মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১২ পি.এম
রাজশাহীতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে সৈয়দপুর থেকে সামরিক বিমানে তিনি রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
এর আগে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি ও সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপির সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ অন্যান্যরা।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ পিপিএম, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার ফয়জুল কবির পিপিএম, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম ও জেলা পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদ।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর তিনি রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর রংপুর যাওয়ার পথে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরে দুটি পথসভায় অংশ নেন তিনি।
পরে রংপুরের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী’—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি উল্লেখ করেছেন, এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রিক সুযোগ-সুবিধা ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সাদামাটির পাহাড় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ইতিমধ্যে পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। মন্ত্রী শিগগিরই এ এলাকা পরিদর্শন করবেন। এর আগে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল এসে এলাকার পর্যটন সম্ভাব্যতা যাচাই করবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে শিগগিরই এলাকার আকাশচিত্র বা এরিয়াল ভিউ ধারণের চেষ্টা করা হবে। পরে সেই চিত্র পর্যটন করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হবে।
কায়সার কামাল বলেন, এত দিন দুর্গাপুর-কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও নথিপত্রের ঘাটতি ছিল। এবার সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ শুরু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চান তারা।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরার পরিকল্পনা
দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এ অঞ্চলে রয়েছে চিনামাটির পাহাড়, গারো পাহাড় এবং স্বচ্ছ পানির সোমেশ্বরী নদী। পাহাড় ও নীল পানির সমন্বয়ে এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য অনন্য। তিনি মন্তব্য করেন, পাহাড়ের কিছু এলাকায় গেলে কাশ্মীরের মতো প্রাকৃতিক পরিবেশের অনুভূতি পাওয়া যায়।
তবে এত দিন এ এলাকার যথাযথ পরিচর্যা হয়নি বলে উল্লেখ করেন কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুর-কলমাকান্দার সৌন্দর্য সারা দেশের মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তুলে ধরতে চান তাঁরা। দ্রুত এ অঞ্চলকে নির্দিষ্ট পর্যটন এলাকার আওতায় এনে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যটন এলাকা ঘোষণার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তৈরি এবং বিনিয়োগের ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শীত মৌসুমে পর্যটকদের নিরাপত্তায় উদ্যোগ
শীত মৌসুমে দুর্গাপুরে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এ সময়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। পর্যটকদের নিরাপত্তায় এলাকায় টুরিস্ট পুলিশ মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়ারও চেষ্টা করবেন।
কায়সার কামাল বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর-কলমাকান্দাকে একটি আদর্শ পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তার লক্ষ্য, এ অঞ্চলের পর্যটন নগরী হওয়ার প্রত্যাশা যেন শুধু কথায় সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও নথিপত্রের মাধ্যমে বাস্তব রূপ পায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন বর্তমানে ৩১ শতাংশে নেমে এসেছে, যা তাঁর দুই মেয়াদে সর্বনিম্ন। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রয়টার্স/ইপসোসের একটি জরিপে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
চার দিনের এই জরিপ, যা সোমবার শেষ হয়েছে, তা নির্দেশ করে যে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জরিপের ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, এই অসন্তোষ আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে প্রশ্ন করা হয়, যদি এখন কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে তাঁরা কোন দলকে ভোট দেবেন। ৪৭ শতাংশ ভোটার ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন করেছেন, যেখানে ৩৫ শতাংশ রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এই জাতীয় পর্যায়ের জরিপে ডেমোক্র্যাটরা ১২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে, যা চলতি নির্বাচনী চক্রে তাদের সবচেয়ে বড় ব্যবধান।
দুই সপ্তাহ আগে রয়টার্স/ইপসোসের আরেক জরিপে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ছিল ৪৪ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৩৭ শতাংশ। তখন ব্যবধান ছিল সাত শতাংশ পয়েন্ট। নতুন জরিপে ডেমোক্র্যাটদের ব্যবধান আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে, জাতীয় পর্যায়ের এই জরিপের ফলাফল থেকে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে যাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ, নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে রাজ্য ও নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব প্রতিযোগিতায় রিপাবলিকানদের কিছু কাঠামোগত সুবিধা রয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে, নারী ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থনের ব্যবধান বেশি। ৫০ শতাংশ নারী ভোটার ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, যেখানে রিপাবলিকানদের পক্ষে ৩২ শতাংশ মত দিয়েছেন। পুরুষ ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান তুলনামূলকভাবে কম।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলিত হয়ে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই যুদ্ধের ফলে পেট্রলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের সংসার খরচে চাপ সৃষ্টি করেছে।
অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষের চিত্র উঠে এসেছে জরিপে। ৬৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তাঁর ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট। তাঁদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ নিজেদের রিপাবলিকান দলের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। অর্থনীতি পরিচালনায় কোন দলকে বেশি যোগ্য মনে করেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে ৪০ শতাংশ ভোটার ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৩ শতাংশ রিপাবলিকানদের বেছে নিয়েছেন।
যদি রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদ বা সিনেটের যেকোনো একটি নিয়ন্ত্রণ হারায়, তাহলে ট্রাম্পের জন্য তাঁর মেয়াদের বাকি দুই বছরে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তবে জরিপের ফল নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্দেশ করে না।
অনলাইনে পরিচালিত এই জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের ১ হাজার ৬৭৯ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ২৭৯ জন নিবন্ধিত ভোটার। সব অংশগ্রহণকারীর ক্ষেত্রে জরিপের ত্রুটির সীমা ২ শতাংশ পয়েন্ট এবং নিবন্ধিত ভোটারদের ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ পয়েন্ট। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর এই প্রথমবার ভারতীয় মাটিতে দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যদিও বিশ্লেষকদের একটি অংশ এটিকে ভারত-চীন সম্পর্কের ‘নতুন সূচনা’ বা সংঘাত কাটিয়ে বরফ গলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন কথা বলছে। এই সম্পর্কের উন্নয়ন উত্তেজনা কমানোর একটি প্রচেষ্টা মাত্র, তবে এটি গভীর সীমান্ত বিরোধ ও কূটনৈতিক দূরত্বকে ঢাকার মতো কোনো যুগান্তকারী পরিবর্তন নয়।
দ্য ডিপ্লোমেটের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, বৈঠকটি ইতিবাচক মনে হলেও দুই দেশের মৌলিক মতপার্থক্যগুলো এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে সীমান্ত সমস্যা, লাদাখ ইস্যুতে চীনের অবস্থান, পাকিস্তানের সঙ্গে বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠতা এবং দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ঘাটতি—এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হয়নি। বৈঠকের পর কোনো যৌথ বিবৃতিও প্রকাশিত হয়নি। চীনা বিবৃতিতে তিব্বত ও তাইওয়ানের উল্লেখ থাকলেও ভারতীয় বিবৃতিতে তা অনুপস্থিত ছিল। বেইজিং ভারতকে ‘অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করলেও নয়াদিল্লি একই পরিভাষা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করেছে, যা দুই দেশের রাজনৈতিক ব্যবধানকে স্পষ্ট করে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ভারত-মার্কিন সম্পর্কের টানাপোড়েন বা ওয়াশিংটনের নীতি পরিবর্তনের কারণে ভারতের এই চীন-বান্ধব মনোভাব তৈরি হয়েছে—এমন ধারণা করা ভুল হবে। ভারত শুরু থেকেই নিজের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখে নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছে। আরেকটি সীমান্ত সংঘাত এড়ানো নয়াদিল্লির অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক অগ্রাধিকার, আর সে কারণেই আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে। গালওয়ান সংঘাতের পর থেকে ‘হ্যান্ড-ইন-হ্যান্ড’ সামরিক মহড়াসহ নিরাপত্তা সহযোগিতা বন্ধ রয়েছে এবং বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের পথ এখনও সুদূরপ্রসারী।
সব মিলিয়ে, শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠকটি নতুন করে যুদ্ধ বা উত্তেজনা বৃদ্ধি ঠেকানোর একটি সাময়িক সমাধান হতে পারে, তবে একে সম্পর্কের মৌলিক পরিবর্তন বলা যায় না। যতক্ষণ না অমীমাংসিত সীমান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে এবং বেইজিং ভারতের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভারত-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ২০২০-পূর্ববর্তী স্থিতাবস্থায় ফিরে যাওয়ার বা কোনো বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি সরকার ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষেকে নিরাপদে রেখেছে। আমরা সংখ্যালঘু শব্দ বিশ্বাস করিনা, মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ তেমনি এ সরকারের আমলে সকল ধর্মে মানুষ নিরাপদে বসবাস করছে। স্বাধীনভাবে তারা ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করছে, এই কথাগুলো বলেছেন পিরোজপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি আরো বলেন, বিএনপি সরকার যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে তখন সব ধর্মের মানুষ সম অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারে। সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ও নিরাপত্তার সঙ্গে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন দূর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময়, প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন মন্দিরে উপস্থিত মন্দির কমিটির সদস্য সহ উপস্থিত সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন।তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা মন্দিরের কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা দিচ্ছে। যাতে কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটে। জাতীয়তাবাদী দলকে আরো শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এবং প্রতিটি মানুষের সুখে দুখে পাশে থাকবে। পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে মন্ত্রীর সাথে ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আহসান কবীর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম দীন মোহাম্মদ, কাউখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার রেহেনা আক্তার, ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাফিউল আজম দুলাল,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত তালুকদার, রফিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