ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সোনারগাঁয়ে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ


সোনারগাঁয়ে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদকের বিরুদ্ধে একটি মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে স্থানীয় এলাকাবাসী উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও বটতলা বাজার এলাকায়।

আরও পড়ুন: ‎হোসেনপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতার আহ্বান

মানববন্ধনে বক্তারা বলেছেন, "মাদকাসক্তি প্রতিরোধে কেবল সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়," বরং পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে মাদকের ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব। বক্তারা জানান, "মাদক সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি।" তরুণ সমাজ মাদকের কারণে বিপথে পরিচালিত হচ্ছে, এবং এটি পরিবার ও সমাজে নানা ধরনের অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বক্তারা মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পরে, অংশগ্রহণকারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এই মিছিলটি বটতলা বাজার থেকে শুরু করে পাঁচানী শান্তিনগর এলাকায় নতুন বাজার প্রদক্ষিণ করে এবং বিভিন্ন মাদকবিরোধী স্লোগান দেয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জালাল উদ্দিন রুমি, জসিম উদদীন, নুরনবি মাস্টার, জাকির হোসেন, মোস্তফা কামাল, বাদল হোসেন, মোহাম্মদ আল আমিন, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, জাহিদ সিকদার, আব্দুস সালাম, সাকিব আহাম্মেদ শরিফ, রকিব হোসেন, ফারহান, ইসলাম মিয়া এবং রমজান হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন: সাজেকে পর্যটকদের যাত্রায় বাধা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিয়ে মাঠে নামার ঘোষণায় সৃষ্টি হয়েছে তোলপাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিয়ে মাঠে নামার ঘোষণায় সৃষ্টি হয়েছে তোলপাড়

নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সাম্প্রতিক মন্তব্য ‘মুসলমানদের নিয়ে মাঠে নামার’ বিষয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘এনাফ ইজ এনাফ। হুমায়ুন কবীরদের মতো ব্যক্তিদের শিক্ষা দেয়ার সময় এসেছে। এ ধরনের কথা বলার আগে ২৫ বার ভাববেন।’

সম্প্রতি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। এর ফলে সোমবার (২৯ জুন) বিধানসভায় ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ উত্থাপন করেন বিজেপি বিধায়ক উৎপল ব্রহ্মচারী। তিনি দাবি করেন, রেজিনগরের এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে হুমায়ুন কবীর যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে সরকারকে বিবৃতি দিতে হবে।

বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে স্পিকার রথীন বসু পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষকে এই বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার নির্দেশ দেন। পরে মন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এ বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন।

এরপর, শুভেন্দু অধিকারী হুমায়ুন কবীরের বিতর্কিত বক্তব্য বিধানসভায় পড়ে শোনান। তিনি বলেন, গত ২৬ তারিখ রেজিনগরের কাশীপুরে আয়োজিত এক সভায় হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আমি যেদিন মুসলমানদের নিয়ে মাঠে নেমে যাব, সেদিন এমন সাটা ভাঙা মার শুরু হবে যে আপনাদের পতাকা বহন করার লোক থাকবে না। লাখে লাখে মানুষকে রাস্তায় নামাব। এসপি বুঝব না, চিফ মিনিস্টারও বুঝব না। আমি নিজেই নেতৃত্ব দেব।’

শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, শক্তিপুরের দুয়ারাঘাটে আরেকটি সভায় হুমায়ুন কবীর এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, প্রয়োজন হলে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে থানা ঘেরাও করে তাকে গলা ধরে বের করে আনবেন।

