বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:১৮ পি.এম
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হওয়ার ফলে এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম পতন অব্যাহত রয়েছে। আমদানিকারকদের উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও, তেলের দাম বর্তমানে ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এই তথ্যে উল্লেখ করেছে।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে, ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ০৬ ডলার বা ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে ৭২ দশমিক ৬৮ ডলারে নেমে গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৭৬ সেন্ট বা ১ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৯ দশমিক ৫৮ ডলারে নেমেছে।
এভাবে দুই ধরনের তেলের দামই ২৭ ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। রয়টার্স জানাচ্ছে, আগস্টের ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সেপ্টেম্বরের দামের তুলনায় কম ছিল। সেপ্টেম্বরে বিক্রির জন্য চুক্তিতে ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ছিল ৭৩ দশমিক ৫৯ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, সেপ্টেম্বরের দামের তুলনায় আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য তেলের দাম কমে যাওয়ার বিষয়টি স্বল্পমেয়াদে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ইঙ্গিত ফুটিয়ে তুলছে।
আইজি গ্রুপের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক প্রতিবেদনে বলেন, দামের পতনের গতি অনেককে চমকে দিয়েছে। বাজারে ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের সরবরাহ প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
এদিকে বুধবারও ব্রেন্টের দাম ৩ ডলারের বেশি কমেছিল। একই দিনে ডব্লিউটিআইয়ের দামও প্রায় ৩ ডলার কমে দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এক অনুষ্ঠানে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন এখন ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থার কাছাকাছি পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২ কোটি ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়েছে। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। কারণ প্রণালির কিছু অংশে এখনও মাইন অপসারণের কাজ বাকি রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে সাময়িক ছাড় পাওয়ার পর ইরানের তেল রপ্তানি বৃদ্ধি পেতে পারে—এমন ধারণা বাজারে দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে একটি প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আবার শুরু হয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আগামী ৬০ দিন আলোচনা চলবে।
এদিকে ট্যাংকার চলাচল সহজ করার জন্য বুধবার হরমুজ প্রণালিতে অস্থায়ী নৌপথ চালু করেছে ওমান। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) এবং ওমানের কর্তৃপক্ষ একযোগে জাহাজ চলাচল সমন্বয় করছে।
ম্যাককোয়ারি ব্যাংকের বিশ্লেষকদের ধারণা, পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে যাওয়ার পর তেলের দাম দ্রুত যুদ্ধপূর্ব পর্যায়ে ফিরে আসবে।
তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ব্রেন্ট ক্রুডের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৭ ডলার এবং ডব্লিউটিআইয়ের গড় দাম ৬২ ডলারে নেমে আসতে পারে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে এই গড় দাম ছিল যথাক্রমে ৯৪ ও ৮৭ ডলার।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ) জানিয়েছে, গত সপ্তাহে দেশটির মোট অপরিশোধিত তেলের মজুত ১৯৮৪ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। শোধনাগারের চাহিদা বৃদ্ধি এবং জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড় করাই এর প্রধান কারণ। তবে বাজারে এই তথ্যের তেমন প্রভাব পড়েনি, কারণ বিনিয়োগকারীদের মূল নজর ছিল হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির দিকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিভিন্ন অসৎ কম্পানি কৃষিজমি ভরাট করেছে বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। তিনি জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন।
বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনে অংশ নিয়ে এই দাবি করেন। মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, 'রূপগঞ্জে বিভিন্ন অসৎ কম্পানি বালু দিয়ে কৃষিজমি ভরাট করে ফেলছে। আমি আশা করব তাদের বিরুদ্ধে যেন শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা নেওয়া হয়।'
তিনি আরও জানান, এসব জমি ভরাটের কারণে রূপগঞ্জের মানুষ তাদের বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না।
এ সময়ে, তিনি গ্যাস সংকট, জলাবদ্ধতা, শিল্পাঞ্চলের পরিবেশ দূষণ এবং নারায়ণগঞ্জের প্রশাসনিক মর্যাদা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জাতীয় সংসদে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের জিডিপির ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অবদান রাখে নারায়ণগঞ্জ। এরপরও নারায়ণগঞ্জকে ‘বি’ ক্যাটাগরির জেলা করে রেখেছে। আমি চাই শিগগির নারায়ণগঞ্জকে ‘এ’ ক্যাটাগরির জেলাতে পরিণত করা হোক।'
এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনকে মেট্রোপলিটন সিটি করারও দাবি জানান মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী টোল প্লাজা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সাত হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বাজারমূল্য প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন পটুয়াখালী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চলাচলকারী একটি সন্দেহভাজন যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয় লেবুখালী টোল প্লাজার সংলগ্ন এলাকায়। এ সময় বাসে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ও ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয় এবং তাকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, উপকূলীয় অঞ্চলকে ব্যবহার করে বিভিন্ন মাদক চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এসব চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযানের আয়োজন করা হয়েছিল।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
