ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ সাত দেশের ৩১২ অভিবাসীর বিচার


মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ সাত দেশের ৩১২ অভিবাসীর বিচার

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশিসহ সাত দেশের ৩১২ জন বিদেশি নাগরিককে বিশেষ দায়রা আদালতে হাজির করা হয় এবং তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়। দেশটির অভিবাসন বিভাগ তাদের আদালতে নিয়ে যায়।

শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জোহরের পেকেনানাস অভিবাসন আটককেন্দ্রে স্থাপিত বিশেষ আদালতে তাদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

জোহর রাজ্য অভিবাসন বিভাগের প্রসিকিউশন কার্যক্রমে সরকারি কৌঁসুলির দপ্তর অংশগ্রহণ করে। আদালতে হাজির হওয়া অভিযুক্তদের বয়স ১৯ থেকে ৫৬ বছরের মধ্যে। তারা বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও চীনের নাগরিক।

আরও পড়ুন: কাউনিয়ায় রতন হত্যা: দুই জেলা থেকে ৩ আসামি গ্রেপ্তার

অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ৩১২ জনের মধ্যে ১৯৬ জনের বিরুদ্ধে বৈধ পাসপোর্ট বা মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অনুমতিপত্র না থাকার অভিযোগে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায় মামলা করা হয়। আদালতে তারা সবাই নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। পরে প্রত্যেককে গ্রেফতারের তারিখ থেকে কার্যকর চার মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে, অনুমোদিত সময়ের বেশি মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অভিযোগে আরও ১১০ জনের বিরুদ্ধে একই আইনের ১৫(১)(সি) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। তারাও আদালতে দোষ স্বীকার করেন। আদালত প্রত্যেককে গ্রেফতারের তারিখ থেকে কার্যকর ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

এছাড়া, প্রতিষ্ঠানে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ার এক নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনের ৫৫(১) ধারায় মামলা করা হয়। তিনিও দোষ স্বীকার করলে আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

তবে বৈধ পাসপোর্ট বা অনুমতিপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অভিযোগে একই আইনের ৬(১)(সি) ধারায় অভিযুক্ত বাংলাদেশের ও মিয়ানমারের দুই পুরুষ নাগরিক আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। পরে মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র হস্তান্তরের জন্য আদালত তাদের মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ১৯ নভেম্বর ও ৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেন।

আরও পড়ুন: তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশা রিমান্ড শেষে কারাগারে

আদালতের পুরো কার্যক্রম নির্বিঘ্ন, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে জোহর রাজ্য অভিবাসন বিভাগ বা আইন প্রয়োগ শাখার পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়।

জোহর রাজ্য অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, দেশটির অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান ও আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। রাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের (পিএটিআই) উপস্থিতি ও তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

বিভাগটির মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জোহর রাজ্যে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে তাদের কঠোর অবস্থান প্রতিফলিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জামায়াত-এনসিপির দূরত্ব বাড়ার নেপথ্যে নির্বাচনী সিদ্ধান্ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীপাবলির অনুষ্ঠানে একে অপরের হাত ধরে হাজির অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


দীপাবলির অনুষ্ঠানে একে অপরের হাত ধরে হাজির অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া

মুম্বাইয়ের জনপ্রিয় ফ্যাশন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার দীপাবলির অনুষ্ঠানে বলিউড তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন একে অপরের হাত ধরে উপস্থিত হন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে দূরে ঠেলে তারা একে অপরের প্রতি মুগ্ধতায় বিভোর ছিলেন।

অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার নতুন এই সম্পর্কের রসায়ন নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অনুষ্ঠানের দিন ঐশ্বরিয়া সোনালি পাড়ের টকটকে লাল শাড়ি পরিধান করেন, যা সোনার গহনার সাথে মানিয়ে যায়। অন্যদিকে, অভিষেক কালো শেরওয়ানিতে সজ্জিত ছিলেন।

তারকা দম্পতি একসঙ্গে লাল গালিচায় হাঁটেন এবং একসঙ্গে ছবি তোলেন। তবে আলোকচিত্রীরা তাদের একক ছবি তোলার জন্য অনুরোধ করলে, তারা তাতে রাজি হননি। বরং, দু’জনের একসঙ্গে ছবি তোলার জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যান।

এই ভিডিওটি অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে একজন অনুরাগী লিখেছেন, ‘দু’জনকে একসঙ্গে এতো খুশি দেখে ভালো লাগছে’। অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘২০০৮ সালের সেই পুরনো অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার রসায়ন যেন ফিরে এসেছে। তাদের একে অপরের দিকে তাকানোর ভঙ্গি দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে গেলাম’।

অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার পরিচয় ১৯৯৯-২০০০ সালের একটি ফটোশুটের মাধ্যমে ঘটে। এরপর ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কে’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার পর তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নেয়। পরবর্তীতে তারা একসঙ্গে ‘উমরাও জান’, ‘গুরু’ এবং ‘ধুম ২’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেন। কাজ করতে গিয়ে তাদের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং ২০০৭ সালে অভিষেক ঐশ্বরিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ওই বছরই ২০ এপ্রিল মুম্বাইয়ে বচ্চন পরিবারের বাসভবনে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে তাদের বিয়ে হয়।

২০১১ সালে তাদের সংসারে আসে মেয়ে আরাধ্য বচ্চন। যদিও তাদের সংসার সুখের, গত কয়েক বছর ধরে শোবিজে তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন উঠেছে। তবে এই গুঞ্জনকে মিথ্যা প্রমাণ করে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মনীশের দীপাবলি অনুষ্ঠানে একসঙ্গে হাজির হন তারা। এতে করে দীর্ঘদিনের বিচ্ছেদের গুঞ্জনের আগুনে পানি ঢেলে দেন আলোচিত এই জুটি।

এছাড়া, মনীশ মালহোত্রার দীপাবলির অনুষ্ঠানে শুধু অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া উপস্থিত ছিলেন না, বরং অক্ষয় কুমার, মাধুরী দীক্ষিত, কারিনা কাপুর খান, সাইফ আলি খান, কাজল, জেনেলিয়া ডি’সুজার মতো আরও অনেক তারকা হাজির ছিলেন। তবে অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার নতুন রসায়ন এখন নেটদুনিয়ার আলোচনার কেন্দ্রে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রী ইকরার স্মৃতি আজও কাঁদায় জাহের আলভীকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


স্ত্রী ইকরার স্মৃতি আজও কাঁদায় জাহের আলভীকে

দীর্ঘ ১৬ বছরের সংসারজীবন অতিবাহিত হয়েছে। স্ত্রী ইকরার সঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত আজও আলভীর স্মৃতিতে অমলিন রয়েছে। কিন্তু সেই সুন্দর স্মৃতিগুলো এখন অভিনেতা জাহের আলভীর মনে কষ্টের জন্ম দেয়। প্রিয় মানুষকে হারানোর শোক বুকে নিয়ে নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, নিজের জীবনের কঠিন সময় এবং স্ত্রীকে হারানোর বেদনা নিয়ে আলভী কথা বলেন। তিনি জানান, ইকরার সঙ্গে কাটানো পুরোনো স্মৃতিগুলো মনে পড়লে এখনো কষ্ট অনুভব করেন। তবে তিনি এসব স্মৃতি ভুলে যেতে চান না। বরং সবসময় অনুভব করতে চান, যেন ইকরা তাদের সঙ্গেই আছেন এবং সন্তানের মা হিসেবে দূর থেকে আশীর্বাদ করছেন।

স্ত্রীকে হারানোর পর, তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ এখন একমাত্র সন্তান। ছেলেকে নেতিবাচক পরিবেশ ও ক্ষতিকর মানুষের প্রভাব থেকে দূরে রেখে সুন্দরভাবে বড় করার লক্ষ্য তার প্রধান। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও সন্তানের কাছে ফিরে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করেন তিনি। দীর্ঘ সময় ছেলের কাছ থেকে দূরে থাকাও এখন তার জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।

সন্তানের মানসিক অবস্থার বিষয়েও আলভী সতর্ক রয়েছেন। চিকিৎসক ও শিশু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে, ছেলেকে কোনো কিছু জোর করে বোঝানোর চেষ্টা করছেন না। স্বাভাবিকভাবে যেন সে পরিস্থিতি বুঝতে পারে এবং শোক কাটিয়ে উঠতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সময় দিচ্ছেন তারা।

