জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৫:৩৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি ভালোবাসা ও উন্মাদনা প্রকাশ করতে আনন্দ মিছিল করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের একাংশ। রবিবার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে আনন্দ মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়।
ব্রাজিলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স টেনে আর্জেন্টিনার সমর্থক সাইফ মাশরাফি বলেন, ‘মরক্কোর সঙ্গে ব্রাজিলের ড্র হওয়ায় আমাদের আনন্দ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্রাজিলের হেক্সা মিশন দিন দিন তলানির দিকেই যাবে। আর এটাই আমরা আজকে বেশি করে উদযাপন করব।’
আর্জেন্টিনার আরেক সমর্থক মোহাম্মদ নাঈম খান বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনাকে মনে-প্রাণে সমর্থন করি। দলের প্রথম ম্যাচের জয়-পরাজয় দিয়ে আমাদের ভালোবাসা পরিমাপ করা যায় না। গত বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হেরেও শেষ পর্যন্ত আমরাই চ্যাম্পিয়ান হয়েছি। এবারও লিওনেল মেসির ওপর আমাদের পূর্ণ ভরসা আছে এবং আমরাই ট্রফি জিতব।’
আর্জেন্টিনার সমর্থক শাহাদাত তানভীর রাফি বলেন, ‘২০২২ সালেও ব্রাজিল হেক্সা মিশনের স্বপ্ন দেখেছিল, এবারও দেখছে, যা ২০৩০ সালেও অধরা থেকে যাবে বলে মনে হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, আগামী ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপে নিজেদের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের প্রাণহানির ঘটনায় ভারত এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে। ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর দুই দফায় দিল্লিতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জ্যাসন মিকসকে তলব করার পর এবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন।
তবে, ভারতের এই প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পাত্তা না দিয়ে বরং কড়াভাবে ধমকে দিয়েছে। ফোনালাপে মার্কো রুবিও জয়শঙ্করকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না এবং সব বাণিজ্যিক জাহাজকে মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ মেনে চলতে হবে।
রোববার (১৪ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর শনিবার (১৩ জুন) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন।
এর আগে, চলতি সপ্তাহে ভারত দুইবার যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জ্যাসন মিকসকে তলব করেছে। প্রথমবার, ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি সেট্টেবেলো’তে মার্কিন হামলার পর তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন। এই হামলার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীও স্বীকার করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, ওই জাহাজটি মার্কিন নৌবাহিনীর নির্দেশনা মানেনি এবং চলমান মার্কিন অবরোধ অমান্য করে ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওমান উপসাগরে তাদের একটি যুদ্ধব্যবস্থার জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ক্রুরা বারবার নির্দেশ অমান্য করায় ওই জাহাজকে অচল করা হয়। একই এলাকায় ২০ ভারতীয় নাবিক বহনকারী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলা হলে, ভারত দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে।
পরপর দুইবার তলবের পাশাপাশি জয়শঙ্কর ফোনে রুবিওর সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভের কথা জানান। এরপর দুই নেতার আলোচনার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র একটি বিবৃতি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সম্প্রতি জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। এতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে মার্কিন বাহিনীর যে নির্দেশনা রয়েছে, তা সব বাণিজ্যিক জাহাজকে অবিলম্বে মেনে চলতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ লঙ্ঘন ও ইরানি তেলের অবৈধ পরিবহন যেন সহ্য করা না হয়।
এর আগে, জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেন যে, মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে ভারতের ‘কঠোর প্রতিবাদ’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি লেখেন, শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছি। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের কঠোর প্রতিবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
জয়শঙ্কর আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই। বিজেপি সরকারের আগে, শুক্রবার (১২ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর উপর মার্কিন নৌবাহিনীর ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলার ফলে তিন ভারতীয় নাগরিকের ‘দুঃখজনক ও এড়ানো সম্ভব ছিল’ এমন মৃত্যু ঘটেছে।
ভারত আরও জানায়, বেসামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লির মতে, এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষাকে দুর্বল করে দেয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মার্কিন কূটনীতিক জেসন মিকসকে অনুরোধ করে, যেন তিনি ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের উদ্বেগ পৌঁছে দেন এবং অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে বেসামরিক প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
অন্যদিকে, মার্কিন বিবৃতি প্রকাশের পর ভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, এই সরকারি মার্কিন বিবৃতি পড়ে আমি গভীরভাবে বিস্মিত। এতে নিরীহ ভারতীয়দের প্রাণহানির জন্য সামান্য অনুশোচনা বা সমবেদনাও নেই। একজন বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার কিভাবে এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে? থারুর প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো জাহাজ নির্দেশ না মানলে তাকে থামানোর জন্য প্রাণঘাতী হামলা ছাড়া অন্য উপায় কী ছিল? বেসামরিক নাবিকদের না মেরে জাহাজের ইঞ্জিন বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকেজো করা কি সম্ভব ছিল না? ভারতীয় কংগ্রেসের এই নেতা আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচলকারী প্রায় প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজেই ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তাহলে কি এখন তারা সবাই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু? এই ধরনের অবস্থান মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানার একটি দল মেজরটিলা এলাকায় চোরচালান পণ্য জব্দ করার জন্য চেকপোস্ট বসায়।
এ সময় ভারতীয় জিরা বহনকারী একটি কাভার্ডভ্যানকে থামার জন্য সংকেত দেয় পুলিশ।
তবে চেকপোস্টে না থামিয়ে, চালকভ্যান নিয়ে পালিয়ে গেলে পুলিশ ধাওয়া করে,
মিরাপড়া এলাকা থেকে ভ্যানটি আটক করে।
তবে এ সময়ে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
আজ রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে এসব তথ্য জানায় মহানগর পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে ভারতীয় জিরা বহনকারী কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো-অ-১১-২৯৮০) তল্লাশি চালিয়ে ১৪২ বস্তা জিরা জব্দ করা হয়।
যার ওজন ৪শত ২৬০ কেজি।
আনুমানিক বাজার মূল্য ২১ লাখ ৩০ হাজার টাকা বলে জানায় পুলিশ।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মনজুরুল আলম জানান, জিরা জব্দের ঘটনায় অজ্ঞাত নামাদের আসামী করে থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
পলাতক অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তকরণ ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপির প্রার্থীর গাড়িবহরে ককটেল হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এক নেতা গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশের হাতে আটক হওয়া ছাত্রলীগ নেতা সাকিব শাহরিয়ার খান বিজয় (৩০) নামক এই নেতাকে ধুনট পৌর এলাকার পশ্চিম ভরণশাহী গ্রামের বাসায় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিজয় পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি।
বিজয়, যিনি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম আজদের ছেলে, গ্রেপ্তার হওয়ার পর রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ১টার দিকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলা অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ নির্বাচনী গণসংযোগে বের হলে ধুনট শহরের কলাপট্টী এলাকায় তার গাড়িবহরে ককটেল হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হন।
এই ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম শাহীন বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর ধুনট থানায় মামলা করেন। মামলাটিতে আওয়ামী লীগের ৪৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বিজয়কে ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, ‘ওই মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