ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই-তিন বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন: ববি হাজ্জাজ


দুই-তিন বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন: ববি হাজ্জাজ

ময়মনসিংহ, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ : আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাথমিক শিক্ষার পরিবর্তনে যে স্বপ্ন ও দায়িত্ব দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সরকার সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ ময়মনসিংহে নেপ মিলনায়তনে বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা, ময়মনসিংহ বিভাগ আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: চার শতাধিক শিল্পীর পরিবেশনায় ‘চিরদিনের নজরুল’ উদযাপন

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের পরিকল্পনা, পাইলটিং ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। কারিকুলাম উন্নয়ন, নতুন শিক্ষক নীতিমালা, মূল্যবোধভিত্তিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আগামী কারিকুলামে ইংরেজি লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে ‘স্পিকিং টেস্ট’ চালু করা হবে। এছাড়া প্রতিটি শিক্ষার্থীর তথ্য ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত আইটি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে ‘ইউনিক আইডি’ দেওয়া হবে এবং স্কুল ভবনের ভেতরেই প্রয়োজনীয় ওয়াশ ব্লক স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’

বিদ্যালয়মুখী করার উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কোনো শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাইরে না থাকে—প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল, বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ নিশ্চিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্য কেবল ভবন নির্মাণ নয়, বরং প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে মানসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে রূপান্তর করে গড়ে তোলা হবে।’

বিদ্যালয়ের প্রতি স্থানীয়দের মালিকানা বোধ গড়ে তোলার তাগিদ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সবার নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা।’

আরও পড়ুন: জাতীয় সংসদের এলডি হলে শুরু হলো বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬ সম্মেলন

ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপ-পরিচালকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমেদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলার পিটিআই সুপার, জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়নে দ্রুত জাতীয় কৌশল প্রণয়ন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়নে দ্রুত জাতীয় কৌশল প্রণয়ন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্র

ঢাকা, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে পরবর্তী ধাপে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে দ্রুত একটি ‘জাতীয় কৌশল’ প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি জানান, সরকার জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই খাতের উন্নয়ন ও উচ্চমানের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘জেনেরিক থেকে বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন : বায়ো-ইকোনমির পথে বাংলাদেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল বায়োটিইডি সোমরু বায়োসায়েন্স এবং সহযোগী হিসেবে ছিল জেনএক্স।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, আমাদের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে এবং এখন সময় এসেছে এটিকে বায়োসিমিলার, ভ্যাকসিন ও বায়োটেকনোলজির মতো উচ্চপর্যায়ের ধাপে রূপান্তরিত করার। এটিকে কেবল স্বাস্থ্য সুরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যাবে না, বরং জাতীয় অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি বা বায়ো-ইকোনমির লেন্স দিয়েও দেখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে সঠিক মান ও আন্তর্জাতিক স্কেল বজায় রেখে বায়োফার্মাসিউটিক্যাল ও ভ্যাকসিন গবেষণার জন্য প্রাথমিক অবকাঠামো তৈরি করতে হবে। নতুন এই রূপান্তরে প্রায় ১০ হাজার প্রশিক্ষিত দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন হবে। সরকার সাধারণ কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও গবেষণাকেন্দ্রিক উচ্চপর্যায়ের (হাই-এন্ড) কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, কনট্র্যাক্ট রিসার্চ অর্গানাইজেশন (সিআরও) প্রতিষ্ঠা ও বায়োসিমিলার নিয়ে নিজস্ব গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী শিল্পোদ্যোক্তা ও গবেষকদের জন্য সরকারি উদ্যোগে ‘শেয়ার্ড ফ্যাসিলিটিজ’ বা কেন্দ্রীয় ল্যাব সুবিধা তৈরির আশ্বাস দেন।

তরুণ গবেষকদের সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, স্বাস্থ্য খাতের বাজেট থেকে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, মলিকুলার বায়োলজি ল্যাব স্থাপন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা তহবিল (রিসার্চ ফান্ডিং) বাড়ানোর বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আইসিডিডিআরবি প্রধান নির্বাহী ডা. তাহমিদ আহমেদ, বায়োটিইডির প্রধান নির্বাহী সওগাতুল ইসলাম, বিএমআরসির পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দিন বেননূর, জেনেক্স হেলথের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. মুনিয়া আমিন, ইউনিমেড ইউনি হেলথের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোসাদ্দেক হোসাইন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সোহেল রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেগম জিয়াকে স্লো-পয়জনিং করা হয়েছে, তদন্ত প্রয়োজন: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