নিজের কঠিন সময়ের কথা বলতে গিয়ে আলভী জানান, একপর্যায়ে প্রবল অস্থিরতা ও শ্বাসকষ্টের মতো অনুভূতি হচ্ছিল তার। কিন্তু সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরার পর মনে হয়েছে, তিনি এখনো বেঁচে আছেন এবং ছেলের জন্য তাকে বেঁচে থাকতে হবে। আপাতত ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় কোনো পরিকল্পনা নেই, বাবা-ছেলের একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া এবং নিজের অভিনয়জীবন নিয়েই ভাবছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবনের নানা জটিলতা, কারাবাস ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে, প্রায় সাত মাস বিরতি দিয়ে অক্টোবরের মাঝামাঝি আবারও নাটকের শুটিংয়ে ফেরেন জাহের আলভী। নতুন করে কাজ শুরু করে অভিনয়জগতে নিজের অবস্থান ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন এই অভিনেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে গুলির ঘটনায় নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


তুরস্কে গুলির ঘটনায় নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার

পশ্চিম তুরস্কের আফিওনকারাহিসার প্রদেশে গুলির ঘটনায় আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন স্থানে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পাশের এসকিশেহির প্রদেশ থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, হামলার পর বিভিন্ন স্থান থেকে তিনটি আলাদা গাড়িতে করে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর হামলাকারী পালিয়ে গেলে তাকে ধরার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, আয়াজিনি গ্রামের কাছে তিনজন এবং কিয়ির গ্রামের কাছে আরও তিনজন নিহত হন। এছাড়া ইউকারিতানদির গ্রামে দুই নারীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে দুজন শিক্ষক রয়েছেন।

তুর্কি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে কালো জ্যাকেট, সাদা প্যান্ট ও চশমা পরা এক ব্যক্তিকে একটি লাল মিনিভ্যানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তার হাতে একটি লম্বা আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।

দৈনিক মিলিয়েতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারীর ব্যবহৃত একটি গাড়ি কাদায় আটকে পড়ে। পরে গাড়িটি ফেলে রেখে তিনি পায়ে হেঁটে পালিয়ে যান। এ ঘটনার পর পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়ে সন্দেহভাজনকে ধরতে অভিযান জোরদার করে। পরে তাকে এসকিশেহির প্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আফিওনকারাহিসার গভর্নরেট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আটঘরিয়ায় শিমের বেচাকেনা জমজমাট, তবে লোকসানে আড়তদার ও কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


আটঘরিয়ায় শিমের বেচাকেনা জমজমাট, তবে লোকসানে আড়তদার ও কৃষক

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের সড়াবাড়িয়া আড়তে প্রতিদিন শিমের বেচাকেনা জমে উঠছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে আড়তে শিম কেনাবেচায় কৃষক ও আড়তদাররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আশপাশের প্রায় ১০টি গ্রামের কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত শিম নিয়ে আসেন এ আড়তে।

আড়তদারদের মাধ্যমে এসব শিম বস্তাবন্দী করে প্রতিদিন ট্রাকযোগে পাঠানো হয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে আড়তদাররা লাভের মুখ দেখছেন না। অন্যদিকে, উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় কৃষকরাও লোকসানের আশঙ্কায় রয়েছেন।

সড়াবাড়িয়া আড়তের আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিমের কেনাবেচা চলে। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা তাঁদের জমি থেকে সংগ্রহ করা শিম নিয়ে আসেন এ আড়তে। পরে দরদাম করে কৃষকদের কাছ থেকে শিম কিনে বস্তাবন্দী করা হয়। প্রতিদিন এক ট্রাক শিম ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়।

এক আড়তদার জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে শিমের ব্যবসায় লাভ হচ্ছে না। কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি শিম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যুক্ত করে ঢাকার বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

প্রতি কেজি শিম ৩৬ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করেও খরচ বাদে কোনো লাভ থাকছে না। এসব শিম ঢাকার যাত্রাবাড়ী, চৌরাস্তা ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করা হয়।

অন্যদিকে, উৎপাদিত শিমের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশ কৃষকেরাও। তাঁদের অভিযোগ, সারসহ কৃষি উপকরণের দাম বেশি হওয়ায় শিম উৎপাদনে খরচ বেড়েছে। অথচ বাজারে সেই অনুপাতে দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের।

এ বিষয়ে আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা মোতামাইন্না বলেন, উপজেলায় সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। শিম উৎপাদনকারী কৃষকেরা মাজপাড়া, চাঁদভা ও পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন ডিলার পয়েন্ট থেকে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারছেন।

ক্যাশ মেমোর মাধ্যমে সরকারি নির্ধারিত দামে সার বিক্রি হচ্ছে কি না, তা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সরাসরি বাজার তদারকির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছেন।

স্থানীয় কৃষক ও আড়তদারদের প্রত্যাশা, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং বাজারজাতকরণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে তাঁদের লোকসানের চাপ কমবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%