ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

টিএমজিবির নতুন সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিত


টিএমজিবির নতুন সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিত

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতের সাংবাদিকদের শীর্ষস্থানীয় সংগঠন টেকনোলজি মিডিয়া গিল্ড বাংলাদেশ (টিএমজিবি)-এর কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. মাসুদ রুমী, যিনি কালের কণ্ঠের ডেপুটি এডিটর এবং বাণিজ্য ও অর্থনীতি বিভাগের প্রধান। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন কুমার বিশ্বজিত রায়, যিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার।

সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম আলী খাঁ হলে অনুষ্ঠিত দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ও বাক্কোর সভাপতি তানভীর ইব্রাহিম, টিএমজিবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এস এম আফসারুল ইসলামসহ সংগঠনের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি খাতে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

টিএমজিবির সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম দাস্তগীর (তৌহিদ), যিনি টেকভিশন২৪ ডটকমের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। যুগ্ম সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন, যিনি ডিজিবাংলার বার্তা সম্পাদক। কোষাধ্যক্ষ পদে মাহদী হাসান শিমুল, যিনি আরটিভির সহকারী বার্তা সম্পাদক, নির্বাচিত হয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাশেদ ইমাম, যিনি টেকশহর ডটকমের রিপোর্টার এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, নির্বাচিত হয়েছেন। প্রচার ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে ফারহানা হক নীলা, যিনি সারাবাংলা ডটনেটের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্যের দুটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন, যিনি দৈনিক সংবাদের সিনিয়র রিপোর্টার এবং টিএমজিবির সদ্য সাবেক সভাপতি, এবং এনামুল হক মজুমদার (মজুমদার বাবু), যিনি টিবিএসের হেড অব মাল্টিমিডিয়া।

আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার পর দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিদায়ী কমিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানানো হয়।

নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা প্রধান নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।

আরও পড়ুন: আধুনিক ভূমি জরিপ ও প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ

টিএমজিবি দেশের প্রযুক্তি খাতে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য একটি শীর্ষস্থানীয় পেশাদার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, যা তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সাংবাদিকতার গুণগত মানোন্নয়ন এবং সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিবেদিত। গবেষণা, নীতি-নির্ধারণী গোলটেবিল বৈঠক, পেশাগত প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিবিষয়ক কর্মশালার মাধ্যমে সংগঠনটি গণমাধ্যম ও আইসিটি খাতের মধ্যে একটি কার্যকর সেতু হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত ক্রেডিট কার্ড পেতে যা করণীয়, জেনে নিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত ক্রেডিট কার্ড পেতে যা করণীয়, জেনে নিন

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এসেই ক্রেডিট কার্ড পাওয়া সম্ভব। কিছু নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে খুব সহজেই দ্রুত ক্রেডিট কার্ড পাওয়া সম্ভব। দেশটিতে নতুন ক্রেডিট ব্যবহারকারী, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সীমিত ক্রেডিট ইতিহাস রয়েছে এমন ব্যক্তিদের জন্যও বিভিন্ন ধরনের ক্রেডিট কার্ডের সুযোগ রয়েছে। কিছু কার্ডের ক্ষেত্রে আগে থেকে ক্রেডিট স্কোর না থাকলেও আবেদন করা যায়। অনেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রেখেছে। তবে আবেদন করলেই কার্ড পাওয়া নিশ্চিত নয়; আবেদনকারীর বয়স, আয়, পরিচয় যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শর্তের ওপর অনুমোদন নির্ভর করে।

সম্প্রতি ভার্জিনিয়া থেকে এক বাংলাদেশি প্রবাসী ক্রেডিট কার্ড নিয়ে তার অভিজ্ঞতার কথা জানান সংবাদমাধ্যমকে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে বসবাস করছেন এবং গ্রিন কার্ডধারী। কিন্তু এখনো কোনো ক্রেডিট কার্ড নিতে পারেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় একটি ব্যাংকে গিয়ে ক্রেডিট কার্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে ৫০০ ডলার দিতে হবে বলে জানানো হয়েছিল। তবে ওই অর্থ কার্ডের ফি, নাকি সিকিউরড ক্রেডিট কার্ডের নিরাপত্তা জামানত ছিল, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি। ফলে বিষয়টি না বুঝতে পেরে তিনি আর আবেদন করেননি। তার এই অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, সঠিক তথ্যের অভাব বা ভুল বোঝাবুঝির কারণে অনেক নতুন প্রবাসী ক্রেডিট কার্ড নেওয়ার সুযোগ সম্পর্কে জানতে পারেন না।

