ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কিশোরঞ্জে মাদ্রাসা উদ্বোধনের সময় হামলা, আহত ৩


কিশোরঞ্জে মাদ্রাসা উদ্বোধনের সময় হামলা, আহত ৩

কিশোরগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে বাবা-মায়ের নামে দান করা জমিতে প্রস্তাবিত মাদ্রাসার সাইনবোর্ড উদ্বোধনের সময়ে হামলার ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত এক পুলিশ কর্মকর্তা সহ একই পরিবারের তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কড়িয়াইল এলাকায় প্রস্তাবিত 'এইচ.এম.এস.কে মেমোরিয়াল তথ্য প্রযুক্তি ও কারিগরি মাদ্রাসা' প্রাঙ্গণে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দিন খান, তার বড় ভাই ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিলেজ কার্গোর 'ফ্রেট ও ফরোয়ার্ডিং' ব্যবসা সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহমান খান (তাজ) ও তার ভাতিজা মোহাম্মদ দানিয়াল খান।

আরও পড়ুন: ছবি দিয়ে রাজনৈতিক চরিত্রহননের চেষ্টা! দীর্ঘ ত্যাগের পরও অপপ্রচারের অভিযোগ বিএনপি নেতা রিপন বল্লভের

এ ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ কর্মরত বড় ভাই ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. আবদুর রহমান খান (তাজ) বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী মো. আবদুর রহমান খান (তাজ) দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। গত রোববার, তিনি তার মৃত বাবা-মায়ের নামে দান করা জায়গায় প্রস্তাবিত 'এইচ.এম.এস.কে মেমোরিয়াল তথ্য প্রযুক্তি ও কারিগরি মাদ্রাসা'র সাইনবোর্ড উত্তোলন করে উদ্বোধন করতে যান। এ সময় পূর্ব বিরোধের কারণে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র (দা, লাঠি, লোহার রড, রামদা, হকিস্টিক, বল্লম) নিয়ে অভিযুক্তরা অনধিকার প্রবেশ করে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১ নং আসামি আমিন উদ্দিন খানের নির্দেশে মাহবুবুর রহমান খান সোহেল, মাসুদ খান, সোলাইমান খান এবং জান্নাতুল ফেরদৌস খান (বরকত) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জন লোক আকস্মিক হামলা চালায়। হামলাকারীরা মাদ্রাসার সাইনবোর্ডটি কুপিয়ে ও ভাঙচুর করে নামিয়ে ফেলে। বাধা দিতে গিয়ে মো. আবদুর রহমান খান, দানিয়াল খান এবং ছুটিতে দেশে আসা ইউএস পুলিশ কর্মকর্তা ফয়সাল উদ্দিন খানকে লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।

পরে তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত 'শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে' নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: ঈদগাঁওয়ে অবৈধ ক্লিনিক সিলগালা, গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দিন খান জানায়, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে গেছে— এ বিষয়ে থানায় পুলিশ বা গ্রামীণ সালিশ করলে সবাইকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলা হবে।

বর্তমানে বাড়িতে বেড়াতে পড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ কর্মকর্তাসহ পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: বেরোবিতে কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মায়ের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মায়ের প্রাণহানি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় বিদ্যুতের ছেঁড়া সেচলাইনে আটকে পড়া গরু ও ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে হাওয়া বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার।

এই ঘটনায় মারা গেছে একটি গরুও। তবে তার ছেলে কৃষক মো. হাছান আলী (৫০) প্রাণে বেঁচে গেছেন। সোমবার (১ জুন) সকালে উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের দুধকুড়া গ্রামের একটি মাঠে ঘটনাটি ঘটে। হাওয়া বেগম ওই গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের স্ত্রী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক ঝড়ের কারণে বোরো আবাদে ব্যবহৃত একটি সেচলাইনের বৈদ্যুতিক তার মাটিতে পড়ে ছিঁড়ে গিয়েছিল। সোমবার সকাল ৭টার দিকে মাঠে পালিত হওয়ার সময় হাছান আলীর একটি গরু ঘাস খাওয়ার সময় বলপূর্বক ওই তারে জড়িয়ে যায়। গরুটিকে বাঁচাতে সক্ষম হতে গিয়ে হাছান আলী নিজেও বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন।

