ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফিফার নতুন নিয়মে বিশ্বকাপ থেকে আগেভাগেই বিদায় ৫ দলের


ফিফার নতুন নিয়মে বিশ্বকাপ থেকে আগেভাগেই বিদায় ৫ দলের

২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ হতে না হতেই পাঁচটি দলের বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। বড় কারণ হিসেবে প্রতিটি ক্ষেত্রে রাখা হয়েছে ফিফার নতুন নিয়ম, যা বদলে দিয়েছে চেনা সমীকরণ।

দীর্ঘ সময় ধরে চলা নিয়ম অনুযায়ী পয়েন্ট সমান হলে আগে গোল ব্যবধান বিবেচনায় আসতো। তবে এবার সেই নিয়ম ভেঙে সবার আগে মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফলকে নজরে রাখা হয়েছে। ফলে কাগজে কলমে যাদের সুযোগ ছিল, তারা বাস্তবে আগে থেকেই অনেক দল ছিটকে পড়েছে।

গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বিদায় নিশ্চিত হওয়া দলগুলো হলো হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, জর্ডান, পানামা।

আরও পড়ুন: রোনালদোর সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণ জানালেন এরিক টেন হাগ

নতুন নিয়ম অনুযায়ী পয়েন্ট সমান হলে প্রথমে মুখোমুখি লড়াইয়ের ফল দেখা হবে। এরপর গোল ব্যবধান, গোলসংখ্যা, ফেয়ার প্লে রেকর্ড এবং শেষে ফিফা র‍্যাঙ্কিং বিবেচনা করা হবে। এই পরিবর্তনের কারণে কিছু দলের ভাগ্য দ্রুত নির্ধারিত হয়েছে।

গ্রুপ এল এ নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পানামা ঘানার বিরুদ্ধে খেলেছিল। তবে তারা ১-০ গোলে হেরে যাওয়ায় টানা দুই পরাজয়ে বিদায় নিশ্চিত হয়।

তুরস্কের বিদায় ছিল আরও হতাশাজনক। আর্দা গুলার ও কেনান ইলদিজদের দল দুই ম্যাচে ৬২টি শট নিয়েও কোনো গোল করতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়ার কাছে তারা ২-০ গোলে হেরে যাওয়ার পর প্যারাগুয়ের ১০ জনের বিরুদ্ধে গোল না করে বিদায় নেয় তারা।

হাইতির বিশ্বকাপ যাত্রাও দুই ম্যাচেই থেমে গেছে। ব্রাজিলের কাছে তারা ৩-০ গোলে হারের আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে হেরেছিল।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে ট্রেনে কাটা প‌ড়ে দুইজনের মৃত্যু

তিউনিসিয়া কোচ পরিবর্তন করেও ভাগ্য ফেরাতে পারেনি। তারা জাপানের কাছে ৪-০ গোলে হেরে টানা দ্বিতীয় পরাজয়ে বিদায় নিশ্চিত করে।

অন্যদিকে নবাগত জর্ডান সম্ভাবনার কাজ করতে পারেনি। তারা অস্ট্রিয়ার কাছে ৩-১ গোলে হারার পর আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয়।

ফিফার নতুন নিয়মে এবারের বিশ্বকাপ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। দুই ম্যাচের ফলেই দলের ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে, যা প্রত্যেক দলের জন্য চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে জাজিরার ৫ ব্যবসায়ীর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিমির বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


মিমির বিরুদ্ধে এফআইআরে স্থগিতাদেশ

আইনি লড়াইয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তার বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআর-এর কার্যকারিতায় স্থগিতাদেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত মিমির বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

বিচারপতি কৌশিক চন্দের একক বেঞ্চ এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছেন। বনগাঁর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে আয়োজক তনয় শাস্ত্রীর সঙ্গে মিমির বিরোধের ফলে আইনি জটিলতার সূত্রপাত ঘটে।