যুক্তরাষ্ট্রে নতুনদের জন্য একটি পরিচিত বিকল্প হলো সিকিউরড ক্রেডিট কার্ড। সাধারণ ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্রাহকের ক্রেডিট ইতিহাস ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে ঋণসীমা নির্ধারণ করে। কিন্তু সিকিউরড ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে শুরুতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিরাপত্তা জামানত হিসেবে জমা রাখতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে এই জামানতের পরিমাণ অনুযায়ী কার্ডের ক্রেডিট লিমিট নির্ধারিত হয়। উদাহরণ হিসেবে, কোনো কার্ডের জন্য ২০০ বা ৫০০ ডলার জামানত জমা রাখতে হতে পারে। এই অর্থ সাধারণত ব্যাংকের কাছে নিরাপত্তা হিসেবে থাকে, এটি সরাসরি বার্ষিক ফি নয়। কার্ডের শর্ত অনুযায়ী অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে বকেয়া পরিশোধ করলে অথবা ব্যাংক কার্ডটি সাধারণ ক্রেডিট কার্ডে উন্নীত করলে জামানতের অর্থ ফেরত পাওয়া যেতে পারে।

শিক্ষার্থীদের জন্যও রয়েছে আলাদা সুযোগ। যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। কিছু স্টুডেন্ট কার্ডের ক্ষেত্রে আগে থেকে ক্রেডিট স্কোর থাকা বাধ্যতামূলক নয়। ডিসকভারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য এমন কার্ডের ব্যবস্থা রেখেছে, যেগুলোর মাধ্যমে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার ও সময়মতো বিল পরিশোধের অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি ক্রেডিট ইতিহাস তৈরি করা সম্ভব। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করলেই কার্ড অনুমোদন হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আবেদনকারীর আয়, বয়স এবং অন্যান্য যোগ্যতা যাচাই করা হয়।

২১ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ নিয়ম রয়েছে। সাধারণত তাদের নিজস্ব আয় বা আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হয়। অন্যথায় ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী একজন যোগ্য ব্যক্তিকে কো-সাইনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে হতে পারে। অন্যদিকে, ২১ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে ব্যাংক আবেদনকারীর বর্তমান বা প্রত্যাশিত আয় এবং ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বিবেচনা করে। তাই শিক্ষার্থীদের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট কার্ডের বয়স ও আয়ের শর্ত জেনে নেওয়া জরুরি।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্যও যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার কিছু সুযোগ রয়েছে। তবে তাদের ক্ষেত্রে কার্ডের ধরন ও আবেদনপ্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। অনেক ব্যাংক সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর বা এসএসএন চায়। কিছু প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট শর্তে আইটিআইএন বা অন্যান্য পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য গ্রহণ করতে পারে। আবার কিছু বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আবেদনপ্রক্রিয়া রাখে। কোন প্রতিষ্ঠান কী ধরনের পরিচয়পত্র গ্রহণ করে, তা আগে যাচাই করা প্রয়োজন। শুধু আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হওয়ার কারণে আবেদন বাতিল হবে, এমন নয়; আবার আবেদন করলেই অনুমোদন পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই।

ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করতে সব সময় ব্যাংকের শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করে। সাধারণত আবেদনকারীর নাম, জন্মতারিখ, যুক্তরাষ্ট্রের ঠিকানা, ফোন নম্বর, আয়ের তথ্য এবং সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হয়। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্যও চাওয়া হতে পারে। আবেদন জমা দেওয়ার পর কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান দ্রুত প্রাথমিক সিদ্ধান্ত জানায়। তবে অতিরিক্ত পরিচয় যাচাই বা আর্থিক তথ্য পর্যালোচনার প্রয়োজন হলে অনুমোদন পেতে সময় লাগতে পারে।

নতুন গ্রাহকরা ডিসকভার, ক্যাপিটাল ওয়ান এবং ব্যাংক অব আমেরিকার মতো প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ক্রেডিট কার্ডের শর্ত যাচাই করতে পারেন। ডিসকভারের কিছু স্টুডেন্ট ও সিকিউরড কার্ডে আবেদন করার জন্য আগে থেকে ক্রেডিট স্কোর থাকা বাধ্যতামূলক নয়। ক্যাপিটাল ওয়ানের সিকিউরড কার্ড নতুন বা সীমিত ক্রেডিট ইতিহাস রয়েছে এমন গ্রাহকদের জন্য একটি বিকল্প। ব্যাংক অব আমেরিকাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কার্ডের ক্ষেত্রেও আবেদনকারীর যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে আবেদন করা যায়। তবে প্রতিটি কার্ডের বার্ষিক ফি, সুদের হার, জামানত এবং আবেদনসংক্রান্ত শর্ত আলাদা।