এসময় হাছান আলীর বিপদ দেখে তার মা হাওয়া বেগম ছুটে এসে ছেলেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। তিনি তার ছেলেকে বিদ্যুতের সংস্পর্শ থেকে সরাতে সক্ষম হলেও নিজেকে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। একই ঘটনায় গরুটিও মারা যায়। খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুটি শেষ হলেও থামেনি নীল জলের ছোঁয়ায় ঈদ উৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


ছুটি শেষ হলেও থামেনি নীল জলের ছোঁয়ায় ঈদ উৎসব

বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন বালুকাময় সমুদ্র সৈকতজুড়ে ভিন্ন এক ঈদ উৎসবের আবহ চলছে। স্বচ্ছ নীল জলের ছোঁয়ায় মানুষে-মানুষে একাকার রয়েছে গত ৫ দিনের সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ।

ঈদের টানা ছুটি রোববার শেষ হলেও এ উৎসব যেন শেষ হচ্ছে না। পঞ্চম দিনে সোমবার (০১ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলেছে মানুষ জটের এক ভিন্ন পরিবেশ। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট, সী গাল পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট এবং কলাতলী পয়েন্ট জুড়ে দেখা মিলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নীল জলের টানে ছুটে আসা মানুষের ঢল।

আনন্দ, হৈ-হুল্লোড় আর সাগরের নোনাজলে স্নানে মাতোয়ারা এসব মানুষ। ঈদের দিন থেকে আবহাওয়ায় কিছুটা উষ্ণতা থাকলেও রোববার ভোরের বৃষ্টিতে বদলে কক্সবাজারের পরিবেশ। তেমন গরমও না আবার ঠান্ডাও না। কিন্তু সোমবার সকাল থেকে তীব্র গরম শুরু হলে প্রশান্তির খোঁজে নোনাজলের স্রোতে শরীর ভাসিয়ে উল্লাস করতে দেখা মিলেছে অসংখ্য পর্যটকের।

শুধু সমুদ্রস্নানই নয়, সৈকতের বালিয়াড়ি, কিটকটে বসে সাগর উপভোগ, ঘোড়া বা বীচ বাইকে উঠে মুঠোফোনে ছবি ধারণ যেন এক প্রতিযোগিতায় মেতে ছিল এসব পর্যটক।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে স্নানরত পর্যটকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সী-সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফ গার্ড কর্মী জয়নাল আবেদীন ভূট্টো বলেন, সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে দেড় লাখের বেশি পর্যটকের আনাগোনায় মুখরিত ছিল। যাদের বেশি ভাগই সমুদ্র স্নান করেছেন। ঈদুল আজহার দিন একটু কম উপস্থিতি হলেও পরদিন থেকে পর্যটক বাড়তে শুরু করেছে। সোমবার সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যটকের দেখা মিলেছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় লাইফ গার্ড কর্মীরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, ঈদের প্রথম ৫ দিন কম হলেও ৫ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমনে এসেছেন। আগামি আরও ৪-৫ দিন কম-বেশি পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে আসবেন।

তিনি বলেন, কক্সবাজার শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস, কটেজ ও রিসোর্টের প্রায় ৯৫ শতাংশ কক্ষ বুকিং ছিল গত ৩ দিন।

সোমবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরে বেড়ানো পর্যটকদের একই কথা। সৈকতের পরিবেশ যান্ত্রিক জীবনের অবসান করে। তাই বার বার সৈকতে ছুটে আসা।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সমুদ্র যেন এক মায়াবী বন্ধনের নাম। এখানে যতবার আসি- মন বড়ে যাই।’