বেগম জিয়াকে স্লো-পয়জনিং করা হয়েছে, তদন্ত প্রয়োজন: রিজভী

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্লো-পয়জনিং করার দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি অডিটোরিয়ামে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, বেহেশতের সমস্ত কিছু যেন বেগম খালেদা জিয়ার কাছে পৌঁছায়। প্রতিটি মুহূর্ত তিনি মানুষের স্বপক্ষে কথা বলতেন। ১/১১ এর সময়ে চিকিৎসার জন্য বাইরে গিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা। কিন্তু খালেদা জিয়াকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাকে স্লো পয়জন করা হয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। রোগে-শোকে ভুগতে ভুগতে তার সময় পূর্ণ হলো।

তিনি উল্লেখ করেন, বেগম জিয়া ছিলেন একজন আপসহীন নেত্রী। তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে কথা ও কাজের মধ্যে অভূতপূর্ব মিল তৈরি করেছেন। ফারাক্কার পানির জন্য জাতিসংঘে গিয়েছিলেন তিনি। কণ্ঠকে কখনো দুর্বল হতে দেননি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফরের সময় প্রথম তিনি রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ফোরাম গঠনের অনুরোধ করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার দুই সরকারের সময়ে নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে, তা ছিল দুর্দান্ত। কিন্তু পরবর্তীতে যা হয়েছে, সব ছিল চক্রান্ত। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বেগম জিয়া কখনো আপস করেননি। যখন তার বিরুদ্ধে লাগাতার ষড়যন্ত্র হয়েছে, তখন আমরা আন্দোলনে নামতে চাইলাম, কিন্তু তিনি বলেছেন, প্রস্তুতি নাও, কিন্তু আমরা আইনি লড়াই করবো। আইনের প্রক্রিয়া থেকে তিনি কখনো বিচ্যুত হননি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

রিজভী আরও বলেন, লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটি প্রমাণ করছে তিনি হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। যাকে নিয়ে ছোট পরিসরে আলোচনা সম্ভব নয়। গোটা পৃথিবীকে তিনি ছায়া দিয়ে রাখতে চেয়েছেন। জাতি কখনো তার অবদান ভুলবে না। রাষ্ট্রে এবং সমাজে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে পারলেই বেগম জিয়াকে যথাযথ সম্মান জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে এসএসসিতে সর্বনিম্ন পাসের হার অর্জনে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা দায়ী ঃ জেলা শিক্ষা অফিসার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রহমত আলী হবিগঞ্জ

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


হবিগঞ্জে এসএসসিতে সর্বনিম্ন পাসের হার অর্জনে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা দায়ী ঃ জেলা শিক্ষা অফিসার

শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি, অভিভাবকদের অসচেতনতা, প্রধান শিক্ষকগণের উদাসীনতা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের নেতিবাচক মনিটরিং এর প্রভাবে মাধ্যমিক শিক্ষা দিন দিন পিছিয়ে পরার ফলে এসএসসি ২০২৬ পরিক্ষায় হবিগঞ্জ জেলা অনাকাঙ্ক্ষিত সর্বনিম্ন পাসের হার অর্জন করেছে। এমন মন্তব্য প্রকাশ করেছেন হবিগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফরিদা নাজমীন।

তিনি বলেন জেলার ৯টি উপজেলায় এবার এসএসসিতে ১৫ হাজার ৬৯৪ জন
শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেয়।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে হবিগঞ্জ জেলায় পাসের হার ৫৫.৪০% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭৫ জন শিক্ষার্থী।
যা সিলেট বিভাগের মধ্যেে সর্বনিম্ন।

ফরিদা নাজমীন বলেন হবিগঞ্জ জেলায় এবার এসএসসিতে পাসের হার নিম্নমুখী হয়ার প্রাথমিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের চরম উদাসিনতা, শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি, অভিভাবক অসচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের নেতিবাচক মনিটরিংয়ের প্রভাবে এমন অবস্থা দাবিয়েছ ।

তিনি বলেন একজন পিয়ন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ার আগে যদি প্রধান শিক্ষক উপস্থিত থাকেন তাহলে ওই বিদ্যালয়ের অন্য কোন শিক্ষক বিলম্বে উপস্থিত হয়ার কোন সুযোগ থাকে না।
প্রধান শিক্ষকদের অব্যবস্থাপনার ফলে দিন দিন হবিগঞ্জে শিক্ষার মান নিম্নমুখী হচ্ছে।
তাই প্রধান শিক্ষকগণ যেমন সেই বিদ্যালয়ের পড়ালেখা মানও তেমন।

তিনি বলেন অভিভাবকগণের অসচেতনতার প্রভাবের ফলে তাদের সন্তানরা ক্রমশই পিছিয়ে পড়েছে।

নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত, যথাযথ জ্ঞন অর্জন হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে তেমন কোনো খুঁজ খবরও রাখছেন না তারা।

কিন্তু আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং ও নবীগঞ্জ পাসের হার জেলার মধ্যে সর্ব নিম্ন রয়েছে।
তবে প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের কারনে হাওর অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিখন কাজে অংশ নিতে পারে না। কিন্তু অনুকুল পরিবেশে পাঠদান কার্যক্রম দ্রুতশীল করা হলে তা কাটিয়ে উঠা সম্ভব।