ক্রেডিট কার্ড নেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা জরুরি। কার্ডের বার্ষিক ফি আছে কি না, সুদের হার কত, বিল পরিশোধের শেষ তারিখ কখন এবং দেরিতে বিল পরিশোধ করলে কত জরিমানা দিতে হবে, তা জেনে নিতে হবে। সিকিউরড কার্ডের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জামানত কত এবং কোন শর্তে তা ফেরত পাওয়া যাবে, সেটিও পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া উচিত। আবেদন করার সময় ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট যাচাই করলে ক্রেডিট স্কোরে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে। তাই একসঙ্গে অনেকগুলো কার্ডের জন্য আবেদন না করে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত কার্ড নির্বাচন করাই ভালো।

ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার পর দায়িত্বশীল ব্যবহার আরও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি মাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে হবে। সম্ভব হলে পুরো বিল পরিশোধ করা উচিত, যাতে সুদের অতিরিক্ত খরচ এড়ানো যায়। অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা করে শুধু ক্রেডিট স্কোর বাড়ানোর চেষ্টা করা ঠিক নয়। নিয়মিত ও সময়মতো বিল পরিশোধ এবং সীমার মধ্যে কার্ড ব্যবহার যুক্তরাষ্ট্রে ভালো ক্রেডিট ইতিহাস গড়ে তুলতে সহায়তা করে। ভবিষ্যতে গাড়ি কেনার ঋণ, মর্টগেজ কিংবা বাড়ি ভাড়ার আবেদনের সময়ও ক্রেডিট ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এসেছেন বলে ক্রেডিট কার্ডের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। নিজের বয়স, আয়, পরিচয়পত্র এবং আর্থিক পরিস্থিতি অনুযায়ী স্টুডেন্ট বা সিকিউরড ক্রেডিট কার্ডের মতো বিকল্প খুঁজে দেখা যেতে পারে। সঠিক তথ্য জেনে অনলাইনে আবেদন করলে ঘরে বসেই প্রক্রিয়াটি শুরু করা সম্ভব। তবে কার্ড পাওয়ার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেটি দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা এবং সময়মতো বিল পরিশোধের অভ্যাস গড়ে তোলা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনকে রুখে দিল বাংলাদেশ, ১-১ গোলে ড্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


চীনকে রুখে দিল বাংলাদেশ, ১-১ গোলে ড্র

বাংলাদেশ হারের বৃত্ত থেকে বের হয়ে এসেছে। তবে আমিরুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলামরা জয়ের হাসি হাসতে পারেননি। এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে টানা চারটি হারে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ চীনের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করেছে।

আজ পাঞ্জাবের জলন্ধরের অলিম্পিয়ান সুরজিৎ সিং হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতেই, মাত্র ২ মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশ গোল হজম করে। পেনাল্টি কর্নার থেকে চীনকে লিড এনে দেন চেন বেনহাই।

বাংলাদেশ সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে এবং ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আশরাফুল ইসলাম পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। ফলে বাংলাদেশের পয়েন্ট পাওয়ার অপেক্ষা শেষ হয়।

এর আগে, বাংলাদেশ ভারতের কাছে ১৩-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্টে যাত্রা শুরু করেছিল। ফিরতি ম্যাচে জাপানের বিরুদ্ধে হারলেও বাংলাদেশ দারুণ লড়াই করেছে, যেখানে তারা ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে।

তৃতীয় ম্যাচে আবার গোলবন্যায় ভাসতে হয় বাংলাদেশকে, যেখানে তারা মালয়েশিয়ার কাছে ৬-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়। বিপরীতে, দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ৫-০ গোলের হারও তাদের দেখতে হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ ১০ কোটি টাকা ফেরত আনতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন, হজের কোটা বাড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবি হাবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ ১০ কোটি টাকা ফেরত আনতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন, হজের কোটা বাড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবি হাবের

২০২৭ সালের পবিত্র হজে বাংলাদেশের জন্য আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ পেতে সউদ আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবি করেছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

