রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫০ পি.এম
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন কিশোরগঞ্জের মাটি ও মানুষের সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির শক্তিতে রূপ দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। তিনি কৃষি ও কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি জেলার পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলোর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, পর্যটন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও গ্রামীণ শিল্পের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কিশোরগঞ্জের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
সভায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন উল্লেখ করেন, কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো চাল ও পনির জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি বলেন, "এ স্বীকৃতিকে কাজে লাগিয়ে পণ্য দুটির উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও প্রসারে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।" তিনি আরও জানান, হাওরাঞ্চলে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা হাঁসের খামারকে ঘিরেও সম্ভাবনা রয়েছে। হাঁসের খামার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি ভ্যাকসিনসহ যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণে উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে। তিনি জানান, উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য একটি উদ্যোক্তা ডাটাবেইজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে জেলার সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের চিহ্নিত করে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, "কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, পর্যটন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, গ্রামীণ শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসাসহ সম্ভাবনাময় প্রতিটি খাতেই উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে।" এসব খাতের বিকাশের মাধ্যমে একদিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে জেলার অর্থনৈতিক কর্মকা-ও আরও বিস্তৃত হবে।
সভায় জেলার পর্যটন শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জেলার পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলোর উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান মারুফ, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান, জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. আসাদুজ্জামান কাউছার, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এবং জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আশরাফুল ইসলাম তালুকদার।
এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬ থেকে ২০৩০ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সৌর বিদ্যুৎ সিস্টেম স্থাপনের জন্য বেসরকারি সর্ভিস প্রোভাইডার নির্বাচন ও তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিতকরণের জন্য একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল রবিবার বিকেলে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সদর দপ্তর (চাটমোহর) এর বোর্ড রুমে এই মতবিনিময় সভা এবং অনলাইন জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। জুম মিটিংয়ের সভাপতিত্ব করেন নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বোর্ডের সভাপতি মোঃ এনামুল হক, সমিতি বোর্ডের সচিব আঃ হান্নান, এলাকা পরিচালক সাইফুল ইসলাম খান, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (কারিগরী) মোঃ জিল্লুর রহমান সোহেল, এজিএম মোঃ আব্দুল খালেক, এজিএম নাজমুল হাসান, এজিএম মোঃ সাবির হোসেন, এজিএম রফিকুল ইসলাম, এজিএম আনওয়ারুল হক, এজিএম মাহবুবুর রহমান, এজিএম মোঃ রিপন মিয়া, দৈনিক আমাদের বড়াল সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আঃ কুদ্দুস সরকার প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট মহানগরী ও অধিক্ষেত্র এলাকার টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি আধুনিকীকরণে (Modernization) সুপরিকল্পিত উন্নতীতে রূপান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি সমাজ, প্রতিষ্ঠান ঐতিহ্যবাহী ব্যবস্থাকে উন্নত, বিজ্ঞানসম্মত এবং সমসাময়িক যুগের উপযোগী ব্যবস্থায় পদার্পণে প্রযুক্তি, অর্থনীতি, চিন্তা-ভাবনা এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের পরামর্শ ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় নাইওরপুলে সিউকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সিলেট প্রেসক্লাব, সিলেট জেলা প্রেসক্লাব, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সিউকের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ সহযোগিতা কামনা করেন সিলেটের ডায়ানামিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব লোদী।
সভাটি সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রাণবন্ত সঞ্চালনা করেন উকের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদ।
এ সময় সিউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘সিলেটকে বাসযোগ্য আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটনবান্ধব পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বহুমুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সিউক।
যুগোপযোগী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘গ্রিন ইকো হাউজিং প্রজেক্ট’কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার মাঠ, বনায়ন, উন্মুক্ত স্থানসহ পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজে নেমেছে সিউক।
এছাড়া ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সুচিন্তিত মতামত ও গঠনমূলক পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ। সে নিরিখে গণমাধ্যমের সহযোগিতা সিউকের পথচলাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাবেক নন্দিত জনপ্রতিনিধি ও সিউক চেয়ারম্যান কয়েছ লোদী।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সিলেটের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি কার্য্যক্রম সহজীকরণে গুরুত্বারোপ করেন।
একই সঙ্গে সিলেটের পরিকল্পিত উন্নয়নে সিউকের ইতিবাচক উদ্যোগে সাংবাদিক সমাজের সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন উপস্থিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের বিভাগীয় প্রতিনিধি ইকরামুল সিদ্দিকী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিনসহ নির্বাহী কমিটির সদস্যরা।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইমজার সাধারণ সম্পাদক আনিস রহমান, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের মধ্যে সময় টিভির বিশেষ প্রতিনিধি একরামুল কবির, দৈনিক যুগান্তরের সংগ্রাম সিংহ, দৈনিক ইনকিলাবের ফয়সল আমীন, কালবেলার মিঠু দাস জয়, ডিবিসির প্রত্যুষ তালুকদার, বাংলা টিভির কাইয়ুম উল্লাস, মাছরাঙ্গা টিভির শুভ্র দাস, এটিএন নিউজের কামরুল ইসলাম মাহী, এখন টিভির সমীরণ দাস, চ্যানেল আইয়ের সাদিকুর রহমান সানী, প্রথম আলোর মানবধী সিংহ, বিডিনিউজ২৪-এর বাপ্পা ঘোষ, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের দেবাশীষ দেব এবং সিলেটের মানচিত্রের সম্পাদক ফয়সল আহমদ বাবলুসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎ রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিসিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ সম্রাট এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিনারসহ নবগঠিত দুই কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে নবগঠিত নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "কমিটিতে নেতৃত্বে আসায় দল ও দেশের প্রতি নেতৃবৃন্দের দায়বদ্ধতাও অনেক বেড়ে গেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে যুবদলের নেতাকর্মীরা যে ভূমিকা পালন করেছেন, তা প্রশংসনীয়। এখন সংগঠনের এই শক্তিকে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যুবদলের নেতাকর্মীদের সবসময় ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হবে। "মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে, মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিতে হবে।" রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, "ফ্যাসিবাদীরা এখনও নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে।" তিনি যুবদলের নতুন নেতৃত্বকে দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন। যেকোনো ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা প্রতিহত করতে সংগঠনের নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে হবে।
তিনি নবগঠিত জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে যুবদল আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে—এটাই প্রত্যাশা।" একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে তারা দেশ গঠন ও সিলেটের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন।
সাক্ষাৎকালে নবগঠিত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, রবিবার যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নতুন কমিটি অনুমোদন করা হয়। জেলা যুবদলের সভাপতি করা হয়েছে মোহাম্মদ মকসুদ আহমদকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আব্দুস সালাম টিপুকে। মহানগর যুবদলের সভাপতি হয়েছেন মির্জা মোহাম্মদ সম্রাট এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন হাজী দেলোয়ার হোসেন দিনার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুর জেলা যুবদলের ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, যার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন নজরুল ইসলাম মৃধা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে যুবদলের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে কমিটির তালিকা প্রকাশ করেন।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি লিয়াকত হোসেন, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক বাদল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুল ইসলাম।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি এই কমিটি অনুমোদন করেছেন। এছাড়া আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জেলা যুবদলের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে প্রেরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