বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৩২ পি.এম
বান্দরবান, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : থানচি উপজেলায়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সবুজায়ন বাড়ানোর লক্ষ্যে থানচি উপজেলা জোত মালিক সমিতি ৭ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষচারা বিতরণ করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার, বেলা ১১টায় থানচি বাজার প্রাঙ্গণে সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষচারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়ে থাকে।
এই কর্মসূচির আওতায় রূপালি আম, আমড়া, মিষ্টি তেঁতুল, বারি-৪ আম, বরইসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা স্থানীয় কৃষক, বাগানচাষি, অসহায় পরিবার ও আগ্রহী ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও থানচি উপজেলা জোত মালিক সমিতির সভাপতি শৈবাথোয়াই মারমা স্থানীয়দের হাতে বৃক্ষচারা তুলে দেওয়ার জন্য উপস্থিত ছিলেন।
সমিতির সদস্যরা জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো তাদের পক্ষ থেকে এ ধরনের বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষচারা বিতরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
বৃক্ষচারা বিতরণকালে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মংহাইসিং মারমা, জোত মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মংছোরী মারমা, সহ-সভাপতি মংসাগ্য মারমা, হ্লাচিংমং মেম্বার, মংপ্রুসে মারমাসহ বিভিন্ন সমিতির সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সমিতির সংশ্লিষ্টরা জানান, বিতরণ করা চারাগুলো যদি যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যা করা হয়, তাহলে থানচির পাহাড়ি পরিবেশ আরও সবুজ, সমৃদ্ধ ও জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশায় বিদ্যুতের পরিবর্তে সোলার পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, এই উদ্যোগের ফলে বিদ্যুতের ওপর চাপ কমে যাবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগে এআই সিগন্যাল ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেছেন। ডিএসসিসি প্রশাসক আরও জানান, ব্যাটারিচালিত রিকশা তৈরির জন্য ঢাকা শহরে নির্ধারিত কিছু কারখানা ঠিক করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।
আবদুস সালাম বলেন, ওই সময়সীমার মধ্যে বিদ্যুতের পরিবর্তে সোলার পদ্ধতিতে রিকশাগুলো চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে বিদ্যুতের ওপর চাপ কম পড়তে পারে। তিনি যোগ করেন, সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানো গেলে বিদ্যুতের ওপর চাপও কমবে। সরকারের এই বিষয়ে সামগ্রিক পরিকল্পনা রয়েছে এবং এটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
তবে আবদুস সালাম সবাইকে জানান, তিন মাস বা দশকের কোনো সরকারের নেতৃত্বে পাঁচ মাসের মধ্যে ১৭ বছরের বা ৫০ বছরের সমস্যা সমাধান হবে না। তিনি বলেন, "ধৈর্য ধরেন, সরকারকে সময় দেন। ইনশাআল্লাহ সরকার সবকিছু করবে।"
তিনি আরও বলেন, আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে, মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো সার্বক্ষণিক দাঁড়িয়ে হাতে সংকেত দিতে হবে না। এর ফলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশের পেশাগত কষ্টও কমবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, : বান্দরবানের দুর্গম ও প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার গর্ভবতী নারী, প্রসূতি মা এবং নবজাতকের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন পাড়ার ১৯ জন শিক্ষার্থীকে দুই সপ্তাহব্যাপী প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে।
বান্দরবান ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে, গর্ভাবস্থার ঝুঁকি ও বিপদ চিহ্ন শনাক্তকরণ, প্রসবকালীন প্রাথমিক সহায়তা, নবজাতকের পরিচর্যা, বুকের দুধ খাওয়ানো, টিকাদান, সিপিআর, ক্যানুলা প্রয়োগ, স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং এবং পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকার শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে এই প্রশিক্ষণ পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান তারা নিজ নিজ পাড়া ও গ্রামের মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় কাজে লাগাতে পারবেন।
আজ বৃহস্পতিবার প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী তুলে দেন।
এ সময় তিনি প্রশিক্ষণটি সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য দুর্গম এলাকায় প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মা ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী, ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরফরাজসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা, চিকিৎসক, প্রশিক্ষক এবং প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় পাড়াভিত্তিক প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করা গেলে প্রত্যন্ত এলাকার মা ও শিশুদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে।
তারা আরও জানান, পার্বত্য এলাকায় নিরাপত্তার পাশাপাশি শান্তি, সম্প্রীতি এবং উন্নয়নে সেনাবাহিনী কাজ করছে। দুর্গম এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : সাগরকন্যা কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি এবং সৈকতের পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুয়াকাটা পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী।
সভায় সৈকতের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সেবার মানোন্নয়ন, কার্যকর সৈকত ব্যবস্থাপনা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারসহ পর্যটন খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসিন সাদেক, মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আহমেদ, ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ নাজমুল হোসেনসহ সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পর্যটন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন বাবলু, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার, মহিপুর ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহিপুর থানা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল হক খান এবং কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নিহার রঞ্জন দাসও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তাগণ বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সৈকতের পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী কুয়াকাটাকে আরো আকর্ষণীয়, পরিবেশবান্ধব এবং পর্যটকবান্ধব করে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
এর আগে জেলা প্রশাসক কুয়াকাটার সৌন্দর্যবর্ধন ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ সম্প্রসারণে কয়েকটি উদ্যোগের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে বিভিন্ন সড়কে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু গাছ রোপণ, পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য একটি লাইব্রেরি চালু, ডিসি লেকের সৌন্দর্যবর্ধন এবং পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদনের শেড উদ্বোধন উল্লেখযোগ্য।
জেলা প্রশাসক বলেন, কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটনসেবার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার বাংলাদেশ পুলিশের তিন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদের সই করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানাকে ঢাকায় এন্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছ।
এ ছাড়া সিআইডির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানকে রাজশাহীর পুলিশ সুপার করা হয়েছে। রাজশাহীর বর্তমান পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদকে ঢাকায় পুলিশ অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