সংগঠনটি জানিয়েছে, নির্ধারিত কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও প্রায় ২০ হাজারের বেশি হজযাত্রী অপেক্ষমাণ রয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই হজ পালনের জন্য মানসিক ও আর্থিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি হোটেলে হজ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার। এ সময় সভাপতি সৈয়দ গোলাম সারওয়ার, কার্য-নির্বাহী পরিষদ নেতা জাফর উদ্দিন, হাফেজ নূর মোহাম্মদ, অর্থ সচিব আব্দুল হামিদ, গোলাম মাহমুদ ভূঁইয়া মানিক, মুফতি জাহিদ আলম, কাউছার উদ্দিন, কামাল উদ্দিন দিলু, রফিকুল ইসলাম বিক্রমপুরী, আলহাজ মোহাম্মদ আজাদ, নাজিম উদ্দিন মোরশেদ আলম চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

হাবের মহাসচিব উল্লেখ করেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে (৯ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরী) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর রাজকীয় সউদী সরকার বাংলাদেশের জন্য ৭৮ হাজার ৫০০ জনের হজ কোটা নির্ধারণ করেছে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হলেও বিগত কয়েক বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এ কারণে রাজকীয় সউদী সরকার ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ নির্ধারণ করেছে।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের গৃহীত সঠিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে হজযাত্রীর সংখ্যা আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর নিবন্ধনের নির্ধারিত সময়ে কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও প্রায় ২০ হাজারের বেশি হজযাত্রী অপেক্ষমাণ রয়েছেন। তিনি বলেন, এসব হজযাত্রী মানসিক ও আর্থিকভাবে এ বছর হজ পালনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। এমনকি কিছু পরিবারের সদস্য নিবন্ধিত হয়েছেন, বাকিরা অপেক্ষমাণ রয়েছেন। হজ গমনেচ্ছু আল্লাহর মেহমানদের কথা বিবেচনা করে রাজকীয় সউদী সরকারের কাছে কমপক্ষে আরও ২০ হাজার হজ কোটা বরাদ্দ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের মূল কোটা অনেক বেশি হওয়ায় যৌক্তিক হারে এই বর্ধিত কোটা পাওয়ার দাবি রয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের (কায়কোবাদ) সঙ্গে সউদী আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। মন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করলে অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব বলে আমাদের বিশ্বাস।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, ইতোমধ্যে ধর্মমন্ত্রী আশাবাদী বলে তাদের আশ্বস্ত করেছেন। তবে অপেক্ষমাণ হজযাত্রীরা উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন। বাড়তি কোটা পাওয়ার বিষয়ে কূটনৈতিক পদক্ষেপ আরও জোরদার করার দাবি জানাচ্ছি। ২০২৭ সালের হজে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের অনুরোধ জানিয়েছে হাব।

তিনি বলেন, ২০২৭ সালের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের এ বছর প্যাকেজের সম্পূর্ণ টাকা আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। ইতোমধ্যে হজযাত্রীরা প্রাথমিক নিবন্ধন করেছেন। ৭ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। অন্যথায় প্রাথমিক নিবন্ধন বাতিল বলে গণ্য হবে এবং এসব হজযাত্রীর হজযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের বাকি টাকা পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করে ২০২৭ সালে হজযাত্রা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। সংবাদ সম্মেলনে সউদী আরবে মেডিক্যাল ফি বাবদ আটকে রাখা অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন হাব মহাসচিব। তিনি জানান, এ বছর রাজকীয় সউদী সরকার কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা কিংবা নোটিশ ছাড়াই মেডিক্যাল ফি বাবদ তাদের প্রায় ৩০ লাখ সউদী রিয়াল আটকে দেয়। বিষয়টি জানার পর তারা তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করে আটকে রাখা টাকা ফেরত পেতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি জোর দাবি জানায়।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, ‘এ বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ দ্রুত পদক্ষেপ নেন। মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় গতকাল আমরা এই আটকে পড়া ৩০ লাখ সউদী রিয়াল ফেরত পাই। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাছে পাওনা বাকি টাকাও দ্রুত ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান হাব মহাসচিব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএনএ বিশ্লেষণে সর্বোচ্চ ১৭৪৭ গুণ দ্রুত বাকৃবির নতুন সফটওয়্যার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


ডিএনএ বিশ্লেষণে সর্বোচ্চ ১৭৪৭ গুণ দ্রুত বাকৃবির নতুন সফটওয়্যার
 
ডিএনএ বিশ্লেষণে কয়েক সেকেন্ডেই ফল দিবে বাকৃবির নতুন সফটওয়্যার
 
 
 
