ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁ পত্নীতলা পুলিশের অভিযানে ১৪০ পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী আটক


নওগাঁ পত্নীতলা পুলিশের অভিযানে ১৪০ পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী আটক

অদ্য ইং ০৭/০৬/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬:৩০ ঘটিকায় পত্নীতলা থানাধীন পাটিচরা ইউনিয়নের কাশিপুর সবরিতলা গ্রামের কাচাঁ রাস্তার উপর থেকে আসামি মোঃ এমরান হোসেন (২৪), পিতা- রহিম উদ্দিন মন্ডল, সাং- কাশিপুর মধ্যপারা, থানা- পত্নীতলা, জেলা-নওগাঁ কে আটক পূর্বক তার হেফাজত হতে ১৪০ পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পত্নীতলা থানায় মাদক আইনে নিয়মিত মামলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরব রেলওয়ে জংশনে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


ভৈরব রেলওয়ে জংশনে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশনে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।
ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাঈদ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার লক্ষণখোলা গ্রামের বাসিন্দা মো. আলী হোসেন ফরহাদ (১৬)কে পঞ্চবটী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পঞ্চবটী এলাকার জুয়েল মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
ওসি সাঈদ আহমেদ আরও জানান, ভৈরব রেলওয়ে জংশনে সংঘটিত সংঘর্ষ, ভাঙচুর এবং রেল চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকেই আইনের আওতার বাইরে রাখা হবে না।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুন ভৈরব রেলওয়ে জংশন এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের জেরে রেলস্টেশন এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় রেলওয়ে স্থাপনায় ভাঙচুর, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং ট্রেন চলাচলে দীর্ঘ সময় বিঘ্ন ঘটে। ঘটনায় রেলওয়ে থানার একাধিক পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
এ ঘটনায় রেলওয়ে থানার পক্ষ থেকে দেড় শতাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতদিয়া পতিতাপল্লী থেকে ১০০ লিটার চোলাই মদসহ এক কারবারী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


দৌলতদিয়া পতিতাপল্লী থেকে ১০০ লিটার  চোলাই মদসহ এক কারবারী গ্রেপ্তার
 
রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে  ১০০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ উদ্ধারসহ দৌলতদিয়া পতিতাপল্লী থেকে হারুন-অর রশিদ (৫৫) নামে এক মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি ঢাকা জেলার সাভার থানার বারবারিয়া গ্রামের মৃত গেন্দু সরকারের ছেলে ও বর্তমান দৌলতদিয়া পূর্ব পাড়া পতিতাপল্লী ৫ নং ওয়ার্ড ( আইয়ুব মন্ডলের বাড়ির ভাড়াটিয়া)। 
রবিবার (০৭ জুন) দিবাগত রাত দেড় টার সময় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দঘাট থানার দৌলতদিয়া পূর্বপাড়া পতিতা পল্লীর মধ্যে আইয়ুব মন্ডলের বাড়ির ভেতর অভিযান পরিচালনা করা হয়। 
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে প্রকাশ্যে মদ, গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য একটি প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় বিক্রি করে আসছে। জেলা গোয়েন্দা শাখা মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করে। কয়েকদিন গোপনে বিক্রি করার পর আবারও শুরু হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখার এ অভিযান অব্যাহত রাখার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 
সোমবার বিকেল ৩টায় রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মফিজুল ইসলাম বলেন, জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম গোয়ালন্দঘাট থানার দৌলতদিয়া পূর্বপাড়া পতিতা পল্লীর মধ্যে জনৈক আইয়ুব মন্ডলের বাড়ির ভেতর অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১০০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ সহ হারুন-অর রশিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে সোমবার বিকেলে রাজবাড়ী আদালতে সোপর্দ করা হয়। জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেছে। 
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেতানিয়াহু যেকারণে ট্রাম্পের ‘ইরান চুক্তি’ ভেঙে দিতে চান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


নেতানিয়াহু যেকারণে ট্রাম্পের ‘ইরান চুক্তি’ ভেঙে দিতে চান

ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের প্রবেশপথে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাক্ষাৎ হলো। 

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিশ্লেষক সামি আল-আরিয়ান মনে করেন, এমন কোনো সমঝোতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য স্বস্তিদায়ক নাও হতে পারে।

তিনি বলেন, নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গি এলোমেলো হলেও, তিনি ইরানকে আঞ্চলিকভাবে দুর্বল না করে কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমাধান কার্যকর মনে করবেন না।

আরিয়ানের মতে নেতানিয়াহু বিশ্বাস করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটগুলোর পেছনে মূল ভূমিকা রয়েছে ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর। পাশাপাশি গাজায় হামাস, লেবাননে হিজবুল্লাহ কিংবা অন্যান্য ইরানঘনিষ্ঠ শক্তিকে দুর্বল না করে এ অঞ্চলে স্থায়ী স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিশ্লেষকের ভাষ্য, নেতানিয়াহু এমন একটি আঞ্চলিক পরিস্থিতি দেখতে চান যেখানে ইসরাইলকে প্রধান প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশলগত নিরাপত্তা সহযোগী হিসেবে পাশে থাকবে।