জব্দ করা মাদকদ্রব্য, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পটুয়াখালীর অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রিফাত আহমেদ বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় মাদক বিস্তার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইয়াবার উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
'সীমান্ত সুরক্ষায় সচেতনতা এবং মানবতার সেবায় এগিয়ে চলছে ৪৮ বিজিবি'—এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সিলেটের গোয়াইনঘাটে সীমান্তবর্তী স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সীমান্ত আইন ও অপরাধ দমন সম্পর্কিত জনসচেতনামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) উদ্যোগে একটি দিনব্যাপী সচেতনতামূলক সভা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা এবং সাধারণ মানুষের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিলেট ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হকের সভাপতিত্বে এবং ৪৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মুয়ীদের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ৯ম, ১০ম ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, চোরাচালান দমন ও সীমান্ত আইন সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য রচনা, কনটেন্ট তৈরি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে দুপুর থেকে সীমান্ত এলাকার অবহেলিত এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি ‘ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং’ এর আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে আগত প্রায় ৫ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা, পরামর্শ এবং ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে এবং সীমান্ত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিজিবির এই মানবিক ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী, গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসীদের জন্য সম্পত্তি মালিকানার নতুন বিধিমালা অনুমোদন করেছে সৌদি আরব সরকার। এর ফলে মক্কা, মদিনা, রিয়াদ, জেদ্দা ও আল-উলাসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় জমি ও স্থাবর সম্পত্তি কিনতে পারবেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা।
সৌদির বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। গত ২৩ জুন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।
সৌদির বাণিজ্যমন্ত্রী মাজিদ আল-কাসাবি বলেছেন, নতুন বিধিমালা কোম্পানিগুলোর ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক দক্ষ জনশক্তি আকর্ষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সৌদির সাধারণ রিয়েল এস্টেট কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে বিদেশিদের জন্য অনুমোদিত ভৌগোলিক এলাকার তালিকা প্রকাশ করেছে। সে অনুযায়ী, মক্কায় বিদেশিরা আবরাজ মক্কা, আল-মানার, বুর্জ আজইয়াদ, কিং সালমান গেট, তিলাল ভিলেজ, জাবাল ওমর, ধাখির মক্কা, দাহিয়াত সুমু, মাসার এবং মক্কা জোন-১ ও জোন-২ এলাকায় সম্পত্তি কিনতে পারবেন।
সেইসঙ্গে মদিনায় অনুমোদিত এলাকার মধ্যে রয়েছে আল-ঘুররা, মদিনা জোন-১ ও জোন-২, আল-মাহওয়া, দারাত আল-হিজরা, ডাউনটাউন মদিনা, দিয়ার আল-মাকার, রুয়া আল-মদিনা, নলেজ ইকোনমিক সিটি এবং মিশরাফ।
ডেলয়েট মিডল ইস্টের রিয়েল এস্টেট প্রধান অলিভার মরগান বলেন, ‘মক্কা ও মদিনায় সুযোগগুলো বৈশ্বিক মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হবে। ফলে, গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক প্রকল্পগুলোর চাহিদা বাড়বে।’
বিদেশিদের জন্য রাজধানী রিয়াদ ও জেদ্দাতেও জমিজমা ও সম্পত্তি কেনার সুযোগ করে দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রিয়াদে কিদ্দিয়া, নিউ মুরাব্বা, স্পোর্টস বুলেভার্ড, আর্টস ডিস্ট্রিক্ট, দিরিয়াহ গেট, কিং সালমান পার্ক, সিদরা, কিং আবদুল্লাহ ফিন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্ট, কিং সালমান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা এবং ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট এলাকায় সম্পত্তি কিনতে পারবেন বিদেশিরা। আর জেদ্দায় শহরের কেন্দ্রীয় অঞ্চল এবং উন্নয়ন জোন-১ থেকে জোন-৫৫ পর্যন্ত এলাকায় বিদেশিদের সম্পত্তি মালিকানার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে আল-উলায় জোন-১ থেকে জোন-১৭ পর্যন্ত এলাকাও এই তালিকায় রয়েছে।
নতুন বিধিমালার আওতায় সৌদির কয়েকটি বড় প্রকল্প এলাকাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিওম, আমালা, রেড সি প্রকল্প, জাজান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, রাস আল-খাইর এবং কিং আবদুল্লাহ ইকোনমিক সিটি।
সৌদি আরবের বিনিয়োগমন্ত্রী ফাহাদ বিন আবদুলজলিল আল-সাইফ বলেছেন, নতুন নিয়ম বিদেশি কোম্পানিগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনা ও ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও স্বচ্ছ ও সুস্পষ্ট কাঠামো দেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নীতির ফলে সৌদির রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। স্টেক প্রপার্টিজের সহপ্রতিষ্ঠাতা মানার মাহমাসানি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন স্পষ্টভাবে জানতে পারবেন কোথায় সম্পত্তি কেনা যাবে।
তিনি বলেন, রিয়াদ, জেদ্দা ও আল-উলার এসব এলাকা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য এরই মধ্যে বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে।
সৌদির ভিশন ২০৩০ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশটির রিয়েল এস্টেট খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএমএআরসি গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সৌদির রিয়েল এস্টেট বাজারের আকার প্রায় ৭৭ বিলিয়ন ডলার। ২০৩৪ সালের মধ্যে তা বেড়ে ১৪১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