 
ডিএনএ বিশ্লেষণের কাজ আরও সহজ ও দ্রুত করতে নতুন একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা। তাঁদের দাবি, জনপ্রিয় সফটওয়্যার ‘মেগা’র তুলনায় নতুন সফটওয়্যারটি ৫৫ থেকে ১ হাজার ৭৪৭ গুণ দ্রুত কাজ করতে পারে। পাশাপাশি প্রচলিত অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় ৩০ থেকে ৯৯ শতাংশ কম কম্পিউটার মেমোরি ব্যবহার করে। সফটওয়্যারটি কম্পিউটারের পাশাপাশি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও ব্যবহার করা যাবে।
 
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান গবেষকরা।
 
গবেষক দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিকস (সিএসএম) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেছবাহ উদ্দিন। গবেষক দলে আরও ছিলেন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মাইফি-উল আসাদ এবং বাকৃবির বায়োইনফরমেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতক শিক্ষার্থী মুহাম্মদ ইশমামুল হক ও মো. আসিফুজ্জামান।
 
গবেষকরা জানান, জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য ও পারস্পরিক সম্পর্ক জানতে ডিএনএ বিশ্লেষণ করা হয়। তবে প্রচলিত পদ্ধতিতে বিপুল পরিমাণ ডিএনএ তথ্য বিশ্লেষণ করতে অনেক সময় লাগে। কম্পিউটারের মেমোরিও বেশি প্রয়োজন হয়। এসব সমস্যা দূর করতে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় নতুন সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে।
 
নতুন সফটওয়্যারটির মূল কাজ হলো দুটি বা একাধিক ডিএনএর মধ্যে কতটা মিল রয়েছে, তা দ্রুত খুঁজে বের করা। সাধারণত ডিএনএর প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে তুলনা করতে হয়। কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে ডিএনএর ছোট ছোট অংশের মিল পরীক্ষা করা হয়। একই সঙ্গে ডিএনএ সিকোয়েন্সের সরাসরি ও বিপরীত পরিপূরক বিন্যাসের মিলও বিবেচনায় নেওয়া হয়। এসব মিলের ভিত্তিতে প্রতিটি ডিএনএ সিকোয়েন্সের জন্য একটি সংখ্যাগত তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর তালিকাগুলো তুলনা করে ডিএনএগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়। এই সম্পর্কের ভিত্তিতে একটি বংশবৃক্ষ তৈরি করা যায়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন জীবের মধ্যে জিনগত মিল ও পার্থক্য সহজে বোঝা সম্ভব। গবেষক দলের দাবি, পরীক্ষায় নতুন পদ্ধতিতে তৈরি ডিএনএর বংশবৃক্ষ ৯৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত সঠিক পাওয়া গেছে।
 
এ গবেষণার একটি প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘মলিকিউলার জেনেটিক্স অ্যান্ড জিনোমিক্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
 
গবেষক দলের প্রধান ড. মেছবাহ উদ্দিন বলেন, সাধারণ পদ্ধতিতে ডিএনএ বা প্রোটিনের গঠনের মিল খুঁজে বের করতে কখনো কখনো প্রায় এক মাস সময় লেগে যায়। অথচ তাঁদের তৈরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডেই নির্ভুল ফলাফল পাওয়া সম্ভব। সফটওয়্যারটি দ্রুত কাজ করার পাশাপাশি কম্পিউটারের মেমোরিও তুলনামূলক কম ব্যবহার করে।
 
তিনি আরও বলেন, সফটওয়্যারটির ডেস্কটপ ও ওয়েব সংস্করণ ইতিমধ্যে সবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ফলে গবেষক ও শিক্ষার্থীরা সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
 
‘গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ভিত্তিক ডেস্কটপ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে ডিএনএ সিকোয়েন্সের সাদৃশ্য দক্ষতার সঙ্গে শনাক্তকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মজিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএসএম বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মো. সাইদ ইফতেখার ইউসুফ। এ ছাড়া অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিন অধ্যাপক ড. মজিদ বলেন, প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে গবেষণার কাজে ব্যবহারযোগ্য এমন একটি সফটওয়্যার তৈরি করা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিন মাসের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি সফটওয়্যারটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পাশাপাশি এর ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি।
 
নতুন এই সফটওয়্যার ডিএনএ বিশ্লেষণের সময় ও কম্পিউটারের মেমোরির ব্যবহার কমাতে সহায়তা করবে এবং পাশাপাশি দেশের জীবপ্রযুক্তি ও বায়োইনফরমেটিক্স গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%