মিডল ইস্ট আইয়ের নিবন্ধে বলা হয়েছে, গাজা, পশ্চিম তীর, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও ইরানকে ঘিরে যে সংঘাত চলছে, সেগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখা সম্ভব নয়। বরং এগুলো বৃহত্তর আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার ও ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার অংশ। লেখকের মতে, দীর্ঘ সামরিক অভিযানের পরেও ইসরাইল তার প্রত্যাশিত রাজনৈতিক লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি। তবে নেতানিয়াহু এটিকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন না বরং আরও কঠোর কৌশল গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে মনস্থ করেছেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও আগের তুলনায় অনেক পরিবর্তিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন, যেখানে দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার বিরোধিতা দেশের ভেতর ক্রমশ বাড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে জনসমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের ভোটাররা বিদেশে ব্যয়বহুল সামরিক অভিযান নিয়ে আগ্রহ হারিয়েছেন।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন—কেন মার্কিন জনগণকে অন্য দেশের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার জন্য অর্থনৈতিক ও সামরিক মূল্য দিতে হবে। তাদের মতে, বিদেশি সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পায়, অর্থনৈতিক চাপ বাড়ে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে।

এ ছাড়া সামনে থাকা মধ্যবর্তী নির্বাচনও ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন কোনো বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে পড়ে, তাহলে কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যেতে পারে। এতে ট্রাম্পের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বের বড় অংশের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হবে বলে, সেখানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

লেখক আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর বিভিন্ন হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতি অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘকালীন সামরিক উপস্থিতি ও নিরাপত্তা কাঠামোর কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করছে। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন সামরিক সক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।

সামি আল-আরিয়ানের মতে, এসব বাস্তবতা ওয়াশিংটনকে বোঝার সুযোগ দিচ্ছে যে, শুধু সামরিক শক্তির মাধ্যমে সব রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য কূটনৈতিক পথই বেশি কার্যকর হতে পারে।

নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া, যাতে দেশটি তার পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে বাধ্য হয় এবং আঞ্চলিক প্রভাব কমিয়ে আনে। কিন্তু লেখকের মতে, সেই লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। একইভাবে ইরানও যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে পরাজিত করতে পারেনি বা অঞ্চল থেকে তাদের প্রভাব সম্পূর্ণ সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়নি। ফলে উভয় পক্ষ এমন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে, যেখানে কেউই পূর্ণ বিজয় নিশ্চিত করছে না।

এই প্রেক্ষাপটে ইরানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকা এবং নিজস্ব নीतিগত স্বাধীনতা বজায় রাখা। লেখকের মতে, যদি কোনো যুদ্ধবিরতি বা রাজনৈতিক সমঝোতা ইরানকে ধ্বংসের মুখে না ঠেলে সংঘাত থেকে বের হয়ে আসার সুযোগ দেয়, তাহলে সেটিকে তেহরানের জন্য কৌশলগত সাফল্য হিসেবেই দেখা হবে। আর এজন্যই এই ধরনের একটি সমঝোতা নেতানিয়াহুর জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ ও কূটনৈতিক পক্ষের মাধ্যমে সম্ভাব্য একটি সমঝোতা কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে অন্তত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা, ইরানের ওপর আরোপিত কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল করা এবং ভবিষ্যৎ আলোচনার ভিত্তি তৈরির মতো বিষয় থাকতে পারে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য রেখে দেওয়ার প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।

লেখকের মূল্যায়নে, এমন কোনো সমঝোতা কার্যকর হলে ইরান অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে। তবে তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা আঞ্চলিক মিত্রদের প্রভাব পুরোপুরি শেষ হবে না। ফলে এই ধরনের সমঝোতা ইসরাইলের বর্তমান নেতৃত্বের প্রত্যাশার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।

সবশেষে সামি আল-আরিয়ান মন্তব্য করেন, মধ্যপ্রাচ্য এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা রয়েছে, অন্যদিকে আরও বড় ও বিধ্বংসী আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে। তার মতে, সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদে কোনো রাষ্ট্র আঞ্চলিক আধিপত্য ধরে রাখতে পারে না। তাই সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার পথ বেছে নেওয়া হলে তা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক হতে পারে। তবে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে মধ্যপ্রাচ্য নতুন করে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা সংকটে পড়ে যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ১১০ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ১১০ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

দেশের কর্মক্ষম যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে বর্তমানে সারা দেশে ১১০টি কারিগরি ও কারিগরি-সমমনা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর ১২ লাখেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থীকে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিচুর রহমানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী এসব তথ্য জানান। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সংসদ সদস্য আনিচুর রহমান তার প্রশ্নে জানতে চান, দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য কতটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) চালু রয়েছে এবং নতুন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা আছে কিনা। মন্ত্রণালয় থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সংসদকে জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীনে বর্তমানে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং ৬টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিসহ মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ট্রেড বা কোর্সে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। আরিফুল হক চৌধুরী আরো বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় বছরে ১২ লাখের অধিক প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সবার জন্য সহজলভ্য করার লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ‘৫০টি উপজেলায় ৫০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%