এসব বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা রেজিনগরে দুটি এফআইআর করেছি। হুমায়ুন কবীরদের মতো মানুষদের শিক্ষা দেয়ার সময় এসেছে। এত বড় ক্ষমতা আপনাকে কেউ দেয়নি। আমি জানি আপনি কেন এসব করছেন। ভরতপুর ও রেজিনগরের পঞ্চায়েতগুলো নিজের দখলে নিতে পারেননি। তাই ৭২ শতাংশ মুসলিম ভোট নিজের দিকে টানতেই এসব বক্তব্য দিচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কান খুলে শুনে রাখুন, এ ধরনের লাগামহীন বক্তব্য আমি বলতে দেব না। ভারতের আইনই শেষ কথা বলে, কোনও ব্যক্তির হুমকি নয়। এ ধরনের কথা বলার আগে ২৫ বার ভাববেন, আমি হুঁশিয়ারি দিচ্ছি।’

একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, ‘এটাই হুমায়ুন কবীরের শেষ বক্তব্য হবে। যারা তাকে অনুষ্ঠানে ডেকেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে আমি মুর্শিদাবাদে যাব।’

সোমবার বিধানসভায় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্বে থাকা মুখ্যমন্ত্রী ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিস বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করার কথাও জানানো হয়।

অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের জবাবে হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আইনের পথেই সব চলবে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, আমিও নই। সিপিএম আমলে আমার বিরুদ্ধে ২৭টি এবং তৃণমূল আমলে ৬০টি মামলা হয়েছিল। কোনও মামলাতেই প্রমাণ হয়নি আমি গুন্ডাগিরি, তোলাবাজি বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করেছি। এই সরকারও তা প্রমাণ করতে পারবে বলে মনে করি না। বিচারব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’

এদিকে বিরোধী দলের নেতা নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘হুমায়ুন কবীর সাহেব যেভাবে মুসলমানদের এই বক্তব্যের সঙ্গে যুক্ত করেছেন, আমি তার বিরোধিতা করছি। কেউ যদি আপত্তিকর বক্তব্য দেন— তিনি যোগী আদিত্যনাথ হোন, হুমায়ুন কবীর হোন বা অন্য যে-ই হোন, আমি সেই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নই।’

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের কাশীপুরে এক জনসভায় হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেন, নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরও কয়েকজন বিজেপি নেতা এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি মুসলিম সম্প্রদায়কে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে মামলা হলেও তিনি ভয় পান না বলেও মন্তব্য করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে যুবলীগের আহ্বায়কসহ ৫ নেতা জেল হাজতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


ঝালকাঠিতে যুবলীগের আহ্বায়কসহ ৫ নেতা জেল হাজতে

ঝালকাঠি জেলা বিএনপির অফিসের আগুন লাগানোর মামলায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকিরসহ পাঁচজনকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুর বেলা আড়াইটার সময় কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, জেলা যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান মুন্না, শাহাজাদা পরাগ এবং রাজাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব রুবেলকে ঝালকাঠি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২৪ জুন রাজধানীর পিজি হাসপাতাল থেকে তাদেরকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

নিউমার্কেট থানার জুলাই হত্যা মামলার (নং-০৮, তারিখ-১৭-০৬-২৪ইং) আসামি হিসেবে পুলিশ পরিদর্শক মো. সুজন হক ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করার সময় আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তাদেরকে ঢাকার নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলাসহ ঝালকাঠির বেশ কিছু বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঝালকাঠি সদর থানায় ছাত্রদল নেতা সুমন মন্ডলের দায়ের করা একটি বিস্ফোরক আইনের মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। সেই সময় আসামি পক্ষের আইনজীবী বনি আমিন আমিন বাকলাই আসামিদের জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঝালকাঠির চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচএম কবির আহম্মেদ। বিকেল বেলা তাদের ঝালকাঠি কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ছাড়া কির্ত্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আ. শুক্কুর মোল্লাকেও জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আ. শুক্কুর মোল্লা ঝালকাঠির একটি মামলায় উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি ঝালকাঠির আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


