মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫২ পি.এম
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শিক্ষকদের ডিজিটাল ডিভাইস প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানে তাদের সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ উদ্যোগটি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস দেওয়ার মাধ্যমে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান নিশ্চিত করতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ ধারণাটি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।’
আজ জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটির এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন ও অর্থায়ন হয়নি। ফলে ট্যাব বিতরণ শুরুর কোনো নির্দিষ্ট তারিখও সরকার নির্ধারণ করেনি।
তিনি বলেন, মাধ্যমিক ও সমপর্যায়ের শিক্ষায় প্রস্তাবিত এ উদ্যোগটি মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ‘শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা কর্মসূচি’, প্রস্তাবিত ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও স্মার্ট লার্নিং পরিবেশ’ প্রকল্প এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ‘নেক্সটজেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মসূচিসহ’ প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের ট্যাব দেওয়ার বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। প্রস্তাবিত পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রাথমিক পর্যায়ে ট্যাব ক্রয় ও বিতরণ শুরু হতে পারে।
ডিজিটাল ডিভাইসের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘লাইস’ প্রকল্পের আওতায় ৫৯ হাজার ১৭০ জন শিক্ষককে ব্লেন্ডেড লার্নিং প্রশিক্ষণ এবং ২৯ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষককে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ ২১ হাজার ১১২ জন শিক্ষককে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত নেক্সটজেন কর্মসূচির আওতায় ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসককে দেশে পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং ১৩১ জনকে বিদেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের আগে কয়েকটি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকের সংখ্যা ও তাদের প্রয়োজন নিরূপণ, ডিভাইসের কারিগরি বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুত, ইন্টারনেট সংযোগ, ব্যবহারকারী প্রশিক্ষণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা ও ডিভাইসের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বা কর্মসূচির অনুমোদন, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে পাইলট ভিত্তিতে ‘এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কর্মসূচি চালু করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, এসব পূর্বশর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা সম্ভব নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার মন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি সাক্ষাৎকালে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারত ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, সহযোগিতা ও জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও ইতিবাচক ও ফলপ্রসূভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণ যাতে পারস্পরিক সহযোগিতার সুফল পায়, সেই লক্ষ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এসময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে।
বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে সবসময় ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ভারত অত্যন্ত আগ্রহী এবং আন্তরিক। তিনি দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ এবং উভয় দেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
হাইকমিশনার সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক যোগাযোগ এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধনের বিষয়টি তুলে ধরেন। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা আরও জোরদারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন ভাদেসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় ঢাকাগামী ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ আন্ত নগর ট্রেনের মালবাহী বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৫ সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটি গঠন করে।
কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) আসিফ আহমেদ এবং আরও দুজন কর্মকর্তা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্ত নগর ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় পৌঁছানোর সময় ট্রেনের পেছনের মালবাহী বগিটি লাইনচ্যুত হয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে ওই রুটে ঢাকা, উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা ও রাজশাহীর ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর লাইনচ্যুত বগিটি উদ্ধার করা হয়। এর ফলে সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তদন্ত কমিটি লাইনচ্যুতির কারণ, দায়-দায়িত্ব এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের জন্য করণীয় বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে বলে জানা গেছে।
সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন জানিয়েছেন, বগিটি কেন লাইনচ্যুত হয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন জমা দিলে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমতলীতে চাওড়া নদী বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কচুরীপানা পরিষ্কার করার কাজ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার বশির উদ্দিন নদী থেকে কচুরীপানা পরিষ্কার করার যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন, তা কার্যকর নয়। তারা মনে করেন, এভাবে কাজ করলে নতুন করে কচুরীপানা বংশ বিস্তারের সুযোগ তৈরি হবে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, আমতলী উপজেলার ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ চাওড়া নদী ও তার শাখা নদীতে গত ২৫ বছর ধরে কচুরীপানা জমে রয়েছে। কচুরীপানার কারণে খালের পানি পঁচে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে এই দূষণের কারণে আমতলী উপজেলার হলদিয়া, চাওড়া, কুকুয়া, আমতলী সদর ইউনিয়ন ও আমতলী পৌরসভার লক্ষাধিক মানুষ কষ্টে জীবনযাপন করছে। নদীর কচুরীপানা পরিষ্কার করার জন্য গত এক দশক ধরে সচেতন নাগরিক ও পরিবেশ কর্মীরা আন্দোলন করে আসছেন। ২০২৩ সালে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড সুবন্দী প্রকল্পের আওতায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার নদীর কচুরীপানা পরিষ্কারের কাজ পায় পটুয়াখালী বশির নামের একজন ঠিকাদার। ঠিকাদার গত বুধবার কচুরীপানা উত্তোলনের কাজ শুরু করেন। তবে শুরুতেই তারা অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন।
দরপত্রে উল্লেখ রয়েছে, শ্রমিকদের মাধ্যমে নদীর কচুরীপানার মূল গোড়া তুলে পরিষ্কার করতে হবে, যাতে নতুন করে কচুরীপানা বংশ বিস্তার করতে না পারে। কিন্তু ঠিকাদার বশির উদ্দিন মেশিন দিয়ে কচুরীপানার উপরের অংশ কেটে পরিষ্কার করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে কচুরীপানা কাটার বিষয়ে নিষেধ করা হলেও ঠিকাদার তা মানছেন না। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার পর ঠিকাদার বশির উদ্দিনকে নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, দরপত্র অনুযায়ী নদীর কচুরীপানা পরিষ্কার না করলে এর দায়ভার ঠিকাদারের উপর বর্তাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ দায়ভার গ্রহণ করবে না। একই সঙ্গে কাজের বিল ছাড় দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, একটি মেশিন দিয়ে কচুরীপানার উপরের অংশ কেটে ফেলা হচ্ছে, কিন্তু গোড়ার অংশ রয়ে যাচ্ছে। কেটে ফেলা কচুরীপানা নদীতে পড়ে আছে। নদীর পাড়ে বসবাসকারী মোঃ শিবলী শরীফ ও নজরুল ইসলাম বলেছেন, ঠিকাদার মেশিন দিয়ে কচুরীপানা অপসারণ করছেন না, বরং নতুন করে কচুরীপানা বংশ বিস্তারের ব্যবস্থা করছেন। তারা আরও বলেন, ঠিকাদারের লোকজন মেশিন দিয়ে কচুরীপানার উপরের অংশ কেটে যাচ্ছেন, কিন্তু গোড়ার অংশ রয়ে যাচ্ছে। তারা জানান, কচুরীপানার কারণে পানি পঁচে পরিবেশ দূষিত হয়ে আছে, এবং এভাবে কাটা কচুরীপানা পঁচে পরিবেশকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
সুফিয়া বেগম বলেন, কচুরী উডাইতে দেখে মনে মনে বলেছি, আল্লাহ আমাদের রক্ষা করবেন, কিন্তু যে রকম কাজ হচ্ছে, তাতে বিপদ আরও বাড়বে।
ঠিকাদার বশির উদ্দিনের ম্যানেজার মোঃ জাহিদ হোসেন জানান, পানি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং শ্রমিকরা নদীতে নামতে চাচ্ছেন না। তাই মেশিন দিয়ে কেটে কচুরীপানা কিনারে তোলা হচ্ছে। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, শ্রমিকদের মাধ্যমে নদী থেকে কচুরীপানার গোড়া মাটি থেকে তুলে আনতে হবে, যাতে নতুন করে কচুরীপানা বংশ বিস্তার করতে না পারে। তিনি জানান, ঠিকাদারকে ইতিমধ্যে কচুরীপানা পরিষ্কার করতে অনিয়মের বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দরপত্র অনুযায়ী নদী থেকে কচুরীপানা পরিষ্কার না করলে ঠিকাদারকে দায়ভার নিতে হবে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান বলেন, ঠিকাদারকে ঘণ কচুরীপানা পরিষ্কার করার জন্য দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে কচুরীপানা পরিষ্কার করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সদরপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের কারণে দিনের বেলায় প্রায় দুই বিঘা জমির ৩৫০টি কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার ফলে ভুক্তভোগী কৃষক দাবি করেছেন যে, তার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আলমনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী আলতাফ হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, ৮ শতাংশ জমি নিয়ে মুস্তাফিজুর মৃধা ও শফিউদ্দিন মৃধার সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে সঙ্গে নিয়ে তার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ৩৫০টি কলাগাছ কেটে ফেলেন।
তিনি জানান, কলাগাছগুলো কেটে ফেলার ফলে তার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি দাবি করেছেন।
ঘটনার পর সোমবার রাত ৮টার দিকে আলতাফ হোসেন সদরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে মুস্তাফিজুর মৃধা ও শফিউদ্দিন মৃধার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার দুপুরে মুস্তাফিজুর মৃধা ও শফিউদ্দিন মৃধাসহ কয়েকজনকে ওই জমিতে কলাগাছ কাটতে দেখা গেছে। স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন বলেও তারা জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মুস্তাফিজুর মৃধার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ্ বলেছেন, "লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