বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:২৩ পি.এম
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১০-এর অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি তপন সরকার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ভোলা সদর উপজেলার পৌরবাপ্তা এলাকার বজলুর রহমানের ছেলে মো. পারভেজ (৩১) এবং কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের ইসহাক বাবুর্চির ছেলে মো. সুমন হোসেন (২২)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কালিন্দী ইউনিয়নের পূর্ব চরাইল বালুর মাঠ এলাকায় একটি সক্রিয় ডাকাত দলের সদস্যরা ডাকাতির উদ্দেশ্যে সংগঠিত হয়েছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১০ সদর দপ্তরের একটি আভিযানিক দল সেখানে অভিযানে যায়।
অভিযান চলাকালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে, র্যাব সদস্যরা দ্রুত গতিতে ধাওয়া করে পারভেজ ও সুমনকে গ্রেপ্তার করেন।
এ সময় তাদের কাছে উদ্ধার করা হয় ছুরি, তলোয়ার, চাপাতি এবং মোবাইল ফোন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া দুজনই একটি পেশাদার ডাকাত দলের সদস্য। তারা কেরানীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
এ ঘটনায়, তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা দায়ের করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মেডিক্যাল সেন্টার থেকে প্রায় ১৯ হাজার ৫৬৭টি ঔষধ জাউত হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। গত ৩০ জুন থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে এসব ঔষধের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। নিখোঁজ এসব ঔষধের আনুমানিক বাজার মূল্য ৭৩ হাজার ১১০ টাকা।
এছাড়াও প্রধান মেডিক্যাল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বরত অবহেলা, মেডিক্যালের অ্যাম্বুলেন্স ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ করেন জাকসুর নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা।
এ পরিস্থিতিতে, প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা ডা. শামসুর রহমানকে তার কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে রাখেন জাকসুর কয়েকজন নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আশ্বাসের ভিত্তিতে অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন তারা।
এদিকে, এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মেডিক্যাল সেন্টারের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টোর) মো. নুর-এ-কামালকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবদুর রবকে সভাপতি করে গঠিত এ তদন্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সালেকুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুছ ছাত্তার, এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার আলাউদ্দিন মোল্লা। তাদের ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে জাকসুর স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক হুসনে মুবারক বলেন, 'ঔষধের হিসাবের বিষয়ে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।' প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ঔষধের হিসাবসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপির বিষয়ে কোন সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এজন্য তার কার্যালয় অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও তদন্ত কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবদুর রব বলেন, 'মেডিক্যাল সেন্টারের ঔষুধের হিসাবের অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর প্রধান মেডিক্যাল অফিসারের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) পরিচালিত এইচএসসি প্রোগ্রাম-২০২৬ এর পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে শুরু হচ্ছে।
সারা দেশে অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ২১৬টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে মোট ৪৭ হাজার ৪১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে যাচ্ছেন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ২৭ হাজার ৭৯৬ জন পুরুষ এবং ১৯ হাজার ২৩৮ জন নারী রয়েছে।
প্রতি বছরের মতো, এবারও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নকলমুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এছাড়াও, বাউবি থেকে গঠিত ভিজিল্যান্স টিম বিভিন্ন পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই ২০২৬ তারিখের স্থগিত বাংলা ১ম পত্র এবং বাংলা ২য় পত্র বিষয়ের পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে এবং বাউবির ওয়েবসাইট www.bou.ac.bd থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চার বছর আগে কাতারের মরুভূমিতে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছিলেন লিওনেল মেসি। এরপর তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে তুললেও শিরোপা জিততে পারেননি। তবে বয়সের ভারে ২০৩০ বিশ্বকাপে মেসির খেলার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নতুন একটি স্বপ্ন দেখছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা, এবং সেই স্বপ্নের নাম হলো থিয়াগো মেসি।
বর্তমানে থিয়াগো ১৩ বছর বয়সী। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় এই বয়সে পা দেবে ১৮ বছরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, বয়স ও প্রতিভার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে থিয়াগো আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে থাকতে পারে। যদিও বিষয়টি এখনো পুরোপুরি সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে, এবং এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।
থিয়াগো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমিতে খেলছে। ইতোমধ্যে ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে শিরোপাও জিতেছে সে। থিয়াগোর পারফরম্যান্সের ওপর নজর রাখছেন ফুটবলপ্রেমীরা, এবং তারা তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহী।
জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও থিয়াগো এর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে সে আর্জেন্টিনার জার্সিতেই খেলতে চায়। বাবার পথ অনুসরণ করে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করাই তার লক্ষ্য ও পরিকল্পনা।
মেসি পরিবারের ফুটবল ঐতিহ্য শুধু থিয়াগোতেই সীমাবদ্ধ নয়। তার দুই ছোট ভাই মাতেও ও চিরোও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির সাফল্যের সঙ্গে থিয়াগোকে তুলনা করা এখনই ঠিক হবে না। বরং থিয়াগোকে সময় দিয়ে তার স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং, ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কল্পনায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সেই স্বপ্ন বাস্তব হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতত থিয়াগো মেসিকে ঘিরে আশাবাদ ও আগ্রহ দিন দিন বাড়ছেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের প্রতিটি জায়গায় চোর বসে থাকার কারণে নানা সংকট বাড়ছে, এ কথা মন্তব্য করেছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ মন্তব্যটি করেছেন।
জামায়াত আমির বলেছেন, ‘জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ছিল এমন এক ঝড়, যা ফ্যাসিবাদকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করেছে।’
তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের যুব সমাজ শেখ হাসিনার গলায় ফাঁসির রশি পড়ানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং তিনি বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে দেশ নানা সংকটে পড়েছে। ফ্যাসিবাদের সব চিহ্ন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত জামায়াত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।’
তিনি অভিযোগ করেছেন যে, গণভোট নিয়ে বিএনপি জনগণের সঙ্গে দেয়া ওয়াদা ভঙ্গ করেছে।
জামায়াত আমির নেতাকর্মীদের সামনে জানান যে, দেশের যুবসমাজ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং আরও বড় আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