ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

শেখ হাসিনা ও ১৭ আসামির বিরুদ্ধে গুমের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ অক্টোবর


শেখ হাসিনা ও ১৭ আসামির বিরুদ্ধে গুমের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ অক্টোবর

টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বর্তমান ও সাবেক ১২ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ১৩ অক্টোবর নির্ধারণ করেছে ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এ সংক্রান্ত আদেশ প্রদান করা হয়।

এই দিন মামলার সাত নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় প্রসিকিউশনের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৩ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে আইনশৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে এমপি বেলালের গুরুত্বারোপ

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে র‍্যাবের টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মোট ১৭ আসামির বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই মামলার ১০ আসামি বর্তমানে ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে অবস্থান করছেন।

তাদের মধ্যে রয়েছেন—র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল কে এম আজাদ, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন এবং র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

এই মামলার আরো সাত আসামি পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।

তাদের মধ্যে আছেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (সাবেক আইজিপি), র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক মো. হারুন অর রশিদ এবং র‌্যাবের সাবেক ইন্টিলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: ফরিদপুর জেলা পরিষদ নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেবে

২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাকাশে বাবার উপস্থিতিতে পৃথিবীতে সন্তানের জন্ম হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


মহাকাশে বাবার উপস্থিতিতে পৃথিবীতে সন্তানের জন্ম হবে

স্পেসএক্স-এর ক্রু ১৩ মহাকাশ স্টেশনের সাথে যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে একজন মহাকাশচারী রয়েছেন যিনি ৬ মাসের এই অভিযানে তার তৃতীয় সন্তানের জন্মের সময় উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

কানাডার নভোচারী জোশুয়া কুট্রিক ছয় মাসের মহাকাশ অভিযানে গিয়ে পৃথিবীতে তার তৃতীয় সন্তানের জন্মের সময় পাশে থাকতে পারবেন না। তার স্ত্রী হিদার কুট্রিকের গর্ভে থাকা তাদের তৃতীয় সন্তান পৃথিবীর আলো দেখবে নভোচারীর মহাকাশে থাকার সময়েই।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল মহাকাশ বাহিনী স্টেশন থেকে চার নভোচারী ও মহাকাশচারী নিয়ে একটি রকেট আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে যাত্রা করে। স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ১০ মিনিটে উৎক্ষেপণের পর প্রায় ৭ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছে দলটি।

এই অভিযানে নাসার দুই নভোচারী জেসিকা ওয়াটকিনস ও লুক ডেলানি, রাশিয়ার মহাকাশচারী সের্গেই তেতেরিয়াতনিকভ এবং কানাডার নভোচারী জোশুয়া কুট্রিক রয়েছেন। তাদের নিয়ে গঠিত এই দলটি মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছে সেখানে থাকা সাত সদস্যের সঙ্গে যোগ দিয়েছে।

দলের অধিনায়ক জেসিকা ওয়াটকিনস ভূতত্ত্বে পিএইচডি করেছেন। ২০২২ সালে তিনি মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছিলেন। অন্য তিনজনের জন্য এটি প্রথম মহাকাশযাত্রা। লুক ডেলানি ও জোশুয়া কুট্রিক দুজনই সাবেক সামরিক পরীক্ষামূলক বিমানচালক। সের্গেই তেতেরিয়াতনিকভ আগে রাশিয়ার সাবমেরিন বাহিনীতে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জোশুয়া কুট্রিক ও তার স্ত্রী হিদারের দুটি সন্তান রয়েছে, যাদের বয়স ৫ ও ৭ বছর। তাদের তৃতীয় সন্তানের জন্ম হওয়ার কথা নভেম্বরের শেষ দিকে, অর্থাৎ কুট্রিকের ছয় মাসের মহাকাশ অভিযানের প্রায় দুই মাসের মাথায়।

মহাকাশে যাওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুট্রিক লিখেছেন, তিন সন্তান ও অনাগত সন্তানকে রেখে যাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ। তবে মানুষের নতুন কিছু আবিষ্কারের অভিযাত্রায় এ ধরনের ত্যাগের বিষয়টি তিনি মেনে নিয়েছেন।

