ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড গড়ে তোলা হচ্ছে: নাহিদ


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড গড়ে তোলা হচ্ছে: নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড গড়ে তোলা হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু রাজনীতির ধারা জারি রাখতে হবে।

তিনি মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর আফতাবনগরে জাতীয় ছাত্রশক্তির সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, ভেদাভেদ ভুলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ঐক্যের কারণেই জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। অথচ এই সরকার এখন পর্যন্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে কেউ কোনো ঘোষণা দেয়নি। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার জুলাইয়ে যারা অংশীদার তাদের কোনো স্বীকৃতি দিতে চায় না। কারণ তারা হীনমন্যতায় ভোগে যে, তারা আন্দোলনে অংশ নিতে পারেনি।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এসময় তিনি জানান, বিএনপি শুধু তাদের ১৬ বছরের ইতিহাস টানতে চায়। কিন্তু বিএনপির কোনো একক আন্দোলনের ইতিহাস নেই বলে মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম।

সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সংশোধন কমিটির নামে প্রহসন করা হচ্ছে। সরকার একদিকে গণরায়কে প্রত্যাখ্যান করছে। অন্যদিকে পেশিশক্তি ও রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাচ্ছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এদেশের রাজনীতিতে ফ্যাসিস্টদের আর পুনর্বাসন হবে না। কিন্তু অনেকেই তাদের সহায়তা করছে। এতে তারা নানাভাবে ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধে ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


ইরান যুদ্ধে ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র: রয়টার্স

ইরানের বিরুদ্ধে গত পাঁচ মাস ধরে যুদ্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এই যুদ্ধে দেশটির দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ আশঙ্কাজনকহারে কমেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পক্ষ থেকে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকা অভ্যন্তরীণ সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে যে, মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের কাছে থাকা অত্যাধুনিক দূরপাল্লার 'আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম' (এটিএসিএমএস) এবং 'প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল' (পিআরএসএম)-এর মতো প্রায় সব নিখুঁত নিশানার ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার করে ফেলেছে।

পাইলটযুক্ত যুদ্ধবিমান সরাসরি ইরানি আকাশসীমায় পাঠানোর পরিবর্তে নিরাপদ দূরত্ব থেকে হামলা চালানোর জন্য ওয়াশিংটন মূলত এসব অত্যন্ত ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভর করছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাদের বরাদ্দকৃত নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র শেষ করে বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে মজুদ থাকা মার্কিন অস্ত্রাগার থেকে সরবরাহ এনে যুদ্ধ পরিচালনা করছে।

ফলস্বরূপ, রাশিয়া বা চীনের মতো অন্যান্য পরাশক্তির সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো বড় সংঘাত তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি কতটা টেকসই হবে, সে সম্পর্কীত পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে তীব্র দুশ্চিন্তা প্রকাশ করা হচ্ছে।

কেবল অ্যাটাক ক্ষেপণাস্ত্রই নয়, বরং ইরানের অব্যাহত হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেও বড় ধরনের টান পড়েছে। গবেষণা সংস্থা সিএসআইএসের তথ্যানুযায়ী, এই যুদ্ধে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৬৫ শতাংশ এবং থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্তত ৩৮ শতাংশ ইতোমধ্যে ব্যবহৃত হয়ে গেছে।

এ ছাড়া, মার্কিন নৌবাহিনীর টমাহক ক্রুজ মিসাইলের বৈশ্বিক মজুদেরও প্রায় অর্ধেক খালি হয়ে গেছে। ইরানের কৌশলটি মূলত মার্কিন প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বকে একটি বিশাল সরবরাহগত ও আর্থিক বোঝায় পরিণত করেছে।

যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার কথা অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, আমেরিকার কাছে চাহিদার চেয়েও বেশি অস্ত্র রয়েছে। কিন্তু এসব উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে দীর্ঘ সময় ও জটিল প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়, ফলে যুদ্ধে যে হারে অস্ত্র খরচ হচ্ছে, তাতে অস্ত্র কারখানাগুলো তার সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না।

কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এবং অস্ত্রাগারের দ্রুত শূন্য হয়ে যাওয়া ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় কৌশলগত সীমাবদ্ধতা তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তনু হত্যা মামলার একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি জামিনে মুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


তনু হত্যা মামলার একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি জামিনে মুক্ত

বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। গ্রেফতারের প্রায় ৩ মাস ১২ দিন পর তিনি কারাগার থেকে বের হন।

কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান জানান, উচ্চ আদালত থেকে জারি করা জামিনের আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে হাফিজুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয়।

এর আগে প্রায় ১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত ২২ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম বলেন, 'জামিন সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র এখনও হাতে পাইনি। ডিএনএ রিপোর্ট আদালতে দাখিল করা হয়েছে।' তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলম কুয়েতে পালিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি দেশের অন্যতম আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যামামলাগুলোর একটি হিসেবে তদন্তাধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দণ্ডিত আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


দণ্ডিত আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : দণ্ডিত আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

আজ মঙ্গলবার একটি তথ্য বিবরণীতে এই আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপরন্তু, এতে বলা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি, ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

আইসিটির এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তাই, পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করতে না হওয়া এবং দণ্ডিত আসামির পূর্বে দেওয়া সকল বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ) দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আইনগত সুস্পষ্ট ধারা উল্লেখ করে দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ করেছেন।

তবে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমের একাংশ জুলাইয়ের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করলেও কিছু মিডিয়া এখনো দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার করছে। এ ধরনের কার্যক্রম নিয়ে সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান দেয়। যেসব গণমাধ্যম পতিত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে সক্ষম হয়েছে, তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ব্যবহৃত হয়েছে।

সরকার জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনা ধরে রাখতে এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা পালনে সকল গণমাধ্যমকে (টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়া) পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করার জন্য আবারও বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

জাতীয় ঐক্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষায় দেশের সকল গণমাধ্যম পূর্বের মতোই ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে, সেই প্রত্যাশা সরকারের রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যসেবার সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে: এমপি মিলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


স্বাস্থ্যসেবার সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে: এমপি মিলন

রাজশাহী, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম মিলন বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার সুফল শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ রোগীর কাছেও পৌঁছাবে।

শুধু বাজেট বাড়ালেই দায়িত্ব শেষ হয় না, বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন মানুষের মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ব্যয় হয়, সেই বিষয়েও কঠোর জবাবদিহি থাকতে হবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের প্রকৃত মানদণ্ড হলো মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা। একটি দেশের উন্নয়ন শুধু সেতু, সড়ক কিংবা বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়।

উন্নয়নের প্রকৃত মানদণ্ড হলো সাধারণ মানুষ কত সহজে, দ্রুত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্বাস্থ্যখাত অবহেলা, অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। বিপুল অর্থ ব্যয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও তার সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়নি।

উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক-নার্সের সংকট, ওষুধের ঘাটতি, আধুনিক সরঞ্জামের অকার্যকারিতা এবং ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার কারণে রোগীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা জিডিপির ১.২ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্য ধাপে ধাপে এ বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা, যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিক সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সের শূন্যপদ দ্রুত পূরণ, প্রয়োজনীয় ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, আধুনিক যন্ত্রপাতির কার্যকর ব্যবহার এবং ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম বা অবহেলার সুযোগ নেই। একটি হাসপাতালের সাফল্য শুধু ইমারতে নয়, বরং একজন রোগী কত দ্রুত, আন্তরিকতা ও সম্মানের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মানবিক মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান।

আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক, নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%