ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে মেট্রোরেলে প্রবীণদের আসনে বিরোধে নিহত ১, সাবেক আমলা ও ছেলে গ্রেফতার


ভারতে মেট্রোরেলে প্রবীণদের আসনে বিরোধে নিহত ১, সাবেক আমলা ও ছেলে গ্রেফতার

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মেট্রোরেলে প্রবীণদের জন্য সংরক্ষিত আসনে বসাকে কেন্দ্র করে এক বিরোধের ফলে মারধরের কারণে একজনের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় সাবেক এক আইএএস কর্মকর্তা এবং তার পুত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) রিপোর্ট অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর দিল্লি মেট্রোর সুপ্রিম কোর্ট স্টেশনে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম পবন শর্মা, যিনি ৪৮ বছর বয়সী।

পুলিশের এফআইআরের তথ্য অনুযায়ী, আসন নিয়ে বিরোধের সময় পবন শর্মার সঙ্গে সঞ্জয় প্রতাপ সিং এবং তার ছেলে সিদ্ধার্থ সিংয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সঞ্জয় প্রতাপ সিং পবন শর্মাকে চড় মারেন এবং ধাক্কা দেন। এতে তিনি পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান।

আরও পড়ুন: দায়িত্ব গ্রহণের ৫ দিনের মাথায় চাকরি হারালেন ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি কেটি জ্যাকারিয়া

পরে মেট্রো কর্তৃপক্ষের কর্মীরা তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে লোকনায়ক জয়প্রকাশ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, এ ঘটনার পর এফআইআর দায়েরের পর সঞ্জয় প্রতাপ সিং এবং তার ছেলে সিদ্ধার্থ সিংকে গ্রেফতার করা হয়।

সঞ্জয় প্রতাপ সিং একজন সাবেক আইএএস কর্মকর্তা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ঘুষের অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই তাকে গ্রেফতার করেছিল। তার ছেলে সিদ্ধার্থ সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত।

আরও পড়ুন: ইরানে নারী কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা, নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়াইহাজারে ট্রাকের ধাক্কায় এক অটোযাত্রী নিহত, আহত ছয়জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


আড়াইহাজারে ট্রাকের ধাক্কায় এক অটোযাত্রী নিহত, আহত ছয়জন

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় একটি ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। সোমবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার পাল্লা এলাকায় রয়েল ফ্যাক্টরির সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত যাত্রীর নাম সুজন (৩৮) এবং আহত ব্যক্তিরা বান্টি এলাকার মালুপাড়ার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা সবাই আধুরিয়া এলাকা থেকে মাছ ধরে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন। যখন তারা পাল্লা এলাকায় রয়েল ফ্যাক্টরির সামনে পৌঁছান, তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনায় সুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং অন্য ছয়জন আহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার লালমাটিয়ায় বাংলাদেশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল এবং স্থানীয় গাউছিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে চালক ও তার সহকারী পালিয়ে যান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আড়াইহাজার থানার ওসি মো. সবজেল হোসেন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়োগবঞ্চিত ২৫ প্রার্থীর আমরণ অনশনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মচারীদের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


নিয়োগবঞ্চিত ২৫ প্রার্থীর আমরণ অনশনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মচারীদের হামলা

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া ৮৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রায় ২৫ জন আমরণ অনশন শুরু করেছেন।

রোববার সকাল ১০টা থেকে তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে কাফনের কাপড় পরে এ কর্মসূচি শুরু করেন। আন্দোলনকারীরা দাবি করেছেন যে, রাতভর নির্বিঘ্নে অবস্থান করার পর সোমবার সকাল ৯টার দিকে অধিদপ্তরের কর্মচারীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

এ হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদুল ইসলাম "আমার দেশ"কে জানান, এখানে এ ধরণের কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।

সকাল ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা সেখানে অনশন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। নেত্রকোনার পূর্বধলার আমানুর রহমান "আমার দেশ"কে বলেন, তারা রোববার সকাল ১০টা থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন এবং সারা রাত সেখানে অবস্থান করেছেন। তিনি জানান, সকাল ৯টার দিকে অধিদপ্তরের কর্মচারীরা তাদের ওপর হামলা করেন এবং নারীদের ধাক্কা দেন ও গায়ে হাত তোলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এর পরও আমরা অনশন চালিয়ে যাচ্ছি, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাব। হয় আমাদের মেরে ফেলুন, না হয় নিয়োগপত্র দিন।’