এটি চলতি বছরের জানুয়ারির ঘটনা। তনয় শাস্ত্রীর অভিযোগ, অনুষ্ঠানে মিমির উপস্থিত হওয়ার সময় ছিল রাত সাড়ে ১০টায়। তবে মিমি পৌঁছে যান প্রায় রাত পৌনে ১২টায়। এই কারণে প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সীমার ফলে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই অনুষ্ঠান শেষ করতে হয়।

তনয়ের দাবি, বিষয়টি মঞ্চে জানানো হলে অভিনেত্রী অপমানিত বোধ করেন এবং এরপর তিনি তার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন।

পরিস্থিতি ক্রমেই আইনি রূপ নেয়। দোল উৎসবের আগে, গত ২ মার্চ বনগাঁ আদালতে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা দাখিল করেন তনয় শাস্ত্রী।

সে সময় অভিযোগকারীর আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি জানিয়েছিলেন, 'মানহানি মামলায় ২০ লক্ষ টাকা দাবির পাশাপাশি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। মিমি নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠানে না এসেও ২ লাখ ৬৫ হাজার রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। দ্বিতীয় মামলা তারই ভিত্তিতে।'

তরুণজ্যোতি আরো অভিযোগ করেছিলেন, 'মিমির আচরণ যথার্থ ছিল না। প্রথমত, তিনি অনেক দেরিতে অনুষ্ঠানে আসেন। মাত্র ১৫ মিনিট অনুষ্ঠান করেন। রাত ১২টার পরে অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল না। ফলে, অনুষ্ঠান ওই সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হয়। মিমি সমস্ত দোষ অকারণে তনয়ের উপরে চাপিয়েছেন। মিথ্যা অভিযোগে তরুণজ্যোতির মক্কেলকে সংশোধনাগারে পাঠিয়েছেন। তনয় তাই তাঁর সঙ্গে ঘটা অন্যায়ের বিধান চান।'

তবে হাইকোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশে আপাতত মিমি স্বস্তি পেয়েছেন। আদালতের এই রায়ের পর তনয় শাস্ত্রীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএমই খাতকে চাঙ্গা করা সরকারের অগ্রাধিকার: শিল্পমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


এসএমই খাতকে চাঙ্গা করা সরকারের অগ্রাধিকার: শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিতে গতি আনতে এসএমই খাতকে চাঙ্গা করা সরকারের অগ্রাধিকার। এজন্য ব্যবসার শুরু থেকে পণ্য আমদানি বা রপ্তানি পর্যন্ত সময়কে ৩৫৫ দিন থেকে ১৪ দিনে নামিয়ে আনার পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিরতিহীন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

বুধবার (২৪ জুন) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সহযোগিতায় এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ : এসএমই খাতের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এসএমই খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি দেশের অর্থনীতির গতি অনেকাংশে এসএমই খাতের সম্প্রসারণের ওপর নির্ভর করে। এ খাতকে আরো শক্তিশালী করতে নতুন করে আরো বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য এসএমই খাতে প্রায় পাঁচ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

বিগত সরকার স্বল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করলেও তার প্রতিফলন অর্থনৈতিক উন্নয়নে দৃশ্যমান হয়নি।’

ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সদস্য ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ আলম। মতবিনিময়সভা সঞ্চালনা করেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।

মূল প্রবন্ধে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের জন্য এসএমই খাতের উন্নয়নে এসএমই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত ১১৩টি প্রস্তাবের মধ্যে ৩৬টি প্রস্তাব সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে আয়কর সংক্রান্ত ১২টি, ভ্যাট সংক্রান্ত ৫টি এবং শুল্ক সংক্রান্ত ১৯টি প্রস্তাব বাজেটে গৃহীত হয়েছে। প্রথমবারের মতো বাজেটের বিভিন্ন প্রস্তাবনায় সিএমএসএমই খাতের জন্য প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে এসএমই ফাউন্ডেশন মনে করে, এসএমই খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার প্রণীত জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২, জাতীয় এসএমই নীতিমালা ২০২৬ (খসড়া), ন্যাশনাল ট্যারিফ পলিসি ২০২৩ এবং রপ্তানি নীতিমালা ২০২৪-২০২৭ এ এসএমই খাতের জন্য বিভিন্ন কর ছাড় ও প্রণোদনার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে বাস্তবে এসব নীতিগত সুবিধা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছে না জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

