রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৬ পি.এম
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এক প্রসূতি মা কোনো ধরনের সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়াই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে উপজেলার বারইয়ারহাটের বিএম হাসপাতালে এই তিন নবজাতকের জন্ম ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রামগড় থেকে চিকিৎসার জন্য প্রসূতি মা বিএম হাসপাতালে আসেন। এরপর ডা. সৈয়দা ফারহিন আজম ও সিনিয়র নার্স হাসনা হেনার তত্ত্বাবধানে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে দুটি ছেলে এবং একটি মেয়ের জন্ম দেন তিনি। তিন নবজাতকের মধ্যে বর্তমানে দুজন সুস্থ রয়েছে। অন্য নবজাতকটি তুলনামূলক কম ওজন নিয়ে জন্ম নেওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে। সেখানে শিশুর বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে।
নবজাতকের পিতা আনোয়ার হোসেন বলেছেন, "একসঙ্গে তিন সন্তানের বাবা হতে পেরে আমি ও আমার পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। আল্লাহর রহমতে মা ও দুই সন্তান সুস্থ আছে। আরেক সন্তানকে এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।" বিএম হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
বিএম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ওসমান গনি ভূঞা রাহাত জানিয়েছেন, "একসঙ্গে তিন সন্তানের নরমাল ডেলিভারি নিঃসন্দেহে একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। তবে অভিজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় কোনো ধরনের সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়াই সফলভাবে ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে। মা ও দুই নবজাতক বর্তমানে সুস্থ আছে। অপর নবজাতকটি কম ওজন নিয়ে জন্ম নেওয়ায় তাকে এনআইসিইউতে রেখে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারের শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি লরির কয়েকটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়েছে। এই বিস্ফোরণের ফলে কারখানার একটি ফ্লোরে আগুন লেগে যায়। এ সময় সেখানে সাড়ে তিনশত শ্রমিক কাজ করছিলেন। এই ঘটনায় ৭ জন আগুনে দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফএনএফ কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আগুনের ভয়াবহতায় শ্রমিকরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করলে বেশ কিছু শ্রমিক আহত হন। তাদের পরে স্থানীয় মা ও শিশু হাসপাতালসহ নিকটবর্তী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ফায়ার সার্ভিস রাত সাড়ে ৯টায় জানিয়েছে যে, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম রাত ৯টায় যুগান্তরকে জানান, প্রাথমিকভাবে বয়লার বিস্ফোরণের কথা শোনা গেলেও আসলে লরিভর্তি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে এই আগুনের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কারখানায় আগুনের ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া যুগান্তরকে বলেন, ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। বিস্ফোরণটি সিলিন্ডার থেকে হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভেতরে প্রচণ্ড আগুন থাকায় উদ্ধারকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে পুরো এলাকায় প্রবেশ করতে পারছেন না। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর হতাহতের সঠিক সংখ্যা জানানো হবে।
পুলিশ জানায়, রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামগড়া চৌরাস্তা এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফ অ্যান্ড এফ কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সোলেমান বলেন, বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর আগুন ও বিস্ফোরণের আঘাতে কয়েকজন আহত হন। তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি দুইজন দগ্ধ ও গুরুতর আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বিস্ফোরণের ধাক্কায় পাশের সড়কে থাকা রিকশাচালকসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
নারী ও শিশু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক হারুন অর রশীদ বলেন, আগুনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫ থেকে ৭ জন দগ্ধ বা আহত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন কিশোরগঞ্জের মাটি ও মানুষের সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির শক্তিতে রূপ দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। তিনি কৃষি ও কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি জেলার পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলোর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, পর্যটন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও গ্রামীণ শিল্পের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কিশোরগঞ্জের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
সভায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন উল্লেখ করেন, কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো চাল ও পনির জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি বলেন, "এ স্বীকৃতিকে কাজে লাগিয়ে পণ্য দুটির উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও প্রসারে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।" তিনি আরও জানান, হাওরাঞ্চলে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা হাঁসের খামারকে ঘিরেও সম্ভাবনা রয়েছে। হাঁসের খামার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি ভ্যাকসিনসহ যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণে উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে। তিনি জানান, উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য একটি উদ্যোক্তা ডাটাবেইজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে জেলার সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের চিহ্নিত করে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, "কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, পর্যটন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, গ্রামীণ শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসাসহ সম্ভাবনাময় প্রতিটি খাতেই উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে।" এসব খাতের বিকাশের মাধ্যমে একদিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে জেলার অর্থনৈতিক কর্মকা-ও আরও বিস্তৃত হবে।