অনশনকারীদের দাবি হলো, চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও তাদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়নি। তারা দ্রুত তাদের সবার নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করার দাবি জানিয়েছেন।

আন্দোলনকারীদের একজন মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘নিয়োগের চূড়ান্ত পর্যায়ে সুপারিশ পাওয়ার পরও আমাদের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি। আমাদের কেন নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তা-ও জানি না। এতে আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছি।’

আন্দোলনকারীরা আরও উল্লেখ করেছেন, প্রাথমিক শিক্ষা একটি জাতির ভবিষ্যৎ গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, ন্যায়সংগত আচরণ ও প্রার্থীদের অধিকার সুরক্ষা করা জরুরি।

এর আগে, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর রেস্তোরাঁয় (ক্যান্টিন) সংবাদ সম্মেলন করে অবিলম্বে তাদের নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানান এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রোববার থেকে আমরণ অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, নিয়োগের চূড়ান্ত ফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। এতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট ও পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন যাচাই শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। তবে প্রথম তালিকায় বিপুলসংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্তের নাম না থাকায় আন্দোলন শুরু হলে পর্যায়ক্রমে অধিকাংশকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

সর্বশেষ হিসাবে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন ১৩ হাজার ৮৩১ জন। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। কিন্তু ১ অক্টোবর নির্ধারিত দিনে তাদের মধ্যে ৯১৮ জন যোগদান করেননি। অন্যদিকে ৫৫৩ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৪৭১ জন শেষ পর্যন্ত যোগদান করেননি।

এদিকে যাচাই-বাছাইয়ের পরও ৮৩ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি বলে সর্বশেষ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৩১ জনকে নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন বঞ্চিত প্রার্থীদের একজন। অভিযোগের নিষ্পত্তি না হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আইনি জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের মধ্যেই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে এসব পদ পূরণের প্রক্রিয়াও এগোচ্ছে। ফলে নতুন করে সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এ অবস্থায় বারবার পদায়নের তারিখ পরিবর্তন এবং নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।

নাম ও পদবি প্রকাশ না করার শর্তে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে এসব পদ পূরণের প্রক্রিয়া চলছে। ফলে নতুন সহকারী শিক্ষকদের পদায়নে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনা মানসিক হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, চিকিৎসা সেবা অপ্রতুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ এম


পাবনা মানসিক হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, চিকিৎসা সেবা অপ্রতুল

মানসিক রোগের প্রতি ভুল ধারণা, অবহেলা, বিষণ্ণতা, সামাজিক সংকোচ এবং পুনর্বাসনের অভাবের কারণে মানসিক রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মানুষের মধ্যে অনলাইন আসক্তি নতুন করে মানসিক অসুখের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুতর উদ্বেগের কারণ হতে পারে। পাবনা মানসিক হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা এই তথ্য জানিয়েছেন।

পাবনা মানসিক হাসপাতালের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সামিনা আক্তার বলেন, নারীদের বিষণ্ণতা, ওসিডি বা কনভার্সন ডিজঅর্ডারের (হিস্টিরিয়া) মতো সমস্যায় অনেক পরিবার ভুল ধারণা নিয়ে রোগীকে কবিরাজের কাছে নিয়ে যান। এই ধরনের পদক্ষেপ রোগীর জন্য ক্ষতিকর। ভুল ধারণার কারণে তারা সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পরিবারের পুনর্বাসন না হওয়ায় অনেক রোগী সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে আবারও হাসপাতালে আসছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি মানসিক সমস্যার জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশুদের মধ্যে এই আসক্তি দেখা যাচ্ছে, যা সব বয়সী মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। লাইক এবং কমেন্ট চেক করা, টিকটক রিলসে ডুবে থাকা, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভার্চুয়াল জগতে কাটানো—এসব বিষয় ব্যক্তির মানসিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে মনে করেন মানসিক বিশেষজ্ঞরা।