মহাকাশ অভিযানের ইতিহাসে এবার এমন চতুর্থ ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে, যখন কোনো দম্পতির সন্তান জন্ম নেবে এবং সেই সময় তাদের একজন পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে থাকবেন।

মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছে কুট্রিক বলেন, শেষ পর্যন্ত মহাকাশে পৌঁছাতে পেরে তার বিশ্বাসই হচ্ছে না। কানাডার পতাকা আবার মহাকাশ স্টেশনে দেখতে পেরে তিনি আনন্দিত বলেও জানান।

এই অভিযানে কানাডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নির্মাণে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির পাশাপাশি কানাডা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করে আসছে। কুট্রিক মহাকাশে যাওয়া ১৭তম কানাডীয় নভোচারী।

নতুন দলটি মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছানোর পর আগের দলটির সঙ্গে দায়িত্ব হস্তান্তর শুরু হয়েছে। আগের দলের অধিনায়ক জেসিকা মেয়ার, লুক হ্যাথাওয়ে, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার নভোচারী সোফি আদেনো এবং মহাকাশচারী আন্দ্রেই ফেদিয়ায়েভ ২৩৫ দিনের অভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরবেন।

তাদের পৃথিবীতে ফেরার জন্য ৫ অক্টোবর মহাকাশ স্টেশন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পরদিন ৬ অক্টোবর ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণ উপকূলের কাছে প্রশান্ত মহাসাগরে তাদের অবতরণের কথা।

এদিকে নতুন দলটি মহাকাশ স্টেশনে বিভিন্ন গবেষণা ও প্রযুক্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে হৃদ্‌রোগ ও পারকিনসন রোগ নিয়ে গবেষণা, দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানের জন্য ফসল উৎপাদন, মহাকাশে রক্তপ্রবাহের অস্বাভাবিকতা বোঝা এবং নভোচারীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের নতুন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরীক্ষা অন্যতম।

এছাড়া চলতি মাসের শেষ দিকে ও নভেম্বরের শুরুতে মহাকাশ স্টেশনের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে কয়েকটি কাজ করার কথা রয়েছে। অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বরেও বিভিন্ন মালবাহী মহাকাশযান সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

মহাকাশ স্টেশনে থাকা নতুন দলটির অভিযান প্রায় ছয় মাস চলবে। এই সময় বিজ্ঞান গবেষণা, মহাকাশে চলাফেরা এবং স্টেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের পাশাপাশি পৃথিবী থেকে দূরে থাকা পরিবারের সদস্যদের জন্যও এটি হবে আবেগঘন এক সময়।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পতাকা, সেনাবাহিনী, সংসদ সবই আছে, শুধু দেশটাই নেই!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


জাতীয় পতাকা, সেনাবাহিনী, সংসদ সবই আছে, শুধু দেশটাই নেই!

হলিউডের সিনেমা ‘দ্য টার্মিনাল’-এর একটি দৃশ্য কি মনে পড়ে? বিমানবন্দরে আটকে থাকা প্রধান চরিত্রটি হঠাৎ করে আবিষ্কার করে, তার দেশটি মানচিত্র থেকে মুছে গেছে! এই কাল্পনিক প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে যেন বাস্তব রূপ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পূর্ব ইউরোপের একটি অদ্ভুত ভূখণ্ড—ট্রান্সনিস্ট্রিয়া। যদিও এটি কাগজে-কলমে কিংবা আন্তর্জাতিক মানচিত্রে নেই, বর্তমানে এটি বিশ্বজুড়ে ব্যাকপ্যাকার এবং রোমাঞ্চপ্রিয় পর্যটকদের জন্য নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

ইউক্রেন ও মলদোভার সীমান্তে অবস্থিত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রিডনেস্ট্রোভিয়ান মলডেভিয়ান রিপাবলিক’ নামের এই অঞ্চলটি ১৯৯০ সালে স্বাধীনতা লাভ করলেও তিন দশক পেরিয়ে গেলেও জাতিসংঘের কোনো স্বীকৃতি পায়নি। তবে, এই ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে যেকোনো ভ্রমণপিপাসুর চোখ কপালে উঠবে! কারণ, এখানে একটি স্বাধীন দেশের সব কিছুই রয়েছে, যেমন নিজস্ব পতাকা, মুদ্রা (রুবল), সেনাবাহিনী, সীমান্ত পুলিশ এবং ডাকটিকিট।