জেলা শিক্ষা অফিসার জানান বিদ্যালয় মনিটরিং নিয়মিত হচ্ছে না কারন সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার পদ ১ টি,
সহকারী পরিদর্শক ৩ টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ৪ টি একাডেমিক সুপারভাইজার ৩ টি শূন্য পদে জনবল না থাকায় বিদ্যালয় মনিটরিং কাযক্রম অনেকটা মন্থর গতিতে চলছে। ফলে যে যেভাবে পারছেন সেই ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্টান পরিচালনা করছেন।

তিনি বলেন আমাদে স্বল্প জনবল নিয়েই ২০২৭ সালের এস এস সি পরিক্ষায় আশানুরূপ ফলাফল অর্জনে লক্ষ্য নিয়ে এখন থেকে কাজ চালিয়ে যাবেন তিনি। এবং নিজেই জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান পরিদর্শন করার পত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবসরের পর ক্রিকেট উপভোগ করছেন ক্লাসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


অবসরের পর ক্রিকেট উপভোগ করছেন ক্লাসেন

অবসর নেওয়ার পর, ক্লাসেন ক্রিকেটকে উপভোগ করছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটার হেনরিখ ক্লাসেন সাত বছরের মাথায় আচমকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ান। অবসর ভেঙে ফেরার বিষয়ে আলোচনা হলেও, ক্লাসেন সোজাসাপটা কথা বলেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে আসার সুফলগুলোর কথা তুলে ধরেছেন।

তিনি ২০২৫ সালের ২রা জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। ক্লাসেন ৪টি টেস্ট, ৬০টি ওয়ানডে এবং ৫৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন। তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি ছিল ওই বছরের মার্চ মাসে লাহোরে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল, যেখানে নিউজিল্যান্ডের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকা পরাজিত হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ার পর, ক্লাসেন পুরোপুরি ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে মনোযোগ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে সরে আসার ফলে তিনি বড় টুর্নামেন্টগুলোর মাঝে নিজের সময়সূচি এবং শারীরিক পুনরুদ্ধারের (রিকভারি) বিষয়টি ভালোভাবে সামলানোর সুযোগ পেয়েছেন, যা তিনি আগে পাননি।

ক্লাসেন জানান, অবসর নেওয়ার কারণে বিভিন্ন টুর্নামেন্টের ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিজের সময়সূচি ও বিশ্রামের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সময় দিতে পারছেন। তিনি জিওস্টারকে জানান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ফলে তিনি বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাঝে বিরতি নেওয়ার স্বাধীনতা পেয়েছেন। অধিকাংশ প্রতিযোগিতার মধ্যে তিনি প্রায় এক মাস, দেড় মাস বা দুই মাসের মতো সময় পাচ্ছেন। ফলে নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়া, সবকিছু উপলব্ধি করার পাশাপাশি নিজের উন্নতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারছেন।

আইপিএলের চলতি বছরের মৌসুমে ক্লাসেন ১৫টি ইনিংসে ৬২৪ রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে ছয়টি হাফ-সেঞ্চুরি ছিল। এর মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তার ধারাবাহিক ফর্মের প্রমাণ পাওয়া যায়। ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টে ‘ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস’ হয়ে তিনি ৭টি ইনিংসে ২৩.৭১ গড় ও ১৮২.৪১ স্ট্রাইক রেটে মোট ১৬৬ রান করেন, যার মধ্যে দুটি হাফ-সেঞ্চুরি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই টুর্নামেন্টে তার দল ‘ট্রেন্ট রকেটস’-এর মুখোমুখি হয়েছিল।

কম ম্যাচ খেলার পাশাপাশি তার অব্যাহত পারফরম্যান্সের মান ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ বিষয়ে ক্লাসেন স্বীকার করেছেন। তিনি মনে করেন, ট্রফি জয়ের বিষয়টি তার নিজের এবং দলের জন্য একটি প্রধান লক্ষ্য হিসেবে রয়ে গেছে। বিশেষ করে ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা খরা বা সাফল্যহীন সময় পার করার পর।

তিনি বলেন, ট্রফি জয় করাটা একটা লক্ষ্য। ইদানীং ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রে সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না, তাই ব্যক্তিগত লক্ষ্য হলো নিজেকে এবং দলকে এমন অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যাতে ট্রফি জেতা সম্ভব হয়। এছাড়া বর্তমানে কম ক্রিকেট খেলার কারণে খেলার মান বজায় রাখাটাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আইপিএলে তার সময়টা ভালো কেটেছে। আগামী রান পাওয়া এবং নিজের স্বাভাবিক মান ধরে রাখার জোর দিচ্ছেন ক্লাসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%