ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়াতে চাই না: ট্রাম্প


ইরানে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়াতে চাই না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা খুব শিগগিরই শেষ হবে। এটি তিনি বুধবার তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রাম্প দীর্ঘ মেয়াদে সংঘাত চান না বলেও জানিয়েছেন।

হরমুজ প্রণালি সম্পর্কিত সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসার জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, উত্তেজনা থেমে গেলে এই অঞ্চল অধিক নিরাপদ হয়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, হরমোজ প্রণালি দিয়ে স্বাধীনভাবে তেলবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারছে না। তিনি জানান, ‘এই জলপথ হবে সহজ ও বাধাহীন। আর এটা হবে খুব শিগগিরই।’

এছাড়া, এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তার জবাবে ২০ গুণ বেশি শক্তি নিয়ে পাল্টা হামলা করবে। ট্রাম্প একই সঙ্গে সংঘাত এবং উত্তেজনার অবসানে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা নিয়ে মন্তব্য করেন, যা তিনি ‘সময়ের অপচয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তার এও দাবি রয়েছে যে, ইরান চুক্তির যোগ্য কি না, তা নিয়ে তার সন্দেহ রয়েছে।

আরও পড়ুন: জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে দাবি করেছেন জুনাইদ আহমেদ পলক

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভালো কাজের স্বীকৃতি পেলেন ট্রাফিক পুলিশের ৩১ সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


ভালো কাজের স্বীকৃতি পেলেন ট্রাফিক পুলিশের ৩১ সদস্য

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ট্রাফিক বিভাগের ৩১ জন কর্মকর্তা ও সদস্যকে (ফোর্স) সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টায় এক মাসে কর্মক্ষেত্রে প্রশংসনীয় কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে তাদের হাতে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

কেএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা।

অনুষ্ঠানে ১ জন পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন), ৫ জন সার্জেন্ট/টিএসআই, ৫ জন এটিএসআই এবং ২০ জন কনস্টেবলকে আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। সন্দেহজনক মিছিল, মোটরসাইকেল মহড়া, অপরাধমূলক কার্যক্রম বা যেকোনো জরুরি ঘটনা চোখে পড়লে দ্রুত কন্ট্রোল রুমে বা বেতার যোগাযোগের মাধ্যমে জানাতে হবে।

এছাড়াও পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১২ হাজারেরও বেশি গাছের চারা সংগ্রহ করা হয়েছে, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর ও উপযুক্ত স্থানে রোপণ করা হবে।

এ সময় তিনি সব পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ বাড়ি, অফিস ও কর্মস্থলে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান এবং গাছ লাগানোকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সদকায়ে জারিয়ার একটি উত্তম মাধ্যম হিসেবে সবাইকে স্মরণ করানোর চেষ্টা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদান কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা সব পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহ ও প্রেরণা যোগাবে।

এ সময় কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল) মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধ পাহাড় কেটে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি না গড়ার আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


অবৈধ পাহাড় কেটে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি না গড়ার আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন অবৈধভাবে পাহাড় কেটে বা ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসতি স্থাপন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ধস ও সৃষ্ট দুর্যোগ পরিস্থিতি সম্পর্কিত একটি সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রীর চট্টগ্রামে আসার ঘটনা সংসদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের পর ঘটে। তিনি বায়েজিদ ও হাটহাজারীর বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ করেন। এরপর, রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনের পর রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নগরীর বায়েজিদে একটি পাহাড়ধসে প্রাণহানি ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কোথাও কোথাও ধসে বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব দুর্ঘটনা ঘটনার কারণ উল্লেখ করে তিনি জানান, অবৈধভাবে গড়ে উঠা পাহাড়ে বা ঝুঁকিপূর্ণ বাসস্থানে বসবাসের কারণে এমন ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে। জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন পার্বত্য জেলায় ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্যে রাঙ্গামাটির জন্য ৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলার জন্য ২০ লাখ টাকা করে জরুরি সহায়তা পাঠানো হয়েছে। তিনি আশ্বাস দেন, প্রয়োজনে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ৩ হাজার ২০০টির বেশি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র রাঙ্গামাটির ২৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে সমসংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। বর্তমানে ২২টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষ অবস্থান করছেন। টানা বৃষ্টির কারণে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কয়েকটি স্লুইসগেট ঠিকভাবে কাজ না করায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হচ্ছে। এসব দ্রুত মেরামত করার প্রয়োজন রয়েছে, অন্যথায় জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে না। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ মনে করে তিনি বলেন, দুর্যোগকালীন সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। প্রশাসন, সেনাবাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। এসময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

এ সময় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়া উদ্দিন এবং জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দশক ধরে সেতুর প্রতীক্ষায় ১০ গ্রামের বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫০ এম


তিন দশক ধরে সেতুর প্রতীক্ষায় ১০ গ্রামের বাসিন্দারা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর স্থায়ী সেতুর অভাবের কারণে প্রায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চরম দুর্ভোগ ভোগ করছেন অন্তত ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুল-কলেজ, হাট-বাজার ও কর্মস্থলে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি যখন পানিতে তলিয়ে যায়, তখন নৌকাই হয়ে ওঠে তাদের জন্য একমাত্র ভরসা।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের গুলনগর এবং সনমান্দী ইউনিয়নের কুমারচর গ্রামের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র নদ। পঞ্চমীঘাট বাজারসংলগ্ন এ নদে কোনো সেতুর অভাব থাকায় কুমারচর, জোয়ারদী, দৌলরদী, ফতেপুর, গাংকুলকান্দি, দড়িকান্দি, সাজালেরকান্দীসহ আশপাশের অন্তত ১০ গ্রামের মানুষকে বাঁশের তৈরি অস্থায়ী সাঁকো ব্যবহার করে নদী পারাপার করতে হয়। প্রতিবছর খরা মৌসুমে এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করলেও বর্ষা এলেই সেটি পানিতে তলিয়ে যায়। এ কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, অসুস্থ রোগী এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পার হয়ে যেতে হয়।

ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা গাজী সাখাওয়াত জানালেন, বাজারের মালামাল ও কৃষিপণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয় স্থানীয়দের। তিনি বলেন, "ফসলের বোঝা নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হওয়া খুবই কষ্টকর। গত ৫০ বছরে এই সাঁকো পার হতে গিয়ে শত শত মানুষ আহত হয়েছেন, কেউ কেউ পঙ্গুত্বও বরণ করেছেন।"

অন্যদিকে, দৌলরদী গ্রামের বাসিন্দা আরমান বলেন, "কুমারচর-গুলনগর সেতুর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন ও আবেদন করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস মিললেও এখনো কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।"

পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জনি জানান, "প্রতিদিন সাইকেল কাঁধে করে সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। খুব ভয় লাগে। একটি সেতু হলে আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের কষ্ট অনেকটাই কমে যাবে।"

এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন চৌধুরী বলেন, "স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদন হলে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবম পে স্কেলে আসছে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


নবম পে স্কেলে আসছে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঘোষিত নবম জাতীয় পে স্কেল এখন বাস্তবায়নের পথে নানা জটিলতার সম্মুখীন হয়েছে। তাছাড়া, বেতন কমিশনের সুপারিশ, সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের প্রভাব এবং বিভিন্ন ভাতার কাঠামো—এই সব বিষয় একসাথে সামঞ্জস্য করতে গিয়ে বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা সচিব কমিটি হিমশিম খাচ্ছে।

এদিকে, সরকার প্রচলিত বেতন বৃদ্ধির পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। নতুন প্রস্তাবিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামোতে শুধু গ্রেড নয়, বরং কর্মকর্তাদের আয়, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চালু থাকা একই হারে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন কাঠামো কার্যকর হলে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তুলনামূলকভাবে অধিক সুবিধা পেতে পারেন, এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রসঙ্গটি দ্রুত মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করার জন্য অর্থ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সব গ্রেডে জনপ্রতি গড়ে ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রদান করা হয়। তবে নতুন খসড়ায় এই কাঠামোর পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামাে অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে বিশালগ্রেড পর্যন্ত ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বহাল থাকবে। পঞ্চম গ্রেডে এটি ৪ শতাংশ, তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ, দ্বিতীয় গ্রেডে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারণের সুপারিশ রয়েছে। আর প্রথম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে, বেতন বৃদ্ধি নিয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের জন্য সরকার একটি ব্যাপক জরিপ পরিচালনা করেছে। এই জরিপে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ সরকারি চাকরিজীবী, ৬১ হাজার ৫০০ সাধারণ নাগরিক এবং ৩ হাজার ৫১৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রধান অংশ নিয়েছেন।

জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, মাত্র ৫ দশমিক ৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বর্তমান ইনক্রিমেন্ট পদ্ধতির পক্ষে মত দিয়েছেন। অপরদিকে, ৫০ দশমিক ৪৩ শতাংশ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেতন বৃদ্ধির হার সমন্বয়ের পক্ষে মত দিয়েছেন। তাছাড়া ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জীবনযাত্রার ব্যয় ভিত্তিতে ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণের সুপারিশ করেছেন। একসঙ্গে ৭৯ দশমিক ৫ শতাংশ অংশগ্রহণকারী ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি করার পক্ষে মত দিয়েছেন।

এদিকে, গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ দ্রুত মন্ত্রিসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিচার বিভাগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কারিগরি বিষয় নিষ্পত্তির পর অর্থমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

নবম জাতীয় বেতন কাঠামো প্রণয়নে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘লিভিং স্ট্যান্ডার্ড সার্ভে-২০২৫’-এর তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। জরিপ অনুযায়ী, দেশে একটি পরিবারের গড় মাসিক ব্যয় ৩৫ হাজার ৩১১ টাকা। সিটি করপোরেশন এলাকায় এই ব্যয় ৪৬ হাজার ৭৭৮ টাকা এবং ছয় সদস্যের একটি পরিবারের মাসিক ব্যয় ৬৬ হাজার ২৫৩ টাকা।

বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে সচিব কমিটি প্রথম গ্রেডের মূল বেতন দেড় লাখ টাকা নির্ধারণ এবং বেতন ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৭.৫ রাখার চেষ্টায় রয়েছেন। বর্তমানে এই অনুপাত ১:৯.৪।

বর্তমানে ২০তম গ্রেডের একজন সরকারি কর্মচারী বেতন-ভাতা মিলিয়ে ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা পান। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে এই পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকায় পৌঁছাতে পারে।

এছাড়া বিভিন্ন গ্রেডে ভাতা বৃদ্ধিরও প্রস্তাব রয়েছে। বিশেষ করে যাতায়াত, টিফিন, ধোলাই ও ঝুঁকিভাতা সম্পর্কে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি ভাতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%