ছাত্রলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

ঝালকাঠির রাজাপুরে এক হিন্দু পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ এসেছে উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক মোসা. রিয়া আকতারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং ন্যায়বিচার দাবি করেছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রাজাপুর উপজেলার রয়াল ক্যাফেতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী অমূল্য চন্দ্র হালদারের মেয়ে অনামিকা হালদার এ অভিযোগ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জমির মালিক অমূল্য চন্দ্র হালদার, তার স্ত্রী রিনা হালদার, ছেলে রাজিব হালদার, মেয়ে অনামিকা হালদার এবং সমীর চন্দ্র মালাকার।

লিখিত বক্তব্যে অনামিকা হালদার জানান, ২০২২ সালে তারা ৪৭ নম্বর রাজাপুর মৌজার ৫ দশমিক ১১ শতাংশ জমি বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে মোসা. রিয়া আকতারের কাছে বিক্রি করেন। জমির দাম ধরা হয় ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। একই মৌজার আরও ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় রাজাপুর সদর ইউনিয়নের আঙ্গারিয়া গ্রামের অধীর মালাকারের ছেলে সমীর চন্দ্র মালাকারের কাছে।

তাদের দাবি, জমি বিক্রির পর একাধিকবার মাপজোক করে ক্রেতাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং তারা দীর্ঘদিন সঠিক মাপ অনুযায়ী জমি ভোগদখলও করছেন। কিন্তু ২০২৪ সালের শেষের দিকে মোসা. রিয়া আকতার ৫ দশমিক ১১ শতাংশ জমির পরিবর্তে ৬ দশমিক ১১ শতাংশ জমি রেকর্ড করে নেন। এ ঘটনায় বরিশাল আদালতে মামলা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত রিয়া আকতার ও তার স্বামী মো. রফিক হাওলাদার উপজেলা পরিষদে চাকরি করেন। তারা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ও স্থানীয় লোকজন নিয়ে গত ২৮ জুন রবিবার সকালে জমির সীমানা বেড়া ও টিন ভেঙে জোরপূর্বক জমি দখল করে নেন। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি এবং হুমকি দেওয়া হয়।

অমূল্য হালদার বলেছেন, ঘটনার সময় রাজাপুর থানায় ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দখল কার্যক্রমে বাধা দেয়। তবে এখন পর্যন্ত তারা কোনো প্রতিকার পাননি। বরং অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এখনও তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, তারা হিন্দুধর্মাবলম্বী হওয়ায় তাদের দুর্বল মনে করে জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ সময় তারা বলেন, "আমরা আমাদের জমি ফেরত চাই এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।"

অভিযুক্ত রিয়া আকতারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জমি দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, "আমার কাছে জমি বিক্রি করার পর মাপজোক দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। বরং আমাকে মেপে নিতে বলা হয়েছে। পরে আমি আমিন এনে মাপজোক করে সীমানা পিলার বসিয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে তারা আমার বিরুদ্ধে যা বলেছে সব মিথ্যা।"

এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, "ঘটনাটি আমার জানা নেই, তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না: অর্থমন্ত্রী

মালিকানায় দুর্বল ব্যাংকগুলোর একীভূত হওয়ার পর পুরনো মালিকদের ফেরার সুযোগ রাখতে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর ১৮(ক) ধারাটি বিলোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এই তথ্য জানান।

জাতীয় সংসদের বাজেট আলোচনার সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে এই ১৮(ক) ধারাটি বিলোপ করা হয়েছে। এর ফলে, একীভূত হওয়া দুর্বল ব্যাংকের পুরনো মালিকরা পুনরায় মালিকানায় ফিরে আসার আর কোনো সুযোগ পাবে না।

ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ও আমানতকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের একটি দৃঢ় অবস্থান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমাদের বার্তা স্পষ্ট—যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে, আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।’

এর পূর্বে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রণীত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অর্ডিনেন্স' সংশোধনের মাধ্যমে এখন পুনর্গঠিত সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর ওপর সাবেক মালিকদের নিয়ন্ত্রণ পুনরায় ফিরে পাওয়ার জন্য একটি আইনি পথ তৈরি হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%