ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোনালদো এখন আর্জেন্টিনার জামাই!


রোনালদো এখন আর্জেন্টিনার জামাই!

 

ফুটবল অঙ্গনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতার গল্প নতুন কিছু নয়। মাঠের লড়াইয়ে লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দ্বৈরথ নিয়ে বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী আড়াআড়ি বিভক্ত।

তবে মাঠের সেই রক্তগরম করা স্নায়ুযুদ্ধকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে চমকপ্রদ এক বার্তা—‘রোনালদো এখন আর্জেন্টিনার জামাই!’

আরও পড়ুন: ভারত-চীন সম্পর্কের মোড় ঘোরেনি মোদি-শি বৈঠকেও

শুনতে কিছুটা অদ্ভুত ঠেকলেও ট্রল আর মজার ছলে এই কথাটিকেই এখন বাস্তবে রূপ দিয়েছেন রোনালদো। এর পেছনের আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে সিআর সেভেনের দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গিনী জর্জিনা রদ্রিগেজের জন্মসূত্রে।

স্প্যানিশ মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে জর্জিনা বিশ্বজুড়ে পরিচিত হলেও তার বাবার জন্ম আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেসে।

তাই নেটদুনিয়ায় মজা করে বলা হচ্ছে—মাঠে মেসির সঙ্গে যতই লড়াই থাক না কেন, দিনশেষে আর্জেন্টিনার মানুষের সঙ্গেই সংসার পাততে হয়েছে পর্তুগিজ যুবরাজকে!

এর আগে, গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ত্রী জর্জিনার সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে বিয়ের খবর জানান রোনালদো।

আরও পড়ুন: মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ৩১ শতাংশে নেমেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলে প্রাকৃতিক এলাকা কমায় এল নিনোর প্রভাব বাড়ার ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


ব্রাজিলে প্রাকৃতিক এলাকা কমায় এল নিনোর প্রভাব বাড়ার ঝুঁকি

গত চার দশকে ব্রাজিলের ৮৫ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকার সমপরিমাণ প্রাকৃতিক উদ্ভিদভূমি হারিয়ে গেছে। এটি এতো পরিমাণের আয়তন ফ্রান্সের দ্বিগুণেরও বেশি। ফলে এল নিনোর কারণে সৃষ্ট চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। বুধবার প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

জুনে নিশ্চিত হওয়া এল নিনো আবহাওয়ার ধরণ বছরের শেষ দিকে আরও তীব্র হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই কারণে ব্রাজিলের বিভিন্ন অঞ্চল খরা, বন্যা এবং দাবানলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ব্রাজিলের ভূমি ব্যবহারের ওপর বার্ষিক গবেষণায় পরিবেশ পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক ম্যাপবায়োমাস জানায়, চার দশক আগে ব্রাজিলের ৭৯ শতাংশ ভূখণ্ডে প্রাকৃতিক উদ্ভিদ ছিল। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৫ শতাংশে।

রিও ডি জেনেইরো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটিকে জানিয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক উদ্ভিদভূমি হারিয়েছে আমাজন বনাঞ্চল এবং জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ সেরাদো তৃণভূমি।

ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির বড় অংশ কৃষি ও পশুপালনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। বর্তমানে ব্রাজিলের ৩২ শতাংশ ভূখণ্ড কৃষি ও পশুপালনের আওতায় রয়েছে। ১৯৮৫ সালে এ হার ছিল ১৮ শতাংশ।

ম্যাপবায়োমাসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এল নিনোর সময় প্রাকৃতিক উদ্ভিদভূমির পরিবর্তে কৃষিজমিতে পরিণত হওয়া এলাকাগুলো চরম আবহাওয়ার প্রভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এবারের এল নিনোও একই মাত্রায় শক্তিশালী হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

ম্যাপবায়োমাসের সাধারণ সমন্বয়কারী তাসো আজেভেদো এএফপিকে জানিয়েছেন, ২০২৩-২০২৪ সাল পর্যন্ত এল নিনোর সময় আমাজনের বন উজাড় হওয়া এলাকাগুলো বনভূমির তুলনায় ‘বৃষ্টিপাতের আরও বড় ঘাটতির’ মুখে পড়ে। অন্যদিকে, দক্ষিণাঞ্চলের তৃণভূমির কৃষি এলাকাগুলোতে প্রাকৃতিক উদ্ভিদ থাকা এলাকার তুলনায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হয়।