তাই নীতিগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর ও শুল্ক সুবিধা কার্যকরভাবে প্রদান নিশ্চিত করা জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘এমএসএমই খাতের বিকাশের লক্ষ্যে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় এসএমই ফাউন্ডেশনসহ ৩টি সরকারি সংস্থার মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে যে ২ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ করা হয়েছে, তা আরো বৃদ্ধি করা এবং এসএমই ফাউন্ডেশেনের জন্য জন্য কমপক্ষে ৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা যেতে পারে। সরকারের ‘একটি গ্রাম, একটি পণ্য’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, সেখান থেকে এসএমই ফাউন্ডেশেনর জন্য অন্তত ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা যেতে পারে। এসএমই ফাউন্ডেশনের গবেষণা অনুযায়ী, দেশের ১৭৭টি শিল্প ক্লাস্টারে প্রায় ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তাই ক্লাস্টারভিত্তিক এসএমই উন্নয়নের বিকল্প নেই। এসএমই ক্লাস্টারের হলিস্টিক উন্নয়নের জন্য এসএমই ফাউন্ডেশনের অনুকূলে বছরে অন্তত ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা যেতে পারে।’

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশ কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই)। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশ সিএমএসএমই খাতে। এই খাতে প্রায় ৩ কোটিরও বেশি জনবল কর্মরত আছে। অধিক জনসংখ্যা এবং সীমিত সম্পদের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগী প্রায় ২২ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, যাদের ৬০ শতাংশই নারী উদ্যোক্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেমোক্রেটিক পার্টির নতুন কিং মেকার হিসেবে আবির্ভূত মামদানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


ডেমোক্রেটিক পার্টির নতুন কিং মেকার হিসেবে আবির্ভূত মামদানি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি সমর্থিত তিন প্রার্থী সকলেই বিজয়ী হয়েছেন, যার মধ্যে দুজন বর্তমান কংগ্রেস সদস্যকে পরাজিত করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের ফলাফল ডেমোক্রেটিক পার্টির অভ্যন্তরে পরিবর্তনের সম্ভাবনা এবং নতুন রাজনৈতিক ধারার উত্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে দলটির ভেতরের আদর্শগত বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নিউইয়র্কের ১৩তম কংগ্রেসনাল জেলায় মামদানির সমর্থিত ডারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ার বিজয়ী হন। সপ্তম জেলায় ক্লেয়ার ভালদেজ জয় অর্জন করেন, আর দশম জেলায় মামদানির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ব্র্যাড ল্যান্ডার বর্তমান কংগ্রেস সদস্য ড্যান গোল্ডম্যানকে পরাজিত করেন।

নির্বাচনে সাফল্যের পর বিজয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে উদযাপনে অংশ নিয়ে মামদানি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন চিন্তা ও ভিন্নধর্মী নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে।

এবারের নির্বাচনে ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যুও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। কয়েকজন প্রার্থী যুক্তরাষ্ট্রের ইসরাইল-সংক্রান্ত নীতির সমালোচনা করেন। বিজয়ী প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডার বলেন, এ বিষয়ে ডেমোক্র্যাটদের আরও স্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ করা প্রয়োজন।

কিন্তু সব আসনে প্রগতিশীল বা বামঘেঁষা প্রার্থীরা সফল হননি। নিউইয়র্কের ১২তম আসনে দলীয় মূলধারার সমর্থন পাওয়া মাইকা ল্যাশার বিজয়ী হয়েছেন। একইভাবে উটাহর একটি আসনেও মধ্যপন্থি প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে, রিপাবলিকান পার্টির রাজনীতিতেও নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ ক্যারোলিনার গভর্নর নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুরুতে তিনি পাম এভেটকে সমর্থন দিলেও পরে দুই প্রার্থীকেই সমর্থনের কথা জানান। শেষ পর্যন্ত অ্যালান উইলসন বড় ব্যবধানে জয়ী হন।