পাবনা মানসিক হাসপাতালের আবাসিক সাইকিয়াট্রিস্ট ডাঃ এ কে এম শফিউল আযম জানান, শিশুদের অতিরিক্ত ডিভাইস আসক্তি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এর ফলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

যদিও মানসিক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে দেশের একমাত্র বিশেষায়িত পাবনা মানসিক হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা জনবলসহ নানা সংকটে অপ্রতুল রয়ে গেছে। ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে অনুমোদিত ৩১টি চিকিৎসক পদের মধ্যে ১৬টি শূন্য রয়েছে। হাসপাতালের ৬৪৩টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ৪৫১ জন। ফলে চিকিৎসক ও কর্মচারীর অভাবে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত হলেও এখনো ২০০ শয্যার জনবল কাঠামো দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়।

হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজনরা জানান, এক মাসের বেশি রোগীকে হাসপাতালে রাখা হচ্ছে না। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৩৬৪ জন রোগীর মধ্যে ৮৪ জনই পুরাতন। ৬১ জন রোগী চিকিৎসা নিয়ে ফের হাসপাতালে ফিরে এসেছেন। ১৫ জন রোগীর স্বজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান পাবনা মানসিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের প্রধান সহকারী মো. আবদুর রাজ্জাকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসক সংকটের কারণে অ্যানেসথেটিস্ট, ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট, বায়োকেমিস্ট এবং ডেন্টাল সার্জনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদেও জনবল নেই। তিনি বলেন, দ্রুত সিনিয়র কনসালট্যান্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রিস্ট এবং মেডিকেল অফিসার নিয়োগ না হলে চিকিৎসাসেবা আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাস্তবতা ভিন্ন: ট্রাম্পের আটটি যুদ্ধ বন্ধের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৪ এম


বাস্তবতা ভিন্ন: ট্রাম্পের আটটি যুদ্ধ বন্ধের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, তিনি দাবি করেছেন যে আটটি যুদ্ধ বন্ধ করেছেন। ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ ও মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লাইকে দেওয়ার পর ট্রাম্প নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির সমালোচনা করেন। ট্রাম্পের বক্তব্য, ভারত-পাকিস্তানসহ আটটি সংঘাতের অবসানে তার অবদান ছিল; তবে তাকে পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

নিউইয়র্কের সিরাকিউজে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে এক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প পিল্লাইকে ‘জাতিসংঘে কাজ করা একজন উদারপন্থি, যাকে কেউ চেনে না’ বলে কটাক্ষ করেন। তিনি নরওয়ের জন্য পুরস্কার না দেওয়াকে ‘একটি অমোচনীয় কলঙ্ক’ বলেও মন্তব্য করেন। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে আটটি যুদ্ধ বন্ধের দাবির পুনরাবৃত্তি করেন।

তবে ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে সংঘাতগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি মিলিয়ে দেখলে দেখা যায়, তার প্রশাসন কয়েকটি ক্ষেত্রে যুদ্ধবিরতি বা কূটনৈতিক সমঝোতায় ভূমিকা রেখেছে। আবার কিছু সংঘাত এখনও চলমান, কিছু চুক্তি অসম্পূর্ণ এবং অন্তত দুটি ঘটনাকে যুদ্ধ বলা যায় না। ফলে আটটি যুদ্ধ বন্ধের দাবি অতিরঞ্জিত, যা সংঘাতের বাস্তব চিত্র দেখলেই স্পষ্ট হয়।

১. ভারত–পাকিস্তান: যুদ্ধবিরতি হয়েছে, মধ্যস্থতা নিয়ে বিতর্ক

২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত তীব্র হওয়ার পর দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, তার প্রশাসনের কূটনৈতিক উদ্যোগ ও বাণিজ্যিক চাপের কারণে দুই দেশ সংঘাত বন্ধে রাজি হয়েছিল। তবে ভারত সরকার তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার দাবি অস্বীকার করেছে এবং বলেছে, যুদ্ধবিরতি দুই দেশের সামরিক কর্তৃপক্ষের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে হয়েছে। অতএব, সংঘাত থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ট্রাম্প এককভাবে যুদ্ধ বন্ধ করেছেন—এমন দাবি প্রতিষ্ঠিত নয়। যুদ্ধবিরতি হওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি বিরোধের সমাধান হওয়া এক বিষয় নয়।