সভায় জেলার পর্যটন শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জেলার পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলোর উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান মারুফ, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান, জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. আসাদুজ্জামান কাউছার, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এবং জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আশরাফুল ইসলাম তালুকদার।
এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬ থেকে ২০৩০ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সৌর বিদ্যুৎ সিস্টেম স্থাপনের জন্য বেসরকারি সর্ভিস প্রোভাইডার নির্বাচন ও তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিতকরণের জন্য একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল রবিবার বিকেলে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সদর দপ্তর (চাটমোহর) এর বোর্ড রুমে এই মতবিনিময় সভা এবং অনলাইন জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। জুম মিটিংয়ের সভাপতিত্ব করেন নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের সভাপতি মোঃ এনামুল হক, সমিতি বোর্ডের সচিব আঃ হান্নান, এলাকা পরিচালক সাইফুল ইসলাম খান, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (কারিগরী) মোঃ জিল্লুর রহমান সোহেল, এজিএম মোঃ আব্দুল খালেক, এজিএম নাজমুল হাসান, এজিএম মোঃ সাবির হোসেন, এজিএম রফিকুল ইসলাম, এজিএম আনওয়ারুল হক, এজিএম মাহবুবুর রহমান, এজিএম মোঃ রিপন মিয়া, দৈনিক আমাদের বড়াল সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আঃ কুদ্দুস সরকার প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট মহানগরী ও অধিক্ষেত্র এলাকার টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি আধুনিকীকরণে (Modernization) সুপরিকল্পিত উন্নতীতে রূপান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি সমাজ, প্রতিষ্ঠান ঐতিহ্যবাহী ব্যবস্থাকে উন্নত, বিজ্ঞানসম্মত এবং সমসাময়িক যুগের উপযোগী ব্যবস্থায় পদার্পণে প্রযুক্তি, অর্থনীতি, চিন্তা-ভাবনা এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের পরামর্শ ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় নাইওরপুলে সিউকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সিলেট প্রেসক্লাব, সিলেট জেলা প্রেসক্লাব, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সিউকের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ সহযোগিতা কামনা করেন সিলেটের ডায়ানামিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব লোদী।
সভাটি সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রাণবন্ত সঞ্চালনা করেন উকের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদ।
এ সময় সিউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘সিলেটকে বাসযোগ্য আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটনবান্ধব পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বহুমুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সিউক।
যুগোপযোগী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘গ্রিন ইকো হাউজিং প্রজেক্ট’কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার মাঠ, বনায়ন, উন্মুক্ত স্থানসহ পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজে নেমেছে সিউক।
এছাড়া ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সুচিন্তিত মতামত ও গঠনমূলক পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ। সে নিরিখে গণমাধ্যমের সহযোগিতা সিউকের পথচলাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাবেক নন্দিত জনপ্রতিনিধি ও সিউক চেয়ারম্যান কয়েছ লোদী।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সিলেটের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি কার্য্যক্রম সহজীকরণে গুরুত্বারোপ করেন।
একই সঙ্গে সিলেটের পরিকল্পিত উন্নয়নে সিউকের ইতিবাচক উদ্যোগে সাংবাদিক সমাজের সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন উপস্থিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের বিভাগীয় প্রতিনিধি ইকরামুল সিদ্দিকী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিনসহ নির্বাহী কমিটির সদস্যরা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইমজার সাধারণ সম্পাদক আনিস রহমান, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের মধ্যে সময় টিভির বিশেষ প্রতিনিধি একরামুল কবির, দৈনিক যুগান্তরের সংগ্রাম সিংহ, দৈনিক ইনকিলাবের ফয়সল আমীন, কালবেলার মিঠু দাস জয়, ডিবিসির প্রত্যুষ তালুকদার, বাংলা টিভির কাইয়ুম উল্লাস, মাছরাঙ্গা টিভির শুভ্র দাস, এটিএন নিউজের কামরুল ইসলাম মাহী, এখন টিভির সমীরণ দাস, চ্যানেল আইয়ের সাদিকুর রহমান সানী, প্রথম আলোর মানবধী সিংহ, বিডিনিউজ২৪-এর বাপ্পা ঘোষ, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের দেবাশীষ দেব এবং সিলেটের মানচিত্রের সম্পাদক ফয়সল আহমদ বাবলুসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