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প সমর্থিত আরও কয়েকজন গভর্নর প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পেতে ব্যর্থ হওয়ায় রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যে তার রাজনৈতিক প্রভাব আগের মতো শক্তিশালী রয়েছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এদিকে ট্রাম্পবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত কয়েকজন প্রার্থীও প্রত্যাশিত ফল পাননি। বিভিন্ন নির্বাচনে তাদের উল্লেখযোগ্য অংশ পিছিয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের প্রাথমিক নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে নতুন নেতৃত্ব এবং নতুন রাজনৈতিক ধারার উত্থান যেমন দৃশ্যমান হচ্ছে, তেমনি রিপাবলিকানদের মধ্যেও ট্রাম্পের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনের আগে দলীয় প্রার্থী নির্ধারণের জন্য যে ভোট অনুষ্ঠিত হয়, সেটিই প্রাথমিক নির্বাচন বা প্রাইমারি। এতে সংশ্লিষ্ট দলের ভোটাররা ঠিক করেন, সাধারণ নির্বাচনে তাদের দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন কে। বর্তমানে অনুষ্ঠিত এসব নির্বাচন ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ।

সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ বছর পর বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পাঠাগার ফের চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


১৭ বছর পর বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পাঠাগার ফের চালু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে দীর্ঘ ১৭ বছর পর উপজেলা পাঠাগার পুনরায় চালু করেছে প্রশাসন। শিশু, কিশোর ও তরুণদের মধ্যে জ্ঞানচর্চা, পাঠাভ্যাস এবং সৃজনশীল বিকাশে সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে সংস্কারের মাধ্যমে পাঠাগারটি নতুন নামে যাত্রা শুরু করছে।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেল ৩টায় উপজেলা প্রশাসন চত্বরে পুরনো ভূমি অফিস ভবনে স্থাপিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ‘বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’-এর উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাইদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারিকুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রবিউল হাসান ভূঁইয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, গণসংহতি আন্দোলনের স্থানীয় সমন্বয়ক শামীম শিবলীসহ বিভিন্ন সরকারের দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিভাবক, সুধীজন এবং শিক্ষার্থীরা।

জেলা প্রশাসক মো. আবু সাইদ বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস ধরে রাখা এবং মানুষের সৃজনশীল বিকাশে পাঠাগারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পাঠাগারটি আবার চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সুযোগ আরো বিস্তৃত হবে।

 

ইউএনও তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রন্থাগার এখন শুধুমাত্র গল্পের বই পড়ার জায়গা নয়। এখানে গল্প-উপন্যাসের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য প্রয়োজনীয় বইও রাখা হচ্ছে। মানুষকে আরো গ্রন্থাগারমুখী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

স্থানীয় তরুণরা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন গেমের প্রতি তরুণদের আসক্তির এই সময়ে পাঠাগার তাদের বইমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বই পড়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জ্ঞান সম্পর্কে জানার সুযোগ বাড়বে বলে তারা মনে করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু কালাম বলেন, শিক্ষার্থী ও তরুণদের পাশাপাশি আমাদের মতো প্রবীণরাও অবসর সময়ে এখানে এসে বই পড়ার সুযোগ পাবেন। এটি এলাকার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, একটি আলোকিত সমাজ গঠনে পাঠাগারের ভূমিকা অপরিসীম। মানুষকে বই পড়ায় উৎসাহিত করতে প্রতিটি এলাকায় উন্মুক্ত পাঠাগার প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে সপ্তাহের সাত দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত পাঠাগারটি খোলা থাকবে। পাশাপাশি নতুন বই সংযোজনের মাধ্যমে এর সংগ্রহ সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৭ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পাঠাগার প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে পাঠাগারের ভবন ভেঙে ফেলার পর এটি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ভবন সংকটের কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর এলাকাবাসী একটি পাঠাগার সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। পুরনো পাঠাগারের প্রায় তিন হাজার বই নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর তৎকালীন ইউএনও ফেরদৌস আরা নতুন পাঠাগার চালুর উদ্যোগ নেন। তবে তার অকাল মৃত্যুর কারণে উদ্যোগটি বাস্তবায়নে বিলম্ব হয়। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পাঠাগারটি পুনরায় চালু করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%