২. ইসরাইল–ইরান: ২০২৫ সালে যুদ্ধবিরতি, পরে নতুন যুদ্ধ

২০২৫ সালের জুনে ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের সরাসরি সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে। এটি তার দাবির পক্ষে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী উদাহরণ। তবে ২০২৬ সালে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি আবার যুদ্ধের দিকে গড়ায়। ফলে আগের সংঘাত থামাতে ভূমিকা রাখলেও সেটিকে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা বলা যায় না।

৩. কম্বোডিয়া–থাইল্যান্ড: যুদ্ধবিরতি মানেই স্থায়ী শান্তি নয়

কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের সীমান্তসংঘাত নিরসনে ট্রাম্প প্রশাসন কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনার উদ্যোগ নেয়। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ব্যবস্থা হলেও সীমান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান হয়নি। পরবর্তী সময়ে আবারও উত্তেজনা ও সংঘাতের খবর এসেছে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সংঘাত প্রশমনে সহায়ক হয়ে থাকতে পারে; কিন্তু বিরোধের মূল কারণ অমীমাংসিত থাকলে যুদ্ধ শেষ হওয়ার দাবি অতিরঞ্জিত হয়ে পড়ে।

৪. আর্মেনিয়া–আজারবাইজান: গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ শান্তি প্রক্রিয়া বাকি

দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসনে ২০২৫ সালের ৮ আগস্ট ওয়াশিংটনে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের নেতারা একটি যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন। ট্রাম্প ওই সমঝোতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানও প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন। তবে ঘোষণার পরও দুই দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর ও অনুমোদন, সীমান্ত নির্ধারণ এবং কয়েকটি মানবিক ইস্যুর নিষ্পত্তির মতো কাজ বাকি ছিল। তাই এ ক্ষেত্রে ট্রাম্পের কূটনৈতিক সাফল্যের বাস্তব ভিত্তি রয়েছে, কিন্তু সব বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে বলা যাবে না।

৫. কঙ্গো–রুয়ান্ডা: চুক্তি হয়েছে, সংঘাত থামেনি

আফ্রিকার গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো ও রুয়ান্ডার মধ্যে পূর্ব কঙ্গোর সশস্ত্র সংঘাত দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ও চুক্তি হয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। রয়টার্সের ৭ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্ব কঙ্গোতে রুয়ান্ডা-সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাত চলছিল এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। ফলে কূটনৈতিক চুক্তি সত্ত্বেও যুদ্ধ শেষ হয়েছে—এমন দাবি বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

৬. গাজা: যুদ্ধবিরতি হয়েছে, প্রাণহানি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা রয়ে গেছে

২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি-বন্দিবিনিময় চুক্তির প্রথম ধাপ কার্যকর হয়। জিম্মিদের মুক্তি এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে চুক্তিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তবে এক বছর পরও চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, গাজার পুনর্গঠন এবং নতুন প্রশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে অচলাবস্থা রয়ে গেছে। রয়টার্সের ৬ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ফলে যুদ্ধবিরতিকে পূর্ণাঙ্গ শান্তি প্রতিষ্ঠার সমতুল্য বলা যায় না।

৭. মিসর–ইথিওপিয়া: বিরোধ ছিল, কিন্তু যুদ্ধ নয়

মিসর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে নীল নদের ওপর ইথিওপিয়ার বৃহৎ জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। মিসর আশঙ্কা করে, বাঁধটির পরিচালনা নীল নদের পানিপ্রবাহে প্রভাব ফেলতে পারে। ইথিওপিয়া বলছে, প্রকল্পটি তাদের উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প এ বিরোধের সমাধানে ভূমিকা রাখার দাবি করলেও দুই দেশের মধ্যে তার মেয়াদে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ চলছিল—এমন প্রমাণ নেই। সিএনএন-এর তথ্য যাচাই প্রতিবেদনেও বিষয়টিকে যুদ্ধ নয়, কূটনৈতিক বিরোধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাই একে ‘যুদ্ধ বন্ধ’ করার তালিকায় রাখা বিভ্রান্তিকর।