পর্যটক সিয়াম সিকাদার বলেন, শহরের ব্যস্ত জীবনে প্রকৃতিকে কাছ থেকে উপভোগ করার সুযোগ খুব কম মেলে। তাই ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে এসেছেন তারা। সমুদ্রের গর্জন, শীতল বাতাস, মনোরম আবহাওয়া ও বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে তারা দারুণ আনন্দ উপভোগ করছেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারে এসে বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্য নতুনভাবে অনুভব করা যায়।

লাবণী পয়েন্টে দায়িত্বরত কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৈকতের লাবণী, কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্টে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ট্যুরিস্ট স্কোয়াডের পাশাপাশি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি), মোবাইল টিম ও স্ট্যান্ডবাই টিম কাজ করছে। কোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সব ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুস শুক্কুর বলেন, পর্যটকদের আগমনে স্থানীয় অর্থনীতি আবারও চাঙা হয়ে উঠেছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, বিপণিবিতান ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের লেনদেন হচ্ছে। তার ধারণা, এবারের ঈদের ছুটিতে পর্যটন খাতকেন্দ্রিক ব্যবসার পরিমাণ ৭০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কক্ষভাড়া ও খাবারের মূল্য আদায় ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে কাজ করছেন। কোনো অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাকসুর ভিপি থেকে জাতীয় নেতা: তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য পথচলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


ডাকসুর ভিপি থেকে জাতীয় নেতা: তোফায়েল আহমেদের বর্ণাঢ্য পথচলা

প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে মারা যান তিনি। তোফায়েল আহমেদ ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

তোফায়েল আহমেদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার একটি মেয়ে এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন বর্ষীয়ান এ নেতা।

অন্যদিকে, তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী এবং মায়ের নাম ফাতেমা বেগম।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে তিনি একটি নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে দেশজুড়ে পরিচিতি অর্জন করেন।

পরে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন কেবল ২৭ বছর বয়সে। তোফায়েল আহমেদ ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্ষীয়ান এ নেতা বর্তমানে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল হামলা, কুষ্টিয়ায় আহত তিনজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল হামলা, কুষ্টিয়ায় আহত তিনজন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের বিএনপির একটি কার্যালয়ে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

রবিবার (৩১ মে) রাতে আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটের সময় পিয়ারপুর গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিয়ারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা জহুরুল করিম বিশ্বাস এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মুনতাজের মধ্যে বিরোধের কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য অনুসারে জানা যায় রবিবার রাতে পিয়ারপুর গ্রামের মো. ফুরকান কসাই (৫৫), মো. এছেম (৫০) এবং মো. ফিরোজ (৪৮)-সহ মুনতাজের বেশকিছু কর্মী-সমর্থক দলীয় কার্যালয় ও পাশের একটি চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন। সেই সময় ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল অতর্কিতভাবে কার্যালয় লক্ষ্য করে কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে। ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ হামলায় আহত হন পিয়ারপুর এলাকার রহমত মণ্ডলের ছেলে মো. ফুরকান কসাই, হাজেদ্দিনের ছেলে মো. এছেম এবং আতর আলী কবিরাজের ছেলে মো. ফিরোজ। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের হাসপাতালে ভর্তি রাখার নির্দেশ দেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের স্বাস্থ্যের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নজরদারি চালাচ্ছেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুই বিএনপি নেতার মধ্যে বিরোধের সুত্রেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার জন্য মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান মুনতাজ অভিযোগ করেন, হামলার সঙ্গে জহুরুল করিম বিশ্বাস ও তার সমর্থকরা সরাসরি জড়িত। তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জহুরুল করিম বিশ্বাস বলেন, তারা নিজেদের কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আমার ও আমার লোকজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো রকমের সম্পৃক্ততা নেই।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, পিয়ারপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার কিংবা পূর্ব বিরোধের কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%