মানচিত্রে ঠিকানা না থাকা এই ভূখণ্ডটিকে পর্যটকেরা ‘ইউরোপের শেষ সোভিয়েত রাষ্ট্র’ বা ‘জীবন্ত টাইম ক্যাপসুল’ হিসেবে উল্লেখ করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাভেল ভ্লগারদের আগ্রহের ফলে জায়গাটি এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানে প্রবেশ করলে সরাসরি গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে পা রাখা হয়। রাজধানী তিরাসপোলের রাস্তায় লেনিনের বিশাল মূর্তি, রহস্যময় বাংকার এবং সরকারি ভবনের চূড়ায় কাস্তে-হাতুড়ির প্রতীকগুলো পর্যটকদের সোভিয়েত জমানায় ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

এখানে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না থাকায় কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নেই। ট্রান্সনিস্ট্রিয়ায় যেতে হলে পর্যটকদের মলডোভার রাজধানী কিশিনাউ থেকে স্থানীয় মিনিবাস (মার্শরুটকা)-এ চড়ে যেতে হয়।

এখানে প্রবেশের জন্য আগে থেকে কোনো ভিসার ঝামেলা পোহাতে হয় না। তবে সীমান্তে পৌঁছানোর পর পাসপোর্ট যাচাই-বাছাই করে স্থানীয় সীমান্ত রক্ষীরা বিদেশি ভ্রমণকারীদের একটি বিশেষ সাময়িক প্রবেশপত্র (ট্যুরিস্ট পারমিট) প্রদান করে। বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের এই আগ্রহ দেখে ইতিমধ্যে রুশ ও ইংরেজি ভাষায় অফিসিয়াল ট্রাভেল গাইডও প্রকাশ করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

বহু বছর ধরে অবৈধ অস্ত্র এবং কেজিবির প্রভাবের জন্য কুখ্যাত হলেও বর্তমানে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রেডিট এবং ইনস্টাগ্রামের একাধিক জনপ্রিয় ট্রাভেল ভ্লগারের মতে, ট্রান্সনিস্ট্রিয়া এখন ‘বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ অস্বীকৃত দেশ’। এখানকার স্থানীয়দের অতিথিপরায়ণতা, স্বল্পমূল্যে আন্তর্জাতিক মানের আঙুরের ব্র্যান্ডি বা ওয়াইন এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অবিশ্বাস্য কম খরচে থাকার ব্যবস্থা পর্যটকদের মুগ্ধ করছে।

অবকাঠামো বা সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য এই অঞ্চলটি রাশিয়ার আর্থিক সহায়তার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। তবে রাজনীতি এবং ভূ-রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সোভিয়েত ইতিহাস, রহস্য এবং কম খরচে রোমাঞ্চের খোঁজে প্রতিবছর হাজার হাজার ভ্রমণপিপাসু এখন ‘মানচিত্রহীন’ এই দেশে ভিড় জমাচ্ছেন!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় ফুল শাপলা, পাঠ্যবইয়ে আছে, গোদাগাড়ীতে বিলুপ্তির পথে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ এম


জাতীয় ফুল শাপলা, পাঠ্যবইয়ে আছে, গোদাগাড়ীতে বিলুপ্তির পথে

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চলে খাল, বিল, পুকুর, নালা, ডোবা ও উন্মুক্ত জলাশয়গুলো এখন আর তেমনভাবে দেখা যাচ্ছে না। গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও জাতীয় ফুল শাপলা ও ঢ্যাপের অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। লাল শাপলা তো দূরের কথা।

জাতীয় ফুল শাপলা বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। শাপলা ফুল বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। একটি নতুন রাজনৈতিক দল দলীয় প্রতীক হিসেবে শাপলা ফুল পেতে চেয়েও পাননি। সকল বয়সের মানুষের কাছে এই ফুলটি সমাদৃত। যেকোনো পুকুর, বিল, ডোবা নালায় জন্ম নিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কিন্তু প্রকৃতির বিরূপ প্রভাব, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং মানবসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতার কারণে মুক্ত জলাশয় বিলুপ্ত হচ্ছে এবং শাপলা ফুল হারিয়ে যাচ্ছে। শাপলা ফুলের সেই সমারোহ আর চোখে পড়ে না। দিনে দিনে শাপলা-শালুক যেন একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। অথচ ১৫-২০ বছর আগে বড় বড় পুকুর, ডোবা ও বিলের বুক জুড়ে শাপলা ফুলের দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্য ছিল। শরৎকালে দীঘি ও বিলের বুক জুড়ে প্রকৃতি অন্যরকম সাজে সেজে উঠত। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখা যেত চারদিকে ফুটন্ত সাদা ও লাল শাপলার সমারোহ। মনে হতো, এ যেন শাপলা ফুলের জগৎ।