দক্ষিণাঞ্চলীয় রিও গ্রান্দে দো সুল রাজ্যে ২০২৪ সালে ভয়াবহ বন্যার ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ২০০ মানুষ মারা যান। আজেভেদো জানিয়েছেন, ‘ভূমি ব্যবহারের ধরণ এল নিনোকে পরিবর্তন করে না। তবে এটি এর প্রভাবকে বদলে দিতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি নির্দেশ করে যে ভূমি ব্যবহারের বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্তগুলো আমাদের ঝুঁকির মাত্রায় প্রভাব ফেলতে পারে এবং দেশে এসব জলবায়ু ঘটনা কতটা তীব্র হবে তা নির্ধারণ করতে পারে।’

কৃষি এলাকাগুলোতে এল নিনোর প্রভাব কেন বেশি তীব্র হয়, তা গবেষণায় ব্যাখ্যা করা হয়নি। তবে তিনি জানিয়েছেন, ‘একটি ধারণা হলো, আমাজনে বন উজাড়ের ফলে বাষ্পমোচন এবং স্থানীয় বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। এতে তাপমাত্রা বাড়ে এবং বৃষ্টিপাত কমে যায়, এল নিনো এই প্রভাবের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়।’

গত মাসে ব্রাজিল সরকার এ বছর ‘অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো’র সতর্কতা জারি করে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়তে পারে।

এ ধরণের উষ্ণতা বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ধরণে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। ব্রাজিলিয়ান কনফেডারেশন অব এগ্রিকাল्चर অ্যান্ড লাইভস্টকও (সিএনএ) সতর্ক করেছে, ‘সুপার এল নিনো’ কফি, সয়াবিন এবং চিনির মতো ফসলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় পুলিশের ভয়ে সাগরে ঝাঁপ দিলেন বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


মালয়েশিয়ায় পুলিশের ভয়ে সাগরে ঝাঁপ দিলেন বাংলাদেশি

বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও গত ১০ আগস্ট, দেশটির পাহাং রাজ্যের তানজংলামপুরে অভিবাসন বিভাগের এক অভিযানে বিপুল সংখ্যক আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা দেখে আতঙ্কিত হয়ে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক। ২৫ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশির কর্মকাণ্ডের ফলে ডুবুরিসহ বিভিন্ন সংস্থার ২০ জনেরও বেশি কর্মীর অংশগ্রহণে ৭ ঘণ্টাব্যাপী একটি অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। পরবর্তীতে সেদিনই বিকেল ৫:৩০ মিনিটে তাকে অভিবাসী শ্রমিকদের কোয়ার্টার থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পাহাং পুলিশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান দাতুক আজরি আকমার আয়োব জানান, ওই ব্যক্তি পুলিশকে জানিয়েছেন যে, পরিদর্শনের জন্য নির্মাণস্থলে বিপুল সংখ্যক আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাকে প্রবেশ করতে দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে নির্মাণস্থলের কাছে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। পরে পুলিশ ও অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন, নির্মাণস্থলে কাজ করার জন্য তার কাছে বৈধ কাগজপত্র ছিল। তিনি পরে কাজে ফিরে গেছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) রাজ্য পুলিশ কন্টিনজেন্ট সদর দপ্তরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন। আজরি আকমার বলেন, লোকটি নির্মাণস্থল থেকে টেমবেলিংয়ের কাছে একটি রিসোর্টে কয়েক কিলোমিটার সাঁতরে যাওয়ার পর কিছুক্ষণ পানি ছিলেন। তিনি বলেন, ওই বিদেশি পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তানজংলামপুরে তার শ্রমিকদের কোয়ার্টারে নিরাপদে ফিরে আসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাউন্ডারি না থাকায় একই স্থানে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরম দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ আসাদ মিয়া পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


