শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:২৫ এম
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়েছে, যা হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল "হাত ধোয়ার নায়ক হোন।"
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৌলতপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মো. খাদিমুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ।
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাস, দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুল হাসান তুহিন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রেহানা পারভীন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কে, এম, শামীম রেজা, দৌলতপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম (শাহীন), বাংলা টিভির কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি (ডিজিটাল) ও দৌলতপুর প্রেসক্লাব ডিপিসি'র সভাপতি আব্দুল আলীম সাচ্চু।
এছাড়া সাংবাদিক হেলাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, সুস্থ থাকার জন্য এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার কোন বিকল্প নেই। বক্তারা শিশুদের ছোটবেলা থেকেই হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য পরিবার, বিদ্যালয় এবং সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় আহলে হাদীছ আন্দোলনের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় আহলে হাদীছ যুব সংঘের উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে বুধহাটা কেন্দ্রীয় আহলে হাদীছ জামে মসজিদে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আহলে হাদীছ আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি মাওঃ হাবিবুল্লাহ বাহার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব সংঘের সভাপতি মাওঃ মাসুদ রেজা খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যেলা যুব সংঘ সেক্রেটারী মাওঃ আবিদুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ ইনামুল হক, দপ্তর সম্পাদক মাওঃ নাছীর উদ্দীন এবং সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওঃ শিহাব উদ্দীন।
সভায় আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে মোঃ কেরামত আলী, হাবিবুর রহমান, মাওঃ মিজানুর রহমান এবং মাওঃ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ১১ সদস্য বিশিষ্ট আশাশুনি উপজেলা যুব সংঘের কমিটি গঠন করা হয়, যার সভাপতি নির্বাচিত হন মাওঃ ফজলুর রহমান, সহ সভাপতি হন হাসান ইকবাল মামুন এবং সেক্রেটারী হন মাওঃ শিহাব উদ্দীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকাল চারটায় দরগাহপুর বাজারে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি শেখ জুলফিকার হায়দার। আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিট ইনচার্জ এসআই ফিরোজ আলম, সহ ইনচার্জ আব্দুস সালাম, দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ তারিকুল বাশার, এবং সাধারণ সম্পাদক জিএম হাফিজুর রহমান।
বক্তারা যুব সমাজের মধ্যে মাদক এবং জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। বিট ইনচার্জ দরগাহপুর ইউনিয়নে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সকলকে আহবান জানান।
এ অনুষ্ঠানে গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইউপি সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং বাজার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সিলেট জেলা প্রশাসন কঠোর মনিটরিং কার্যক্রম শুরু করেছে। সোমবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ মনিটরিং টিম মহানগরের কালীঘাট ও মদিনা মার্কেটের পাইকারি ও খুচরা দোকানে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে প্রশাসনের দলটি বাজারের মূল্য তালিকা, ক্রয়-বিক্রয় রশিদ এবং পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। জেলা প্রশাসক নিশ্চিত করেন যে, বাজারে সয়াবিন তেলের কোনো সংকট নেই এবং ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত মূল্যে তা বিক্রি করছেন কিনা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এ সময় জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদ মন্তব্য করেন, "রমজানে কোনো ব্যবসায়ী যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং চালিয়ে যাব। সিন্ডিকেট করে কেউ যদি পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
অভিযানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে। তারা বিভিন্ন দোকানে গিয়ে পণ্যের মজুদ, বিক্রয় প্রক্রিয়া এবং ভোক্তাদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন।
অভিযান চলাকালে কিছু ব্যবসায়ীকে শর্তসাপেক্ষে সয়াবিন তেল বিক্রি করতে দেখা যায়, যা নিয়মবহির্ভূত। জেলা প্রশাসনের মনিটরিং টিম তাদের কঠোরভাবে সতর্ক করে। একইসঙ্গে, যারা অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়ম ভঙ্গ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। বাজার মনিটরিংয়ের ফলে সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তি প্রকাশ করেন। এক ক্রেতা বলেন, "রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ে আমরা সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকি। কিন্তু জেলা প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি আমাদের জন্য স্বস্তির খবর। আশা করি, ব্যবসায়ীরা অন্যায়ভাবে দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে না।"
জেলা প্রশাসক আশ্বস্ত করেছেন, "রমজানজুড়ে আমাদের এই বাজার তদারকি অব্যাহত থাকবে, যাতে কেউ অবৈধভাবে মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য দামে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।" এ ধরনের কার্যক্রম চালু থাকলে রমজানে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে বাজার করতে পারবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজনগরের ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগণের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উপকারভোগীদের মধ্যে ব্যাটারি চালিত রিকশা বিতরণ করা হয়েছে। ৩রা মার্চ (সোমবার) উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা হাবিব শাপলা উপকারভোগীদের হাতে রিকশার চাবি তুলে দেন। তিনি বলেন, “ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।”
তিনি উপকারভোগীদের উদ্দেশ্যে সতর্ক করে বলেন, সরকার ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করার জন্য ভিক্ষুকদের এই রিকশা প্রদান করেছে। যদি কেউ এই সুবিধা গ্রহণ করে ফের ভিক্ষাবৃত্তি করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান, রাজনগর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী, প্রেসক্লাব সভাপতি আউয়াল কালাম বেগ, এবং মনসুরনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