এক সময় গ্রাম-গঞ্জে ডোবা-নালায় এবং খালেবিলে আমাদের জাতীয় ফুল শাপলার সমারোহ ছিল দেখার মতো। বর্ষা থেকে শরতের শেষ পর্যন্ত নদী-নালা, খাল-বিল, জলাশয়ের নিচু জমিতে প্রচুর পরিমাণে শাপলা, শালুক ও ঢ্যাপ ফুল জন্মাত। লাল কিংবা সাদা শাপলা দেখে মুগ্ধ হন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল এবং বিপন্নের পথে জলাভূমির ফল ঢ্যাপ।

শাপলা ফুল শুধু পরিবেশ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। এছাড়া এ ফুলের গাছের শিকড় ও মাথা ফেলে দেওয়ার মতো নয়। শাপলার নরম ডাঁটা, মাথা ও গোড়ায় জন্ম নেওয়া ড্যাপ এবং শালুক সবই মুখরোচক পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য উপাদান। শাপলার গাছ বা ডাঁটা পানির গভীরতায় ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। মাছ-মাংস রান্নায় উৎকৃষ্ট তরকারি হিসেবে এর ডাঁটা জনপ্রিয়। শালুক আগুনে পুড়িয়ে কিংবা সেদ্ধ করে খাওয়া হয়। আগের দিনে শরতের শেষে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিলজুড়ে শালুক তোলার ধুম পড়ে যেত। শালুক পোড়া গন্ধ এখনো প্রবীণদের শৈশবের কথা মনে করিয়ে দেয়। শাপলা ও পদ্ম সাধারণত দিঘী বা বিলে ফুটে থাকে। তখন গ্রামের ছেলে-মেয়েরা সাঁতার কেটে এই ফুল তুলে আনত। শাপলাকে দুভাবে কেটে মালার মতো করে একজন অপরজনের গলায় পড়িয়ে দিত। রসবোধ ও সৌন্দর্য হারিয়ে যাচ্ছে মহাকালের অতল গহ্বরে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তনের কারণে আগের মতো সঠিক সময়ে বন্যা হচ্ছে না। এছাড়া আবাদি জমিতে অপরিমিত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে অনেক শাপলা বীজ বা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা মা শালুক বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে নতুন করে শাপলার গাছ জন্ম হচ্ছে না। এখন শরৎকাল শেষ হলেও বড় বড় দীঘি ও জলাশয়ে দেশের কোথাও সেই আগের মতো শাপলা-শালুকের দেখা মেলেনা। এ জলজ উদ্ভিদ আজ বিলুপ্তির পথে।

এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ২০ বছরে শাপলার অস্তিত্ব কতটুকু টিকে থাকবে, তা দেখার বিষয়। এলাকাবাসী বলছেন, বর্তমানে গ্রাম-বাংলায় বিভিন্ন খালেবিলে অতিরিক্ত পুকুর খনন, কৃষি জমিতে ও রাস্তার ধারের নয়নজুলিত ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ, অতি মাত্রায় নিচু জমিতে কীটনাশক ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল ও ঢ্যাপ। শাপলার ফলকেই 'ঢ্যাপ' বলা হয়। কিছু আঞ্চলিক নামে 'ভেট' বলা হয়। এক সময় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটি বিরাট অংশ শাপলা ফুলের ডাঁটা তরকারি হিসেবে খেতেন। শুধু তাই নয়, এই ঢ্যাপ আমাশয়, বদ হজম এবং রক্ত আমাশয় নিরাময়ের জন্য কার্যকরী বলেও প্রচলিত রয়েছে গ্রামে।