বাউন্ডারি না থাকায় একই স্থানে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরম দুর্ভোগ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নে একই জায়গায় পাশে অবস্থানরত তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাউন্ডারি না থাকায় চরম দুর্ভোগে পতিত হয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে সীমানাপ্রাচীরের অভাবে কেবল নিরাপত্তার সংকট নয়, শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

এই প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো—ছোটবাইশদিয়া ফজলুল করিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নয়াভাংগুনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ছোটবাইদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট কলেজ। স্থানীয়দের মতামত অনুযায়ী, এক জায়গায় তিনটি প্রতিষ্ঠান পাশাপাশি অবস্থান করা সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট বাউন্ডারি অনুপস্থিতির কারণে প্রতিষ্ঠানের ভিতরে অবাধে প্রবেশ করে গবাদিপশু। এর ফলে মাঠ ও অন্যান্য স্থাপনার ক্ষতি হবার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক চলাফেরায় বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রয়েছে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে বাইরের অজানা ব্যক্তিরা এবং গবাদিপশুরা প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে প্রবেশ করে। যা তাদের পড়াশোনার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বলছেন, বাউন্ডারি অপ্রতিষ্ঠিত থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় কঠিন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা তাদের জন্য খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের দাবি হলো, তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পরিকল্পিতভাবে সীমানা নির্ধারণ করে দ্রুত বাউন্ডারি নির্মাণ করা হোক। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে ক্লাস কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কর্তৃপক্ষ।

শেষ কথা হলো, “একই জায়গায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অথচ নেই সুনির্দিষ্ট বাউন্ডারি। ফলে প্রতিদিনই নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বাউন্ডারি নির্মাণের দাবি এখন স্থানীয়দের।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিতিঙ্গাছড়ি-পানখালী ও নাফানগরসহ কয়েকটি গ্রামে হবে পর্যটন স্পট: পর্যটনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


মিতিঙ্গাছড়ি-পানখালী ও নাফানগরসহ কয়েকটি গ্রামে হবে পর্যটন স্পট: পর্যটনমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম মন্তব্য করেছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনকৃত ‘এসডিজি ভিলেজ’ অন্তর্ভুক্ত রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি গ্রাম, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রাম এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রামসহ অন্যান্য বেশ কিছু গ্রাম নিয়ে পর্যটন স্পট তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বুধবার, রাজধানী ঢাকার পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার। এছাড়াও, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান।

সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মো. আব্দুর রউ।

মন্ত্রী আফরোজা খানম প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, আমাদের স্বাধীনতার ৫৫ বছর হলেও পর্যটন খাতে উন্নয়নের দিক দিয়ে নজির তুলনামূলক কম রয়েছে। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে একটি ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের মাত্র ৫ মাসের সময়ে আমরা পর্যটন খাতের উন্নয়ন উদ্দেশ্যে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তবে, দেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার যাত্রা সহজ হবে না। ফলে এ যাত্রায় সকল অংশীজনদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। আমাদেরকে যেকোনো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার যাচাই করতে হবে। এজন্য আমরা প্রতি মাসে বেসরকারি অংশীদারদের নিয়ে আলোচনা করতে চাই, যাতে সরকারি এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি না থাকে।

তিনি আরও জানান, সরকারের উদ্দেশ্য পুরো বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার পর্যটন সম্ভাব্য স্থানগুলোকে চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

সচিব ফাহমিদা আখতার বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়নে তথ্যের ঘাটতি দূর করার জন্য আমরা ইতোমধ্যে Tourism Satellite Account (TSA) এর কাজ শুরু করে ফেলেছি। তাছাড়া ইকো-ট্যুরিজম নীতিমালা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। পূর্বের সময়ে সমন্বয়হীনতার কারণে খাতে অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। তবে, আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমরা সমন্বয়হীনতা দূর করে পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে পারব।

সেমিনারে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের গুরুত্ব, বর্তমানে ইকো-ট্যুরিজমের অবস্থা, ইকো-ট্যুরিজমের উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ, উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনা এবং করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরিচালিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%