন ট্রেনে নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তাদেরও বছরের প্রথমে ডিউটি পাশ ইস্যু করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, গত তিন বছরে এই সুবিধার বিপুল অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমাঞ্চল রেলে। বড় বড় স্টেশনের বুকিং কাউন্টার থেকে অস্বাভাবিক হারে ডিউটি পাশের বিপরীতে বিনামূল্যে টিকিট বা ট্রাভেল পাশ ইস্যুর অভিযোগ উঠেছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিসিএম) সম্প্রতি বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান হিসাব কর্মকর্তার দপ্তরকে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়েছে বলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাত্র চারটি স্টেশনে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত হওয়া দুর্নীতির পরিমাণ ১ কোটি ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯ টাকা। গত তিন বছরে এই দুর্নীতির পরিমাণ ৩ কোটি টাকার বেশি বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে বিষয়টি সম্প্রতি জানাজানি হলে পশ্চিম রেলের সদর দপ্তর রাজশাহী ও অধীনস্থ লালমনিরহাট ও পাকশী বিভাগে তোলপাড় চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধান হিসাব কর্মকর্তার দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডিউটি বা ট্রাভেল পাশের বিপরীতে টিকিট ইস্যু দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা মূল্যের টিকিটের কালোবাজারি হয়েছে। এমনও হতে পারে সংশ্লিষ্ট ডিউটি পাশধারী কর্মকর্তারা হয়তো বিষয়টি জানেনও না। কিন্তু তাদের পাশের বিপরীতে লাখ লাখ টাকার ফ্রি পাশ বা টিকিট ইস্যু হয়ে তা কালোবাজারে গেছে। বুকিং সহকারীদের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে হিসাব বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চুক্তিবদ্ধ রেলওয়ের সার্ভার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সহজ-এ সংরক্ষিত ও নিবন্ধিত তথ্যানুযায়ী ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চারটি স্টেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ডিউটি পাশ বা ডিউটি কার্ড ব্যবহার করে মোট ৪ হাজার ৭১৬ বার ডিউটি ও ভ্রমণ পাশ ইস্যু করা হয়েছে। এসব পাশের বিপরীতে নথিভুক্ত অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯ টাকা। এই বিপুলসংখ্যক পাশ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ের অভ্যন্তরে তোলপাড় চলছে। কোন কর্মকর্তার ডিউটি পাশের বিপরীতে কতসংখ্যক টিকিট ইস্যু করা হয়েছে, সেসব তথ্যও সংগ্রহ করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। পশ্চিমের হিসাব ও অর্থবিভাগ এই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

জানা গেছে, অস্বাভাবিক ডিউটি কার্ড পাশ ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে গত ১৩ জুলাই পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপকের (সিসিএম) পক্ষে উপ-প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন পশ্চিমাঞ্চল সদর দপ্তরের অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান হিসাব কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি দেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ও রেলপথ মন্ত্রণালয়কেও বিষয়টি অবহিত করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, ডিউটি পাশের বিপরীতে এত বিপুলসংখ্যক টিকিট ইস্যু করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়। বুকিং সহকারীরা এই বিপুল পরিমাণ অর্থের টিকিট কালোবাজারি করেছেন বলেও তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

পশ্চিমের চার স্টেশনের ডিউটি পাশে কোটি টাকার হিসাব:

জানা গেছে, সহজের সার্ভারের রেজিস্ট্রেশন তথ্যের বরাতে পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, পশ্চিমের চারটি স্টেশনের তথ্যাবলি পৃথকভাবে পেয়েছে অর্থ ও হিসাব বিভাগ।

দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনের টি/আই-এ (ট্রাভেলিং ইন্সপেক্টর-অ্যাকাউন্টস) দিনাজপুরের কার্ড পাশ নম্বর সিপি-০৩৪১৬৭। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এই ডিউটি পাশ বা কার্ড ব্যবহার করে ১ হাজার ৯৫০ বার ডিউটি পাশ বা ট্রাভেলস টিকিট ইস্যু করা হয়েছে। এসব পাশের বিপরীতে নথিভুক্ত ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ ৪৪ লাখ ৮০ হাজার ৩০০ টাকা।

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ডিউটি পাশ নম্বর সিপি-০৩৪১৬৮। এর বিপরীতে একই সময়ে ১ হাজার ৫০০ বার টিকিট ইস্যু বা ডিউটি পাশ ব্যবহার করা হয়েছে। এর বিপরীতে নথিভুক্ত অর্থের পরিমাণ ৩৫ লাখ ৭ হাজার ৮১৩ টাকা।

ঈশ্বরদীর ডিউটি কার্ড পাশ নম্বর সিপি-০৩৪১৬৯ এর বিপরীতে ৯৬৫ বার ডিউটি পাশ বা ট্রাভেলস টিকিট ইস্যু করা হয়েছে। এর বিপরীতে নথিভুক্ত অর্থের পরিমাণ ১৯ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৪ টাকা।

পার্বতীপুরের ডিউটি কার্ড পাশ নম্বর সিপি ০৩৪১৬১-এর বিপরীতে ৩০১ বার টিকিট ইস্যু বা ট্রাভেলস পাশ ব্যবহার করা হয়েছে। এর বিপরীতে নিরূপিত অর্থের পরিমাণ ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮৪২ টাকা। এই চারটি ডিউটি পাশ পশ্চিম রেলের একজন সাবেক জিএমসহ বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তার নামে ইস্যু করা বলে জানা গেছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান হিসাব কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, যেসব কর্মকর্তার নামে এসব ডিউটি পাশ বা ট্রাভেলস টিকিট ইস্যু করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রকৃতই এতসংখ্যকবার ট্রেন ভ্রমণ করেছেন কিনা— সেটার নথি চেক করে দেখা হচ্ছে। চারজন কর্মকর্তার ডিউটি পাশের বিপরীতে রেলওয়ের ১ কোটি ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯ টাকা মূল্যের টিকিটের সমান ট্রেন ভ্রমণ করেছেন কিনা, তা সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এসব কার্ড ব্যবহার করে হাজার হাজার ফ্রি টিকিট ইস্যু হয়ে কালোবাজারে গেছে বলে হিসাব বিভাগের প্রাথমিক তদন্তে শনাক্ত হয়েছে।

বুকিং সহকারীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ:

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, রাজশাহী রেলস্টেশনের দুই বুকিং সহকারী পুরো রেল অঞ্চলজুড়ে টিকিট কালোবাজারি সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন। একেকটি ডিউটি পাশের বিপরীতে কোনো কোনো দিন শতাধিক ফ্রি টিকিট ইস্যু করা হয়েছে। এসব টিকিট দালালের হাত ঘুরে যাত্রীদের কাছে চলে গেছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের একজন কর্মকর্তার স্ত্রী রাজশাহী সদর দপ্তরে প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তার দপ্তরে কর্মরত। ওই কর্মকর্তার স্ত্রীও ডিউটি পাশ কেলেঙ্কারি সিন্ডিকেটে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আহম্মেদ হোসেন মাসুমের দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তার মতামত জানা সম্ভব হয়নি।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে পশ্চিম রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিসিএম) মোহাম্মদ আসহান উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনই তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না। পরে জানাবেন।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে পশ্চিম রেলের অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান হিসাব কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ চন্দ্র দেবনাথ জানান, প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তার দপ্তর থেকে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাওয়ার পর আমরা চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করি। তদন্ত শেষে ইতোমধ্যে আমরা প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন পাঠিয়ে দিয়েছি। তারাই বিষয়টি ভালো বলতে পারবেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকতা পাওয়া গেছে। আমরা সেটাও বলেছি; যা করার তারাই করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসেম্বরে চাকরিজীবীদের জন্য ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


ডিসেম্বরে চাকরিজীবীদের জন্য ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

চলতি বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে চাকরিজীবীদের সামনে আসছে টানা চার দিনের লম্বা ছুটি কাটানোর দারুণ সুযোগ। ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুযায়ী, মাত্র একদিনের বাড়তি ছুটি নিলেই এই টানা ছুটির আনন্দ উপভোগ করা যাবে।

ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুযায়ী, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস এবং পরবর্তী সাপ্তাহিক ছুটির মাঝের একদিন ছুটি নিলেই এই চার দিনের ছুটির সুযোগ মিলবে।

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বুধবার সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। পরেরদিন ১৭ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) কর্মদিবস। তবে কেউ যদি বৃহস্পতিবার একদিনের ছুটি নিতে পারেন, তবে শুক্র ও শনিবারের (১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর) সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।

সাধারণত বছরের শেষ ভাগে এসে চাকরিজীবীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকার বাইরে ঘুরতে যাওয়ার বা বার্ষিক ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করেন। বিশেষ করে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন করপোরেট হাউজের কর্মীরা বছরের এই সময়টাতে ভ্রমণের জন্য মুখিয়ে থাকেন। তাদের জন্য ডিসেম্বরের এই সমীকরণটি বছরের শেষ দিকে ভ্রমণের এক দারুণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%