৮. সার্বিয়া–কসোভো: উত্তেজনা আছে, কিন্তু যুদ্ধ বন্ধের দাবি প্রশ্নবিদ্ধ

সার্বিয়া ও কসোভোর মধ্যে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, সার্বীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং সীমান্ত-নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা কমানো ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগকে নিজেদের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছে। তবে ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদে দুই পক্ষের মধ্যে এমন কোনো পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ চলছিল, যা তাঁর উদ্যোগে শেষ হয়েছে—এমন প্রমাণ পাওয়া যায় না। সিএনএন-এর পর্যালোচনাতেও এ ঘটনাকে যুদ্ধের সমাপ্তি হিসেবে উপস্থাপন করা যথার্থ নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাহলে আটটি যুদ্ধ বন্ধের দাবি কতটা সত্য?

তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন কয়েকটি সংঘাতে যুদ্ধবিরতি, আলোচনার আয়োজন এবং কূটনৈতিক চুক্তি সম্পাদনে ভূমিকা রেখেছে। আর্মেনিয়া–আজারবাইজান সমঝোতা এবং ইসরাইল–ইরান সংঘাতের ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি তার কূটনৈতিক উদ্যোগের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। ভারত–পাকিস্তান ও কম্বোডিয়া–থাইল্যান্ডের ক্ষেত্রেও সংঘাত প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা রয়েছে, যদিও সেই ভূমকের মাত্রা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এক নয়।

কিন্তু আটটি সংঘাতের সবগুলোকে যুদ্ধ বলা যায় না; আবার যুদ্ধবিরতি বা চুক্তি হওয়া মানেই যুদ্ধের স্থায়ী অবসানও নয়। কঙ্গো–রুয়ান্ডায় লড়াই চলেছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও প্রাণহানি ঘটেছে এবং ২০২৫ সালের ইসরাইল–ইরান যুদ্ধবিরতির পর ২০২৬ সালে নতুন যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এসব তথ্য ট্রাম্পের ‘আটটি যুদ্ধ শেষ’ করার দাবিকে দুর্বল করে।

২০২৫ সালের আগস্টে প্রকাশিত বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প কয়েকটি সংঘাতে যুদ্ধ থামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন; তবে তার তালিকার সব ঘটনা যুদ্ধ ছিল না এবং কয়েকটি সংঘাতের লড়াইও শেষ হয়নি। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের সিএনএন-এর তথ্য যাচাইয়েও একই ধরনের সমস্যা উঠে এসেছে।

কে এই নাভি পিল্লাই

নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব। তিনি ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন। এর আগে রুয়ান্ডার গণহত্যার বিচার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারক ও পরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক হিসেবেও কাজ করেছেন।

নোবেল কমিটি কি নরওয়ে সরকারের অধীন?

ট্রাম্পের সমালোচনায় নরওয়ের নাম এলেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নরওয়ে সরকার সরাসরি নেয় না। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি পুরস্কারপ্রাপক নির্বাচন করে। কমিটির সদস্যরা নরওয়ের পার্লামেন্টের মাধ্যমে নিয়োগ পান; তবে পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত কমিটির নিজস্ব দায়িত্ব।

নোবেল শান্তি পুরস্কারের উদ্দেশ্য কেবল যুদ্ধবিরতি ঘটানো নয়; শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় অবদানও বিবেচনায় আসে। সে কারণে ট্রাম্পের দাবি করা কূটনৈতিক সাফল্য এবং পিল্লাইয়ের মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় অবদান ভিন্ন ধরনের কাজ। একটির সঙ্গে অন্যটির সরল তুলনা করা যায় না।

ট্রাম্পের আটটি যুদ্ধ বন্ধের দাবি তাই পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলার চেয়ে যথাযথ মূল্যায়ন হবে—কয়েকটি সংঘাতে তার প্রশাসন বাস্তব কূটনৈতিক ভূমিকা রেখেছে, কিন্তু সবগুলোকে যুদ্ধ হিসেবে দেখানো এবং সবগুলোর স্থায়ী সমাপ্তির কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি করা তথ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার বিতর্কে এই পার্থক্যটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: সিএনএন, রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%