দেশের বিভিন্ন বিলে অপরিকল্পিতভাবে অতিরিক্ত পুকুর খনন, কৃষি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের ফলে শাপলা ফুল আজ বিলুপ্তির পথে। বিভিন্ন বিল ও জলাশয়, যেখানে প্রাকৃতিকভাবে মাছ চাষ হতো, সেগুলো এখন পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষের আওতায় নিয়ে আসার কারণে সেখানে আর শাপলা ফুল জন্মাতে পারে না। প্রাচীনকাল থেকেই শাপলার ফল (ঢ্যাপ) দিয়ে চমৎকার সুস্বাদু খৈ তৈরি হয়। অনেকে শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য হওয়ায় এলাকার লোকজন শাপলা তুলে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করতো।

বর্তমান সভ্যতায় বাড়তি জনগণের চাপের কারণে আবাদি জমি ভরাট করে বাড়ি, পুকুর, মাছের ঘের বানানোর ফলে বিলের পরিমাণ কমে গেছে। যার কারণে শাপলা জন্মানোর জায়গাও কমে আসছে। গ্রাম বাংলার আনাচে-কানাচে অহরহ দেখা যেত জলে ভাসা ফুলটি। তবে এখন অযত্ন আর অবহেলায় জাতীয় ফুল শাপলা হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সকালে অথবা চাঁদনি রাতে বিলে-ঝিলে বা জলাশয়ে ফুলটি যখন অনেক ফুটে থাকে, তখন সেখানে এক অপরূপ সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয়। বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় খাল-বিল, জলাশয় ও নিচু জায়গায় পানি জমা থাকলে সেখানেই প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয় আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা। দিন দিন দেশের বিল, ঝিল, খাল, নদী দখল, ভরাট, জমিতে অতি মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে শাপলাফুল।

কিন্তু শাপলা ফল' বা 'ঢ্যাপ প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। এক সময় গোদাগাড়ীর বিল পাতিকলা, দুর্গাদহ, সিধনা বিল, ঝিকড়া বিলসহ পুকুর, ডোবা, মুক্ত জলাশয়ে এবং তানোর উপজেলার কুমারী বিল ও পুকুর, খাল ও জলাশয়ে শাপলা ফুল ফুটত। এসব খাল জলাশয়, পুকুর ও বিল থেকে শাপলা ফুল ও ঢ্যাপ তুলে উপজেলার হাট বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন অনেকেই। কিন্তু আস্তে আস্তে ভরাট হয়ে যাচ্ছে জলাশয়, খাল, বিল। অপর দিকে দুই উপজেলা সরকারি খাস পুকুরগুলো সরকারিভাবে লিজ দেয়ার কারণে বানিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করা হচ্ছে, গোবর, মরা মুরগি, হাঁসমুরগির নাড়িভুঁড়ি পানিকে আরও বিষাক্ত করে পচা দুগন্ধে পরিণত করছে। আবার অনেক পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। ফলে দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল ও ঢ্যাপ। শাপলার ফল বা ঢ্যাপ দিয়ে চমৎকার সুস্বাদু খই ভাজা হয়। যেটি গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কাছে 'ঢ্যাপের খই' নামে পরিচিত।

এ ঢ্যাপের মধ্যে অসংখ্য বীজদানা থাকে। এসব বীজদানা রোদে শুকিয়ে চাল তৈরি করা হয়। ঢ্যাপের পুষ্টিকর চাল থেকে তৈরি করা হয় খই ও নাড়ু। খালবিল ও জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক জলাভূমিগুলো ধ্বংসের কারণে সুস্বাদু ঢ্যাপ বিলুপ্ত হচ্ছে বলে অনেকেই মনে করেন। গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক কমিশনার মুকুল বলেন, আগে বাড়ির আশেপাশের পুকুর, ধানী জমির জলাশয়ে ফুটে থাকা শাপলার (লাইল) কাঁচা ও রান্না করে খাওয়ার পাশাপাশি ভ্যাট নামে পরিচিত ফল দিয়ে খই বানিয়ে খেতাম। কিন্তু এখন তো এগুলো দেখাই যায় না। যুবকেরা শাপলার ফল, ফুল সংগ্রহ করতে পানিতে নামতো ঝোঁক কামড় দিয়ে রক্তবের করে দিত। ঝোঁক মারতে সবাই লবন (নুন) ব্যবহার করতো।

দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইফতিখার হোসেন বলেন, দেশে বাড়তি জনগণের চাপের কারণে পুকুর, জলাশয় ও আবাদী জমি ভরাট করে বাড়িসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ, পুকুরে বানিজ্যিকভাবে মাছ করার ফলে এখন পুকুর, জলাশয়ও নাই, তাই শাপলা ফুল আর দেখা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

মুন্ডুমালা পৌর এলাকার সহকারী শিক্ষিকা আসিফা খাতুন বলেন, এক সময় তানোর বিল কুমারী বিলে প্রচুর পরিমাণে শাপলা ফুল ফুটত। কিন্তু এখন আর দেখা যাচ্ছে না। তারা বলেন, তানোর বিল কুমারী বিল থেকে হারিয়ে গেছে, জাতীয় ফুল শাপলা, শালুক, লিঘাড়, সিঙ্গার, পদ্ম ফুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির জলজ ফুল ও ফল।

গোদাগাড়ী উপজেলার সাবেক নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, বাসার সামনে একটি বড় পুকুর আছে সেখানে শাপলা আছে বেশকিছু ফুলও ফুটে থাকে, দেখতে সুন্দর লাগে। কেউ না উঠালে, এগুলি এমনি বৃদ্ধি পেতে থাকে। জনপ্রতিনিধি, সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কাজে এসে এ শাপলা ফুলের ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করে আনন্দ উপভোগ করতো। উপজেলার বিভিন্ন বিল, পুকুরে প্রচুর শাপলা ফুটতো, এখন আর এগুলি দেখা যায় না। খই, নাড়ুসহ বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার তৈরী হত। তিনি আরও জানান, শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল। এই জাতীয় ফুলকে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। এলাকার মানুষ ইচ্ছা করলে বাসাবাড়ীর পাশের পুকুর সুন্দর দৃশ্যের জন্য করতে পারেন।

শীব নদীর উপশাখা বিল কুমারী বিল ও ট্যাংরা বিলে আমাদের বাপ-দাদা এক সময় মাছ ধরার পাশাপাশি শাপলা ফুল ও বিভিন্ন জলীয় ফল তুলে বাজারে বিক্রি করতো। কিন্তু এখন আর ফুটে না, তাই দেখা যায় না জাতীয় ফুল শাপলা, পদ্ম ফুল ও শালুকসহ জলীয় ফুল ও ফল। তিনি বলেন, এক সময় বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয়েও জাতীয় ফুল শাপলা হরহামেশা দেখা যেত। কিন্তু এখন আর পুকুর, খাল, জলাশয়েও দেখা যায় না জাতীয় ফুল শাপলা।

উপজেলা কৃষি কর্মকতা মরিয়ম আহমেদ এ প্রতিবেদককে জানান, জলবায়ু ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে সঠিক সময়ে বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। বর্ষা শেষ না হতেই খাল-বিল ও জলাশয়গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে এবং লবণাক্ততা বেশি হওয়ার ফলে এলাকায় শাপলা জন্মানোর ক্ষেত্র বিনষ্ট হচ্ছে। এছাড়া আবাদি জমিতে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে অনেক শাপলা বীজ বা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা মা-শালুক বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে নতুন করে শাপলার গাছ জন্মাচ্ছে না। ফলে দিনে দিনে আমাদের জাতীয় ফুল শাপলার বিলুপ্তি ঘটছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের চারটি মদের গুদাম সিলগালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ এম


সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের চারটি মদের গুদাম সিলগালা

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের চারটি ওয়্যারহাউজ সিলগালা করা হয়েছে, যেগুলোতে ‘অননুমোদিত’ভাবে শুল্কমুক্ত মদ রাখার অভিযোগ রয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার গভীররাতে গুলশানের ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এ এক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেসব ওয়্যারহাউজ সিলগালা করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এনবিআর জানায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এ অভিযানটি পরিচালনা করেছে।

এনবিআর-এর বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিকভাবে ‘গুরুতর অসঙ্গতি’ পাওয়ার কারণে ‘অধিকতর যাচাইয়ের জন্য’ ওয়্যারহাউজগুলো সিলগালা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%