১২:২০ পি.এম
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরে রাতভর চলেছে তাণ্ডব, যা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ বসতিস্থাপনকারীরা। তারা হামলা চালিয়ে নাবলুসের কুসরা গ্রামের একটি মসজিদে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কেবল এতটুকু নয়, অগ্নিসংযোগের পর মসজিদের দেয়ালে তারা হিব্রু ভাষায় লিখে দিয়েছিল ‘প্রতিশোধ’ কথাটি।
একই রাতে, উত্তর-পূর্ব রামাল্লার আল-মুগাইর গ্রামে সশস্ত্র বসতিস্থাপনকারীরা হামলা শুরু করে। সেখানে ফিলিস্তিনিদের একাধিক গাড়িতে তারা অগ্নিসংযোগ করে। তবে, এসব ঘটনার ফলে কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুসারে, হামলাকারী ইসরায়েলিরা ফিলিস্তিনিদের গাড়িগুলোর দিকে পাথর নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন সংযোগ সড়ক অবরুদ্ধ করে থাকে। স্থানীয় ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, সশস্ত্র বসতিস্থাপনকারীরা একটি গ্রামের প্রধান ফটক আটকে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেটার কারণে একটি সাধারণ ফিলিস্তিনি গাড়ি গ্রামে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে না এবং জোরপূর্বক তা তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
এ ঘটনার আগের দিন শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে পশ্চিম তীরের তেল নামক একটি গ্রামে, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিতে হামলা চালায় ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। ফিলিস্তিনিরা হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। সংঘর্ষের সময় একজন ফিলিস্তিনি আক্রমণকারীদের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে পাল্টা হামলা চালালে দুই ইসরায়েলি মারা যায়। পরে, দখলদার বাহিনীর আকস্মিক গুলিতে চার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান।
এই সংঘাতের ঘটনায় নিজেদের গ্রামে অবস্থানরত এবং আত্মরক্ষা করা সাধারণ ফিলিস্তিনিদের উল্টো ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করছে ইসরায়েলি প্রশাসন। অপরদিকে, অবৈধভাবে অস্ত্র নিয়ে গ্রামের মধ্যে প্রবেশ করে হামলা চালাতে থাকা ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের ‘ভুক্তভোগী’ হিসাবে প্রচার করা হচ্ছে, এতে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন